surga-image

Category

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রীকে জ্বরের ওষুধ না দিয়ে হার্টের রোগীর ঔষধ খেয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে ১৭ বছরের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী কমলাসাগর দেবীপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার স্বপন সরকারের মেয়ে সুস্মিতা সরকার বমি করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। শুরু হয়ে যাক চিৎকার মা বাবা এবং অন্যান্য আত্মীয়দের মধ্যে। তারপরেও দৌড়ে গিয়ে কোন ডাক্তারের হদিস পানিয় রোগীর আত্মীয়রা। একটা সময়ে নার্সের কাছে গেলে নার্স নাকি মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শুরু হয়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতাল ভাঙচুর। কিন্তু অভিযোগ এই সময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিজের রুমে আরাম-আয়াসে হালকা ঠান্ডায় নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন । পরে এলাকার জনগণ কিংবা রোগীর আত্মীয়দের চিৎকারে দ্রুত ছুটে আসে সেই ডাক্তার। মুহূর্তের মধ্যেই সেই সুস্মিতা সরকারকে কোনরকমে বমি করিয়ে সেই ওষুধ ভিতর থেকে বের করে দেয়। যদিও তার অবস্থা বর্তমানে গুরুতর। তাকে বর্তমানে মধুপুর হাসপাতাল থেকে জিবিপি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

January 31st, 2026
জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জনজাতি ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার সদিচ্ছায় রাজ্যের সাব্রুম মহকুমার লুথুয়া চা বাগান এলাকায় নির্মিত হয় একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়। উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ি ও জনজাতি এলাকার দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উন্নত ও মানসম্মত আবাসিক শিক্ষা প্রদান। কিন্তু বাস্তবে সেই স্বপ্ন আজ দুর্নীতির ভারে ভেঙে পড়ছে।সূত্রের খবর, ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই সুবিশাল আবাসিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ২০২৩ সালে শেষ হয়। অথচ বিদ্যালয় চালু হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই প্রকৃত চিত্র সামনে আসে। বিদ্যালয়ের বাথরুমের ছাদ ভেদ করে জল চুঁইয়ে পড়ছে, যা স্বয়ং বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রধান কংক্রিট কলামে স্পষ্ট ফাটল দেখা যায়। এসব ত্রুটি ঢাকতে তড়িঘড়ি অর্ধেক পর্যন্ত রং করে “শাক দিয়ে মাছ ঢাকার” অপচেষ্টা চালায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি সংস্থা।অভিযোগ আরও গুরুতর। জানা যাচ্ছে, বিদ্যালয় নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ও নির্মাণসামগ্রী আত্মসাৎ করেছে। জনজাতি শিক্ষার নামে বরাদ্দ অর্থ কার্যত কিছু রাঘববোয়ালের পকেটে ঢুকেছে বলেই অভিযোগ।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, এই দুর্নীতির খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার আগেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমকে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সাব্রুমের সংবাদমাধ্যম মাথা নত করেনি। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধুলোয় লুটিয়ে দেওয়ার এই চক্রান্ত তারা মেনে নেবে না।আজ গোটা সাব্রুমবাসীর একটাই দাবি—এই দুর্নীতির পর্দা অবিলম্বে উন্মোচন হোক। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার শিক্ষা উন্নয়নের স্বচ্ছ উদ্যোগ যেন দুর্নীতির কালো ছায়ায় কলুষিত না হয়—এটাই জনগণের জোরালো আহ্বান।

January 28th, 2026
শীতের তীব্রতা, স্কুল বন্ধের ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

শীতের তীব্রতা, স্কুল বন্ধের ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতপ্রবাহের কারণে আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের সকল স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ সামাজিক মাধ্যমে এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।এদিন তিনি লেখোন, এই নির্দেশনা সরকারি, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি সকল স্কুলের জন্য প্রযোজ্য। প্রসঙ্গত, শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতি আমাদের দায়িত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাপমাত্রা তীব্রভাবে হ্রাস পাওয়ায় এবং হিমশৈত প্রবাহের কারণে শিশুদের অসুস্থতার ঝুঁকি থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

January 5th, 2026
বিলেত ফেরৎ ভুয়ো চিকিৎসকের চেম্বারে প্রশাসনের হানা
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

