Category

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

 সরকারি অনুষ্ঠানে দম বিরিয়ানি খেয়ে দশদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু, মহিলা সহ ১৪ জন!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে দম বিরিয়ানি খেয়ে দশদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু, মহিলা সহ ১৪ জন!

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুর মহকুমার অন্তর্গত দশদায় CLF-এর উদ্যোগে টাউন হলে আয়োজিত বৈঠকে বিরিয়ানি ও মাংস খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন একাধিক মহিলা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, খাবার খাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বমি, পায়খানা ও জ্বরের মতো উপসর্গ। অসুস্থদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এক অসুস্থ মহিলা জানান, রাতভর ১০ থেকে ১২ বার বমি হওয়ার পাশাপাশি তাঁর সন্তানরাও অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, চিকিৎসক জানান, খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে ৬-৭ জন হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কয়েকজন বাড়ি ফিরে গেলেও বর্তমানে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং চিকিৎসা চলছে। তবে ঠিক কী কারণে এই অসুস্থতা, তা জানতে খাবারের গুণগত মান পরীক্ষা ও ঘটনার তদন্তের দাবি উঠেছে।
November 4th, 2026
 শিক্ষাক্ষেত্রে গৌরবময় তিন দশক পূর্তির উদযাপন
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

