Category

আন্তর্জাতিক

 সীমান্তে দুষ্কৃতীর নারকীয় তাণ্ডব!
আন্তর্জাতিক

সীমান্তে দুষ্কৃতীর নারকীয় তাণ্ডব!

নিজস্ব প্রতিনিধি: তোলাবাজি, অ্যাসিড-সন্ত্রাস ও শ্লীলতাহানিতে ধমকে নন্দীটিলা​দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুম মহকুমার অন্তর্গত সোনিয়ারখিল নন্দীটিলায় দুষ্কৃতী রাজত্ব যেন সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে। বি এস এফের তল্লাশিতে বেআইনি পাচারি মাল বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর সেই সন্দেহের জেরে প্রতিবেশী শম্ভু দত্তের পরিবারের ওপর নেমে এসেছে অমানসিক নির্যাতন। গভীর রাতে ঘরের টিন কেটে তাণ্ডব চালানো, পরিবারের দাদু-ঠাকুরমার মঠ ভাঙচুর এবং পানের জলে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়ার মতো নৃশংসতায় এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।শুধু সম্পত্তি ধ্বংসেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্ত বিষ্ণু শীল; শম্ভু দত্তের স্ত্রীকে ১৭ লাখ টাকার আকাশছোঁয়া তোলার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ভোরের আলো ফোটার আগেই তাঁর ওপর চালানো হয়েছে নারকীয় শ্লীলতাহানির চেষ্টা। দীর্ঘদিনের যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের এই বিষাক্ত পরিবেশ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার অধিকারকেই কেড়ে নিয়েছে।স্থানীয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র কলুষিত করা থেকে শুরু করে মধ্যরাতের সীমান্ত পাচার—অভিযুক্তের দাপটে দীর্ঘদিন থমকে গ্রামটি। শ্রীনগর ফাঁড়ির পুলিশ ও স্থানীয় পঞ্চায়েত নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও এই ঘটনা স্পষ্ট করে দেয় যে গ্রামীণ সামাজিক নিরাপত্তা আজ সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। যেখানে একজন মহিলা নিজের ভিটায় দাঁড়িয়ে সম্মান ও জীবন বাঁচানোর আকুতি জানান, সেখানে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে তীব্র সংশয় তৈরি হয়েছে।
September 14th, 2026
 মনু নদীর বাঁধের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে আশ্বাস মন্ত্রী টিংকু রায়ের
আন্তর্জাতিক

মনু নদীর বাঁধের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে আশ্বাস মন্ত্রী টিংকু রায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঊনকোটি জেলার মহকুমা সদর কৈলাসহরের গৌরনগর আরডি ব্লকের অন্তর্গত লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মনু নদীর বাঁধ সংস্কার কাজকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে সীমান্ত সংক্রান্ত জটিলতা! বাঁধ সংস্কারের একটি অংশের কাজ করতে বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাধা দেওয়ায় বর্তমানে ওই অংশের কাজ বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্য সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়।মন্ত্রী টিংকু রায়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। মন্ত্রী বাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি এবং অসম্পূর্ণ সংস্কার কাজের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেন।
September 4th, 2026
রাজ্যের অর্গানিক ধান ইউরোপে রওনা
আন্তর্জাতিক

রাজ্যের অর্গানিক ধান ইউরোপে রওনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য থেকে প্রথমবারের মতো ইউরোপের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল চার জাতের অর্গানিক ধান। এই উপলক্ষে এদিন আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ সহ কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। সবুজ পতাকা নেড়ে চারটি গাড়িতে করে রপ্তানি করা ধান গুলোর যাত্রা শুরু করান মন্ত্রিসহ উপস্থিত অতিথিরা। এবারই প্রথম ধান রপ্তানি করা হয়েছে রাজ্য থেকে বিদেশে। এই উপলক্ষে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীয় ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অর্গানিক চাষিরা এই কর্মসূচিতে এসেছিলেন।
September 3rd, 2026
কাজের আশায় বাংলাদেশিরা সীমান্ত ডিঙিয়ে আসছে !
আন্তর্জাতিক

কাজের আশায় বাংলাদেশিরা সীমান্ত ডিঙিয়ে আসছে !

