surga-image

Category

সম্পাদকীয় কলম

বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির
সম্পাদকীয় কলম

বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির

নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের মহাকাব্যদ্বয় থেকে একটা চিরন্তন সত্য প্রবাদ রয়েছে " অতি দর্পে হত লঙ্কা এবং গৃহশত্রু বিভীষনের প্রভাব বাংলায় সদ্য নির্বাচনের ফলাফলে আবারও চির সত্য বলে বিবেচিত হলো " । পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, এস আই আর কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ শতাংশ প্রশাসনিক ও সৈনিক বলের আপ্রাণ চেষ্টার ফলও বঙ্গ বিজয়ে গুরুতর ভূমিকা নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে , বঙ্গ বিজয়ে সাবেক তৃণমূল সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী সন্ত্রীর আর্থিক ও প্রশাসনিক দূর্নীতি যে সহায়তা করেনি বিশুদ্ধ বিজেপি নেতাও অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা । ১৫ বছরের প্রশাসন বিরোধী বাস্তবতায় কাল বৈশাখীর ঝড় যে রয়েছে তাহা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুতেই রীতিমতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল । কথায় আছে জয়কালে ক্ষয় নেই , আর মরণকালে ঔষধ নেই । তাবড় তাবড় মন্ত্রীগণ ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং স্ব বিরোধী অর্থনৈতিক ঘোটালার স্বীকার হয়েছে এতে দ্বিমত থাকার কথা নয় । প্রশাসনিক ও আর্থিক ঘোটালায় ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের প্রধান ও প্রশাসন বেসামাল হয়ে গিয়েছিল তাতেও কোন সন্দেহ নেই । শেষের দিকে সুতো বাছতে গিয়ে কম্বল খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিল মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার । বিজেপির স্ট্যাটেজিক পয়েন্ট ছিল ২০২১ এর পূর্ব লগ্নে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলের মন্ত্রী সমেত প্রথম সারির নেতৃত্বকে প্রলুব্ধ করে নিজের নারদার আতঙ্কে বিজেপির তোষন। যদিও স্বউক্তি ছিল তিনি ২০০৯ সাল থেকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তৎসময়ে সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহজির সাথে চুপকি চুপকি সংযোগ । বঙ্গে পরিবর্তনের দমকা হাওয়া অনেক দিন থেকেই বইছিল । অবশ্য মাননীয়া বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক পরিকল্পনা মন্ত্রী সভার অস্তিত্বকে অনেকটা সচল রেখেছিল । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষ্মীর ভান্ডার মাসে ১৫০০ টাকা ( সাধারণের জন্য ) এবং অনগ্রসরদের জন্য ( মাসে ) ১৭০০ টাকা । অবশ্য বিশ্বগুরু , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমেত সর্বস্তরের বিজেপি নেতৃত্ব মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের অঙ্গীকার একটা অন্যতম জয়ের মাইলস্টোন এতে সন্দেহ নেই । তবে , ক্ষমতায় এলে বঙ্গে মাসে ৩০০০ টাকা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ত্রিপুরাবাসিও উল্লসিত বটে । কেননা ত্রিপুরায় যেহেতু বিজেপি সরকার বঙ্গে ধনুর ভাঙা পন অন্নপূর্ণা ভাতা ৩০০০ টাকা ত্রিপুরায় ও প্রচলিত হতে চলছে । অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি ৭ ম পে কমিশনের লাগু করায় অঙ্গীকার বদ্ধ যা ভাষনে ব্যক্ত করেছেন।যদিও বর্তমানে ৮ ম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধার প্রাপ্য বঙ্গের কর্মচারীবৃন্দ । আরও শতশত অঙ্গীকারে পর্যবসিত বঙ্গের জনগন । কোনটা ছেড়ে কোনটা ব্যক্ত করবো বুঝে উঠতে পারা ভার । যাকে বলা যায় ত্রিপুরার ভীষন ডকুমেন্ট এর ন্যায় উন্নয়নের পোক্ত সিঁড়ির বন্দোবস্ত রয়েছে বঙ্গে নূতন বিজেপি সরকারের স্থাপত্যে । বিধাতার বিচারে চিরসত্য সৃষ্টির পরিসমাপ্তি অবশ্যম্ভাবী । দুদিন আগে আর পরে । আজকে কিছু কিছু অনৈতিক ঘটনা অতি উৎসাহে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা সচরাচর হয়ে থাকে । তবে , উৎসবের সুর সর্বদা বজায় থাকেনা এটাই চিরসত্য । মন্ত্রী সভার শপথ থেকে আকাশচুম্বী উন্নয়নের ডালি পূর্ণতা বহন করবে না শুরুতেই হতাশার কড়াল প্রবাহ প্রবর্তিত হবে সেটা ভবিষ্যত বলবে ।যদিও বঙ্গ সমেত আমরা সবাই গঠন মূলক অগ্রগতিতে প্রত্যাশী। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াল আগ্রাসন ।অপরদিকে মাইনরিটি ভোটের বিভাজনে বঙ্গে ধরাশায়ী তৃণমূল । উপরন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় আশঙ্কা সমেত এস আই আরের আক্রোশে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের ভোটার লিস্ট চ্যুত । সব মিলিয়ে বিরোধী শক্তির বঙ্গে ইন্দ্র পতনে ভীষন ধাক্কা এতেও সন্দেহ নেই ।যদিও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গণনায় অব্যবস্থায় কাউন্টিং এজেন্টের উপর অপ্রত্যাশিত হামলার অজুহাতে কাউন্টিং হল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ লগ্নে গননা কেন্দ্রে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি । ভবানীপুরে ও তৃণমূলের বিসর্জন মানতে হচ্ছে ।যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেড়িয়ে যাওয়ার পথে ওনাকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। বঙ্গে তৃণমূল অধ্যায়ের আপাতত সমাপ্তি । এখন দেখার বঙ্গে ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ভূমিতে বিজেপি অঙ্গীকার সমেত অগ্রগতি ও শান্তির বাতাবরণে ভূষিত হবে কিনা বাংলা ।

