surga-image

Category

আন্তর্জাতিক

0আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।

March 12th, 2026
কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের
আন্তর্জাতিক

কৈলাসহর সীমান্তে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধের চেষ্টার নেপথ্যে চক্রান্ত, দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে চলা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে কিছু বিধর্মী উশৃঙ্খল যুবক মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পণ্য আদান-প্রদান জোরপূর্বক বন্ধ করার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতা ও আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সংগঠনের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঊনকোটি জেলা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি গৌরাচাঁদ অধিকারী জানান, মনু ল্যান্ড কাস্টমস দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চালু রয়েছে এবং কেবলমাত্র ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে একদিন কাজ বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও আইনের আওতায় পরিচালিত হয়, যা জোরপূর্বক বন্ধ করার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই।তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি চক্রান্তের মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে মনু ল্যান্ড কাস্টমসে বিএসএফ, কাস্টমস ও পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৈলাসহর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

December 28th, 2025
ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা
আন্তর্জাতিক

ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা

নিজস্ব প্রতিনিধি:চলতি ডিসেম্বর মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ৯০ পেরিয়ে যায়। আজ শুক্রবার তা নতুন রেকর্ড গড়ল। ফলে এ সময় বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ভারতে যাচ্ছেন, তাঁরা লাভবান হচ্ছেন। শুক্রবার ভারতীয় মুদ্রার দাম ২৪ পয়সা কমেছে। এর জেরে প্রতি মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম হয়েছে ৯০ দশমিক ৫৬। রুপির এই দর এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ইতিহাসে এটাই এখন রুপির সর্বনিম্ন দর। বৃহস্পতিবার রুপির দাম ছিল ৯০ দশমিক ৩২। খবর ইকোনমিক টাইমস ।চলতি বছরের শুরু থেকেই রুপির অবস্থা টালমাটাল। ধারাবাহিকভাবে দাম কমেছে এই মুদ্রার। বছরের শেষ প্রান্তে এসে তা রীতিমতো খাদের কিনারায় চলে গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি–সংক্রান্ত জটিলতা রুপির এই দরপতনের মূল কারণ। ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে সম্প্রতি ফোনে কথা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিও আলোচনার জন্য ভারতে এসেছেন; কিন্তু তা সত্ত্বেও রুপির দর পতন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।রুপির এই দরপতনের আরও কিছু কারণ আছে। সংবাদে বলা হয়েছে, আমদানিকারকদের ডলার কেনার ধুম পড়ার কারণেও রুপির দামে প্রভাব পড়েছে। ভারতের শেয়ারবাজার থেকে চলতি বছর বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ চলে গেছে।সেই ধারা অব্যাহত আছে। সম্প্রতি ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ চলে গেছে। বিষয়টি আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতো হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধাতুর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও রুপির ওপর চাপ বাড়ছে।সংবাদে বলা হয়েছে, ডলারের বিপরীতে রুপির দাম ৮৯ পেরিয়ে যাওয়ার পর তা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে চলতি বছর এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার খেতাব পেয়েছে রুপি। শুধু ডলার নয়, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, জাপানি ইয়েন ও চীনা ইউয়ান অর্থাৎ বিশ্বের বিশ্বের অন্য চারটি প্রধান মুদ্রার বিপরীতেও রুপির দর কমেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন উদ্বিগ্ন। রুপি আদৌ স্থিতিশীল হবে কি না, এবং ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে স্পষ্টতা আসবে কি না, তাঁরা এখন সেদিকে তাকিয়ে আছেন।

December 19th, 2025
ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা
আন্তর্জাতিক

