Category

রাজনীতি

সাব্রুম রেল যাত্রীদের দুর্ভোগ ! ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় প্রশাসন!
রাজনীতি

সাব্রুম রেল যাত্রীদের দুর্ভোগ ! ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় প্রশাসন!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের ট্রিপল ইঞ্জিনের বর্তমান জনদরদী সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করলেন সাব্রুম রেলস্টেশনে যাওয়া-আসার নিত্যদিনের সকল স্তরের যাত্রী ও চালকরা। সাব্রুম-আগরতলা ০৮-নং জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে দমদমা শাস্ত্রী কলোনী হয়ে সাব্রুম রেলস্টেশন যাওয়ার রাস্তা মাত্র সাড়ে-তিন থেকে চার কিলোমিটার দূরত্বে। সাব্রুম রেলস্টেশনটি চালু হওয়ার পর থেকে একদিনের জন্যও স্টেশনে যাওয়া-আসার নিত্যদিনের রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা একবারও চিন্তা করল না প্রশাসন? অথচ স্টেশনে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটি দিয়ে প্রশাসনের উদ্ধতন আধিকারিকরাও যাতায়াত করতে দেখা যায়। সাব্রুমের সকল স্তরের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের ত্রিফল ইঞ্জিনের বর্তমান জনদরদী সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে! সাব্রুমের এক অটোচালক অভিযোগ করে জানান, স্টেশনে ঢোকার পথে রাস্তা দুইপাশে পাতিজঙ্গল উঠে ভর্তিহয়ে রয়েছে। যার জন্য রাস্তাটি সরু হয়ে গিয়েছে। যার ফলে যে কোন টাইম ঘটে যেতে পারে মুখোমুখি যান দুর্ঘটনা। রাস্তার দুইপাশে নেই বিদ্যুতের ছোঁয়া। যার ফলে নিত্যদিনের অটো চালকদের গাড়ি চালাতে গিয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে চালাতে হয়। এছাড়াও সাব্রুমের এক সচেতন নাগরিক অভিযোগ করে জানান, এই রাস্তার দুপাশে রাবার বাগানের জন্য রাস্তাটি অন্ধকারে পরিণত হয়ে পরেছে। যার ফলে রাতেরবেলা চলাচল তো দূরের কথা দিনেরবেলা পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে নিশির-আধারের মতন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় সকলকে। শুধু তাই নয় তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগ করে জানান, রাজ্যে সর্বত্র একশ্রেণীর যুবকরা ড্রাগসের কবলে পড়ে ছিনতাই বাজের মতন কাজ শুরু করেছেন। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে এই রাস্তাদিয়ে ছিনতাই বাজদের দূরত্ব সহ আরো না না হ অপরাধ কান্ড। শুধু তাই নয় উনি আরো জানান, কলকাতা শিয়ালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস সাব্রুম রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায় অনেক রাত্রিবেলা আর এতে বিভিন্ন রকমের ভোগান্তির শিকার হতে হয় ওই ট্রেনে আসা যাত্রীদের। এরজন্য সংশ্লিষ্ট মহল থেকে দাবি উঠেছে সাব্রুম রেলস্টেশন, রেলস্টেশনের রাস্তায় পুলিশের টহলদার এবং বিশেষ করে দাবি উঠেছে এই রাস্তা দুপাশে সরকার যেন তড়িঘড়ি বিদ্যুতের লাইট অথবা সোলার লাইট বসানোর দাবি উঠেছে। এখন দেখার বিষয় রাজ্যের ত্রিপল ইঞ্জিনের বর্তমান জনদরদী সরকারের মৌলিক চাহিদার পুরণ করার জন্য কবে এর শীতঘুম থেকে উঠে আসবেন ?
June 20th, 2026
বিপদের সমানে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কৈলাসহরের অসহায় পরিবারগুলোর!
রাজনীতি

বিপদের সমানে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কৈলাসহরের অসহায় পরিবারগুলোর!

