surga-image

Category

সম্পাদকীয় কলম

মায়ের নাড়িছেঁড়া পুত্রের অবহেলায় বাকরুদ্ধ সভ্য সমাজ !
সম্পাদকীয় কলম

মায়ের নাড়িছেঁড়া পুত্রের অবহেলায় বাকরুদ্ধ সভ্য সমাজ !

সম্পাদকীয় কলম : নিজের পেটের সন্তানকে কুলাঙ্গার বলে অভিহিত করলেন অসহায় অসুস্থ এক বৃদ্ধা মা। কমলা সাগর বিধানসভার অন্তর্গত পান্ডবপুর এলাকার তিন নং ওয়ার্ডের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা, মীরা দেব গত বুধবার সেকেরকোট এলাকায় মেয়ে শিপ্রা দেবের বাড়িতে বেড়াতে এসে হঠাৎ পড়ে গিয়ে উনার পায়ে প্রচন্ড ব্যথা পায় আর এরপর থেকে তিনি বিছানায় শয্যাশাই হয়ে পড়েন। বৃদ্ধা মিরা দেবের স্বামী সুকরঞ্জন দেব দীর্ঘ অনেক বছর আগে মারা যান। উনার দুই মেয়ে এবং ছেলে। ছেলে মেয়ের সবাইকেই বিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বামীর মৃত্যুর পর বৃদ্ধা মিরা দেবের ভাগ্যে যে এমন দুঃসময় আসবে তা কখনো তিনি কল্পনা করেননি। ছোটবেলায় তিনি যে ছেলেকে কোলে পিঠে করে মায়ের স্নেহ ভালবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছেন আজ সেই পেটের পুত্র সন্তান বিয়ে করার পর গর্ভধারিণী মায়ের সেবা যত্ন করা ভুলে গেছে যা এই সভ্য সমাজে দাঁড়িয়ে মেনে নেওয়ার মতো নয়। বৃদ্ধা মীরা দেব পায়ে ব্যথা পাওয়ার পর একমাত্র পুত্র দুলাল দেব মায়ের চিকিৎসা করার দরকার টুকু মনে করেনি। এদিকে অর্থের অভাবে বৃদ্ধার জামাতা বিশ্বজিৎ দে শাশুড়ির চিকিৎসা করাতে পারছেন না। অসুস্থ বৃদ্ধার ছেলে দুলাল দেব সিলভার ফ্যাক্টরিতে কর্মরত। বলা চলে এই সভ্য সমাজে দাঁড়িয়ে মায়ের প্রতি দায়িত্ব এবং কর্তব্য কে ভুলে গেছে দুলাল দেবের মত কুলাঙ্গার সন্তানরা। শুক্রবার দুপুরে আহত বৃদ্ধা মীরা দেব সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে উনার এই অসহায়ত্বের কথা জানাতে গিয়ে বাধ্য হয়ে নিজের পেটের সন্তান দুলাল দেব কে কুলাঙ্গার সন্তান বললেন, তিনি বলেছেন উনি যে কুলাঙ্গার সন্তান পেটে ধারণ করেছেন উনার মত কুলাঙ্গার সন্তান যেন আর এই পৃথিবীতে একটাও জন্ম না হয়। তবে ছেলের প্রতি কতটা ঘৃণা জন্ম হলে একজন বৃদ্ধা মা তার নিজের সন্তানকে কুলাঙ্গার বলতে পারে তা অবশ্যই না বুঝার কথা নয়। শুধু তাই নয় বৃদ্ধা মিরা দেবের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উনার ছেলে দুলাল দেব আটকে রেখেছেন। রেশন থেকে পাওয়া চিনি এবং জ্বালানি তেল কিছুই দিচ্ছে না বৃদ্ধা মাকে। এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুলাল দেবের মত কুলাঙ্গার সন্তানরা কি আদৌ গর্ভধারিণী মায়ের প্রতি যত্নবান এবং শ্রদ্ধাশীল হবে! সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন।

September 19th, 2025
সঙ্গ দোষে লোহাও জলে ভাসে !
সম্পাদকীয় কলম

সঙ্গ দোষে লোহাও জলে ভাসে !

