নিজস্ব প্রতিনিধি: আঙ্গুর চাষের প্রসার এবং কৃষকদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে একদিনের মাঠভিত্তিক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আঙ্গুর চাষের আধুনিক পদ্ধতি, সম্ভাবনা এবং বাজারজাতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এদিন নাবার্ডের অনুদানে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের মূল্যায়ন ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে অঞ্চলে আঙ্গুর চাষের সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে এবং কৃষকরা বিকল্প আয়ের নতুন পথ খুঁজে পাবেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিংকু রায়, জেলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস -সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠান শুরুর আগে মন্ত্রীবৃন্দ ও অতিথিরা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আঙ্গুর বাগান পরিদর্শন করেন। তারা বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং ফলের গুণগত মান ও মিষ্টতা যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তারা।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফলচাষে উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। এতে কৃষিক্ষেত্রে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: আঙ্গুর চাষের প্রসার এবং কৃষকদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে একদিনের মাঠভিত্তিক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আঙ্গুর চাষের আধুনিক পদ্ধতি, সম্ভাবনা এবং বাজারজাতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এদিন নাবার্ডের অনুদানে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের মূল্যায়ন ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে অঞ্চলে আঙ্গুর চাষের সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে এবং কৃষকরা বিকল্প আয়ের নতুন পথ খুঁজে পাবেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিংকু রায়, জেলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস -সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠান শুরুর আগে মন্ত্রীবৃন্দ ও অতিথিরা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আঙ্গুর বাগান পরিদর্শন করেন। তারা বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং ফলের গুণগত মান ও মিষ্টতা যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তারা।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফলচাষে উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। এতে কৃষিক্ষেত্রে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি ... ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করল দরিদ্র পরিবারের ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা মা । তার নাম অভিজিৎ দে । সে বির বিক্রম মেমোরিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র । তার বাড়ি যোগেন্দ্রনগর আদর্শ কলোনি এলাকায় । অন্ধ্র প্রদেশের আমালাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় সাব জুনিয়র এবং জুনিয়র পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতা। নজির গড়েন অভিজিৎ দে। জুনিয়র বিভাগে ৫৩ কে জিতে স্বর্ণ পদক জয়ের পাশাপাশি জাতীয় রেকর্ড করেন অভিজিৎ। ১৭৫ কে জি তুলে। প্রায় ৪০ বছর পর রাজ্যের কোনো খেলোয়াড় জাতীয় রেকর্ড করার গৌরব অর্জন করেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : বিলোনিয়ায় ৮.১৭ কোটির ৩ কৃষি প্রকল্প চালু | ২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর | রাজনগর ও বিসি নগরে ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন। বিলোনিয়া মহকুমায় কৃষি পরিকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ। একইদিনে ৮ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। কৃষকদের প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহ দিলেন মন্ত্রী।আজ রাজনগর ব্লকের পাশে ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এগ্রি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ-কাম-ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন হয়। একইদিনে বিলোনিয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের পাশে ১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকার কৃষি উপ-অধিকর্তার কার্যালয় এবং বিসি নগরে ৩ কোটি ১১ লক্ষ টাকার আরও একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু হল।কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। যন্ত্রপাতি থেকে প্রশিক্ষণ, সব দিচ্ছে সরকার। আমি অনুরোধ করব, রাসায়নিক সার কমিয়ে অন্তত ২৫ শতাংশ জমিতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করুন। জমি ফেলে রাখবেন না। ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’-এ সামিল হোন। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, বিধায়ক স্বপ্না মজুমদার সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা কৃষকদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে বলেন। সভাপতিত্ব করেন রাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ নাথ। স্বাগত ভাষণ দেন কৃষি অধিকর্তা ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া।নতুন এই তিনটি কেন্দ্রের মাধ্যমে বিলোনিয়া মহকুমার কৃষকরা আধুনিক চাষের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রশাসনের।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২৬-২৫ অর্থবছরে আগরতলা পুর নিগম ৯৭৫ কোটি ৯১ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ করেছে। বাজেটে ঘাটতি ৯৭ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। তবে নতুন কোনও কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।