Category

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

0শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

মেয়ের অসহায়ত্ব দেখে লোহার গেইটে মথা ঠুকছেন পিতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: গেট বন্ধ দেখে মেয়েটি যখন কান্নায় ভেঙে পড়ে, তখন তার অসহায় বাবা এই চরম মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে নিজের মাথা ওই লোহার গেটেই ঠুকতে শুরু করেন। এরপরই তিনি আক্ষরিক অর্থেই রাস্তার পাথুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।বাবার বুকে মেয়ের কান্না: বাবার এই অবস্থা দেখে মেয়েটি নিজের পরীক্ষার কষ্টের কথা ভুলে বাবাকে জড়িয়ে ধরে রাস্তায় শুয়ে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। চারপাশের মানুষ তাদের তোলার চেষ্টা করছেন, আর বাবা বুক চাপড়ে কাঁদছেন— এই দৃশ্য যেকোনো পাথরের মনকেও গলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।RE NEET পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরের ভিডিও।একজন ছাত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সামান্য দেরি করায় তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের বিদিশা।
June 22nd, 2026
পানীয় জলের বাজারজাত বোতল নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ! সাবধান !
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

পানীয় জলের বাজারজাত বোতল নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ! সাবধান !

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাস্তায় বেরিয়ে তৃষ্ণা মেটাতে নিশ্চিন্তে কিনে নিলেন বোতলবন্দি পানীয় জল! ভেবেছিলেন বিশুদ্ধ জল পান করে শরীর সুস্থ রাখবেন। কিন্তু সেই বোতলের ভেতরেই যদি শেওলা কিংবা অজ্ঞাত ভাসমান পদার্থ আপনাকে হাতছানি দেয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই— রাজ্যে আদৌ কি বোতলবন্দি জল উৎপাদনকারী সংস্থা গুলোর উপর কোনো নজরদারি আছে?বৃহস্পতিবার মেলাঘরের লাল মিয়া চৌমুহনী এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা যেন সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করল। উদয়পুরের ‘কঙ্কনা’ নামধারী একটি জল কোম্পানির সরবরাহকৃত বোতলবন্দি জলে চোখে পড়ল সন্দেহজনক ভাসমান বস্তু। দোকানমালিক ও স্থানীয়দের নজরে আসতেই শুরু হয় চাঞ্চল্য। বিশুদ্ধতার দাবি করা জলের বোতল যেন মুহূর্তে পরিণত হয় প্রশাসনিক উদাসীনতার প্রতীকে।স্থানীয়রা বিক্রেতাদের আটকে রেখে খবর দেন খাদ্য দপ্তর ও ফুড সেফটি অফিসারকে। ঘটনাস্থলে এসে তারাও জলের ভেতরে ভাসমান সন্দেহজনক পদার্থের উপস্থিতি স্বীকার করেন। পরে নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর কথা জানানো হয়।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, প্রাথমিক পর্যায়ে বিক্রেতাদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও ছিল না। তাহলে প্রশ্ন হলো— কাগজপত্র ছাড়া কীভাবে এই জল বাজারে পৌঁছালো? কার ছত্রছায়ায় গজিয়ে উঠছে এমন বেনামি জল কোম্পানি? প্রশাসন কি শুধু অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসবে, নাকি মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলা বন্ধে আগাম নজরদারিরও ব্যবস্থা করবে?কারণ বোতলের গায়ে ‘প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার’ লেখা থাকলেই জল নিরাপদ হয়ে যায় না। মেলাঘরের ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, অনেক ক্ষেত্রে বোতলের সিল যতটা শক্ত, ততটা শক্ত নয় নজরদারির ব্যবস্থাটাই।
June 18th, 2026
কিডনি সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ স্বামীর প্রান বাঁচাতে রাজ্য সরকারের নিকট সাহায্যের আর্জি অসহায় স্ত্রীর!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