সম্পাদকীয় কলম : বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের দাবীদার বিজেপির করুন পরিস্থিতি। মোথা মিশে গিয়ে বিজেপির উপর লাগাতার প্রসার করছে শাখা ও প্রশাখা ।ভিলেন হতে হচ্ছে পদ্ম শিবিরকে ।হাতের তালুতে রেখে লাগাতার নাচিয়ে চলছে ।জোট করে লোকসভার ভোট বৈতরণী পার করলেও লাভ হয়নি । গ্রেটার টিপ্রল্যান্ড নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। কখনো পুষ্পবন্ত প্যালেস ইস্যুতে টানাপোড়েন করে দফা করে চুপ হয়ে যাওয়ার ঘটনা সবাই দেখেছিল । আচমকা বিকাশ হবেনা সুনিশ্চিত বলেই মেনে নিয়েছেন মোথা সুপ্রিমো প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মণ । পুনরায় চাপ বাড়াচ্ছে । শরিক দলের বিধায়ক সাংবাদিক সম্মেলনে সমর্থন প্রত্যাহারের হুংকার ছাড়লেন।দলের সুপ্রিমো প্রকান্তরে সমর্থন করেছেন ।গুঞ্জন শুরু হয়েছে প্রবাসী রাজ পরিবারের মেয়েকে পূর্ব আসনের সাংসদ করেও শান্তি নেই । পদত্যাগ করার কৌশল অবলম্বন করতে দেখা যাচ্ছে । অরবিন্দ কেজরিওয়াল দলের বীজ উৎপাদন করার কথা শুনা যাচ্ছে । মানিক্য বংশের কুলপতির হাতে এখন বিজেপির সরকারের সাহায্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছে । রাজ্যের মানুষ জানতে চাইছেন কিসের আশায় গেরুরা শিবির বিজেপি নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কুপোকাত হয়ে যাচ্ছেন। আদৌ সরকার টিকবে কিনা বলাই মুশকিল ।চারিদিকে সরকার গেলগেল রব উঠেছে । রাজনীতির ঘোলা জলে মাছ ধরার নৌকা টলমলে । অস্থিতিশীল সরকার কখনো জনকল্যাণ করতে পারবেনা খুব স্বাভাবিক। গোটা দেশের থেকে রাজ্যের পলিটিক্স ব্যতিক্রম আবারো একবার দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

July 13th, 2025
মানব পাচারের রমরমা !
সম্পাদকীয় কলম

মানব পাচারের রমরমা !

সম্পাদকীয় কলম :।গোয়েন্দারা কোমাচ্ছন্ন।মানব পাচারের সঙ্গে বড়সড় আন্তর্জাতিক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুলিশ কোন নিখোঁজ হওয়া মামলার নিষ্পত্তি করতে পারছেননা । জন সাধারন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন ।এক সময় হম্বিতম্বি দেখা গিয়েছিল পরিকাঠামোর মান উন্নয়ন ঘটবে।রাজ্যের মধ্যে আইন শঙ্খলার পুনরুদ্ধার হবে ।বিকশমুখী সরকার কল্পতরু ভূমিকা পালন করবে ।ডবল ইঞ্জিন সরকার রাজ্যে উন্নয়নের ছোঁয়া প্রদানের ক্ষেত্রে মাইলস্টোন স্থাপন করবে ।গত ৬ বছরে সমস্ত প্রত্যাশা ভেস্তে গিয়েছে ।একটি রাজনৈতিক দলের সরকার থাকাকালীন অবস্থায় বে- আব্রু জনজীবন ।প্রশ্ন উঠছে মানব পাচারের মামলায় আদালতে অবদি মামলাগুলো সঠিকভাবে যাচ্ছেনা । বহু ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লু বের করে আটকের ঘটনা দেখাচ্ছেন ।মূল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হচ্ছেনা ।সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে ।সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জোয়ানদের চোখে আঙুল দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা । মানব পাচারের সঙ্গে বড়সড় আন্তর্জাতিক র‍্যাকেট জড়িয়ে রয়েছে ।আশঙ্কা করা হচ্ছে ,মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পাচার চক্রও জড়িয়ে রয়েছে।নিখোঁজ হওয়া মামলার নিষ্পত্তি লাশ উদ্ধারের মাধ্যমে করছে পুলিশ ।জীবদ্দশায় উদ্ধারের সফলতা অর্জন খুবই সামান্য ।জনগন জানতে চাইছেন ,মানব অঙ্গ পাচারের মামলায় কাদের ইন্ধন রয়েছে ? স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত কোন হাই প্রোফাইল ব্যক্তিদের মদত রয়েছে খুব সহজেই অনুমেয়।রাজনৈতিক দলের কেওকেও জড়িত থাকতে পারে দাবী সংশ্লিষ্ট মহলের । দাবী উঠছে গোটা র‍্যাকেটকে আটক করতে পদক্ষেপ গ্রহন করুক রাজ্যের সরকার ।ভয় ও আতঙ্কের হাত থেকে মুক্তি চাইছেন ৪০ লক্ষ ত্রিপুরার জনগন ।