বিলেত ফেরৎ ভুয়ো চিকিৎসকের চেম্বারে প্রশাসনের হানা

নিজস্ব প্রতিনিধি :রাশিয়া থেকে পাস করা চিকিৎসকের চেম্বারে বিশালগড় প্রশাসনের হানা। অনুমতি ছাড়াই এতদিন ধরে ডাঃ আশরাফুল উদ্দিনের চেম্বার চলছিল বিশালগড় দুর্গানগরে। বিশালগড়ে ভুয়া MD ডিগ্রিধারী ডাক্তারের চেম্বারে প্রশাসনিক হানা।ভুয়া এম ডি ডিগ্রি লাগিয়ে দিব্যি চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন এক চিকিৎসক। নাম আশরাফুল উদ্দিন। পিতার নাম রুহুল আমিন। বাড়ি বিশালগড় গজারিয়ায়।ওই চিকিৎসকের দাবি সে রাশিয়া থেকে এমবিবিএস পাস করেছে। এবং তার কাছে সমস্ত সার্টিফিকেট ও আছে। সে যে প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করেন তাতে লেখা এম ডি জেনারেল মেডিসিন। প্রেসক্রিপশনে যে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দেওয়া আছে তা হল টিএস এমসি ০০ ৩৬৯৩। ত্রিপুরা স্টেট মেডিকেল কাউন্সিল রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সার্চ করলে দেখা যায় এই নাম্বারে আশরাফুল আমিন নাম ও এমবিবিএস ডিগ্রি লেখা রয়েছে। কিন্তু সে এমনি ডিগ্রি ব্যবহার করছে। এবং প্রেসক্রিপশনে আরো লেখা সে নাকি আগরতলা জিবি হাসপাতালে কাজ করেন। যার সম্পূর্ণ ভুল তথ্য । বুধবার বিকাল ৪ টায় বিশালগড় মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মহকুমা শাসক অফিসের dcm সহ প্রশাসনিকভাবে হানা দেওয়া হয় দুর্গানগর বাজারে তার চেম্বারে। প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানান সে রাশিয়া থেকে এমবিবিএস পাস করেছে কিন্তু সে এখানে আসে এমডি ডিগ্রী লাগিয়ে প্রেসক্রিপশন করছেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

December 24th, 2025
ডাক্তারদের বিরুদ্ধে পুলিশের ক্ষোভ!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

ডাক্তারদের বিরুদ্ধে পুলিশের ক্ষোভ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইনের সুরক্ষায় শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের চিকিৎকের কাছে সঠিকভাবে সহযোগীতা পাচ্ছেন না বলে জানান শান্তির বাজার থানার পুলিশ। আইন রক্ষনার্থে ও লোকজনদের সুরক্ষাপ্রদানে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে শান্তির বাজার থানার পুলিশ। বর্তমান সময়ে শান্তির বাজার মহকুমায় দুর্ঘটনার প্রবনতা বৃদ্ধী পেয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মদ্যপান করে যান বাহন চালানোর জন্য এই সকল দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এইদুর্ঘটনারহার কমানোরজন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে শান্তির বাজার থানার পুলিশ। আইন রক্ষনার্থে পুলিশের পাশাপাশি চিকিৎসকদের ভূমিকা রয়েছে। যেকোনো লোকজনকে আটক করে চিকিৎসকের কাছেনিয়ে গিয়ে মেডিকেল করানো হয়। মেডিকেল করাতে চিকিৎসকের সহযোগীতা প্রয়োজন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছথেকে সঠিকভাবে সহযোগীতা পাওয়াযায়না বলে জানান শান্তির বাজার থানার পুলিশ। শনিবার রাতে মদ্যপান করে বাইক চালানোর জন্য এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশের আইন অনুযায়ী ঐ যুবকে মেডিকেল করানোর জন্য শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে নিয়েগেলে সেখানে এক কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসক পুলিশকে সহযোগীতা করতে অনিহা প্রকাশ করে এবং পরবর্তী সময়ে যুবকে মেডিকেল ফিটনেস রয়েছে বলে লিখিত দেন। এই দিকে যুবকটি নিজ মুখে স্বীকার করছে সে একটি অনুষ্ঠানথেকে মদ্যপান করে বাইক চালিয়ে আসছিলো। পরবর্তী সময় পুলিশ শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে অপর এক চিকিৎসকের নিকট যুবটিকে নিয়ে গেলে তিনি যুবকটির শারিরিক বিভিন্ন দিক গুলি পরিক্ষা নিরিক্ষা করে সে মদ্যপান করেছে বলে লিখিত দেন। এই নিয়ে শান্তির বাজার থানার সেকেন্ড ওসি তথা এস আই সমীর বিশ্বাস জানান শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা সর্বদা পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে মদ্যপান অবস্থায় নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সেই ব্যক্তিকে মেডিকেল করাতে অনিহা প্রকাশকরে। এই নিয়ে জেলা হাসপাতালের এম এস জে এস রিয়াংকে জানানো হয়েছেবলে জানান সমীর বিশ্বাস। এম এস কে জানানোর পরেও প্রতিনিয়ত চিকিৎসকরা আইন রক্ষনার্থে পুলিশকে সহযোগীতা করতে অনিহা প্রকাশ করে বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে এইঘটনার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। একই ব্যক্তির দুইজন চিকিৎকের দুই ধরনের রিপোর্ট। চিকিৎসকরা এই ভাবে কাজ করে পুলিশ কিভাবে সঠিকভাবে কাজ করবে। একই ব্যক্তিকে দুইবার মেডিকেল করাতেহলে পুলিশ অন্যকাজ কিভাবে করবে। এইনিয়ে সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে পুলিশনিজ পতিক্রিয়া তুলে ধরলেন। পুলিশ চাইছে উনাদের কাজে যেন চিকিৎসকরা সহযোগীতার হাত বারিয়ে দেন।