কিডনি সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ স্বামীর প্রান বাঁচাতে রাজ্য সরকারের নিকট সাহায্যের আর্জি অসহায় স্ত্রীর!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কমলাসাগর বিধানসভার মধুপুর আদর্শ কলোনী এলাকার বিনোদ দেবনাথ অন্যের রাবার বাগানে কাজ করে স্ত্রী সহ ছোট ছোট দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে কোনরকম ভাবে দিন যাপন করতেন। হঠাৎ গত ৫-৬ মাস আগে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। শব্দের পরামর্শ নিলে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেছে উনার দুটি কিডনিতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য জমানো সমস্ত টাকা দিয়ে শুরু করে চিকিৎসা। সরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে প্রাইভেট চিকিৎসকের পরামর্শ এমনকি চলে গিয়েও চিকিৎসা করান কিন্তু চিকিৎসার কোন উন্নতি হয়নি বরং দিনের পর দিন আরও অসুস্থ হতে থাকেন বিনোদ দেবনাথ। বর্তমানে বিনোদ দেবনাথ এর অবস্থা এতটাই সংকটজনক হয়ে পড়েছে যার উন্নত চিকিৎসা করাতে গেলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। এদিকে এই হতদরিদ্র পরিবারের সঞ্চয় করা যা অর্থ ছিল সবকিছুই বিনোদ দেবনাথ এর চিকিৎসায় খরচ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অসুস্থ বিনোদ দেবনাথ এর স্ত্রী সহ গোটা পরিবারটি মানসিক ও আর্থিক দিক দিয়ে ভেঙ্গে পড়েছে।এখন ঘন ঘন বিনোদ দেবনাথের শ্বাস কষ্ট শুরু হয় আর তখনই তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করাতে হয়।এই অবস্থায় অসহায় পরিবারটিকে এলাকার মানুষ ও মধুপুর থানার পুলিশরা চাঁদা তুলে সামান্য আর্থিক সাহায্য করেছে কিন্তু এইভাবে আর কয়দিন চলবে!!এদিকে অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় দিন দিন বিনোদ দেবনাথ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ্য করে তুলতে অসহায় স্ত্রী বুল্টি দেবনাথ এলাকার বিধায়িকা অন্তরা সরকার দেবের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন কিন্তু বিধায়িকে তাকে তেমন কোন সহযোগিতা করেননি শুধুমাত্র ভাতা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে অসুস্থ বিনোদ দেবনাথের স্ত্রী রবিবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে অসুস্থ স্বামীর প্রান বাঁচাতে রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন।তবে যদি অসহায় স্ত্রী বুল্টি দেবনাথ এর আকুল আর্তনাদ সরকারের কান পর্যন্ত পৌঁছায় তাহলে অবশ্যই সরকার এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে অসুস্থ বিনোদ দেবনাথের উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে বিনোদ দেবনাথের প্রান বাঁচাতে পারে।
June 14th, 2026
হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন যুবকরা!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন যুবকরা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবার দাবিতে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর স্মারকলিপি প্রদানলংতরাই ভ্যালি, ১৩ই জুন: মাছলি ও তার আশেপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রে রাতে বা জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চরম অব্যবস্থার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে ২৪×৭ পরিষেবা চালুর দাবিতে আজ, শুক্রবার 'তোমার আমার ক্লাব'-এর উদ্যোগে এবং এলাকার সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।ক্লাব সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাতাকলমে বা কাগজ-পত্রে মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টে পর্যন্তই কেবল এই কেন্দ্রের দরজা খোলা থাকে। বিকেল চারটে বাজলেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে গভীর রাতে কোনো রোগী গুরুতর অসুস্থ হলে কিংবা কোনো গর্ভবতী মায়ের জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে, চরম বিপাকে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। নিরুপায় হয়ে রোগীদের অনেক দূরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়, যার কারণে অনেক সময় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।আজ স্মারকলিপি প্রদান শেষে 'তোমার আমার ক্লাব'-এর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, "একটি উন্নয়নশীল এলাকায় ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকারি খাতায় ২৪ ঘণ্টা উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে? আমরা প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, যেন অবিলম্বে এই মাছলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২৪×৭ চিকিৎসা পরিষেবা সচল করা হয় এবং সেই সাথে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও পর্যাপ্ত স্টাফের ব্যবস্থা করা হয়।"ক্লাবের সদস্যরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানান যে, প্রশাসন যদি এই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে আগামী দিনে এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। আজকের এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে ক্লাবের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার বহু সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
June 13th, 2026
 বাস ভাড়া কমানোর দাবি জানালেন কলেজ পড়ুয়ারা
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