ডলার প্রতি রুপির দামে রেকর্ড পতন, শেয়ার বাজারে ধ্বস , চিন্তিত অর্থনীতিবিদরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি ডিসেম্বর মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ৯০ পেরিয়ে যায়। আজ শুক্রবার তা নতুন রেকর্ড গড়ল। ফলে এ সময় বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ভারতে যাচ্ছেন, তাঁরা লাভবান হচ্ছেন। শুক্রবার ভারতীয় মুদ্রার দাম ২৪ পয়সা কমেছে। এর জেরে প্রতি মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম হয়েছে ৯০ দশমিক ৫৬। রুপির এই দর এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ইতিহাসে এটাই এখন রুপির সর্বনিম্ন দর। বৃহস্পতিবার রুপির দাম ছিল ৯০ দশমিক ৩২। খবর ইকোনমিক টাইমস ।চলতি বছরের শুরু থেকেই রুপির অবস্থা টালমাটাল। ধারাবাহিকভাবে দাম কমেছে এই মুদ্রার। বছরের শেষ প্রান্তে এসে তা রীতিমতো খাদের কিনারায় চলে গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি–সংক্রান্ত জটিলতা রুপির এই দরপতনের মূল কারণ। ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে সম্প্রতি ফোনে কথা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিও আলোচনার জন্য ভারতে এসেছেন; কিন্তু তা সত্ত্বেও রুপির দর পতন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।রুপির এই দরপতনের আরও কিছু কারণ আছে। সংবাদে বলা হয়েছে, আমদানিকারকদের ডলার কেনার ধুম পড়ার কারণেও রুপির দামে প্রভাব পড়েছে। ভারতের শেয়ারবাজার থেকে চলতি বছর বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ চলে গেছে।সেই ধারা অব্যাহত আছে। সম্প্রতি ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ চলে গেছে। বিষয়টি আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতো হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধাতুর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও রুপির ওপর চাপ বাড়ছে।সংবাদে বলা হয়েছে, ডলারের বিপরীতে রুপির দাম ৮৯ পেরিয়ে যাওয়ার পর তা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে চলতি বছর এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার খেতাব পেয়েছে রুপি। শুধু ডলার নয়, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, জাপানি ইয়েন ও চীনা ইউয়ান অর্থাৎ বিশ্বের বিশ্বের অন্য চারটি প্রধান মুদ্রার বিপরীতেও রুপির দর কমেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিনিয়োগকারীরা এখন উদ্বিগ্ন। রুপি আদৌ স্থিতিশীল হবে কি না, এবং ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে স্পষ্টতা আসবে কি না, তাঁরা এখন সেদিকে তাকিয়ে আছেন।

December 19th, 2025
ভিসা কেন্দ্র বন্ধ , বিপাকে নাগরিকরা
আন্তর্জাতিক

ভিসা কেন্দ্র বন্ধ , বিপাকে নাগরিকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি :চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার—আইভ্যাক) সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন।আইভ্যাক বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই দিন যেসব আবেদনকারীর ভিসা জমাদানের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত ছিল, তাদের পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।রাজধানীতে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটেই এ ঘোষণা এসেছে। এর আগে সোমবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে দূতাবাস জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়।ওই সতর্কতার মাত্র দুই দিনের মাথায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ একই ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভিসা কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিল।পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদে শ সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত এসেছে। এরপর থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। এ সময়ে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা-কর্মী ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিকে, অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হলেও—যাঁরা আদালতের রায়ে দণ্ডিত—এ বিষয়ে এখনো নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের সাময়িক বন্ধে বিপুলসংখ্যক ভিসা আবেদনকারী প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে এটি ঢাকার বর্তমান কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।

December 17th, 2025
অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে সংশয়
আন্তর্জাতিক

অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে সংশয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত ভারত - বাংলা সীমান্ত । ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের মাঝে সম্প্রতি চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার দুই ব্যক্তিকে ঘিরে তারকারাজ্যে নানা ধরনের উদ্বেগজনক অভিযোগ ছড়িয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে শুনে আসছিল যে বাংলাদেশে নাকি অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা চলছে। এসব অভিযোগের পর আবারও কুমিল্লা থেকে উঠে এসেছে দুই ব্যক্তির নাম।উল্লেখ্য ,রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যকীয় জরুরী নিরাপত্তা সীমান্তে সুনিশ্চিত করা ।স্থানীয় সাংবাদিকদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ উঠে, কুমিল্লার এক ব্যক্তি আলমগীরকে কুখ্যাত অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং একটি তথাকথিত উগ্রবাদী প্রশিক্ষণচক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি আগে অস্ত্র আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সম্প্রতি যুবকদের অস্ত্র ধরিয়ে উগ্রপন্থায় প্রলুব্ধ করার চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে।অন্যদিকে, কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকার আরেক ব্যক্তি জুয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে অবৈধভাবে মাদক ও বিভিন্ন পাচারযোগ্য পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ ঘটানোর সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ রয়েছে, এসব সামগ্রী তাঁর হেফাজতে মজুদ থাকে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই ব্যক্তি নাকি বাংলাদেশ পুলিশের একটি حلقার সোর্স হিসেবেও কাজ করেন। ফলে তাঁকে নিয়ে বহু প্রশ্ন থাকলেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, বাংলাদেশে সরকারের পালাবদলের পর এদের কর্মকাণ্ড আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এই দুই ব্যক্তির তৎপরতার কারণে ভারতীয় সীমান্তে যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে। তাই তাঁদের দাবি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী যেন অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করে।স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ,রাজ্যের গোয়েন্দাদের ভূমিকা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে ।

December 7th, 2025
কৈলাসহর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক আহত!অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ!
আন্তর্জাতিক