December 7th, 2025
রাজীব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে ছুটে যান বিশিষ্ট সমাজসেবী চন্দন চক্রবর্তী
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

রাজীব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে ছুটে যান বিশিষ্ট সমাজসেবী চন্দন চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম জনপ্রিয় নেতা রাজ্য সভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। শুক্রবার হঠাৎ বুকের ব্যথা নিয়ে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ।এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। ছুটে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা ,মন্ত্রী টিংকু রায় সহ রাজ্য রাজনীতির প্রত্যেকেই । এই খবর পেয়ে কলকাতা থেকে যাবতীয় কাজ ফেলে সোজা হাসপাতালে ছুটে এলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তী । উল্লেখ্য রাজীব বাবুর অত্যন্ত স্নেহভাজন চন্দন চক্রবর্তী। বিজেপির সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে বহু লড়াইয়ের সাথী । চন্দন বাবু বিজেপির মতাদর্শ নিয়ে কেবলমাত্র সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার অন্যতম সেতু নির্মাণকারী ঊষা বাজারের । এলাকার প্রত্যেক মানুষের পাশে থাকার এক উজ্জ্বল নাম । রাজীব ভট্টাচার্য অসুস্থতায় গভীর চিন্তিত । শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। চন্দন চক্রবর্তী মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর কাছে রাজ্য সভার সাংসদের দ্রুত আরোগ্যের কামনা করেছেন ।

November 21st, 2025
প্রাচ্য ভারতী স্কুলে নেশা মুক্তি বিষয়ক কর্মশালা
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

প্রাচ্য ভারতী স্কুলে নেশা মুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: নেশার করাল গ্রাস থেকে ছাত্রছাত্রীদের দূরে রাখার ক্ষেত্রে আবারো ভূমিকা নিল পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ। বুধবার প্রাচ্য ভারতী বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত হয় এই সময়কালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা। সেখানে পূর্ব থানার ওসি সুব্রত দেবনাথ ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে নেশার ভয়ংকর দিক আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেন। কিভাবে তারা এই ভয়ংকর বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করবে তারও উপায় জানিয়ে দেন। এ দিনের আলোচনা শুনে ছাত্র ছাত্রীরা নেশা থেকে নিজেদের দূরে রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন ওসি। এদিন কমপক্ষে তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আলোচনা শুনেছেন। গোটা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকলের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো ।

November 19th, 2025
 গভীর ক্ষত ও অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে প্রায় ঘরবন্দি কাঞ্চনমালার নিত্য লাল পাল!
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

গভীর ক্ষত ও অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে প্রায় ঘরবন্দি কাঞ্চনমালার নিত্য লাল পাল!