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে কাজ নেই। কাজ করার জন্য এই পারে তারকাটা বেড়ার নিচ দিয়ে লুকিয়ে আসা। বাংলাদেশে কেউ কাজ দিচ্ছে না আমাদের। উদ্দেশ্য ছিল এপারে এসে রিক্সা চালিয়ে টাকা রোজগার করব।কিন্তু সেই ইচ্ছা দুই বাংলাদেশী যুবকের আর পূরণ হয়নি। কমলাসাগর সীমান্ত এলাকার দেবীপুর রাজারটিলা তারকাটা বেড়ার তলায় দিয়ে বাংলাদেশী দুই যুবক এই পারে চলে আসে। পরবর্তী সময়ে ঐ এলাকার যুবকরা তাদের আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তুলে দেয় বিএসএফের হাতে। কিন্তু প্রশ্ন হল বিএসএফ কোথায় ছিল।দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত কয়েকদিন পূর্বে ত্রিপুরা এসে বড় ভাবে বুলেটিন দিয়েছিল যাতে করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ কেউ না করতে পারে। তাহলে এখন বিএসএফ কোথায়। এলাকার যুবকরা আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দিলে দুই যুবককে গণধোলাই দিয়ে প্রায় এক প্রকার হাত পা ভেঙ্গে দেয়। যদি সীমান্তের যুবকরা তাদের আটক করতে না পারতো তাহলে অন্য কোন বদ উদ্দেশ্য ত্রিপুরায় প্রবেশ করে থাকলে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারতো। তা কিন্তু বলায় বাহুল। সেই দুই যুবকের নাম একজন হলেন মোহাম্মদ আকাশ। বয়স ২৪,বাবার নাম আব্দুল রহিম আলী। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহদাতপুর থানার অন্তর্গত কাইমপুর এলাকা। অপরজনের নাম বরাত আলী বয়স ১৮ বাবার নাম মৃত জহিরুল ইসলাম। বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাদাতপুর থানার কাইমপুর এলাকায়। পরবর্তী সময়ে খবর আসে মধুপুর থানায় দ্রুত গিয়ে সেই দুই যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মধুপুর থানায়। এদিকে প্রশ্ন হল সীমান্তের নিরাপত্তি রক্ষীরা কি করছে। এভাবে যে বাংলাদেশিরা ভারতে প্রবেশ করছে আগামী দিন যে অশনি সংকেত তা কিন্তু বলাই বাহুল্য। তবে সেই ২ যুবক কাজের উদ্দেশ্যে এসেছিল নাকি অন্য উদ্দেশ্য এসে ছিল পুলিশের তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
June 13th, 2026
অভিযুক্ত মানব পাচারকারির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ !
আন্তর্জাতিক

অভিযুক্ত মানব পাচারকারির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ !

নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরাইবাড়ির লক্ষীনগরে মানব পাচারের অভিযোগ,পলাতক দীপন দাসকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব গ্রামবাসী!!ত্রিপুরার তিন দিক ঘিরে থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তকে কেন্দ্র করে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা দিন দিন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। সীমান্তের বহু অংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকা এবং পুরনো বেড়ার জীর্ণ অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে মানব পাচারকারী ও দালালচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠছে।এরই মধ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ত্রিপুরা-অসম সীমান্তবর্তী চুরাইবাড়ি থানাধীন লক্ষীনগর গ্রামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত দীপন দাসকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার রাতে সরব হন এলাকার বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ লক্ষীনগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মোঃ হারুন (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার পকিয়া গ্রামে। অভিযোগ, দীপন দাস ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এনে ভিন্ন পরিচয়ে দীর্ঘদিন নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। পাশাপাশি ভারতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন সরকারি নথি তৈরিতেও সহায়তা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।গ্রামবাসীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই মানব পাচার এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভুয়ো ভারতীয় নথিপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিল দীপন দাস। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, দীপন দাস একসময় জেলা আদালতে মুহুরীর কাজ করতেন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বহু বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য ভুয়ো নথিপত্র তৈরির ব্যবস্থা করতেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি নথিপত্র তৈরির জন্য মোটা অঙ্কের বাংলাদেশি অর্থ নেওয়া হতো এবং সেই অর্থ পরবর্তীতে অসমের শ্রীভূমি জেলার রামকৃষ্ণনগর এলাকায় ভারতীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হতো।গ্রামবাসীদের আরও দাবি, একসময় আর্থিকভাবে দুর্বল অবস্থায় থাকা দীপন দাস অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন, যা নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন ছিল।বুধবার রাতে লক্ষীনগর গ্রামের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে পলাতক অভিযুক্তের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য, চুরাইবাড়ি থানার পুলিশের ওপর আস্থা থাকলেও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন।স্থানীয়দের মতে, মানব পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো ভারতীয় নথিপত্র তৈরির মতো কর্মকাণ্ড দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। তাঁদের দাবি, পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলে অবৈধ মানব পাচার ও জাল নথি তৈরির সঙ্গে জড়িত বৃহত্তর চক্রেরও পর্দাফাঁস হতে পারে।
June 11th, 2026
কদমতলায় ৩ বাংলাদেশি ও ১ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার!পুলিশ রিমান্ডের আবেদন।
আন্তর্জাতিক