কৈলাসহর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক আহত!অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি-------কৈলাসহরের ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মাগুরউলিতে শুক্রবার সকালে গুলিচালনার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন মাগুরউলি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (২৮)। আহতের পরিবারের দাবি, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৭টা নাগাদ বিএসএফ হঠাৎ করেই তাদের বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে বিনা কারণে গুলি চালায়। গুলি নুরুল ইসলামের গলায় গিয়ে লাগে। দ্রুত স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলে প্রথমে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়ূরী পাল এবং পরবর্তীতে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অরুপ চক্রবর্তী তার চিকিৎসা শুরু করেন। ডা. অরুপ চক্রবর্তী বলেন—“আজ সকাল আটটা নাগাদ নুরুল ইসলাম নামে এক আহত যুবককে আনা হয়। গলায় গুলি লাগার কারণে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবিলম্বে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।” তবে আহতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে রেফার করার পরও সরকারী অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগে। এর ফলে নুরুল ইসলামের শারীরিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, বিএসএফ এক বিশেষ সূত্রের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একটি বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী, নুরুল ইসলাম ওরফে রাজু দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানের সাথে যুক্ত ছিল। ঘটনার দিন সকালেও মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে এক বিএসএফ জওয়ানকে বারবার চ্যালেঞ্জ জানায় এবং বাধা দেওয়া সত্ত্বেও অশালীন আচরণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই শেষপর্যন্ত গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিএসএফ।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

September 19th, 2025
নেপালে আটক রাজ্যের যুবক ,পরিবারের পাশে বিধায়ক রতন চক্রবর্তী
আন্তর্জাতিক

নেপালে আটক রাজ্যের যুবক ,পরিবারের পাশে বিধায়ক রতন চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের পাশ্ববর্তী দেশ নেপাল জুড়ে ভয়াবহ গন বিদ্রোহ চলছে ।দেশটিতে সেনার তদারকিতে সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চলছে ।কারাগার থেকে হাজার হাজার আসামী পালিয়ে গিয়েছে ।রাজনৈতিক দলের উপর অনাস্থা এসেছে সাধারন মানুষের ।নেপাল গিয়ে আটকে পড়ে রাজ্যের যুবক স্বপ্নজিৎ চৌধুরী বয়স (২৭) । বাবা খোকন চৌধুরী । বাড়ি খয়েরপুর পুরাতন আগরতলা । এই বিষয়ে খোঁজখবর নিতে যান এবং পরিবার সাথে দেখা করেন এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী সহ খয়েরপুর মন্ডল সভাপতি রাজেশ ভৌমিক। এদিন খয়েরপুর স্বপ্নজিৎ চৌধুরীর বাসভবনে গিয়ে ওর মা বাবা এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বপ্ন জিৎ এর সাথে কথা বলেন এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ছেলেকে নিয়ে চিন্তায় পরিবারের লোকজন । তাই এলাকার বিধায়ক হিসাবে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় বলে দাবী করেন বিধায়ক রতন চক্রবর্তী । তিনি রাজ্যের যুবককে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনতে সর্বত সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন।খানিকটা স্বস্তি পেয়েছেন পরিবারের সবাই ।

September 11th, 2025
এপারে আসতে গিয়ে ওপারের মানুষ আটক সীমনায়
আন্তর্জাতিক

এপারে আসতে গিয়ে ওপারের মানুষ আটক সীমনায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিমনা বিধানসভার কাতলামারা রাঙ্গা মুরা গ্রামে বাংলাদেশ থেকে তারকাটার বেড়ার উপর দিয়ে রাজ্যে প্রবেশের মুখে এক সত্তর বছরের বৃদ্ধাকে আটক করে বিএসএফ। বৃদ্ধার সঙ্গে ছিল ১৬ বছরের নাতি আপন দাস। সে পালিয়ে গেলে রাঙ্গামুড়া গ্রামের কতিপয় যুবক তাকে আটক করে সুন্দর টিলা ফাঁড়িতে হস্তান্তর করে। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভিটা ডুবি গ্রামে। গ্রামটি নাসিরনগর পুলিশ থানার অন্তর্গত। সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জোয়ানরা বিশ্বজিৎ ঘাটুয়াল এবং রাহুল উরাং নামে দুই যুবককে আটক করে কারণ তারা এই মানব পাচার কাজে যুক্ত ছিল। তাদের কাছ থেকে জানা যায় স্বপন দেব এবং প্রিয়জিত রায় নামে দুই যুবক এই মানব পাচার কাজে যুক্ত ছিল। দীর্ঘদিন ধরে কাতলামারা এলাকা দিয়ে এই দুই যুবক মানব পাচারের কাজ করে আসছে। এখন দেখার পুলিশ কতটুকু তৎপর হয়ে তাদেরকে আইনের জালে তুলতে পারে ।

August 2nd, 2025