নিজস্ব প্রতিনিধি: অজানা দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহায় হতদরিদ্র নিত্য লাল পাল সরকারের কাছে চিকিৎসার আর্জি জানিয়েছেন। জানা গেছে কাঞ্চনমালা এলাকার দুই নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা অসহায় হতদরিদ্র নিত্য লাল পাল গত একমাস ধরে এক অজানা দুরারোগ্য রোগে ভুগছেন। তিনি একটি জর্দা তৈরীর কোম্পানিতে কাজ করে যে সামান্য কিছু টাকা উপার্জন করতেন তা দিয়ে দুবেলা দুই মুঠো ভাত খেয়ে বাঁচতেন কিন্তু গত একমাস ধরে উনার যে অজানা দুরারোগ্য এক ভয়ঙ্কর রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন তখন থেকে উনি কর্মহীন অবস্থায় বাড়িতে একেবারে গৃহবন্দী। উনার এই অজানা ভয়ংকর রোগটি দেখলে মনে হয় কুষ্ঠ রোগীর মত, গোটা শরীরের চামড়া ফেটে সেই চামড়ার শরীর থেকে উঠে যাচ্ছে। যদিও তিনি বেশ কিছুদিন আগে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছিলেন কিন্তু সেই চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হননি বরং দিনের পর দিন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দিনরাত বাড়িতেই বসে থাকতে হচ্ছে উনাকে আর বাড়ির বাইরে বের হলে মানুষ ছোঁয়াছুঁয়ি রোগ ভেবে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে যাচ্ছে যার ফলে উনাকে একমতো গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হচ্ছে। অসুস্থ নিত্যলাল পাল অর্থের অভাবে ভালো চিকিৎসা করাতেও পারছেন না। নিত্যলাল পালের শরীরে এই ভয়ংকর অজানা রোগটি এলাকার কেউ আগে কখনো দেখেনি। সোমবার সকালে অসুস্থ নিত্য লাল পাল সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে উনার এই অসুস্থতার কথা জানাতে গিয়ে বলেছেন উনি কি রোগে আক্রান্ত তা তিনি নিজেও জানেন না এবং কাউকে এই রোগে আক্রান্ত হতেও কখনো দেখেননি। দিনরাত এই যুগের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন তিনি। এই অবস্থায় অসুস্থ নিত্য লাল পাল রাজ্য সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন সরকার যেন উনাকে এই রোগ থেকে বাঁচতে চিকিৎসার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

November 18th, 2025
বাইখোরা থানায় ডেপুটেশন পড়ুয়াদের
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

বাইখোরা থানায় ডেপুটেশন পড়ুয়াদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষনার্থে বাইখোড়া থানায় ডেপুটেশন প্রদান করলো বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা। ঘটনার বিবরনে জানাযায় শান্তির বাজার মহকুমার বাইখোড়া থানাথেকে ডিলছোঁড়া দুরত্বে অবস্থিত বাইখোড়া ইংলিশ মিডিয়াম দ্বাদশশ্রেনী বিদ্যালয়ে কে বা কাহারা এস এফ আই এর নামদিয়ে বিদ্যালয়ের ওয়ালে বিভিন্ন প্রকারের লেখনি লিখেছে। বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে আসার পর বিষয়টি বিদ্যালয়ে পাঠরত ছাত্র ছাত্রীদের নজরে আসে। পরবর্তীসময় কে বা কাহারা বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার প্রয়াস চালিয়েযাচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে বাইখোড়া থানার ওসি বিষ্ণু চন্দ্র দাসের নিকট এক লিখিত ডেপুটেশন প্রদানকরে ছাত্র ছাত্রীরা। অপরদিকে একই দাবীকে সামনেরেখে ছাত্র ছাত্রীদের অভিবাবক ও জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির ভাইসচেয়াম্যান কেশব চৌঁধুরী বাইখোড়া থানার ওসির সঙ্গে আলোচনাসভায় মিলিত হয়ে দোষীদের চিহ্নিতকরে শাস্তি প্রদানের দাবী রাখেন। বাইখোড়া এলাকায় শান্ত পরিবেষকে আশান্তকরে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়েযাচ্ছে দুষ্কৃতিকারীরা। বাইখোড়া থানাথেকে ডিলছোঁড়া দুরত্বে এইধরনের কার্যকলাপে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখাদিচ্ছে। বাইখোড়াথানার পুলিশ প্রতিনিয়ত কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্নথাকে তারই প্রমান মিললো। বাইখোড়া থানার ওসি বিষ্ণুচন্দ্র দাস প্রতিনিয়ত থানায় নাথেকে রাত্রিবেলায় আগতরতলা নিজ বাসভবনে চলেযান বলে অভিযোগ। যায়ফলে দুষ্কৃতিকারীরা অনায়হাসে চুরি থেকে শুরুকরে বিভিন্নপ্রকারের অপরাধমূলক কাজকরেযাচ্ছে। এখনদেখার বিষয় দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করতে বাইখোড়া থানার পুলিশ কতটুকু সক্ষমহয়।