কদমতলায় ৩ বাংলাদেশি ও ১ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার!পুলিশ রিমান্ডের আবেদন।

 নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টার অভিযোগে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ১ জন ভারতীয় অটোচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কদমতলা থানায় অভিবাসন ও বিদেশী আইন, ২০২৫-এর ধারা ২১/২৩(ক)-এর অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন রানিবাড়ি বিএসএফ বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় একটি অটো ই-রিকশায় থাকা ৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিক ও চালককে বিএসএফ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই তিনজন নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্বীকার করেন এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে প্রবেশের পর পুনরায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন বলে জানান।তদন্তে ধৃতদের একজন সোহেল মিয়া জানায়, প্রায় তিন মাস আগে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় সে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং পেচরথাল থানার অন্তর্গত শান্তিপুর এলাকায় বসবাস করছিল। পরে অটোচালক মানিক রায়ের সহায়তায় তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।পুলিশ মামলার তদন্তে বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করেছে এবং ধৃতদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোনসহ কয়েকটি সামগ্রী জব্দ করেছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আদালতের কাছে বিএনএস ২০২৩-এর ধারা ২৪৯ সংযোজন এবং অভিযুক্তদের ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন জানিয়েছে।
June 8th, 2026
 কমলপুরে ১৯৭১-এর স্মৃতি! ছড়ার জলে মিলল যুদ্ধকালীন সেল
আন্তর্জাতিক

কমলপুরে ১৯৭১-এর স্মৃতি! ছড়ার জলে মিলল যুদ্ধকালীন সেল

নিজস্ব প্রতিনিধি : কমলপুর শহর লাগোয়া বালিগাঁও এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে একটি পুরনো যুদ্ধকালীন সেল উদ্ধারকে কেন্দ্র করে। জানা যায়, বালিগাঁও হাই স্কুলের সান্নিকটে থাকা একটি ছড়ার জলে মাছ ধরতে যান এলাকার বাসিন্দা মাধু দেব। মাছ ধরার সময় হঠাৎই জলের নিচে ধাতব আকৃতির একটি বস্তু দেখতে পান তিনি। পরে সেটি তুলে আনলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় প্রবীণদের ধারণা, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় এই সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা চলাকালীন ওই সেলটি এসে পড়েছিল। দীর্ঘদিন জলের নিচে পড়ে থাকার ফলে সেটিতে মরিচা ধরলেও এখনও সেটির গঠন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান এলাকার বহু মানুষ। অনেকেই এটিকে মুক্তিযুদ্ধের এক ঐতিহাসিক স্মৃতি বলে মনে করছেন। যদিও সেলটি সক্রিয় কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালিগাঁও এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
May 14th, 2026
৫ দিনের ব্যবধানে ফের মহকুমা শাসকের কাছে ব্রু শরনার্থীরা
আন্তর্জাতিক

