ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা
নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরার চায়ের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রাজ্যের উন্নত মানের চা এবার পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। শুক্রবার আগরতলার দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩.৩১ মেট্রিক টন উন্নত মানের ত্রিপুরার চা ইউরোপের দেশগুলিতে পাঠানোর প্রক্রিয়ার সূচনা করা হয়।এই উপলক্ষে দুর্গাবাড়ি চা কারখানা প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরার চায়ের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তারের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই ইউরোপের উদ্দেশ্যে চা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।ত্রিপুরার চা দীর্ঘদিন ধরেই তার গুণমান ও স্বাদের জন্য পরিচিত। রাজ্যের পাহাড়ি ও সবুজ পরিবেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার চায়ের চাহিদা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের বাজারে এই বিপুল পরিমাণ চা পাঠানোর উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।চা রপ্তানির ফলে রাজ্যের চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত চা শ্রমিক, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ত্রিপুরার চা’-এর পরিচিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজ্যের চা শিল্প ভবিষ্যতে আরও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা পাঠানোর এই আনুষ্ঠানিক সূচনা তাই ত্রিপুরার চা শিল্পের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজ্যের উৎপাদিত উন্নত মানের চা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ত্রিপুরার চা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিতে হিংসা কাঙ্খিত নয় ।বারবার হিংসা পঞ্চায়েত ভোটে অব্যাহত রয়েছে।তেপানিয়ায় আক্রান্ত কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।একদিকে খানিকটা সময় আগেই গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। কেও ভাবতেও পারেননি এমন ঘটনা ঘটবে ।সর্বত্র নিন্দার ঝড়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৮ সূর্য্য়মনীনগর বিধানসভায় জনতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগে সামিল জননেতা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল। উদয়োস্ত পদযাত্রার মাধ্যমে গোটা বিধানসভায় যাচ্ছেন ।এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনছেন ।এক সময় পিছিয়ে ছিল গোটা বিধানসভার জনগন ।রাম প্রসাদ পাল বিধায়ক হওয়ার পর সব্বাই যোগ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে মাথা তোলে দাঁড়াচ্ছেন । ঘর ঘর মোদী সরকারের সুজনের সুজুগ সুবিধা পাচ্ছেন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে ।গোটা বিধানসভার মানুষ জন্নেতাককে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।তিনি আমৃত্যু মানুষের চৌকিদার হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাট্রিক শপথ নিলেন মোদী।এই জয় দেশের অগ্রগতিকে তরান্বিত করবে।বক্তা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা আইনজীবী দেবদাস বকসী।প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন জানালেন আইনজীবী দেবদাস বকসী।তিনি বলেন ,রাজ্যের দুটি লোকসভা আসন এবং ৭ রামনগর বিধানসভায় উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোট নিয়ে বিজেপির জয় প্রমাণ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস মানেই বিজেপি ।রাজ্যের মুখ্যন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক নির্বাচনে ব্যাপক পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি রাজ্যে মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ,বিধায়ক ,কার্যকরী কমিটির সদস্য সবার শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ কাজেই এই জয় সম্ভব হয়েছে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে বিজেপি জয়ের মালা পড়তে অন্যতম আলোচিত নাম প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ।পাহাড় থেকে সমতলে দিনরাত পরিশ্রম করতে কার্পন্য করেননি ।বিপ্লব কুমার দেবের পশ্চিম আসনের এমপি হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।পাশাপাশি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তন হতেই অভিনন্দন জানান রানা ঘোষ।তিনি বলেন,দেশের এবং রাজ্যের মানুষ বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন। মোদীর হ্যাট্রিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সহায়ক ।ভারত আবার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : গোটা দেশ মোদীময় ।বুথ ফেরত সমীক্ষায় মোদীর প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা ।আগাম শুভেচ্ছা জানালেন শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার ।প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তায় শুভেচ্ছা স্মারক এবং চিঠি প্রেরন করেছে সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব কান্তি ভৌমিকের নেতৃত্বে গোটা পরিবার ।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মায়ের স্মৃতিতে স্মারক পাঠালেন ।রাজ্যে এই প্রথম শ্রেষ্ঠ ভূবন সামাজিক সংস্থা পরিবার উদ্যোগ নেওয়ার উদ্যোগে খুশি আপামর জনসাধারণ।
নিজস্ব প্রতিনিধি। : পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও মথা জোট প্রার্থী প্রাক্তন সি এম বিপ্লব কুমার দেব । মঙ্গলবার জেলা শাসকের হাতে মনোনয়ান জমা দ্বিয়েছেন । এই নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির প্রধান আলোচ্যে বিষয় । কেন্দ্রীয় প্রীতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে প্রাথী করা হয়নি ।বিপ্লব দেবকে রাজ্যসভার থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির ।মনোনায়ন দাখিলেও ছিল বিজেপির চাঁদের হাট । মুখমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাকে সঙ্গে নিয়েই বিপ্পব দেব মনোনায়ন দাখিল করেন । সঙ্গে ছিলেন মোথার সুপ্রিমো মহারাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মন । রের্কড ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী বিপ্লব কুমার দেব ।