বাস ভাড়া কমানোর দাবি জানালেন কলেজ পড়ুয়ারা

নিজস্ব প্রতিনিধি:কলেজে যাওয়ার জন্য বাস গাড়ির ভাড়া অর্ধেক করার আওয়াজ তুললেন চড়িলাম এর কলেজ ছাত্রছাত্রীরা শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় চড়িলাম বাজার স্ট্যান্ডে জাতীয় সড়কে বাস গাড়ীর জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় দাঁড়িয়ে। তারা রাজ্যে সরকার মুখ্যমন্ত্রী এবং পরিবহন মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই দাবি তুলেছেন। তারা সবাই রাম ঠাকুর কলেজের ছাত্র-ছাত্রী। আজকে তাদের পরীক্ষা। তাদের অভিযোগ চড়িলাম থেকে রামঠাকুর কলেজে যাওয়ার জন্য বাস গাড়িতে উঠলে তাদের ভাড়া দিতে হয় ৩০ টাকা। সরকারের নির্ধারিত ধরা হলো ২৩ টাকা। দুই টাকা এবং পাঁচ টাকা খুচরোর অভাবে তাদেরকে ৩০ টাকা দিতে হয়। তাই তারা রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে আবেদন জানিয়েছে কলেজে যাওয়ার জন্য যাতে ছাত্রছাত্রীদের গাড়ি ভাড়া অর্ধেক করে সরকার।
June 12th, 2026
ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের নিবন্ধিত নার্সদের তথ্য হালনাগাদের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবি
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের নিবন্ধিত নার্সদের তথ্য হালনাগাদের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা নোটিশ নং NO-4(233) TNCL 2024/575-77 অনুযায়ী ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের অধীনে নিবন্ধিত সকল নার্সকে অতি দ্রুত তাঁদের নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অত্যন্ত স্বল্প সময়সীমার মধ্যে এই নির্দেশ জারি করায় ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।আমরা অবগত যে, রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না পাওয়ায় বহু নিবন্ধিত নার্স জীবিকার তাগিদে রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমান সময়ে যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিমান, রেলসহ অন্যান্য পরিবহনের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রিপুরায় এসে তথ্য হালনাগাদ করা তাঁদের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল।এছাড়াও, কর্মরত নার্সদের পক্ষে এত অল্প সময়ের নোটিশে হাসপাতাল বা নার্সিংহোম থেকে ছুটি নেওয়াও প্রায় অসম্ভব। ফলে বহু নিবন্ধিত নার্স নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন না।এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেস ত্রিপুরা নার্সিং কাউন্সিলের নিকট জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে যে, নিবন্ধিত নার্সদের তথ্য হালনাগাদের জন্য অনলাইন ব্যবস্থার অবিলম্বে চালু করা হোক অথবা পর্যাপ্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক, যাতে রাজ্যের বাইরে কর্মরত নার্সরাও কোনো অসুবিধা ছাড়াই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
June 12th, 2026
আমবাসায় হঠাৎ ওষুধের দোকানে ড্রাগ ইন্সপেক্টরের অভিযান, চারু মেডিকেল হলে মিলল না ফার্মাসিস্ট
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

আমবাসায় হঠাৎ ওষুধের দোকানে ড্রাগ ইন্সপেক্টরের অভিযান, চারু মেডিকেল হলে মিলল না ফার্মাসিস্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার দুপুরে আমবাসা শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে আকস্মিক পরিদর্শনে যান ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায়। এদিন তিনি আমবাসার মোট চারটি ঔষধের দোকান পরিদর্শন করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শনকালে তিনি ওষুধের গুণগত মান ঠিক রয়েছে কি না, দোকানের লাইসেন্স বৈধ ও হালনাগাদ আছে কি না, দোকানে নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট উপস্থিত রয়েছেন কি না এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করেন।এসময় চারু মেডিকেল হল-এ কোনো ফার্মাসিস্ট উপস্থিত না থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। সংশ্লিষ্ট দোকান কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দিয়ে বলেন, "চিকিৎসকের বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ ক্রয় বা সেবন করা উচিত নয়। নিজের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।"স্বাস্থ্য পরিষেবার মান বজায় রাখা এবং ওষুধ বিক্রিতে অনিয়ম রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
June 11th, 2026
রোগীর তাণ্ডব ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

রোগীর তাণ্ডব ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে!