শিক্ষাক্ষেত্রে গৌরবময় তিন দশক পূর্তির উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতীয় বিদ্যা ভবনের প্রতিষ্ঠা দিবস স্মরণ এবং ত্রিপুরা রাজ্যে ভবনস ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির, আগরতলার শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য, গৌরব ও নিষ্ঠাপূর্ণ সেবার ৩০টি গৌরবময় বছর পূর্তি উপলক্ষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আযোজন করা হয়েছে এক বিশেষ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা 'দ্য পার্ল প্রসেশন' (The Pearl Procession)এই শোভাযাত্রা কেবল একটি র‍্যালি নয়; এটি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলা, সাফল্য, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের এক গৌরবময় উদ্যাপন। মুক্তো যেমন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার নিজস্ব ঔজ্জ্বল্য ও সৌন্দর্য অর্জন করে, তেমনই গত তিন দশকে ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও উৎকর্ষের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে তার শিক্ষাগত ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করে তুলেছে।ত্রিপুরায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির শিক্ষার্থীদের জন্য এমন এক সুষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে এসেছে, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভারতীয় বিদ্যা ভবনের শিক্ষা-দর্শন ও আদর্শকে পাথেয় করে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত এমন দায়িত্বশীল নাগরিক ও মানবিক মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে, যাঁরা সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।'দ্য পার্ল প্রসেশন' প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৃহত্তর সমাজের এক নিবিড় সম্পর্কের প্রতিফলন। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভবন পরিবারের বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্য, প্রাক্তন সহকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের একসূত্রে আবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলার সাফল্য ও অর্জনকে ঘিরে সকলের সম্মিলিত গর্ব, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে এই শোভাযাত্রায়।এই শোভাযাত্রায় বিদ্যালয়ের প্রাক্তন (এলামনি) ছাত্রছাত্রীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেল। তাঁদের আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের জন্য পানীয় ও জলখাবারসহ প্রয়োজনীয় রিফ্রেশমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা, দায়বদ্ধতা ও সহযোগিতার এই মনোভাব সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক সুন্দর বন্ধন ও ঐক্যের পরিচয় বহন করে।এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ভবন পরিবারের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ঐক্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষত, প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন সহকর্মীদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত মূল্যবান। তাঁদের অবদান, আন্তরিকতা ও দীর্ঘদিনের সহযোগিতা প্রতিষ্ঠানের এই গৌরবময় পথচলাকে সমৃদ্ধ করেছে।শিক্ষাক্ষেত্রে তিন দশকের এই সাফল্যের মুহূর্তে প্রতিষ্ঠানটি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করতে চায় পরিচালন সমিতি, অধ্যক্ষ-অধ্যক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রশাসনিক কর্মী, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সকল শুভানুধ্যায়ীর অবদান। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতাই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছে এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।এই উদ্যাপন একদিকে যেমন অতীতের সাফল্য ও অর্জনের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য, অন্যদিকে তেমনই ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার। পরিবর্তনশীল শিক্ষাব্যবস্থা ও সময়ের সঙ্গে উদ্ধৃত নতুন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবনী শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পরিবেশ, চরিত্র গঠন এবং শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে চলেছে।'দ্য পার্ল প্রসেশন'-এর মধ্য দিয়ে ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির, আগরতলা ভারতীয় বিদ্যা ভবনের মহান আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রতি তার অঙ্গীকারকে পুনরায় দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করতে চায়। জ্ঞান, মূল্যবোধ, সেবা ও উৎকর্ষের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই দীর্ঘ ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।ত্রিপুরায় শিক্ষার প্রসারে নিজেদের ৩০ বছরের গৌরবময় যাত্রা উদ্যাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে প্রতিষ্ঠানটি নতুন উদ্যম, উৎসাহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে আগামী দিনের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করা এবং রাজোর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখাই ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে থাকবে।
November 4th, 2026
 নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নে ভূমিপূজা ও শিলান্যাস, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নে ভূমিপূজা ও শিলান্যাস, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা, ২৭ অক্টোবর: রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করে তোলা এবং সাধারণ মানুষের কাছে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়ন ও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই উন্নয়নমূলক কাজের ভূমিপূজা ও শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিতে, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল-সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বর্তমানে এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এলাকার বহু মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল। এখানে বহির্বিভাগ (ওপিডি), অন্তর্বিভাগ (আইপিডি), আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এবং দন্ত চিকিৎসা-সহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে এলাকার মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবার মান বৃদ্ধি, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিত করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ভূমিপূজা করেন। এরপর নতুন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার গুণগত মান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কাজও সেই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এলাকার মানুষের কাছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। নতুন ভবন নির্মাণ ও পরিকাঠামোর উন্নয়ন সম্পন্ন হলে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে এলাকার বাসিন্দারা ভবিষ্যতে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নরসিংহগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো আরও মজবুত হবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসার চাহিদা পূরণে নতুন দিশা খুলবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
October 27th, 2026
ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর বাস্তবায়ন ও আগামী পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৩ ও ১৪ অক্টোবর আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভ ২০২৬’। বিদ্যা ভারতী শিক্ষা সমিতি ত্রিপুরার উদ্যোগে এবং মহারাজা বীর বিক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার আগরতলার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে করে এই কথা জানান ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভর সদস্যরা তিনি আরো জানান ১৩ অক্টোবর সকাল ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল এন. ইন্দ্রসেনা রেড্ডি। উপস্থিত থাকবেন বিদ্যা ভারতী পূর্বোত্তর ক্ষেত্রের সাংগঠনিক সম্পাদক ডঃ পবন তিওয়ারি। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষা প্রশাসকরা অংশ নিয়ে রাজ্যে NEP 2020-এর অগ্রগতি, সমস্যা এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।
October 12th, 2026
কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানুষের বিপদের দিনে দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় যুক্ত হলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স কমলপুরের বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। কারণ, সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া অনেক সময় একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।আজ কমলপুর টাউনহলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির উদ্যোক্তা ছিল কমলপুর মহকুমা প্রশাসন এবং সহযোগিতায় ছিল কমলপুর নগর পঞ্চায়েত। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব। তাঁর হাত ধরেই হাসপাতালের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, কমলপুর মহকুমার মেডিকেল অফিসার শুভাশিস দে, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার তথা ডিসিএম অদিতি দাস-সহ নগর পঞ্চায়েতের অন্যান্য কাউন্সিলররা।চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা ব্যয়ে এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।একটি অ্যাম্বুলেন্স শুধু রোগী পরিবহণের বাহন নয়, অনেক সময় তা হয়ে ওঠে সংকটাপন্ন মানুষের কাছে আশার ভরসা। দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা কিংবা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে দ্রুত পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে উপকৃত হবেন বহু মানুষ। বিশেষ করে মহকুমার সাধারণ মানুষের কাছে এই পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জনস্বার্থে এই উদ্যোগের সার্থকতা তখনই, যখন প্রয়োজনের মুহূর্তে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সহজে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা পাবেন। তাই নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়মিত ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করে কমলপুর মহকুমার মানুষের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করে তোলাই এখন প্রত্যাশা।মানুষের জীবন রক্ষায় প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। আর সেই সংকটের সময়ে রোগীর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক আশাব্যঞ্জক সংযোজন।
October 9th, 2026
 প্রায় দশ বছর ধরে বেহাল অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের সংস্কার নেই! ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাঞ্চনপুর লালজুড়ি ব্লকের রবি রায়পাড়ার মানুষ!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