July 3rd, 2025
 রাজ্যে বাড়ছে এইচ আই ভি
সম্পাদকীয় কলম

রাজ্যে বাড়ছে এইচ আই ভি

সম্পাদকীয় কলম : মহামারীর মতো সংক্রমণ বেড়েই চলছে । এক সময় সংক্রমণের গতিবিধি বাড়তে শুরু করেছিল । এইডস কন্ট্রোল সোসাইটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে । প্রত্যেক রাজ্যেই এই সোসাইটি রয়েছে । সরাসরি নিয়ন্ত্রন করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক । ৯০ - র দশকে রাজ্যের সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ছিল হাতেগুনা । জনগন ততটা ভয় পাননি । সময়ের সাথেই পরিস্থিতির অবনমন শুরু হয়েছিল ।১৮ - র আগেও ভয়াবহ চিত্র ছিলনা । গত কয়েক বছরে চক্রাকার গতিতে বেড়েছে । এইডস আক্রান্ত রোগীদের চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সংস্পর্শে থাকাদের মধ্যে টেস্টিং করা হয়নি । জনগন জানতে চাইছেন কিভাবে অবনতি হয়েছে ? স্বাস্থ্য দপ্তরের চরম গাফিলতি রয়েছে । একটি নির্বাচিত সরকার মারন ভাইরাস মোকাবিলায় চরম ব্যার্থ । সংক্রমণের বৃদ্ধির পেছনে কেবলমাত্র যৌন কর্মীদের মধ্যে সীমিত নেই । রাজ্যের মধ্যে সীমিত যৌন কর্মীরা আক্রান্ত । উদ্বেগ বাড়ছে এখন কেবলমাত্র মহিলা কর্মী নয় । হতচকিত ঘটনা হচ্ছে সমকামী যৌন কর্মীরা আক্রান্ত হয়ে রোগ ছড়াচ্ছে ।রাজ্য সরকার দাবী করছেন , নেশামুক্ত প্রদেশ গঠন হচ্ছে ।বাস্তব ঘটনা হচ্ছে সিরিঞ্জের মাধ্যমে নেশার প্রকোপ বেড়েছে ।একই সিরিঞ্জের মাধ্যমে নেশার আসক্তি অন্যতম কারন হয়ে উঠেছে এইচ আই ভি বাড়ার । একটি রিপোর্টে তথ্য জানানো হয়েছিল সিরিঞ্জের ব্যবহারে সংক্রমণ বাড়ার । এমনকি অনেক কম বয়সী পড়ুয়ারা নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির তথ্যেও গত কয়েক বছরে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়ারা আক্রান্তের হার বাড়ছে । প্রশ্ন উঠছে , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেশার রমরমা রুখার কেন উদ্যোগ নিচ্ছেনা সরকার । মানুষ জানতে চাইছেন , সরকার কি সত্যি চাইছেন না মারন ভাইরাস মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান গ্রহন করতে ? মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে প্রত্যেকের ঘড়েঘরে সংক্রমিত রোগী থাকবে ।জাতীয় সমীক্ষায় ছোট রাজ্যের হলেও উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে ত্রিপুরা সবাইকে ছাপিয়ে যাচ্ছে । নিষিদ্ধ পল্লী থাকা রাজ্যের তুলনায় রাজ্যের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী । রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য ব্যস্ত সরকার । কেবলমাত্র ভাষন দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবেনা খুব স্বাভাবিক। বারবার সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে দাবীকে উপেক্ষা করছে রাজ্য সরকার । পাশাপাশি সরকারী হাসপাতালে আলাদা ইউনিট নেই ।বহু সন্দেহভাজন হিসেবে থাকলেও সামাজিক অবস্থান বহাল রাখতে টেস্টিং করতে আপত্তি করছেন । জেলা ভিত্তিক টিম গঠন করে মোকাবিলার পথ খোলা জরুরী। এমনকি সনাক্ত করার সাথেই স্বাস্থ্য দপ্তরের অধীনে নজরদারির ব্যবস্থা নিলে ছড়ানোর ঝুঁকি কমবে । একবার সংক্রমিত হলে সারাজীবন বহন করতে হবে ।সম্পূর্ণ নিরাময়ের কোন মেডিসিন নেই । এইডসের ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি । খুব সংগত কারনেই গভীর উদ্বেগ জনমনে ।

