ত্রিপুরার সার্বিক কল্যান : শুভ হউক ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: , ধর্ম ,বর্ন ও সার্বিক দলমতকে ঊর্ধ্বে রেখে সার্বিক উন্নয়নের বাহক হউক শুভ বর্ষ ২০২৬ ইং সালটি এটাই কাম্য হওয়া আবশ্যক । বর্তমানে সার্বিকভাবে জনগন ভালো আছেন তা স্বয়ং ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শাসকগণ ও পরিবার পরিজনেরা বলতে পারবেন কিনা অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করে থাকেন । বৃহত্তর জনস্বার্থে কাঙ্খিত উন্নয়ন ছাড়া বিকাশের পরিভাষা হতে পারেনা , বলাই বাহুল্য । ত্রিপুরার আম জনতা বলতে স্বচ্ছল / ধনী / সরকারের বাহকদের বলা চলেনা । বলতে হয় সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ , বেকার ,সাধারন কর্মীজীবীরাও রয়েছেন । এই তালিকা অনেক প্রশস্ত ও সুদীর্ঘ । তাতে রয়েছেন হতভাগ্য ১০৩২৩ কর্মচ্যুত শিক্ষক ও শিক্ষিকাগন যাদের আমরা হয়তো ভুলে গেছি । পরিবার পরিজনেরা এক বুক ব্যথার পাহাড় বুকে চাপা দিয়ে দৈন্যদশায় জীবন কাটাচ্ছেন । টাকার অভাবে কেও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন । আবার অনেকের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা চালাতে পারছেন না । তারা এই রাজ্যের সন্তান হয়েও মাননিয়ের সদিচ্ছার অভাবে উপেক্ষিতই রয়ে গেছেন । পাশাপাশি বুকভরা আশা ভরসা পেয়ে বা নিয়ে ত্রিপুরার অসহায় আম জনতার হাল হাকীকত বলার অপেক্ষা রাখেনা । রাজ্যের কর্ণধারদের প্রতি রাজ্যবাসীর সীমাহীন ভরসার দিকে একটু অনুকম্পা বৃহৎ অংশের কল্যাণময় হয়ে উঠবে বর্তমান ভাগ্যাদাতাগন ।তাই বলি এই অবস্থায় আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের বাজারে দিশাহীন আম জনতার কিইবা করনীয় রয়েছে । শুধু চাতক পাখির ন্যায় ভাগ্য নির্ধারক গনদের হাত বাড়ানোর প্রতি তাকিয়ে থাকাই যেন একমাত্র এখন সম্বল । অসহায়ত্বের ঝুলি কাঁধে নিয়ে হেঁটে চলে যেতে হচ্ছে জীবন সংগ্রামে । তবে , এটা ধ্রুব সত্য যে বঞ্চিতদের একটা সময় ও সীমারেখা বেঁধে দিয়েছে ভাগ্যবিধাতা / প্রকৃতি । গতকালের ঘটনা প্রবাহ কিন্তু আজকের ইতিহাস । ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না । যেমন মানুষের চলার সাথে ছায়াও চলাচল করে যদি না কেউ অন্ধকারে তলিয়ে যায় ২০২৬ নতুন বর্ষে আশা করি ধারক ও বাহকদের শুভবুদ্ধির উন্মোচনের মাধ্যমে জনস্বার্থে কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে ত্রিপুরাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর হবেন । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা যার জনসংখ্যা বড়বড় রাজ্যের একটা জেলার প্রায় সমান । তাই সার্বিক বিবেচনা করে জন সাধারণের কল্যানে কেন্দ্র ও রাজ্যের আনুকূল্যে ত্রিপুরার সার্বিক উন্নয়নের পদচিহ্ন বহন করবে বলে আশা করা যায় ২০২৬ শে ।তবে , সকলের কল্যান কাঙ্খিত ধারাতে পরিচালনা করতে হবে । রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নত মানের শিক্ষক ছাড়া সম্ভব নয় । টেট উত্তীর্ণ ভাবী শিক্ষকরা চাকরীর আশায় বারবার শিক্ষা ভবন ঘেরাও করেছেন ২০২৫ সালে । আগামীর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ২০২৬ ইং সালে সবার মুখে হাসি ফোটাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে প্রত্যাশায় প্রত্যাশীরা । রাজ্যের মধ্যে চলমান নেশার আগ্রাসন বন্ধে কঠোরতা অবলম্বন করা উচিত বলেও অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। নেশা মুক্ত ত্রিপুরার স্লোগান যেন বাস্তবতা পায় । ধমনী পথে একই সিরিঞ্জ একাধিক মানুষ বিশেষ করে ছাত্ররা ড্রাগস নিচ্ছে । পাল্লা দিয়ে থাবা বসিয়েছে মারন ভাইরাস এইডস। দেশের অন্যান্য রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে রাজ্যের সংক্রমন সর্ব কালের রেকর্ড ভেঙেছে । সবদিক বিচার করে ব্যবস্থা নিয়ে সুন্দর ও সমৃদ্ধ ত্রিপুরার নির্মাণের আশায় রাজ্যবাসী । অন্ধকারের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুন ইংরেজী বছর ২০২৬ সাল নতুন উচ্ছ্বাস , আলোর দীপ্তিতে মুখড়িত হয়ে উঠুক এটাই কাম্য।