May 4th, 2026
আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের
সম্পাদকীয় কলম

আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কিছু জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকালখোয়াই ও পশ্চিম জেলায় এক বা দুই স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার গতি ৬০–৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া এবং ৭–২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তেমনি, ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা) বয়ে যেতে পারে। উত্তর, ঊনকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে ৭–১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনো, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে দূরে থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

April 28th, 2026
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!
সম্পাদকীয় কলম

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জোলাইবাড়ী! গাড়ির উপর গাছ পড়ে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পশ্চিম পিলাক কলনি এলাকায় রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে, জোলাইবাড়ী থেকে বিলোনিয়া যাওয়ার পথে TR 08 0592 নম্বরের একটি ইকো গাড়ির উপর আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গাড়ির চালক জানান, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি । পরে জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন।

April 26th, 2026
বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!
সম্পাদকীয় কলম

বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে হিংস্র বানরের উৎপাত নিরসন করার কোন প্রতিকার বনদপ্তর নিচ্ছে না। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে কাঠালিয়া ব্লক, এই ব্লক এলাকার ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া যে সমস্ত গ্রামীণ পরিবেশগুড়ি বসবাস করে তাদের বাড়িঘরে এবং কৃষি জমিগুলি যে বানরের খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত সকাল -বিকেল দলে দলে বানরের আনাগোনা চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে ও উপদ্রব চালায় খাদ্য সংগ্রহের জন্য বানরের দল। সংবাদকর্মীকে কাছে পেয়ে একান্ত সাক্ষাতে কালী কৃষ্ণনগর পঞ্চায়েত এলাকার রাজেন্দ্রটিলা গ্রামের একাধিক কৃষক তাদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন, একই অবস্থা ভবানীপুর, নিদয়া, দক্ষিণ মহেশপুর, উত্তর মহেশপুর সহ আরো বহু গ্রামীণ এলাকায় প্রতিনিয়ত বানরের উৎপাত বেড়েই চলছে। এই নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের প্রতি, বনদপ্তরের প্রতি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ! প্রথমত, বসত বাড়িতে কোন সবজি করা যায় না, কোন ফসল ফলানো যায় না, বর্তমানে বোরো ধানের শীষ তুলে , তুলে খেয়ে ফেলেছে বানরের দল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কালি কৃষ্ণনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেন্দ্র টিলা গ্রামের পরিবারগুলি। মানুষ ভাবছে, এই অবস্থা কিভাবে সমাধান হবে! বনদপ্তরের কর্মী রয়েছে কাঠালিয়া রেঞ্জ অফিসে বেশ কয়েকজন, এই নিয়ে দফায় দফায় তাদের জিজ্ঞাসা করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সঠিক কোন উত্তর পাচ্ছিনা। অথচ রাজ্যে বিগত সরকারের আমলে বানরের উৎপাত নিরসনের জন্য বিভিন্ন রকম ফটকাবাজি ব্যবহার উদ্যোগ গ্রহণ করত বনদপ্তরের কর্মীরা। এখন আর এই সুযোগ ও মিলছে না বনদপ্তরের কাছ থেকে। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কিছু পরিবারের আত্মচিৎকারে অনেক সময় মানুষ সরকারের প্রতি ভীষণ অসন্তোষ হয়ে সংবাদকর্মীদের কাছে পেয়ে এই সমস্ত বিষয়গুলি জানান দিতে চাইছেন। বানরের উৎপাত শুধু একদিনের বিষয় নয়! বিগত কয়েক বছর ধরে এই জাতীয় বানরের অত্যাচার চলছে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণাঞ্চলে।