নিজস্ব প্রতিনিধি: শহর এলাকায় নদী ভাঙ্গন আটকাতে রাষ্ট্রবাদী রাজ্য সরকার ব্লক বানানোর জন্য কোটি কোটি টাকা দিলেও শাসক দলের তকমাদারী ঠিকাদাররা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের ম্যানেজ করে নামকাওয়াস্তে কাজ করে কোটি কোটি টাকা হাফিজ করে নিচ্ছেন বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করছেন। আসন্ন বর্ষায় গোটা গ্রামের দেড়শো পরিবার নদীর জলে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ। নেই কোনো তদন্ত, প্রশাসন উদাসীন, নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে শাসক দলের নেতারা। ঘটনা ঊনকোটি জেলার জেলাসদরের খোদ কৈলাসহর শহর এলাকায়। কৈলাসহর পুর পরিসদের ১৬নং ওয়ার্ডের সুকান্ত কলোনি এলাকাটি মনু নদীর পাশেই অবস্থিত। সুকান্ত কলোনি এলাকায় প্রায় দেড়শো পরিবারের বসবাস রয়েছে। প্রতি বছর মনু নদীর ভাঙ্গনের ফলে একেবারেই বসতবাড়ীর কাছেই মনু নদী চলে এসেছে। এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবী মোতাবেক রাজ্য সরকারের বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে নদীর ভাঙ্গন আটকাতে ব্লক বানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো। সেই মোতাবেক দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রায় কোটি টাকার উপর টেন্ডার ডাকা হয়েছিলো। বিশেষ সূত্রে জানা যায় যে, শাসক দলের কতিপয় ঠিকাদাররা মূল টাকার পঞ্চাশ শতাংশ কম দিয়ে কাজটি অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়ে শুরু হয় দুর্নীতি। দপ্তরের গাইড লাইন অনুযায়ী মোট আঠারো হাজার ব্লক বারো ইঞ্চি উচ্চতায় নির্মাণ করার কথা থাকলেও ঠিকাদাররা আট ইঞ্চি উচ্চতায় ব্লক তৈরি করেছেন। এখানেই শেষ নয়, মোট আঠারো হাজার ব্লক নির্মান করার কথা থাকলেও মাত্র চার হাজার ব্লক নির্মান করে পুরো টাকাই হাফিজ করে নেয় শাসক দলের ঠিকাদাররা। এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করে যে, ব্লক নির্মানের সময় নির্মাণস্থলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের কোনো ইঞ্জিনিয়ার কিংবা দপ্তরের কোনো আধিকারিক আসেন নি। বিশেষ এক সূত্রে জানা যায় যে, দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার সহ আধিকারিককে মোটা অংকের বিনিময়ে ম্যানেজ করে শাসক দলের ঠিকাদাররা এই কাজটি করে নিয়েছে। এলাকাবাসীরা আরও গুরুতর অভিযোগ করেন যে, দপ্তরের গাইড লাইন অনুযায়ী ব্লক নির্মাণে যতটুকু সিমেন্ট দেওয়ার কথা ততোটুক সিমেন্ট না দিয়ে বালি বেশি দিয়ে ব্লক বানানো হয়েছে। তাও আবার অবৈধভাবে নির্মাণস্থলের কাছ থেকে মনু নদী থেকে বালি তোলে সেই বালি পরিষ্কার না করেই ব্লক বানানো হয়েছিলো। ব্লক গুলো বানিয়ে রাতের অন্ধকারে এলোপাতাড়ি ভাবে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা। কাজের দুর্নীতি নিয়ে এলাকাবাসীরা দফায় দফায় দপ্তরের আধিকারিক সহ স্থানীয় শাসক দলের নেতাদের সাথে আলোচনা করলেও সকলেই নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেছে। মনু নদীর পাড় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বর্তমানে বসতবাড়ীর একেবারে কাছেই নদী চলে আসায় গোটা এলাকার মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন। সুকান্ত কলোনি এলাকার মোট দেড়শো পরিবারের অধিকাংশ মানুষেরাই অর্থনৈতিক ভাবে অনেকটাই দুর্বল। এমতাবস্থায় এলাকাবাসীরা কোনো উপায় না পেয়ে স্থানীয় মিডিয়ার প্রতিনিধিদের দারস্থ হয়েছেন। উল্লেখ্য, সুকান্ত কলোনি এলাকায় যেসব ঠিকাদারেরা ব্লক বানিয়েছেন সেইসব ঠিকাদারেরা কৈলাসহরে অনেক বড় বড় নির্মান কাজ করছেন এবং প্রতিটি কাজেই দুর্নীতি করলেও ঠিকাদারেরা কাউকেই পাত্তা দিচ্ছেন না।বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে এসে অবৈধভাবে ভারতের নাগরিক হয়ে বর্তমানে নিজেকে হিন্দু নেতা জাহির করে ঠিকাদারি বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই হিন্দু নেতার পরোক্ষ মদতে ঠিকাদারেরা সুকান্ত কলোনি এলাকায় ব্লক নির্মাণে দুর্নীতি করেছেন বলে জানা যায়। এলাকাবাসীরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এখন দেখার বিষয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় কিনা?
June 18th, 2026
কৃষক বান্ধব বিজেপি সরকার: সুধাংশু দাস
রাজনীতি