July 1st, 2025
 বে - আব্রু সড়ক !
সম্পাদকীয় কলম

বে - আব্রু সড়ক !

সম্পাদকীয় কলম : , সুস্থভাবে বাড়ি থেকে বের হলেও জীবন নিয়ে ফেরার আশা নেই । মানুষের জন্য প্রাণঘাতী সড়ক ! যানবাহনের গতিবিধি রোধে কোন সুদৃঢ় পরিকল্পনা নেওয়া জরুরী । পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রেও কঠোরতা নিতে হবে সড়ক পরিবহন নিগমকে ।ঘাতক রাজপথে বিপন্ন হচ্ছে জীবন । আধুনিক শহর গড়ার স্বপ্নে বিভোর সরকার । সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কোন ব্যবস্থা গড়ার সময় উপযোগী চিন্তন নেই । প্রেক্ষিতে , দিন দুপুরে চলছে মূল সড়ক অবরোধ করে নির্মান কাজকর্ম । অদ্ভূত সরকার ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ।সড়ক পরিবহন নিগমের মন্ত্রী মহোদয় দাবদাহে এসি রুমে ব্যস্ত সুখের জীবনে । রক্তে লাল হচ্ছে সড়কগুলো । ভাষনের মাধ্যমে কখনো সমসার সমাধান হবেনা । গভীরে প্রবেশ করে নির্মূল করা জরুরী । বাজেটে যান দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ কোন বরাদ্ধের স্পষ্টিকরণ নেই ।বিকাশের করুন চেহারা । চারিদিকে সড়কে স্বজনহারা মানুষের করুন হাহাকার । ক্রমাগত বাড়ছে সড়ক দূরঘটনা। প্রভাতী সংবাদের শিরোনাম যান সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মৃত্যুর কোলে যাচ্ছেন পথচারীরা । ঘটা করে সড়ক সুরক্ষা দিবস পালন করে কোন লাভ নেই ।চারিদিকে ভয়ে তটস্থ জনগন।সাদা পোশাক পরে সড়কের মোড়ে মোড়ে পকেট কাটার ফন্দী এঁটেছে।বিগত কয়েক বছরে রাজ্যের মধ্যে যান দূরঘটনায় নিহত ও হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।বারবার প্রমাণিত হয়েছে সচেতনতার অভাব।রাস্তাগুলোর মধ্যে স্পীড ব্রেকার লাগিয়ে কখনো কমানো যাবেনা ।ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক ও করার কোন উদ্যোগ নেই ।সরকার বদল হলেও পরিষেবার হল করুন দশায় রয়ে গিয়েছে ।স্মার্ট সিটির কাজে কোন ধরনের গতিময়তা নেই ।সিগন্যাল গ্রীন ও রেড এলার্ট পুরানো সিস্টেমের বদল হয়নি।আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হচ্ছেনা ।লুকিং মিররের কাজেও গতি নেই । এক সময় হম্বিতম্বি দেখা গিয়েছিল পরিকাঠামোর মান উন্নয়ন ঘটবে । সচেতন নাগরিকরা প্রত্যাশা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটু জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহন করবেন ।তবে , সব প্রত্যাশা গুড়ে বালি।প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত যথেষ্ঠ পরিমানে সচেতনতার অভাব রয়েছে ।পকেট কাটার ধান্দায় মেতে থাকা ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পথচারীরা ।প্রশ্ন উঠছে ,গত কয়েক বছরে যান সন্ত্রাসের কবলে কত হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকার হানি হয়েছে সুস্পষ্ট তথ্য জানানো জরুরী।সত্যি ঘটনা চেপে রাখা হয়েছে।এমনকি ,সড়কের মধ্যে কোথাও সুচারুভাবে সিসি ক্যামেরা চালু নেই ।বহু জায়গায় লাগানো থাকলেও সকল ক্যামেরা বিকল রয়েছে ।গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ খুন করে অপরাধীরা সহজে পালিয়ে যাচ্ছেন ।একটি রাজনৈতিক দলের সরকার থাকাকালীন সময়ে মানুষের জীবন নিরাপত্তা হুমকিজনক । সড়ক পরিবহন মন্ত্রী কোন অজ্ঞাত কারনে নির্বাক । স্ব - ঘোষিত শ্রমিক সংগঠনের ভূমিকা নিয়েও যথেষ্ট ক্ষোভ জনমনে । এই অবস্থার অবনতি রুখতে কবে উদ্যোগ গ্রহন করবে সরকার ? সেদিকে তাকিয়ে প্রহর গুনছেন ৪০ লাখ রাজ্যবাসী । আদৌ কোন ব্যবস্থা নেবে কিনা সেটাই দেখার বিষয় ।