৫ দিনের ব্যবধানে ফের মহকুমা শাসকের কাছে ব্রু শরনার্থীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে ঘিরে নতুন দাবিতে সরব হল রিয়াং শরণার্থীরা। বৃহস্পতিবার আমবাসা মহকুমাধীন হাদুক্লোক পাড়া এলাকার ব্রু স্যাটেলমেন্ট ক্যাম্পের বাসিন্দারা পৃথক ভিলেজ কমিটি গঠনের দাবিতে আমবাসা মহকুমা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করেন।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্রু স্যাটেলমেন্ট ক্যাম্পে বসবাসরত পরিবারগুলির দাবি, তাদের এলাকাকে আলাদা ভিলেজের মর্যাদা দিয়ে পৃথক ভিলেজ কমিটি গঠন করতে হবে। এদিন মহকুমা শাসক রিঙ্কু রিয়াং অনুপস্থিত থাকায় ডেপুটেশন গ্রহণ করেন ডিসিএম অনীশ দেবনাথ। ডেপুটেশন প্রদানকারীদের বক্তব্য, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে ভিলেজ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু তার আগে যদি ব্রু স্যাটেলমেন্ট ক্যাম্পকে পৃথক ভিলেজ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা না হয়, তাহলে ওই এলাকায় নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখতে হবে।রিয়াং শরণার্থীদের আরও অভিযোগ, বহু বছর ধরে তারা বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে বসবাস করছেন এবং প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানালেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। তাই এবার তারা সংগঠিতভাবে আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।এদিন তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দ্রুত তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর গণআন্দোলনে সামিল হবেন এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
May 7th, 2026
বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!
আন্তর্জাতিক

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলাগামী বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ! বাগডোগরা বিমানবন্দরে এখন সেই বিমানে উঠতে নারাজ যাত্রীরা!৮১ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নাম্বার ২৮৯২ আগরতলা যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিমানে গলযোগ দেখা দেয়। বিমানকর্মীরা টানা দেড় ঘন্টা সময় যাত্রীদের বসিয়ে রাখে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। বিমানের ভেতর এসি পরিষেবা ছিল বন্ধ। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে কর্মীরা অন্য কোন ফ্লাইট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনা বাগডোগরা এয়ারপোর্টে।
April 3rd, 2026
0আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের বিভীষিকা মানবতার শত্রু

