surga-image

Category

আইন কানুন

তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!
আইন কানুন

তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: এন ডি আর এফ, টিএসআর দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়ন এবং এসডিআরএফ কর্মীদের টানা তিন দিনের অভিযানে রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ ঈশানচন্দ্রনগর স্কুল সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে আমতলী থানার পুলিশ ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। রাকেশের পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

May 3rd, 2026
 ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার  !
আইন কানুন

ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার !

নিজস্ব প্রতিনিধি:উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থানা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শুক্রবার ধারাবাহিক অভিযানে তিনটি পৃথক স্থান থেকে মোট ৬০টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব বাজার এলাকায় আজিম খানের বাড়ি থেকে ১৮টি,মধুবাড়ী রোডে টিটন পালের বাড়ি থেকে ২৭টি এবং রাগনা এলাকায় সালমা বেগমের বাড়ি থেকে আরও ১৫টি সিলিন্ডার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ২৬টি ভর্তি এবং ৩৪টি খালি।উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলি মালিকানা যাচাইয়ের জন্য মহকুমা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা। পুলিশ জানিয়েছে,চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

May 2nd, 2026
ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!
আইন কানুন

ফের একবার পুলিশ এবং বিএসএফের সাফল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার গভীর রাতে সোনামুড়া থানাধীন চারটি পৃথক স্থান কোলুবাড়ি, N.C Nagar, দুর্গাপুর, এবং শ্রীমন্তপুর ভারত বাংলা সীমান্তের গভীর জঙ্গল থেকে বিএফএফ 81 নং বাহিনী জোয়ানরা এবং সোনামুড়া থানার পুলিশ মিলে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁজা, ১৩০ টি নেশা জাতীয় Wskuf সিরাপ, এবং চার হাজার (৪০০০) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ভুল ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ পার করার জন্য এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলোকে মজুদ করা হয়েছিল। সঠিক সময়ে পুলিশ এবং বিএসএফের অভিযানে মাদক দ্রব্য পাচারকারীদের চোরা চালান ভেস্তে যায়। এক সাক্ষাৎকারে সুনামুরা থানার ওসি তাপস দাস জানান উদ্ধারকৃত এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলির বাজার মূল্য আনুমানিক সারা আট লক্ষ টাকা হবে। এবং পুলিশ তদন্ত করে দেখছে কে বা কাহারা এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এবং কারা এই মাদকদ্রব্য গুলি সীমান্তবর্তী এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল।

April 27th, 2026
তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!
আইন কানুন

তারকাটার ভেতরে জুম চাষে গিয়ে রক্তাক্ত যুবক!রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোমতী ত্রিপুরার করবোক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ি ব্লকের বেলতলী এলাকায় তারকাটার ভেতরে কাজ করতে গিয়ে গুরুতর জখম হলেন গুধানবাবু ত্রিপুরা (২৮) নামে এক যুবক। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জুম চাষের কাজে তিনি সীমান্তঘেঁষা তারকাটার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই হঠাৎ এই বিপত্তি ঘটে এবং তার হাতে গভীর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। আহত যুবকের পিতার নাম ললিত মোহন ত্রিপুরা।ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বাংলাদেশের দিক থেকে কেউ এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামের কিছু মানুষের মতে, স্থানীয়দের মধ্যে পুরনো বিবাদ বা সদ্য সমাপ্ত রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

April 24th, 2026
 গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!
আইন কানুন

গাড়ীর ধাক্কায় নিহত এক ব্যক্তি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার বিকেলবেলায় জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এক পথ দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় প্রান হারালো ভূষন দাস নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয় লোকজনের কাছথেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী মুহুরীপুর শঙ্গর পুরের বাসিন্দা ভূষন দাস ( ৬০ ) কাকুলিয়া এলাকা থেকে কাজসেরে বাইসাইকেলে করে ঘরে ফেরার পথে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে জাতীয় সড়কে শান্তির বাজার থেকে সাব্রমগামী টি আর ০৮ ই ০৬৮৩ নাম্বারের একটি বলেরুগাড়ী ভূষন দাসকে সজোরে ধাক্কাদিয়েচলেযায়। এতেকরে ভূষন দাস জাতীয় সড়কে ছিটকে পরেগিয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরনকরে। ঘটনার খবরপেয়ে জোলাইবাড়ী দমকলবাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয়ে ভূষন দাসকে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়েগেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভূষন দাসকে মৃতবলে ঘোষনাকরে। আগামীকাল মৃতদেহ ময়নাদন্তের পর পরিবারের লোকজনের হাতেতুলে দেওয়াহবে। ভূষন দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে তদন্তে নেমেছে বাইখোড়া থানার পুলিশ। ভূষন দাসের মৃত্যুর খবর ছরিয়ে পরতে সমগ্র জোলাইবাড়ী এলাকা জুরে শোকের ছায়া নেমেএসেছে।