June 4th, 2025
চার ছেলে থাকা সত্ত্বেও অবহেলিত বাবা!
সম্পাদকীয় কলম

চার ছেলে থাকা সত্ত্বেও অবহেলিত বাবা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সত্যিই এই সমাজ নাকি সভ্য সমাজ, আর এই সভ্য সমাজে বসবাস করে কিছু কিছু সন্তানরা তাদের মা বাবার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে নিজেদের অসভ্যের পরিচয় দিচ্ছে, তাও আবার এই ধরনের ঘটনা বারবার বেশিরভাগ একই এলাকার থেকে উঠে আসছে। গোলাঘাটে বিধানসভার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এলাকায় এই ধরনের একাধিক ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত হয়েছিল তারপরেও শিক্ষা নিচ্ছে না কিছু স্বার্থলোভী সন্তানরা। এই কাঞ্চনমালা এলাকায় কখনো বাবার উপর অমানবিক নির্যাতন কখনো মায়ের উপর অমানবিক নির্যাতন করে আসছে কিছু সন্তানরা। বারবার কাঞ্চনমালা এলাকায় এই ধরনের ঘটনা ঘটার পরেও এই সভ্য সমাজ একেবারেই চুপ। এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে সমাজের মানুষগুলি কোন পদক্ষেপই করছে না। সেই কাঞ্চনমালা এলাকার বৃদ্ধ অনাথ কর্মকার, উনার চার পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও আজ যেন তিনি সত্যিই অনাথ। ওনার স্ত্রী বেশ কয়েক বছর আগে মারা যান তখন তিনি ভেবেছিলেন যেহেতু চার ছেলে আছে নিশ্চয়ই তারা তাদের বৃদ্ধ বাবাকে সেবা যত্ন করবে এবং তাদের কাছে আগলে রাখবে কিন্তু সন্তানদের নিয়ে উনার এই ভাবনাটাই যেন উল্টো হয়ে গেছে। চার ছেলের মধ্যে রঞ্জিত কর্মকার নামে মাত্র উনার বাবাকে মাঝেমধ্যে একটু দেখাশোনা করেন এবার আর বাকি তিন ছেলে তাদের বাবার প্রতি কোন দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্য নেই। অনাথ কর্মকার শনিবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে উনার এই অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরতে গিয়ে বলেছেন কত কয়েকদিন আগে বৃদ্ধ বাবা অনাথ কর্মকারের কিছু রাবার গাছ রয়েছে, সেই রাবার গাছ থেকে যা কিছু আয় হয় তা দিয়েই উনি কোনরকম ভাবে উনার এই একজনের সংসার চালিয়ে আসছিলেন কিন্তু হঠাৎ বাবা অনাথ কর্মকারের রাবার বাগানের কুনজড় পড়ে ছেলে প্রদীপ কর্মকারের। উনার রাবার বাগান জোরপূর্বক বাবার কাজ থেকে দখল করে নেয় এই প্রদীপ কর্মকার। শুধু তাই নয় আরো অভিযোগ প্রদীপ কর্মকার নাকি উনার এই বৃদ্ধ বাবা অনাথ কর্মকারকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। এতেও যেন ছেলে প্রদীপ কর্মকারের শখ মিটেনি অবশেষে বৃদ্ধ বাবার সামান্য উপার্জনের উৎস সেই রাবার বাগান টিও দখল করে নেয়। আজ ছেলের এই কর্মকাণ্ডের ফলে বৃদ্ধ বাবা অনাথ কর্মকার আজ সত্যিই যেন অনাথ হয়ে পড়েছেন। তাই তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শনিবার দুপুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানিয়েছেন দেশে প্রদীপ কর্মকারের মতো আর কোন সন্তান যেন এভাবে মা বাবার উপর এই ধরনের নির্যাতন না করে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যেন কঠুর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