April 23rd, 2026
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!
সম্পাদকীয় কলম

মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার তাণ্ডব!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার বিকেলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় মহিলাটি। খবরে প্রকাশ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা রাস্তা দিয়ে হাতে লাঠি নিয়ে যাওয়ার সময় বাগমা বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে বাজারের পার্শ্ববর্তী একটি শোরুমের সামনে শোরুমের ডিসপ্লে করে রাখা অটো গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। এছাড়ো আরো বেশ কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে দেয় বিকৃত মস্তিষ্কের মহিলাটি। এইভাবে পরপর পাঁচটি গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর দেওয়া হয় বাগমা পুলিশ ফাঁড়িতে। বাগমা ফাড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যদিও মহিলাকে গাড়িতে তুলতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে মহিলা পুলিশকে। যদিও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী মহিলাদের হস্তক্ষেপে সেই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দিন দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা দ্বারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক দেখা দেয় পথ চলতি মানুষের মধ্যে।

April 19th, 2026
শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩
সম্পাদকীয় কলম

শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩

সম্পাদকীয় কলম : বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে ' আশায় নাকি বাঁচে চাষা ' । বর্তমান সমসাময়িক রাজ্যের প্রেক্ষাপটে জনগণেরও ঠিক একই অবস্থা । এক সময় রাজ্যের গন দেবতারা জনৈক রাজনৈতিক দলের ভীষন যন্ত্রের আপ্লুত হয়ে হয়ে অন্ধভাবে তাঁদের পাশে রায় দিয়েছিলেন জনগণ । ২০১৮ সালে রাজ্যের মধ্যে নতুন সূর্যোদয় হয়েছিল । বহু আশা ছিল অসমাপ্ত কাজের গতিশীলতা আসবে । সেই স্বপ্নে আজও যেন জনগন বেঘোরে । ইতিমধ্যেই দেখেছেন বহু উত্থান - পতন। তবে , আক্ষেপের মধ্যেই আরও একটি বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছেন । সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনায় রত ।সব কিছু যেন শুভ হয় । বাংলা নতুন বছরে প্রত্যাশা রাখছেন রাজ্যবাসী । আক্ষরিক অর্থে সুসময় এসেছে একাংশ সুবিধাভোগীদের । আমাদের অনতি দূরের রাজ্যে অবিজেপি সরকার রয়েছে । বাংলা ভাষী এই রাজ্যের মধ্যে বেকারদের জন্য বেকার ভাতা, কন্যাশ্রী প্রকল্প,মহিলাদের জন্য চালু রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার । তাতে করে কয়েক কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সুনিশ্চিত গ্যারান্টি হয়েছে । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা । মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৪০-৪৫ লাখ। এই ছোট রাজ্যের মধ্যেই বেকার ভাতা , লক্ষ্মীর ভান্ডার মতো কোন ধরনের প্রকল্প রুপায়ন নিয়ে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হিসাবে দাবী করা রাজনদের প্রয়াস কেউ এখন পর্যন্ত দেখতে পাননি । রাজ্যের মধ্যে শূন্যপদ পূরন হচ্ছেনা । বাড়ছে বেকার যুবকদের মধ্যে হতাশা । শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা । হাজারোও বেকার টেট উত্তীর্ণ হয়ে চাকরীর জন্য ধর্নারত । বিশ্ব মানের হাসপাতাল গড়ার ভাষন শুনা গেলেও বাস্তবে চিকিৎসা পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে । কোন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা মনে হয় হাসপাতালের মেঝে রোগীদের ভিড়ে । নেশা মুক্ত প্রদেশ গড়ার বাস্তব চিত্রে দেখা যায় নেশা করবার চলছে রেল পথেও। এত কিছুর পরেও সবাইকে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বলতেই হবে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।

April 15th, 2026
পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !
সম্পাদকীয় কলম

পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !

সম্পাদকীয় কলম : গোটা মধ্যপ্রাচ্য যেন যুদ্ধের খেলায় মেতে উঠেছে। এই যুদ্ধ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে । বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়েছে জ্বালানী সংকট । প্রায় ২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও যুদ্ধের আঁচ কমার কোন লক্ষন নেই। রীতিমত তীব্রতা বাড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ যুদ্ধ । এদিকে হরমোজ প্রণালী নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিনী আগ্রাসন রোধের পরিবর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুংকার তীব্রতার নূতন ইন্ধন জুগিয়েছে । উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে নিজস্ব অবস্থানে অনড় । অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। মার্কিনী আগ্রাসন ঠেকাতে ইরান যাবতীয় শক্তি নিয়ে ঝাপিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে । ইরানের সেনা প্রধানের পাল্টা হুশিয়ারী মার্কিনী সেনা ইরানের মরু ভূমিকে স্পর্শ করলে কাউকে জীবিত ফেরত পাঠানো হবেনা । এদিকে ,বিদেশী একটি জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৩৩ বছর পর পুনরায় পারমাণবিক বোমার বিশেষ অভিযানে তৎপরতা বেড়েছে । যদি বর্তমান সময়ের মধ্যে কোন পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকির ভয়াবহতার কয়েকগুণ বেশী প্রভাব ফেলবে মানব সভ্যতার ইতিহাসে। আবহাওয়া দূষিত হবে । সূর্যের তাপমাত্রা কয়েকহাজার গুণ বেড়ে যাবে । পাল্টা ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমার আঘাত আনলে মধ্যপ্রাচ্য ঝলসে যাবে । এদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে আবুধাবি প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে । পাল্টা ইরানের পাশে রাশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী নামানোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত । জাতি সংঘ ও ন্যাটো মধ্যস্থতার দাবী উঠছে বিশ্বজুড়ে । এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে ভেঙে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি । মানব সভ্যতার ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে। প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে । যুদ্ধের বিভীষিকায় পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে । প্রত্যেকদিন মৃত্যু মিছিল অব্যাহত । মার্কিনী আগ্রাসন প্রতিরোধে বিশ্ব শান্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও জোড়ালো হচ্ছে দাবী ।এমতাবস্থায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার নিয়ে উভয় রাষ্ট্রের উন্মত্ত আগ্রাসন মানবতার জন্য বিপজ্জনক বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের।

April 3rd, 2026
মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা
সম্পাদকীয় কলম