April 22nd, 2026
বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!
আইন কানুন

বন্ধুর সরলতা নিয়ে তিন যুবক মিলে বন্ধুকে হত্যার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর জঙ্গলে নিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে গেল নগদ ৮৫ হাজার টাকা এবং এক ভুড়ির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন!! পরবর্তী সময়ে অভিযোগ জানিয়ে বন্ধুসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রথমে মধুপুর থানায় পরে বিশালগড় থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মধুপুর থানাদিন হরিহরদুলা এলাকার রনি মিয়া গতকাল সন্ধ্যা বেলা তার নিজ বাড়ি থেকে পুরাতল তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিশালগড় বাজারে গিয়ে সেখান থেকে ফল কিনে ঘনিয়ামারা এলাকার তার এক বন্ধু আকাশের সাথে যোগাযোগ করে। হয়তো আকাশকে নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। ঘনিয়ামারা চৌমুহনী এলাকা যেতেই রনি মিয়ার আড়ালে তার বন্ধু আকাশ আরো দুই যুবকের সাথে যোগাযোগ করে। সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাই অরবীন্দ্রনগর স্কুলের পাশে। সেখানে গিয়ে রাজু জয়নাল এবং আকাশ তিনজন মিলে প্রচুর মারধোর করে রনি মিয়াকে। একটা সময় উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে মেরে সেখানে ফেলে চলে আসবে। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং এক ভুরির অধিক ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যাই। তার কাপড়-চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং পায়ে এবং কোমরের প্রচণ্ড ভাবে আঘাত করে লাঠির মাধ্যমে। গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ায় তার চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমন সময় রনি মিয়ার মোবাইলে ফোন আসে তার বাবার। কুড়ি হাজার টাকা পাঠিয়েছে তার বোনকে দিয়ে আসার জন্য। সেই খবরটুকু জেনে যাই সেই তিন কুখ্যাত অপহরণকারী আকাশ জয়নাল এবং রাজু। সঙ্গে সঙ্গেই রনি মিয়াকে সেখান থেকে বাইকে চেপে বিশালগড়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে সেই কুড়ি হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য। একটা সময় রনি মিয়া বিশালগড় নিয়ে আসলে বাইক থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে কোনরকমে তার জীবন বাছায় বিশালগড় থানায় এসে আশ্রয় নিয়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রথমে বিশালগড় থানায় এবং পরে মধুপুর থানায়। এদিকে রনি মিয়া অভিযোগ করেন সেই ঘটনার মূল নায়ক ঘনিয়ামারা এলাকা টিটু আহমেদ। সম্পূর্ণভাবে মদত দিয়েছে টিটু আহমেদ বলে অভিযোগ করেন। পরে রনি মিয়া থানায় মামলা দায়ের করে সোমবার রাত বারোটা নাগাদ অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। নিত্যদিন এই এলাকার মধ্যে চুরি,ছিনতাই,পিস্তল নিয়ে ছুটাছুটি ইত্যাদি বেড়ে চলেছে। প্রশাসন যদি সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেই হয়তো আগামী দিন বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে।

April 21st, 2026
মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ
আইন কানুন

মহিলার তান্ডবে ত্রস্ত এলাকাবাসী পুনরায় থানার দ্বারস্থ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমতলী বারুইটিলার উশৃঙ্খল মহিলা কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো মামলা দায়ের আমতলী থানায়! জানা গেছে বারুইটিলা এলাকার উশৃঙ্খল মহিলা হিসেবে পরিচিত কল্যাণী ঘোষ একাধিক বার এলাকার লোকজনদের উপর আক্রমণ করে থাকে।এই ঘটনায় মহিলার বিরুদ্ধে পূর্বে মামলাও হয়েছিল,যে মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ জেল হেফাজতেও ছিল, কিন্তু তারপরেও মহিলা নিজেকে শোধরাতে পারেনি। একই কায়দায় পাড়ার লোকজনদের উপর আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীদের। গত ১ সপ্তাহ আগেও উনার বাড়ির পাশের এক ব্যক্তিকে প্রাণে মারার জন্য ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেছিল। পরে উনার পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয় আটক করা হয়েছিল অভিযুক্ত মহিলাকে। এরপর এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষ আবারও মঙ্গলবার একই পাড়ার রিপন দত্ত নামে এক যুবককে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় মহিলাদের সহ রিপন দত্তের। অবশেষে মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ রিপন দত্ত আমতলী থানায় মারধর এবং ছিনতাই এর অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে। এদিন মামলা করার সময় এলাকার মহিলারাও দল বেধে রিপন দত্তের সাথে থানায় গিয়ে জরো হয়। সেদিন রিপন দত্ত সহ এলাকার মহিলারা থানার সামনের দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কিত। আবারো যে কোনদিন যেকোনো সময় এই মহিলা এলাকার অন্য কারুর উপর আক্রমণ করতে পারে। তাই এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন যেন অভিযুক্ত কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করো।