May 10th, 2025
 উপত্যকায় হাহাকার !
সম্পাদকীয় কলম

উপত্যকায় হাহাকার !

সম্পাদকীয় কলম :হিংসার আগুন উপত্যকায় । জিহাদী হামলায় রক্তের হোলি । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের হাহাকার । অতীতে কখনোও এমন বর্বরতা হয়নি । সন্ত্রাসের কোন জাতি , ধর্ম হয়না । এই প্রচলিত ধ্যান ও ধারনা বদল হয়ে গিয়েছে । মানব সভ্যতার ইতিহাসে কালো অধ্যায় । শান্তির খোঁজে পর্যটকরা ঘুরতে গিয়েছিলেন । তবে , বহু মানুষের জীবনের অভিমুখের বদল হয়েছে । কাশ্মীরের বুকে হাহাকরের প্রতিধ্বনি । পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা বেছেবেছে হিন্দুদের খুন করা হয়েছে । একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জন গোষ্ঠীর লোকেদের খুনের মোটিভ অধরা । পাকিস্তান দায় এড়ানোর শত চেষ্টা করলেও লাভ হবেনা । ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার হাতে নিহত জঙ্গীদের পাক ট্রেনিং খোলসা হয়েছে । দেশের মানুষ গোটা ঘটনার বিহিত চাইছেন ।দেশজুড় প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছেন । রাতেই গৃহমন্ত্রী ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন । রাষ্ট্রীয় সম্মান জানিয়ে নিথর পার্থিব শরীরগুলো পাঠানো হচ্ছে । অন্যদিকে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের মিটিং চলছে । পহেলগাঁও নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । সূত্রের খবর , ভারতীয় সেনা জওয়ানরা অঘোষিত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রী কঠোরভাবে মোকাবিলা করার হুঙ্কার দিয়েছেন । কাশ্মীরের মধ্যে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার চালাচ্ছেন । বহু মানুষ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।এই ঘটনায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা নিন্দা জানাচ্ছেন । সর্জিক্যাল এট্যাক করে লাভ হবেনা । সন্ত্রাসবাদ দমন করতে সরাসরি ময়দানে নামতে হবে । শান্তির বার্তাতে বারবার পাকিস্তান ভেস্তে দিচ্ছে । ভারতের ভূখন্ডে হিংসার কোন জায়গা নেই । সময় এসেছে বুঝিয়ে দেওয়ার দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতের কঠোর অবস্থান । দলমতের উর্ধে গিয়ে সব্বাই একযোগে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন । ধর্মের জিগির তোলে হিংসার আগুন ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত গোটা রেকেটকে নির্মূল করুক দেশের সরকার , দাবী ১৪০ কোটি ভারতীয়দের ।