মধ্যপ্রাচ্যে চলছে যুদ্ধের বিভীষিকা

সম্পাদকীয় কলম : চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের । চারিদিকে যুদ্ধের বিভীষিকা । সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করেছে । স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রধানরা পর্যন্ত নিরাপদ নয় । মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিদ্যমান । এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম শক্তিধর দেশ ভারতবর্ষ । অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে । নৌ সেনা , স্থল ও আকাশপথে পর্যাপ্ত আগাম সুরক্ষা নিয়ে রেখেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । সমস্ত রাজ্যগুলোকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে । যে কোন সময় আঘাত হলে প্রত্যাঘাত করতে সক্ষম ভারত । তবে , মধ্য প্রাচ্যের অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । যুদ্ধ মানেই সম্পদ ও মানব জাতির ক্ষতি । তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে ভৌগোলিক মানচিত্র থেকে বহু দেশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা । আগ্রাসন ও কতৃত্ব কায়েম করতে ইরানের রাষ্ট্র প্রধানের হত্যার পর পাল্টা প্রত্যাঘাত যেন ভয়াবহতা বাড়িয়েছে । এদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষনা ইরানের । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা । মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো আভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা ভুলে ক্ষমতার বহিঃ প্রকাশ করতে মারন খেলায় মেতে উঠেছে। ইসলামীক রাষ্ট্রগুলোও বহু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে । সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মধ্য প্রাচ্যের প্রায় সব রাষ্ট্রেই পরমাণু শক্তি ধীরে ধীরে গোপনে বৃদ্ধি করে নিয়েছে । এমতাবস্থায় যুদ্ধের অশনি আবহাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ন্যায় পরমাণু কোন হামলা হলে পরিণাম ভোগতে হবে গোটা মানব সভ্যতাকে । বিশ্ব শান্তি রক্ষায় জাতি সংঘ , ন্যাটো , ইউন্যস্কো সহ বিশ্ব মানবাধিকার কমিশনের মধ্যস্থতা অত্যন্ত আবশ্যক । এই পরিস্থিতি বন্ধ না হলে আন্তর্জাতিক আর্থিক ,বাণিজ্যিক , সামাজিক যাবতীয় ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে পড়বে । শেয়ার বাজারে ধ্বস পড়বে । মূল্যবৃদ্ধি হবে । সাধারন জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে । স্থিতিশীল দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা ঘনীভূত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে । মানব সম্পদ রক্ষায় যুদ্ধের আগ্রাসন ভুলে স্থিতিশীল সহবস্থান গড়ে উঠুক মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে , এটাই কাঙ্খিত ।

March 4th, 2026
বানরের উৎপাতে দিশেহারা কাঁঠালিয়ার মানুষ!
সম্পাদকীয় কলম

বানরের উৎপাতে দিশেহারা কাঁঠালিয়ার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি : বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার বিশেষ করে ফলের দোকান, শাক সবজির দোকান মালিকরা একেবারে দিশেহারা। বিগত কয়েক মাস ধরে, সকালবেলা দোকান খোলার পরেই শুরু হয় বানরের ঝাপটা! যেকোনো ফল অথবা যে কোন সবজি হঠাৎ দোকানে নেমে মুখে করে নিয়ে চলে যায় বিল্ডিংয়ের উপর। মনে হয় যেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকা বানরের বসতবাড়ি! এমন কোন দিন বাদ নেই, প্রতিদিনই ১৫ থেকে ২০টি হিংস্র বানর তাণ্ডব চালায় প্রতিটি দোকানে দোকানে গিয়ে। দোকান মালিক তাড়িয়ে দিতে গেলে উল্টো হামলা চালায় দোকান মালিকদের উপর। এছাড়া বাড়ি ঘরে তো আছেই, তবে বাণিজ্যিক এলাকা গুলিতে এখন কিভাবে বানরের এই সমস্ত আমরা থেকে দোকান মালিকরা রেয়াই পাওয়া যায় সেটাই এখন বড় প্রশ্ন নিয়ে দাঁড়িয়েছে কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে।

February 11th, 2026
প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ
সম্পাদকীয় কলম

প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ প্রসেনজিৎ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের জামিন খারিজ

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রসেনজিৎ হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচারের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এল। শনিবার ধর্মনগরের মাননীয় আদালত মামলার পাঁচ অভিযুক্তের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের বিচারাধীন অবস্থায় বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালত সূত্রে জানা যায়, আজকের দিনসহ অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে মোট তিনবার জামিনের আবেদন জানানো হয়। তবে মামলার গুরুত্ব, ঘটনার গুরুতরতা এবং প্রাথমিক তদন্তের স্বার্থে প্রতিবারই আদালত সেই আবেদন নাকচ করেন।আজ প্রসেনজিতের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী শঙ্কর লোদ। তাঁর সঙ্গে সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবদাস বক্সি। অপরদিকে, প্রসিকিউশনের তরফে প্রয়োজনীয় নথি ও যুক্তি পেশ করে অভিযুক্তদের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।আদালতের এই সিদ্ধান্তে প্রসেনজিতের পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, এই রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট এবং আশা প্রকাশ করেন যে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি তাঁদের পূর্ণ আস্থার কথাও জানান তাঁরা।উল্লেখ্য, প্রসেনজিৎ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি হয়েছে। আদালতের আজকের এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচারের দাবিতে চলা আন্দোলনে নতুন করে আশার আলো ও মনোবল জুগিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

January 3rd, 2026