April 21st, 2026
৭২ ঘণ্টায় ফের বড় সাফল্য আসাম পুলিশের!২৫ লক্ষ টাকার নেশার সিরাপ সহ গ্রেপ্তার ২!
আইন কানুন

৭২ ঘণ্টায় ফের বড় সাফল্য আসাম পুলিশের!২৫ লক্ষ টাকার নেশার সিরাপ সহ গ্রেপ্তার ২!

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ফের বড় সাফল্য পেল অসমের শ্রীভূমি জেলার চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের পুলিশ। নেশা জাতীয় কফ সিরাপ পাচারের একটি বড় চক্রের হদিশ মিলল পুলিশের তৎপরতায়। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ এসকাফ কফ সিরাপ, যার কালোবাজারি মূল্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর আনুমানিক সোয়া একটা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া AS25FC-6316 নম্বরের একটি ছয় চাকার কন্টেইনার গাড়ি ত্রিপুরা অসম সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের নাকা চেকিং পয়েন্টে পৌঁছায়। সন্দেহের ভিত্তিতে গাড়িটিতে তল্লাশি চালায় কর্তব্যরত পুলিশ।তল্লাশির সময় দেখা যায়, ব্লু ডার্ট কুরিয়ারের অনলাইন সামগ্রীর আড়ালে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি বড় কাঠের বাক্স। বাক্স দুটি খুলতেই চমকে ওঠেন পুলিশকর্মীরা। উদ্ধার হয় ১২টি কার্টুন ভর্তি মোট ৩৬০০ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ ‘এসকাফ’।পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির দুই চালককে আটক করে। ধৃতরা হল—মফিজুল ইসলাম (৩০), বাড়ি অসমের হাজো এলাকায় এবং সুন্তি আলী (৪০), বাড়ি নগাও জেলায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গুয়াহাটি থেকে এই কফ সিরাপ বোঝাই করে আগরতলার লিচু বাগান এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।তবে চালকদের অসংলগ্ন বক্তব্যে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই পাচার চক্রের সঙ্গে তারা পূর্ব থেকেই যুক্ত থাকতে পারে।ইতিমধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে অসম পুলিশ। রবিবার ধৃতদের সিজেএম আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, এই পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে অসম পুলিশ।