April 29th, 2025
 ধর্মের সুড়সুড়ি !
সম্পাদকীয় কলম

ধর্মের সুড়সুড়ি !

সম্পাদকীয় কলম : হিংসা ও যুদ্ধ নয় । সবাই চায় শান্তি এবং মানবতার জয়ধ্বনী । সন্ত্রাসবাদের কোন জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে হয়না । তবে , পঁহেলগাম হামলার ঘটনা মানবতার উপর হামলা । গোটা বিশ্বের দুয়ারে কড়া নেড়েছে হিংসার রোষানল । সম্প্রতি নয়া মথাচাড়া দিয়েছে জিহাদী কার্যক্রম । বুক চিতিয়ে জিহাদের আস্ফালন । সামাজিক মাধ্যমে ক্রমাগত কুটুক্তি করে চলছে । ধড়পাকড় করা হলেও উস্কানিমূলক কাজ চালাচ্ছে । পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে । প্রশাসনের হুঙ্কার নিয়ে বাস্তবের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাচ্ছেনা । গত ২৪ ঘণ্টা ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীকে নিয়েও কুবাক্য করেছে । জাভেদ নামের যুবকের এহেন মন্তব্য নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে । সনাতন ধর্মের মতে ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে এক হচ্ছে মাতাবাড়ি । এই মন্দিরের সঙ্গে লক্ষ কোটি মানুষের আবেগ এবং আস্থা জড়িয়ে রয়েছে ।দেশপ্রেমী ও উগ্র ধর্মান্ধতা দেখাতে গিয়ে উস্কানির চেষ্টা চলছে । এক সময় ব্রিটিশরা ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করেছিলো । স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও ধর্মের জিগির তোলে শান্তি নস্টের চক্রান্ত করতে সাহস পাচ্ছে জিহাদিরা ।তথাকথিত সেকুলার বলে লাভ হবেনা । সহনশীলতার অজুহাতে চুপ থাকলে ইতিহাস কখনোও ক্ষমা করবেনা । সময় এসেছে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার । মাকে নিয়ে কুবাক্য বলেও সামাজিক মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে পাড় পেলে বিপদ বাড়বে । এই ধরনের ঘটনা কখনো খুব সহজে মেনে নেবেননা সনাতনীরা । অনতিবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশ ও প্রশাসনকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে । ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রুখার জন্য গন জাগরন জরুরী । ক্ষোভের বহিপ্রকাশে বড়সড় গন আন্দোলনের রুপ নিচ্ছে , উড়িয়ে দিচ্ছেননা সংশ্লিষ্ট মহল । রাজ্যজুড় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে জনমনে । সরকারের নীরবতা নিয়েও সংশয় । শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সরকারের । এই দায়িত্ব এড়াতে পারবেনা রাজ্য সরকার ।ধর্মের ভিত্তিতে সুড়সুড়ির রাজনীতি বন্ধের জোড়ালো দাবী তোলছেন সচেতক মহল ।

April 27th, 2025
 উপত্যকায় হাহাকার !
সম্পাদকীয় কলম

উপত্যকায় হাহাকার !