November 13th, 2025
সারা দেশের মধ্যে এজিএমসি'র স্থানকে ১০ এর মধ্যে আনার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

সারা দেশের মধ্যে এজিএমসি'র স্থানকে ১০ এর মধ্যে আনার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩ নভেম্বর: রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার। সারা দেশের মধ্যে এজিএমসি'র স্থানকে ১০ এর মধ্যে আনার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি চিকিৎসকদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে হবে। আজ আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস করে এবিষয়ে গুরুত্ব তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। শিলান্যাস হওয়া প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে - ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিল্ডিং (CCB), কমিউনিকেবল ডিজিজ সেন্টার (CDC), জিবিপি হাসপাতালে 20 শয্যা বিশিষ্ট স্পেশাল ওয়ার্ড এবং ইন্টার ডিপার্টমেন্টাল কল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (IDCMS)। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, রাজ্যের মেডিকেল কলেজগুলিতে বর্তমানে এমবিবিএস কোর্সের জন্য ৪০০টি আসন রয়েছে। মেডিকেল কলেজগুলিতে পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফল করতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। জিবি হাসপাতাল, টিএমসি হাসপাতাল সহ অন্যান্য জেলা হাসপাতালগুলিতে এখন বেশ ভালো কাজ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে খবর আছে যে জিবি হাসপাতাল কিংবা টিএমসি হাসপাতালে কিছু দালাল বসে থাকে। তাদের কাজই হচ্ছে রোগীদের প্রভাবিত করে বাইরের হাসপাতালে পাঠানো। তাই এদেরকে জালে তোলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৮টি হিপ রিপ্লেসমেন্ট হয়েছে। হাঁটু রিপ্লেসমেন্ট হয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা হয়েছে। আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকাঠামো আরো উন্নয়ন করা হবে। প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে এজিএমসিতে ৯টি সুপার স্পেশালিটি চালু করা হয়েছে। খুব সহসাই আরো প্রায় চারটি নতুন পরিষেবা চালু হবে। এজন্য বরাদ্দের প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে কিছুদিন আগে আমি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করি। আমি তাঁর কাছে পরিকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দের কথা বলি। তখন তিনি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কেনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেন। আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিজা হাসপাতালের সহযোগিতায় রাজ্যে চারটি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়েছে। তারা ত্রিপুরায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল করার জন্য বলেছেন। এজন্য আমরা তাদের জন্য জমি বরাদ্দ করেছি। আগামী ৫ তারিখ সেই হাসপাতালের ভূমিপূজন হবে। এখন ত্রিপুরার সার্বিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রতি রবিবার আমি 'মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু' কার্যক্রমে উপস্থিত থাকি। সারা রাজ্যের মানুষ সেখানে আসেন। এরমধ্যে বেশিরভাগই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানে এসে অনেকে বাইরে রেফার করে দেওয়ার কথা বলে থাকেন। এক্ষেত্রে সুপার স্পেশালিস্টদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তবে কোন রোগীকে রেফার করা যাবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, আমাদের ডাক্তারদের নিজেদের আরো উন্নতি করতে হবে, নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সারা দেশের মধ্যে এজিএমসি'র স্থানকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অন্ততপক্ষে ১০ এর মধ্যে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। শুধু সরকারের একার পক্ষে সেটা সম্ভব হবে না। এজিএমসি ও জিবি হাসপাতালে মা ও শিশুর জন্য একটা বিল্ডিং শুরু হচ্ছে। প্রায় ১৯২ কোটি টাকা দিয়েছে ডোনার মন্ত্রক। ডেন্টাল কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নে আরো ২০২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিশ্রামগঞ্জে একটি আধুনিক নেশামুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ১২১.৯০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আইএলএস হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ১০০ শয্যার অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় সারা দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য হিসেবে ত্রিপুরা ১০০% লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, ওএনজিসির অ্যাসেট ম্যানেজার সঞ্জীব কুমার জানজুয়া, মেডিকেল এডুকেশনের অধিকর্তা প্রফেসর ডাঃ এইচ পি শর্মা, পরিবার কল্যাণ ও রোগ প্রতিরোধ দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ অঞ্জন দাস, জিবি হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডাঃ শংকর চক্রবর্তী, এজিএমসির অধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ অনুপ কুমার সাহা, প্রফেসর ডাঃ সঞ্জীব কুমার দেববর্মা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসকগণ।

November 3rd, 2025