প্রায় দশ বছর ধরে বেহাল অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের সংস্কার নেই! ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাঞ্চনপুর লালজুড়ি ব্লকের রবি রায়পাড়ার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার লালজুড়ি ব্লকের আওতাধীন জয়মনিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রবি রায়পাড়া অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের অবস্থা দীর্ঘ দশ বছর ধরে বেহাল।স্থানীয়দের অভিযোগ,কেন্দ্রটির ছাদ থেকে জল পড়ে,দেওয়ালে ফাটল,নেই পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা,নেই শৌচালয় ও পানীয় জলের সুব্যবস্থা। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কচিকাঁচা থেকে শুরু করে গর্ভবতী মায়েদের।সরকার যেখানে শিশুদের পুষ্টি ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার উপর জোর দিচ্ছে, সেখানে এই কেন্দ্রের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। বর্ষার দিনে ছাতা মাথায় দিয়ে চলছে পঠনপাঠন ও খিচুড়ি বিতরণ।এলাকাবাসীর দাবি,বহুবার পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা।শীঘ্রই এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটির সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কবে নাগাদ পদক্ষেপ নেয় পাঁচ বছর ধরে এই একই অবস্থা। বাচ্চারা এখানে আসতে চায় না। বৃষ্টি হলেই জল পড়ে।-আমরা অনেকবার জানিয়েছি। এই অবস্থায় বাচ্চাদের সামলানো খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে
October 9th, 2026
 বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার দুপুরে বিশালগড় ২ নং গেইট এলাকা থেকে এক যুবককে চিকিৎসা করার জন্য মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা চলাকালীন সময় এক যুবক মদমত্ত অবস্থায় হয়ে মহকুমা হাসপাতালের বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী এবং চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা করে। এতে মহকুমা হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল তরফ থেকে খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যায় মদমত্ত যুবক। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা রক্ষী অভাব এর ফলে চিকিৎসকের ওপর এই হামলার ঘটনা স্বীকার হতে হয়। এখন দেখার বিষয় এই খবর প্রকাশিত হবার পর মহকুমা হাসপাতালের কর্তব্যরত স্বাস্থ্য আধিকারিক ডক্টর অরজিৎ সিংহা কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে চিকিৎসক মহল।
September 27th, 2026
১৮৫৬ জন টেট উত্তীর্ণের একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডে চাকরিপ্রার্থীরা
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

১৮৫৬ জন টেট উত্তীর্ণের একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডে চাকরিপ্রার্থীরা

আগরতলা, বৃহস্পতিবার: ২০২৪ সালে টেট-১ ও টেট-২ উত্তীর্ণ ১৮৫৬ জন চাকরিপ্রার্থীর একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান বেকার যুবক-যুবতীরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা সকল উত্তীর্ণ প্রার্থীকেই অবিলম্বে একসঙ্গে নিয়োগ করতে হবে।চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, নিয়োগের দাবি নিয়ে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ মেলেনি। ফলে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।চাকরিপ্রার্থীরা জানান, তাঁরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই দ্রুত তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।তাঁদের আরও বক্তব্য, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন তাঁরা।
September 24th, 2026
 টেট উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

টেট উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৪ সালের টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা তাঁদের দীর্ঘদিনের নিয়োগ-সংক্রান্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানান।পরীক্ষার্থীদের বক্তব্য, ২০২৪ সালে টেট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র প্রায় ১,৮০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এত কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।সাংবাদিক সম্মেলনে পরীক্ষার্থীরা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, শহরকেন্দ্রিক কিছু স্কুল বাদ দিলে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার বহু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। শিক্ষক সংকটের কারণে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে তাঁদের বক্তব্য।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহার ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের কাছে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সহযোগিতা চাওয়া হলেও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁরা প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে পরীক্ষার্থীরা ঘোষণা করেন, তাঁদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। তাঁদের মূল দাবি—২০২৪ সালের টেট উত্তীর্ণ সকল যোগ্য পরীক্ষার্থীর দ্রুত নিয়োগ এবং রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা সরকারের কাছে তাঁদের দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান।
September 16th, 2026
 অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ যুবরাজনগরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ যুবরাজনগরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বণ্টন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে!! যুব রাজনগরে তীব্র চাঞ্চল্য!!!ধর্মনগর থানার অধীন যুবরাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যুবরাজনগর ১ নং ওয়ার্ডের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বন্টনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের আওতাধীন শিশুদের অভিভাবকদের ডেকে আনা হয় এবং শিশুদের জন্য ওষুধ বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে বোতলের গায়ে থাকা তারিখ পরীক্ষা করে অভিভাবকরা দেখতে পান যে, বণ্টন করা প্রতিটি ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের সময় উপস্থিত ছিলেন মঙ্গল খালি সাব সেন্টারের (কদমতলার বাসিন্দা) এমপিডব্লিউ মনিষ নাথ, স্থানীয় আশা কর্মী কয়রুন নেছা এবং অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার মাম্পী দেবনাথ।শিশুদের স্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন চরম গাফিলতি প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক সচেতন অভিভাবক মেসেজ করে সকলকে সতর্ক করে দেন। অথচ এমপি ডব্লিউ বা অঙ্গওয়ারির পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি।তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে লেখেন যে সরবরাহ করা ওষুধগুলি সম্পূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ, তাই কোনো অভিভাবক যেন ভুল করেও তা শিশুদের না খাওয়ান।কোমলমতি শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এই ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের এমন বেপরোয়া কাণ্ডজ্ঞানহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িত স্বাস্থ্যকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ যুবরাজনগরের বাসিন্দারা।
September 8th, 2026