আজ আগরতলা পুর নিগমের কনফারেন্স হলে আয়োজিত সভায় মেয়র পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন। এদিন তিনি জানান, শহরবাসীর সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।মেয়র বলেন, পুর নিগমের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ই-বাজেট পেশ করা হয়েছে। রাজস্ব খাতে উদ্বৃত্ত থাকলেও মূলধনী খাতে অধিক ব্যয়ের কারণে সামগ্রিকভাবে ৯৭ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়ে মূলধনী ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। পাশাপাশি অর্থায়নের নতুন উৎস হিসেবে ১০০ কোটি টাকার মিউনিসিপ্যাল বন্ড চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া বহিঃসহায়তাপ্রাপ্ত ও কেন্দ্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলির ধারাবাহিক বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নিজস্ব রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর ও অন্যান্য নির্ধারিত রাজস্ব উৎসকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।মেয়র দীপক মজুমদার জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের এই বাজেট একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী আর্থিক কৌশলের প্রতিফলন। টেকসই নগর উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নাগরিক পরিষেবার সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করেই বাজেটটি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রত্যাশিত রাজস্ব উদ্বৃত্ত ভবিষ্যতে নগর উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
১ জুন ,২০২৬....বিশ্বব্যাঙ্ক অর্থায়িত ত্রিপুরা রুরাল ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্ট (TRESP)-এর ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশন (ISM) এবং মিড-টার্ম রিভিউ (MTR) আজ আগরতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দিনভর দুটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রকল্পের অগ্রগতি, সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সকাল ১১টায় প্রজ্ঞা ভবনের হল নং-৪-এ ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার বিভাগের সচিব ড. কে. শশীকুমার, আইএফএস-এর সভাপতিত্বে কিক-অফ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের টাস্ক টিম লিডার মিস প্রীতি কুমার, প্রজেক্ট ডিরেক্টর সুভাশিস দাস, বিভিন্ন সেক্টরের বিশ্বব্যাঙ্ক বিশেষজ্ঞ, সাতটি লাইন বিভাগের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক, পিআইইউ-র প্রোগ্রাম ম্যানেজার এবং সাপোর্ট এজেন্সির প্রতিনিধিরা।বৈঠকে ট্রেসপের চিফ অপারেটিং অফিসার শ্রী গজেন্দ্র ভার্মা প্রকল্পের বিভিন্ন ভার্টিক্যালের সামগ্রিক অগ্রগতি ও অর্জনের বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। বিশ্বব্যাঙ্ক দলের সদস্যরা শিক্ষা, জীবিকা, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, সড়ক ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।পরবর্তীতে বিকেল ৪টায় রাজ্য সচিবালয়ের হল নং-২-এ মুখ্যসচিব শ্রী জে. কে. সিনহা, আইএএস-এর সভাপতিত্বে ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশনের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিশ্বব্যাঙ্কের টাস্ক টিম লিডার মিস প্রীতি কুমার প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতিকে “Moderately Satisfactory” বলে অভিহিত করেন এবং গত ছয় মাসে ট্রেসপের কৌশলগত অগ্রগতি ও গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন অর্জনের প্রশংসা করেন।বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে কমিউনিটি ইনস্টিটিউশনগুলির প্রায় ৬০ শতাংশকে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাগ্রিগেশন, কালেক্টিভ মার্কেটিং এবং প্রডিউসার গ্রুপগুলিকে টেকসই ব্যবসায়িক মডেলের মাধ্যমে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রকল্প উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।বিশ্বব্যাঙ্ক দল প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং কাজের চাপ অনুযায়ী ক্লাস্টার পর্যায়ে মানবসম্পদ মোতায়েনের উপর গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি, ট্রেসপ বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের সুসংগঠিত সহযোগিতা ও বিভিন্ন বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।মুখ্যসচিব শ্রী জে. কে. সিনহা প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, অর্থ, লজিস্টিক, অবকাঠামো বা মানবসম্পদ সংক্রান্ত কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার তা যথাসম্ভব পূরণ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নির্বাচন আচরণবিধি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু ক্ষেত্রে কাজের গতি প্রভাবিত হলেও আগামী দিনে প্রকল্প আরও দ্রুত অগ্রসর হবে বলে তিনি আশাবাদী।২০২৪ সালে শুরু হওয়া ছয় বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের জন্য মিড-টার্ম রিভিউ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল অগ্রগতি মূল্যায়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা অনুধাবন, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কার্যকর কৌশল প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।আগামী কয়েকদিন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদল বিভিন্ন জেলা, ব্লক ও গ্রাম পরিদর্শন করে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করবে।