Category

ধর্ম ও দর্শন

গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি
ধর্ম ও দর্শন

গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোৎসব। এই দূর্গোৎসবকে কেন্দ্রকরে সমস্ত ক্লাব যে যার সাধ্যমতো পূজার আয়োজনকরেথাকে। অন্যান্যবছরের ন্যায় এইবছরও মায়ের আরধনায় ব্রতীহলেন শান্তির বাজার মহকুমার গঞ্জেরটিলা বিপদনাশিনি মন্দির দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা। ছোটপরিসরে পূজার আয়োজনকরে লোকজনদের আনন্দ প্রদানে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে এইবছর মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়েছে। স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে এই মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়। পৌরানিক ধর্মগ্রন্থথেকে কিছুটা অংশ বাছাইকরে মানব মুর্তির আয়োজনকরাহয়। গঞ্জের টিলা দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি দেখারজন্য দক্ষিন জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্নস্থান থেকে দর্শকদের সমাগমঘটে। সপ্তমী পূজার রাতে মানব মুর্তি দেখার জন্য ব্যাপকহারে লোকসমাগম ঘটে। এই পূজানিয়ে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জাননা এই পূজা ১০ বছরে পদার্পন করেছে। এইবছরের পূজার বাজেট তিন থেকে সারে তিনলক্ষটাকা রাখাহয়েছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি পাঁচদিন ব্যপী দেখানো হবে। এইবছর মানবমুর্তি দ্বীতিয় বছরে পদার্পনকরেছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারাজানান পূজা শেষে উৎবৃত্ত অর্থ থাকলে উনারা এই অর্থদিয়ে সামাজিককর্মসূচী হাতেনেবেন।
October 18th, 2026
 দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা
ধর্ম ও দর্শন

দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: দুর্গাপুজো উপলক্ষে আগরতলা শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেল ঘুরে দেখেন এবং দুর্গামায়ের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি রাজ্যবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেন তিনি।এদিন আগরতলা শহরের রামঠাকুর সংঘ, কন্যাল চমণি, বুদ্ধমন্দির, অরবিন্দ সংঘ-সহ বিভিন্ন ক্লাবের দুর্গাপুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি মণ্ডপে পুজোর আয়োজন, প্রতিমা ও প্যান্ডেলের সাজসজ্জা ঘুরে দেখেন তিনি।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দুর্গাপুজো রাজ্যের মানুষের কাছে আনন্দ, উৎসাহ ও সম্প্রীতির এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। উৎসবের দিনগুলিতে যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে পুজো উপভোগ করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসন কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর সার্বিক মঙ্গল কামনা করে সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
October 15th, 2026
 সোমনাথ যাত্রার তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর  সাক্ষাৎ
ধর্ম ও দর্শন

সোমনাথ যাত্রার তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি ,আগরতলা: সোমনাথ যাত্রায় অংশ নেওয়া ৭২ জন তীর্থযাত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাংলোর কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের যাত্রার অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।এদিন মুখ্যমন্ত্রী তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের সোমনাথ যাত্রার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তীর্থযাত্রীরা তাঁদের যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা, সোমনাথ মন্দির দর্শন এবং তীর্থস্থানগুলিতে তাঁদের অনুভূতির কথাও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।সাক্ষাৎ শেষে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি সোমনাথ যাত্রা এবং তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক পর্যটনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।অনুষ্ঠানে তীর্থযাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়ে তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ধরনের উদ্যোগ তীর্থযাত্রাকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।এদিনের সাক্ষাৎকে ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাংলোয় এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়। তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ মতবিনিময়ের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে গোটা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
September 24th, 2026
নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা
ধর্ম ও দর্শন

নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়ম-নীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা অনুষ্ঠিত হলো ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। ভাদ্র মাসের শেষের দিকে প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মহলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় বিশ্বকর্মা পূজা।দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে কারিগরি, নির্মাণ ও শিল্পকর্মের দেবতা হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে আরাধনা করা হয়। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যানবাহন, নির্মাণকাজ, কারিগরি পেশা ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কাছে এই পূজার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দুই চাকার যানবাহন থেকে শুরু করে চার চাকার গাড়ি, বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র, যন্ত্রপাতি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। অনেক জায়গায় পূজাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণেরও আয়োজন করা হয়।সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ও কর্মস্থলে ভক্তদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পূজার মূল পর্ব। নিজেদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, সাফল্য, নিরাপত্তা এবং যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার কাছে প্রার্থনা করেন কর্মজীবী মানুষরা।বিশ্বকর্মা পূজাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহনের মালিক, চালক, কারিগর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন।
September 18th, 2026
নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে আস্তিকতার পরিবেশে আসার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
ধর্ম ও দর্শন

নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে আস্তিকতার পরিবেশে আসার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: গণেশ পূজা উপলক্ষে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতি বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভগবান গণেশের আশীর্বাদে বিরোধীদের সুবুদ্ধির উদয় হবে এবং সমাজে নেতিবাচক ও নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে ইতিবাচক ও আস্তিকতার পরিবেশ গড়ে তোলার দিকে সবাই এগিয়ে আসবেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণেশ পূজা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভগবান গণেশকে জ্ঞান, বুদ্ধি, শুভবুদ্ধি ও মঙ্গলময়তার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। তাই এই পবিত্র দিনে সকলের মধ্যে শুভবুদ্ধি, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য গড়ে উঠুক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।বিরোধীদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বান, রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও সমাজ ও মানুষের স্বার্থে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত। নাস্তিকতার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আস্তিকতা, আস্থা, নীতি ও মূল্যবোধের পরিবেশে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গণেশ পূজার এই শুভক্ষণে রাজ্যের সকল মানুষের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
September 13th, 2026
 জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন
ধর্ম ও দর্শন

জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :তেলিয়ামুড়ার ঘিলাতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত জলিলুর রহমানের মৃত্যু ও গরু চুরির ঘটনাকে ঘিরে এবার সরব হলো ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে তেলিয়ামুড়া থেকে ঘিলাতলী এলাকায় গিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জমিয়তের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মৃত জলিলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। মৃতের পিতা-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শোনেন এবং কী পরিস্থিতিতে জলিলুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও পরিবারের বক্তব্যও খতিয়ে দেখেন তারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর প্রতিনিধি দলটি তেলিয়ামুড়া থেকে আগরতলায় ফিরে আসে। এরপর আগরতলার গেদু মিয়া মসজিদে ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে জমিয়তের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরি এবং জলিলুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে যে তথ্য তারা পেয়েছেন, সেই বিষয়গুলিও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা।জমিয়তের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক এবং ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে মৃতের পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়েও প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়।এর আগে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে কল্যাণপুর থানার ওসির কাছেও ডেপুটেশন প্রদান করে জমিয়তের প্রতিনিধি দল। জমিয়তের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।জমিয়তের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মুফতি তৈয়ীবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক চান মিয়া-সহ অন্যান্য সদস্যরা।জলিলুর রহমানের মৃত্যু এবং ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর জমিয়তের সাংবাদিক সম্মেলনের ফলে বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। এখন পুলিশের তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং প্রকৃত ঘটনা কীভাবে প্রকাশ্যে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
September 11th, 2026
মানবতাই আসল ধর্ম , বার্তা রাজ্য সভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য্যের
ধর্ম ও দর্শন

মানবতাই আসল ধর্ম , বার্তা রাজ্য সভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য্যের

আগরতলা, ৪ সেপ্টেম্বর:শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিকে সামনে রেখে আগরতলার জগহরিমুড়াস্থিত শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে নতুন কমিউনিটি হল ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই কমিউনিটি হল ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।জানা গেছে, রাজ্যসভার সাংসদ শ্রী রাজীব ভট্টাচার্যের সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে একটি কমিউনিটি হল নির্মাণের জন্য অর্থরাশি প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে এই নির্মাণকাজের সূচনা হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও বিশেষ উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় বাসিন্দা, ভক্ত-অনুরাগী এবং মন্দির কমিটির সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের সংবাদমাধ্যমে প্রচারের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তাঁদের আশা, নতুন কমিউনিটি হলটি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
September 4th, 2026
প্রায় এক মাস কুড়ি দিন পর পুনরায় খোলা হলো উদয়পুরের ঐতিহ্যবাহী মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের প্রণামী বাক্স ও সিন্দুকগুলি
ধর্ম ও দর্শন

প্রায় এক মাস কুড়ি দিন পর পুনরায় খোলা হলো উদয়পুরের ঐতিহ্যবাহী মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের প্রণামী বাক্স ও সিন্দুকগুলি

নিজস্ব প্রতিনিধি:মঙ্গলবার সকালে মন্দির প্রাঙ্গণে থাকা মোট ১৭টি সিন্দুক ও প্রণামী বাক্স খুলে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনার কাজ শুরু হয়, যা দিনভর চলতে থাকে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।উল্লেখ্য, গত ১৮ই মে শেষবার প্রণামী বাক্স খোলা হয়েছিল, তখন প্রায় ২০ লক্ষ ৫২ হাজার টাকার অর্থ সংগ্রহ হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এদিনও বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। আরও জানা যায়, প্রণামী বাক্স থেকে শুধুমাত্র ভারতীয় মুদ্রাই নয়, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও উদ্ধার হয়েছে। এই বৈদেশিক মুদ্রার উপস্থিতি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরটি কেবলমাত্র দেশীয় ভক্তদের কাছেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।গণনার কাজ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গোমতী জেলার জেলাশাসক দপ্তরের পক্ষ থেকে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এই বিষয়ে ডেপুটি কালেক্টর চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায় জানান, নির্ধারিত নিয়ম মেনেই সম্পূর্ণ গণনার কাজ পরিচালিত হচ্ছে এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে গণনা শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
July 7th, 2026
শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে আজ সন্ধ্যায় ১০৮ টি কলসি দিয়ে হাওড়া নদী থেকে গঙ্গা আনয়ন করা হয়
ধর্ম ও দর্শন

শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে আজ সন্ধ্যায় ১০৮ টি কলসি দিয়ে হাওড়া নদী থেকে গঙ্গা আনয়ন করা হয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার সর্ববৃহৎ জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব- আশ্রম চৌমুহনীস্থিত হরেকৃষ্ণ মন্দিরের শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে আজ সন্ধ্যায় ১০৮ টি কলসি দিয়ে হাওড়া নদী থেকে গঙ্গা আনয়ন করা হয়। ত্রিপুরার সর্ববৃহৎ জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মাতাজীর জন্য গঙ্গা আনয়নের এই অনুষ্ঠানে ১০৮জন বৈষ্ণব মহিলার পাশাপাশি সংকীর্তনের টীমসহ অগণিত ভক্তদের ভীড় ছিল লক্ষ্যণীয়। প্রাচীন সনাতন সংস্কৃতির অঙ্গ আজকের এই অনুষ্ঠান আগরতলাবাসীর আকর্ষণের মূল কারণ ছিল। আগামীকাল সকাল থেকেই মন্দিরে থাকবে বিভিন্ন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান, তার মধ্যে মঙ্গল আরতি, কীর্তন মেলা, শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের মহাঅভিষেক, ৫৬ ভোগ নিবেদন এবং সর্বশেষে সবার জন্য সুস্বাদু কৃষ্ণপ্রসাদম প্রসাদ বিতরণ।
June 28th, 2026
আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়: মুখ্যমন্ত্রী
ধর্ম ও দর্শন

আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা: আস্থা ও বিশ্বাস মানুষের জীবনকে আলোকিত করে, আর আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়। নাস্তিকের মানসিকতা থেকে আস্তিকের পরিবেশে উত্তরণের এই যাত্রা মানবজীবনে শান্তি, মূল্যবোধ ও মানবিকতার বিকাশকে আরও সুদৃঢ় আজ বিশালগড়ে মা দক্ষিণেশ্বরী কালি মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন,আজ বিশালগড়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী মন্দিরের নবনির্মিত মন্দিরের উদ্বোধন করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। আগামীদিনে এই মন্দির আস্থা, বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। সমাজে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটলে, মানুষ একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আরও দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ হয়।  মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে পূর্বতন সরকার যারা চালিয়েছিলেন, তারা মন্দির বিশ্বাস করতেন না। তারা নাস্তিক। কিন্তু আমরা হচ্ছি আস্তিক। ২০১৮ সালে আমাদের সরকার আসার পর এখন সারা ত্রিপুরায় আস্তিকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই বিশ্বাস ও আস্থার উপর ভিত্তি করেই আমাদের আগামীদিনের পথচলা। বিশালগড়ের মা দক্ষিণেশ্বরী কালি মন্দিরের একটা সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। এটা শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, এরসঙ্গে একটা ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। এই মন্দিরটিকে পর্যটনে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা সেটা নিয়েও বলছেন অনেকে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে আমি কথা বলবো। কারণ সবকিছুরই একটা গাইডলাইন রয়েছে। আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসার পর গোটা ভারতবর্ষে একটা আস্তিকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি উন্নয়ন এবং ঐতিহ্যের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও গৃহ গর্ভের সূচনা করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আমি নিজেও সেখানে গিয়ে দেখে এসেছি। আর ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়ে ধর্ম ধ্বজা উত্তোলন করেন। এরপরই রাম মন্দিরের সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠা লাভ হয়। প্রধানমন্ত্রী একদিকে দেশকে শক্তিশালী করছেন, অন্যদিকে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে আমাদের ঐতিহ্য পরম্পরাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের ত্রিপুরার মানুষ অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিকাশ ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বারাণসীতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধ্যান কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে কয়েম্বাটুরে ১১২ ফুট উঁচু আদি যোগী শিবের মূর্তি উন্মোচন করেন। ২০২২ সালে একাদশ ভক্তি সাধক শ্রী রামানুজাচার্যের ২১৬ ফুট উঁচু মূর্তি উন্মোচন করেন। বারাণসীতে কাশি বিশ্বনাথ ধাম ও করিডোরের উৎসর্গ করেন। কেদারনাথ ধাম পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২১ সালে গুজরাটে সোমনাথ মন্দিরে সমুদ্র দর্শনের পথ নতুনভাবে মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। কিছুদিন আগে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের নতুন আঙ্গিকের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ শক্তিশালী হচ্ছে এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুশান্ত দেব, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।                                                                                                                            
June 17th, 2026