নিজস্ব প্রতিনিধি : ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির হামলা!!পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা!!! উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বুধবার এক অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা এক ব্যক্তি আচমকাই সেখানে উপস্থিত অন্য এক ব্যক্তির উপর হামলা চালায়। ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং রোগী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।এক ব্যক্তির হঠাৎ করে আক্রমণের ঘটনায় অপর ব্যক্তি সামান্য আহত হন। হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ধর্মনগর থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়।পরে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং বেশ কিছুদিন দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
June 10th, 2026
বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি...ধলাই জেলার আমবাসা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্তর্গত গুরুধন পাড়া আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের উদ্যোগে সম্প্রতি তিলক কুমার পাড়ায় একটি বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজিত হয়। বর্ষা মরশুমের শুরুতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই শিবিরে তিলক কুমার পাড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ৩০ জন গ্রামবাসী উপস্থিত হয়ে সরাসরি বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেন। শিবিরে আসা প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। গ্রীষ্ম ও বর্ষার এই সন্ধিক্ষণে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রোধ করতে এই শিবিরে আগত সমস্ত সন্দেহভাজন রোগীদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ম্যালেরিয়ার স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) করা হয়। এর পাশাপাশি, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়তে থাকা অসংক্রামক রোগ যেমন-উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগেরও বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসা ও পরীক্ষার পাশাপাশি এই শিবিরের একটি অন্যতম বিষয় ছিল জনসচেতনতা বৃদ্ধি। গুরুধন পাড়া আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামবাসীদের ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে রাতে ও দিনে ঘুমানোর সময় বাধ্যতামূলকভাবে মশারি ব্যবহার করা, বাড়ির আশেপাশে কোথাও জল জমতে না দেওয়া এবং জ্বর হলে কোনো রকম অবহেলা না করে অবিলম্বে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটিয়ে কীভাবে অসংক্রামক রোগগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেই বিষয়েও স্বাস্থ্য কর্মীরা গ্রামবাসীদের পরামর্শ দেন। ধলাই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয় থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।
June 9th, 2026
শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল

নিজস্ব প্রতিনিধি : চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল। জেলা হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক দিবারাত্র অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে জেলাহাসপাতালের উন্নয়ন করেযাচ্ছে। উনারা প্রতিনিয়ত জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রুগি ও জেলা হাসপাতালে আগত রুগিদের সঠিকভাবে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানকরে সুস্থ করেতুলছে। শুধুমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা নয় উনারা নিজেদের পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নকরেযাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরিশ্রমের ফলে জাতীয় স্তরের সহায়তা পেতে যাচ্ছে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতাল। জাতীয়স্তরের সহযোগীতার জন্য সোমবার শান্তির বাজার জেলাহাসাপাতাল পরিদর্শনে আসে এন কোয়াস টিম। তিন জনের প্রতিনিধিদল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। তিনদিন যাবৎ চলবে এইপরিদর্শন। পরিদর্শন শুরুর পূর্বে আগত প্রতিনিধিদলের সদস্যদের আনুষ্ঠিকভাবে বরন করেনেওয়াহয়। পরবর্তীসময় জেলাহাসপাতালের বিভিন্ন পরিকাঠামোর দিকগুলো সম্পর্কে জানান দেওয়াহয়। আলোচনা শেষে তিনজনের প্রতিনিধির দল জেলা হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরের বাভিন্নদিকগুলি পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনকালে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধাদানকরে সাব্রুম মহকুমার রূপাইছড়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রর মেডিকেল অফিসার রাহুল দাস। রাহুল দাস শান্তির বাজর জেলা হাসপাতালের উন্নয়ন চাইছেনা তাই জেলাহাসাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া কর্মরত সাংবাদিকদের দুরব্যাবহার করছে বলে অভিযোগ। রূপাইছড়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পথেকে অর্থ নয়ছয় করার অভিযোগ রয়েছে রাহুল দাসের বিরুদ্ধে। আজকেরদিনে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতলে এসে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টিকরতে প্রয়াস চালিয়েগেছে মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রাহুল দাস। উনার এইধরনের কার্যকলাপে সকলের মধ্যে ছিঃ ছি রব উঠেছে। লোকগুঞ্জনে শুনাযাচ্ছে ডাক্তার রাহুল দাস এনকোয়াস টিমের ভিজিটে বাধাদানকরে জেলাহাসপাতালের বদনাম করতে প্রয়াসচালিয়েযাচ্ছে। এইধরনের অফিসারকে আজকের এইগুরুত্ব দিনে জেলাহাসপাতালে রখাহয়েছে তানিয়ে লোকজনেরা প্রশ্নকরতে শুরুকরেছে। আজকের এই সার্বিক পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন এনকোয়াস টিমের সদস্য সুনিত শ্রীবাস্তব, রেনুকা সিন্দে, অঙ্কীতা নাথ, দক্ষিন জেলার জেলাসভাধিপতি দীপক দত্ত, শান্তির বাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তির বাজার পুরপরিষদের চেয়ারম্যান সপ্নাবৈদ্য, ভাইসচেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা, শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার লুফাং মগ, দক্ষিনজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জে এম দাস। শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালে এন কোয়াস টিমের আগমনকে কেন্দ্রকরে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্যকরাযায়। সকলে চাইছে শান্তির বাজারজেলা হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নহোক।
June 1st, 2026