সম্পাদকীয় কলম : হিংসার আগুন উপত্যকায় । জিহাদী হামলায় রক্তের হোলি । চারিদিকে স্বজনহারা মানুষের হাহাকার । অতীতে কখনোও এমন বর্বরতা হয়নি । সন্ত্রাসের কোন জাতি , ধর্ম হয়না । এই প্রচলিত ধ্যান ও ধারনা বদল হয়ে গিয়েছে । মানব সভ্যতার ইতিহাসে কালো অধ্যায় । শান্তির খোঁজে পর্যটকরা ঘুরতে গিয়েছিলেন । তবে , বহু মানুষের জীবনের অভিমুখের বদল হয়েছে । কাশ্মীরের বুকে হাহাকরের প্রতিধ্বনি । পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা বেছেবেছে হিন্দুদের খুন করা হয়েছে । একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জন গোষ্ঠীর লোকেদের খুনের মোটিভ অধরা । পাকিস্তান দায় এড়ানোর শত চেষ্টা করলেও লাভ হবেনা । ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার হাতে নিহত জঙ্গীদের পাক ট্রেনিং খোলসা হয়েছে । দেশের মানুষ গোটা ঘটনার বিহিত চাইছেন ।দেশজুড় প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছেন । রাতেই গৃহমন্ত্রী ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন । রাষ্ট্রীয় সম্মান জানিয়ে নিথর পার্থিব শরীরগুলো পাঠানো হচ্ছে । অন্যদিকে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের মিটিং চলছে । পহেলগাঁও নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । সূত্রের খবর , ভারতীয় সেনা জওয়ানরা অঘোষিত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রী কঠোরভাবে মোকাবিলা করার হুঙ্কার দিয়েছেন । কাশ্মীরের মধ্যে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার চালাচ্ছেন । বহু মানুষ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।এই ঘটনায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা নিন্দা জানাচ্ছেন । সর্জিক্যাল এট্যাক করে লাভ হবেনা । সন্ত্রাসবাদ দমন করতে সরাসরি ময়দানে নামতে হবে । শান্তির বার্তাতে বারবার পাকিস্তান ভেস্তে দিচ্ছে । ভারতের ভূখন্ডে হিংসার কোন জায়গা নেই । সময় এসেছে বুঝিয়ে দেওয়ার দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতের কঠোর অবস্থান । দলমতের উর্ধে গিয়ে সব্বাই একযোগে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন । ধর্মের জিগির তোলে হিংসার আগুন ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত গোটা রেকেটকে নির্মূল করুক দেশের সরকার , দাবী ১৪০ কোটি ভারতীয়দের ।

April 23rd, 2025
বিকাশের অপর নাম মোদী : সুশান্ত দেব
সম্পাদকীয় কলম

বিকাশের অপর নাম মোদী : সুশান্ত দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যজুড়ে যুব মোর্চার ভিত মজবুত হচ্ছে ।বিরোধীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই বিকশিত ভারত নির্মান হবে ।বৃহস্পতিবার ভগৎ সিং আবাসে প্রদেশ যুব মোর্চার বিজয়ার শুভেচ্ছা ও আগামীর সংগঠন মজবুত করার বার্তা নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ যুব মোর্চার সভাপতি তথা বিধায়ক সুশান্ত দেব,প্রদেশ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ,প্রদেশ বিজেপির সাধারন সম্পাদক অমিত রক্ষিত প্রমুখ ।বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুব মোর্চার প্রদেশ সভাপতি বিধায়ক সুশান্ত দেব,মোদী সরকারের বিকাশের দিকগুলি তোলে ধরেছেন ।তিনি বলেন,যুবাদের আত্মনির্ভর করার চেষ্টায় কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত প্রয়াস চালানো হচ্ছে ।এই ধারায় যুবাদের দেশ ও রাজ্যের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টির পদ্ম ফুলের সঙ্গে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান ।

November 14th, 2024