কৃষক বান্ধব বিজেপি সরকার: সুধাংশু দাস

সালেমা, ১৮ জুন (পলাশ নমঃশূদ্র): ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ধলাই জেলার সালেমা টাউন হলে “খেত বাঁচাও অভিযান ও প্রাকৃতিক কৃষি” বিষয়ক এক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষকদের স্বনির্ভর করে তোলা, মাটির উর্বরতা রক্ষা, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা সরকারের তপশিলি জাতি কল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল, সহকারী সভাধিপতি অনাদি সরকার, জেলা পরিষদের কৃষি স্থায়ী সমিতির সভানেত্রী দীপ্তি দেববর্মা রক্ষিত, সালেমা পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান ননী গোপাল কর, সালেমা বিএসি-র চেয়ারম্যান বিমল দেববর্মা, সালেমা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অপূর্ব পোদ্দারসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রগতিশীল কৃষক হরেন্দ্র দাসঅনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা চারা গাছে জল দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা দেন। প্রাকৃতিক কৃষি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং সরকারি কৃষি প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ স্টল প্রদর্শন করা হয়। কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা প্রাকৃতিক কৃষির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানের শেষে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন কৃষি সখীর হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দেন অতিথিরা। জেলার কৃষকদের মধ্যে প্রাকৃতিক কৃষির প্রসার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিকাশে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।
June 18th, 2026
0রাজনীতি

কৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ : মন্ত্রী রতন লাল নাথ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৃষকদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। কৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে বর্তমানে রাজ্যে মোট ২৮৪টি প্রকল্প চালু রয়েছে, যা অন্তিম ব্যক্তির উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রকল্প গুলির মধ্যে অধিকাংশই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজীর সময়কালে শুরু হয়েছে।বুধবার ধর্মনগরের রাগনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত “খেত বাঁচাও অভিযান” ও প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একদিনের জেলা পর্যায়ের কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিজমিকে রক্ষা করে প্রাকৃতিক চাষাবাদের দিকে মানুষকে উৎসাহিত করতেই দেশজুড়ে “খেত  বাঁচাও অভিযান” পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচি ১ জুন শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রকৃতি ও পরিবেশের দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এবং তা দূষণের শিকার হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক ও জৈব কৃষির দিকে অগ্রসর হওয়া সময়ের দাবি।মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ত্রিপুরায় প্রায় ৫,০০০ হেক্টর জমিতে প্রাকৃতিক কৃষি চর্চা চলছে। চলতি বছরের শেষে এটি বৃদ্ধি করে ১৬,০০০ হেক্টরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তিনি বলেন ২০১৮ সালের আগে রাজ্যে প্রাকৃতিক কৃষির অস্তিত্ব প্রায় ছিল না বললেই চলে। তখন মাত্র প্রায় ২,০০০ হেক্টর জমিতে জৈব কৃষি হতো। বর্তমানে তা বেড়ে ২৬,০০০ হেক্টরেরও বেশি হয়েছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। যদিও অনেকে মনে করেন রাসায়নিক সার উৎপাদন বাড়ায়, বাস্তবে প্রাকৃতিক কৃষির মাধ্যমে কম খরচে ও টেকসইভাবে ভালো উৎপাদন সম্ভব।তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগে সমাজের সব স্তরের মানুষকে যুক্ত করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদেরও তাদের নিজস্ব জমিতে প্রাকৃতিক কৃষি গ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ কৃষকরাও অনুপ্রাণিত হন।রতন লাল নাথ বলেন, ভারত কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও কৃষিজমি সংরক্ষণ এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই লক্ষ্যে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের (KVK) বিজ্ঞানীরাও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য কৃষকদের সর্বাত্মক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উন্নত দেশে পরিণত করা। ২০১৪ সালের আগে ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে ১১তম স্থানে থাকলেও বর্তমানে তা চতুর্থ স্থানে উন্নীত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
June 17th, 2026
রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সিটুর স্মারকলিপি!
রাজনীতি

রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সিটুর স্মারকলিপি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার অধিকার রক্ষার দাবিতে এবং পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সোমবার ধর্মনগর রেলস্টেশন ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করল সেন্টার অব ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস (সিটু)-এর ধর্মনগর মহকুমা কমিটি।স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়,দেশের বিভিন্ন রেলস্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও জীবিকা নির্বাহ করে আসা দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হচ্ছে।পাশাপাশি,এই উচ্ছেদের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবী নাগরিকদের বিরুদ্ধে পুলিশি নির্যাতন এবং গণগ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।সিটুর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে কোনো উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না এবং চলমান উচ্ছেদ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর মানবিক ও স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।সিটুর নেতৃবৃন্দ জানান,শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের আন্দোলন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
June 15th, 2026
 খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন
রাজনীতি

খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের প্রধানমন্ত্রী -র নেতৃত্বাধীন সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন’। খোয়াই জেলার ছয়টি মণ্ডলকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় রবিবার তেলিয়ামুড়া চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ , রাজ্যের কৃষি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী , ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্যসচেতক তথা বিধায়িকা , ২৭ কল্যাণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক , বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বক্তা রাজ্যের মন্ত্রী রতন লাল নাথ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া সুবিধাগুলির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।এদিনের কনভেনশনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়। কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই বিশেষ কর্মসূচি।
June 14th, 2026
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় প্রাক্তন বনমন্ত্রী ও প্রবীণ সিপিআই(এম) নেতা ফয়জুর রহমানকে।
রাজনীতি

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় প্রাক্তন বনমন্ত্রী ও প্রবীণ সিপিআই(এম) নেতা ফয়জুর রহমানকে।

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা রাজ্যের সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা, আটবারের বিধায়ক এবং প্রাক্তন বনমন্ত্রী ফয়জুর রহমানের শেষকৃত্য শনিবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে উত্তর ত্রিপুরাসহ সমগ্র রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।শনিবার ভোররাত প্রায় ১টায় উত্তর ত্রিপুরা জেলার লালছড়াস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাসভবনে ভিড় জমান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার কারণে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।শনিবার বিকেল প্রায় ৩টায় তাঁর বাসভবনের সম্মুখবর্তী মাঠে ত্রিপুরা পুলিশ ও টিএসআর (ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস)-এর জওয়ানরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় রীতি অনুসারে জানাজা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন, অতিরিক্ত জেলাশাসক দেবযানী চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কমল দেববর্মা, কদমতলা-কুর্তি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ইসলাম উদ্দিন, বাগবাসা বিধানসভার বিধায়ক যাদব লাল নাথ, যুবরাজনগর বিধানসভার বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ, জেলা বিজেপি নেতৃত্ব, বিভিন্ন মণ্ডলের সভাপতি, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ।এদিন জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন বলেন, “সমস্ত প্রশাসনিক নিয়মকানুন মেনে এবং যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী ফয়জুর রহমানকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।”অন্যদিকে কদমতলা-কুর্তি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ইসলাম উদ্দিন তাঁর শোকবার্তায় বলেন, “ফয়জুর রহমান ছিলেন এই অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় জননেতা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক তিনি বিধায়ক হিসেবে জনগণের সেবা করেছেন। পাশাপাশি তিনি বনমন্ত্রী, সিপিআই(এম)-এর রাজ্য কমিটির সদস্য এবং ত্রিপুরা ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, এই এলাকার মানুষের অভিভাবক ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”উল্লেখ্য, ফয়জুর রহমান ত্রিপুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন বর্ষীয়ান ও অভিজ্ঞ জননেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জনসেবামূলক কাজ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক জীবনে তাঁর দীর্ঘ অবদানের জন্য তিনি সর্বমহলে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
June 13th, 2026
তীব্র জলসংকটে রামনগরে জাতীয় সড়ক অবরোধ! প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার !
রাজনীতি

তীব্র জলসংকটে রামনগরে জাতীয় সড়ক অবরোধ! প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার !

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর মহকুমার অন্তর্গত রামনগর এলাকায় দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকটকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে এলাকার মহিলারা একত্রিত হয়ে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামনগর এলাকায় একটি জল পরিশোধন প্রকল্প (ওয়াটার প্ল্যান্ট) থাকলেও সেখান থেকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ মহিলারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ ও অবরোধে সামিল হন।অবরোধের ফলে জাতীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয় এবং উভয় প্রান্তে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। পরে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।প্রশাসনের আশ্বাসের পর অবরোধকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।তবে এলাকাবাসীর দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, অবিলম্বে নিয়মিত পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রামনগর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থার উপর একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
June 13th, 2026
শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ সরকার : জিতেন্দ্র চৌধুরী
রাজনীতি

শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ সরকার : জিতেন্দ্র চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী।তিপ্রা মাথার নেতা প্রদ্যুৎ কিশোর বলেছেন মোদী এবং শাহ ত্রিপুরা রাজ্যের ট্রাইবেলদের জন্য খুব ভালো কাজ করছেন এই বিষয়ে কি বলবেন?রাজ্যের কিছু সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আমলা যাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে তাদের পুনর নিয়োগ করে রাখা হচ্ছে এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?তার সাথে একজন মামলার বিরুদ্ধে রাজ্য এবং রাজ্যের বাইরে বহু কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি ইত্যাদির পরও সম্প্রতি IAS এ পদোন্নতি করা হয়েছে এ সম্পর্কে কি বলবেন?রাজ্যে প্রায় তিন হাজার টাকা কর্মচারী বেতন পাচ্ছেন না, সাথে অঙ্গনারী কর্মীরাও নিয়মিত বেতন না পাওয়ার কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন কর্মসূচি করছেন এই বিষয়ে আপনি কি বলবেন?চাকুরী রত non tet শিক্ষকদের tet পরীক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক সুপ্রিম কোর্ট এমনই রায় দিয়েছেন এ বিষয়ে কি বলবেন? মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীতে তেল বাহী ভারতীয় জাহাজে মার্কিনি হামলায় তিনজন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী এখনো নীরব। এই বিষয়ে কি বলবেন?ত্রিপুরা শান্তির নিকেতন মেডিকেল কলেজে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে নানান প্রশ্ন উঠছে, কেউ কেউ এটাকে আর জি করের পুনরাবৃত্তি বলেও আখ্যা দিচ্ছে, পরিবার দাবি এটি আত্মহত্যা নয় পরিকল্পিত খুন, এই বিষয়ে কি বলবেন?আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা আজ থেকে রাজ্যে ৭২ ঘন্টার জন্য বনধ এর ডাক দিয়েছে, এই বন্ধে জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন এজেন্ডা নেই তারপরও নিরব দর্শকের ভূমিকা সরকার। এই বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
June 12th, 2026
কোটি টাকা খরচেও বেহাল কৈলাশহর রাঙ্গাউটি রাস্তা! নির্বাচনের আগে তাড়াহুড়োর কাজ, বেহাল দশায় পরিণত !
রাজনীতি

কোটি টাকা খরচেও বেহাল কৈলাশহর রাঙ্গাউটি রাস্তা! নির্বাচনের আগে তাড়াহুড়োর কাজ, বেহাল দশায় পরিণত !

নিজস্ব প্রতিনিধি: PMGSY প্রকল্পে পাথরের বদলে বালি বেশি, অল্প বৃষ্টিতেই ভাঙন। ডাকবাংলা থেকে রাঙ্গাউটি পর্যন্ত যান চলাচল অসম্ভব, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর।বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে কৈলাশহর রাঙ্গাউটি রাস্তা। ২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই রাস্তার বরাত পায় রাজ্যের একটি নামি ঠিকাদার সংস্থা। তাড়াহুড়ো করে নির্বাচনের আগে এই ৭ কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা, PMGSY প্রকল্পের আওতায় কাজ করা হয়। খরচ হয় কয়েক কোটি টাকা। কিন্তু পুরো রাস্তাটি পাথর দ্বারা মেটেলিং করা হলেও সেই সময় পাথরের সঙ্গে বালুর পরিমাণ ছিল বেশি। যার কারণে প্রতি বছর রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়। অল্প বৃষ্টি হলেই ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয় আর তা থেকেই শুরু হয় রাস্তার ভাঙন।ঠিকাদারের পক্ষ থেকে রাস্তা নির্মাণ করার পর দুইবার মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। এই রাস্তা নিয়ে বহু আন্দোলন, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হলেও ঠিকাদারের দায়িত্ব পাঁচ বছর মেরামত করা। কিন্তু এত নিম্নমানের কাজ হয়েছিল যে প্রতি সাত-আট মাস পরেই রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়।এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি, বাইসাইকেল, অটো, বড় গাড়ি, রিক্সা যাতায়াত করে। কৈলাশহরের উত্তরাঞ্চলের একমাত্র এই রাস্তা শহরের প্রাণকেন্দ্র। আর এই রাস্তার বেহাল দশায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। ছোট ছোট গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। টুকটুক, রিক্সা চালানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে ডাকবাংলা থেকে কুবঝার, কুবঝার থেকে টিলাবাজার এবং টিলাবাজার থেকে রাঙ্গাউটি রাস্তায় মাঝে মাঝে বড় বড় গর্ত। যান চলাচল কার্যত অসম্ভব। তাই অতিসত্বর এই রাস্তাটি মেরামত করার দাবি উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
June 12th, 2026