April 18th, 2026
ফের আক্রান্ত সাংবাদিক প্রভাত ঘোষ:সর্বত্র নিন্দার ঝড়
আইন কানুন

ফের আক্রান্ত সাংবাদিক প্রভাত ঘোষ:সর্বত্র নিন্দার ঝড়

বক্সনগর প্রতিনিধি,১৫ এপ্রিল।। রাজ্যে বাম-রাম কোন আমলেই সাংবাদিক আক্রান্তের ঘটনা থেমে নেই।বাম আমলে রাজ্যের দুই প্রতিভাবান সাংবাদিক পরিকল্পিত খুন এবং দিকে দিকে সন্ত্রাসের ঘটনায় রাজ্যের সাংবাদিক মহল ভেবেছিল যে,সরকার পরিবর্তন হলে হয়তোবা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত হবে। কিন্তু ২০১৮ সালে সরকার পরিবর্তনের পর সাংবাদিকদের ভাতা সংক্রান্ত বিষয়,সরকার স্বীকৃত সাংবাদিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিক জ্যাকেট বিতরণ সহ বিভিন্ন সংবাদ বান্ধব কার্যকলাপ লক্ষ্য করা গেলেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।তবে সরকার প্রধান বিভিন্ন সভায় জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করে সন্ত্রাস মাফিয়া দমন করার কথা বলেও কাজের কাজ এখনো কোনো কিছু হয়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময় সাংবাদিক আক্রান্তের খবর সংবাদ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় লক্ষ্য করা যায়।এরই এক জ্বলন্ত প্রমাণ বক্সনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এক মাসে দুইবার আক্রান্তের ঘটনা।কিছুদিন পূর্বে উত্তর কলমচৌড়া ছাতিয়ান টিলা চৌমুহনীতে মানিক দাস নামে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে জনসম্মুখে লাঠির আঘাতে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে গা ঢাকা দেয়।কিন্তু পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের চাপে পড়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয় এবং এখনো মানিক দাস হাজতবাসে রয়েছেন।কিন্তু এই ঘটনার রেশ না কাটতেই বুধবার ফের আক্রান্তের শিকার হন বক্সনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রভাত ঘোষ।বুধবার ছিল কমলনগর বাজারের বৈশাখী মেলা।এই মেলার আমন্ত্রণে সাংবাদিক প্রভাত ঘোষ নিউজ সংগ্রহের জন্য মেলায় যান এবং রীতিমতো সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে আনন্দনগর চৌমুহনী সংলগ্ন একটি জায়গায় কিছু দুষ্কৃতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পনায় সাংবাদিক প্রভাত ঘোষকে আক্রমণ চালায়।তার বাইক ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। লাঠির আঘাতে তার মাথা চৌচির করে দেয়।সাংবাদিক প্রভাত ঘোষকে রক্তাক্ত অবস্থায় পথচারীরা কমলনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় এবং সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে কমলনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আগরতলা জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে জিবি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এই আক্রান্তের ঘটনার খবর চাউর হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের এবং বিভিন্ন সংবাদ সংগঠনের সাংবাদিকরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।বিশেষ করে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার আক্রান্তের ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে শীঘ্রই অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২ ঘটিকায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং আক্রান্তের ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে সিপাহীজলা জেলার অন্তর্গত বক্সনগর, সোনামুড়া, জম্পুইজলা ও বিশালগড় এবং জেলা প্রেস ক্লাব সহ ৫ টি প্রেস ক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকরা জেলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মা নিকট ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। অভিযুক্তদের নাম ধাম দিয়ে পুলিশ সুপারকে সাংবাদিকরা জানান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।গ্রেফতার না হলে আগামী দিনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সাংবাদিকরা আন্দোলন সংঘটিত করবে। পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের দাবি অনুযায়ী শীঘ্রই অভিযুক্তদের সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

April 16th, 2026
তরমুজের আড়ালে দেড় কোটি টাকার নেশাজাতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার, অসম–ত্রিপুরা সীমান্তে পুলিশের বড় সাফল্য!
আইন কানুন

তরমুজের আড়ালে দেড় কোটি টাকার নেশাজাতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার, অসম–ত্রিপুরা সীমান্তে পুলিশের বড় সাফল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরাইবাড়িতে ১৪ হাজারের বেশি বোতল ‘এস্কাফ’ উদ্ধার—গ্রেফতার চালক ও সহচালক।বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনেই বড়সড় সাফল্য পেল অসম পুলিশের শ্রীভূমি জেলা শাখা। অসম–ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টে অভিযান চালিয়ে তরমুজ বোঝাই একটি লরি থেকে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই নিষিদ্ধ কফ সিরাপের কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে চুরাইবাড়ি চেকপোস্টে ৮ নম্বর আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কে নিয়মিত নাকা তল্লাশি চলাকালীন AS26AC-1102 নম্বরের একটি ছয় চাকার লরি সন্দেহজনকভাবে সেখানে পৌঁছায়। আগে থেকেই গোপন সূত্রে খবর থাকায় পুলিশ লরিটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। লরিতে উপরে তরমুজ বোঝাই থাকলেও তার নিচে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছিল ৯৫টি কার্টুন ভর্তি নিষিদ্ধ কফ সিরাপ ‘এস্কাফ’। প্রতিটি কার্টুনে ১৫০টি করে বোতল থাকায় মোট উদ্ধার হয়েছে ১৪,২৫০ বোতল নেশাজাতীয় কফ সিরাপ।এই ঘটনায় লরির চালক নজরুল ইসলাম এবং সহচালক মুসলেম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চালকের বাড়ি অসমের বরপেটা জেলায় এবং সহচালকের বাড়ি ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার মেলাঘর এলাকায়।ঘটনা প্রসঙ্গে শ্রীভূমি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ শর্মা জানান,“রুটিন তল্লাশির সময়ই এই বড়সড় সাফল্য আসে। উদ্ধার হওয়া কফ সিরাপের কালোবাজারি মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। এগুলি গুয়াহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছিল।” তিনি আরও জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ইতিমধ্যেই একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তঃরাজ্য পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি লরির মালিককেও সমন পাঠানো হবে এবং কোথা থেকে এই মাদকদ্রব্য লোড করা হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ধৃতদের আগামী বৃহস্পতিবার শ্রীভূমি জেলা আদালতে পেশ করা হবে। অসম পুলিশের এই সফল অভিযানে আবারও প্রমাণ মিলল যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার রুখতে তারা কতটা সক্রিয়। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং কোনওভাবেই নেশাজাতীয় সামগ্রী রাজ্যের ভিতরে বা বাইরে পাচার হতে দেওয়া হবে না।

April 15th, 2026