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে " যুদ্ধ নয় শান্তি চাই " । এটা অতীভ তাৎপর্যপূর্ণ । দেশের ও দশের হিতকামী প্রবাদ । যে যাই বলুক না কেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ব্যয় হচ্ছে ইজরায়েল - আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জিও রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজ নিজ বিবেচনায় এক পক্ষকে সমর্থন করছে । পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দুই শিবিরের মধ্যে একটিকে সমর্থন করছে । ভারতের ন্যায় এমন খুব কম দেশই রয়েছে যারা শান্তির বার্তা নিয়ে দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চলছে । ভারতের অবস্থান স্পষ্ট কোন শিবিরের সঙ্গে সরাসরি নিজেদের জড়াবেনা । এমনকি ভারতের মাটিতে কোন অন্য রাষ্ট্রের সাময়িক খাতে ব্যবহার করতে দেবেনা । এই মহারণের শুরুই হয়েছিল ইরানের রাষ্ট্র প্রধান ও শীর্ষ ধর্ম গুরু খামেয়নি মহোদয়কে হত্যার মাধ্যমে । এতে করে ইরানের সেনা দলের প্রতিহিংসার ক্রোধ ভীষনভাবে জাগ্রত হয়েছে এটা অস্বীকার করা যায়না । অবশ্য চীন ও রাশিয়া আগে থেকেই ইরানের পাশে অবস্থানরত । মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনকারী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে পূর্বেই আমেরিকার সৈন্য ঘাটির স্থাপত্য বজায় ছিল । তাই ইরান স্ব - ধর্মীয়দের ও ঐ সৈন্য ঘাটিগুলোতে অবিরাম আক্রমন থেকে রেহাই দেয়নি । ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম বর্তমান যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হতাহত হয়েছে প্রচুর । হিসেবে ইরানের হতাহত বেশীর দিকে । বর্তমানে বিশ্বের বাজারে এই দুই পক্ষের যুদ্ধে একটা অস্থিরতা বজায় রয়েছে । যুদ্ধের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছেনা বিশ্বে এমন দেশের আকাল । এদিকে ইরান হরমোজ প্রণালী দখল করে রয়েছে । প্রায় তৈলবাহী ৩৭/৩৮ টা বড় বড় জাহাজ হরমোজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ । হরমোজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজ পরিবহনের অনুমতি আজও মেলেনি । ভারতের অবস্থা ও সংকটে । ভারতে মাত্র প্রায় এক মাসের অশোধিত তেল রয়েছে। অবশ্য রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় অশোধিত তেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে । শুধু ইজরায়েল ও আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধে শুধু তারাই চিন্তিত নয় । সমগ্র বিশ্ব উদ্বিগ্ন কি যে হয় ।অন্যদিকে রাশিয়া - ইউক্রেন এবং আফগানিস্থান পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ তো চলমান গতিতে প্রবাহমান । বিশ্ব বাজারে অস্ত্র উৎপাদক যুদ্ধ জাহাজ , হেলিকপ্টার উৎপাদনকারী দেশের তো সোনায় সোহাগা।যুদ্ধ সরঞ্জামের বাজার বর্তমানে রমরমা । ২/১ দিন পূর্বে সামাজিক মিডিয়ায় দেখা গেল বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক ট্রেঙ্ক চীন থেকে ক্রয় করেছে । বর্তমানে বিশ্বের যুদ্ধং দেহী আবহাওয়ায় বেগতিকভাবে প্রবাহমান । কখন কোথায় কোন কোন দেশের মধ্যে যুদ্ধের বাদ্য বেজে উঠবে বলা মুশকিল । যুদ্ধ মানেই দুই পক্ষের চরম ক্ষতি । যান্ত্রিক ,জনবল ও অর্থবলের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির বহরের হিসেব মেলা ভার । এতে করে সারা বিশ্বে সুবিধাবাদী পুঁজিপতিগন আগাম সমগ্র দৈনন্দিন ব্যবহৃত দ্রব্য মজুত করতে শুরু করে দিয়েছে। বাজারে কৃত্তিম পণ্যের আকালের সম্ভাবনা । অপরদিকে যুদ্ধাতংকে উৎপাদনকারী শিল্পে মন্দার আশঙ্কারত। কখন যুদ্ধের মোর কোনদিকে কখন ঘুড়ে যাবে বলা মুশকিল । সমগ্র বিশ্ব সিদ্ধান্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ় । অনেক বৃহৎ মাঝারী শক্তিশালী দেশ যুদ্ধের আবহাওয়ায় কোন পক্ষে ঝুঁকবে তা বলা মুশকিল। বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি যুদ্ধকালীন সময়ের একটা অতীভ গুরুত্বপুর্ন উৎপাদন । অপরদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা অবশ্যম্ভাবী । প্রত্যেকটা দেশে আয় ব্যয়ের নিরীখে ঘাটতি স্বাভাবিক । প্রাণঘাতী যুদ্ধের কড়াল আঘাতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশীয় অর্থনীতির প্রচন্ড প্রকোপ । অনেক দেশ রয়েছে সেই দেশের ৩/৪ দিনের যুদ্ধের ব্যয় এক বছরের বাজেটের সমান হয়ে যায় কখনও কখনও।অপরদিকে যুদ্ধ আবহাওয়া নূতন শিল্প কারখানার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় । বেকারদের কপালে ভাঁজ । শিল্প বানিজ্যের চলমান নিম্নগামী আবহাওয়া । এদিকে কয়েকটা রাজ্য রান্না / বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ্যে আসছে । যুদ্ধের ফলাফল সর্বদাই ক্ষতির দিকে প্রভাবিত হয় । যারা জয়ী হয় তাদের ও জনবল , অর্থ এবং গোলাবারুদের ক্ষয়ক্ষতিতে নিমজ্জিত হতে হয় । আর যারা পরাজিত হয় তাদেরতো ক্ষতির ফিরিস্তি না দিলেই ভালো । তাই প্রতিপক্ষ দেশ গুলির মধ্যে অচীরেই যুদ্ধ বিরতি পৃথিবীর সার্বিক মঙ্গলের আশীর্বাদ এবং অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে সার্বিক দেশের জনগণ নিস্তার পাবেন । পরিশেষে বলা যায় ভারতের ন্যায় অন্যান্য উন্নতশীল দেশগুলি একজোটে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির বাতাবরণ সৃষ্টির প্রয়াসই প্রশংসিত ও আকাঙ্খিত ।
March 12th, 2026