surga-image

Category

রাজনীতি

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক
রাজনীতি

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপাহী জলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মার সঙ্গে দেখা করলেন বাম গণতান্ত্রিক যুব সংগঠন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির এক প্রতিনিধিদল। শনিবার বিকেল পাঁচটায় প্রতিনিধি দল বিশ্রামগঞ্জ পুলিশ সুপার অফিসে গিয়ে তার কক্ষে দেখা করেন। কয়েকদিন আগে মেলাঘর থানা এলাকায় রাষ্ট্রবাদী বিজেপি দলের অ- মানুষ নেতা দুলাল সূত্রধর তার প্রতিবেশী তের বছরের এক নাবালক ছেলে কে জঘন্য ভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করে। অপমান ঘৃণা অত্যাচার এবং যন্ত্রণায় শিশুটি আত্মহত্যা করে। রাষ্ট্রবাদী নেতার বিরুদ্ধে মেলাঘর থানায় মামলা হয়। কিন্তু মেলাঘর থানার পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করছে না। মেলাঘর থানার আই ও অসীম ভৌমিক তাকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ। পুলিশ নাকি অভিযুক্তকে খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ এলাকার মানুষ বলেছে গতকাল রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর তার নিজ বাড়িতে ছিল। পুলিশ বলছে তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর কে অতি দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সিপাহীজলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন রাজ্য কমিটির নেতৃত্ব নবারুণ দেব। তার সঙ্গে ছিলেন হিরন্ময় নারায়ন দেবনাথ গৌতম ঘোষ শান্তনু দেব ,প্রনয় সিনহা এবং জন্টু দেবনাথ। এসপির সঙ্গে দেখা করে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাম যুব সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব পুরো বিষয় তুলে ধরে বলেন পুলিশ সুপার তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্ত বেশি দিন পালিয়ে বাঁচতে পারবে না। তাকে আটক করা হবে। আইন আইনের পথে চলবে। যুব সংগঠনের নেতৃত্বরা পুলিশ সুপারকে সিপাহী জলায় গাঁজা বাগান ধ্বংস করার যে অভিযান তিনি শুরু করেছেন তার জন্য তার প্রশংসা করেছেন তারা। পাশাপাশি সিন্থেটিক নেশার বিরুদ্ধে অভিযান জারি রাখার জন্য এসপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। কারণ নেশার সাথে যুক্ত রয়েছে রাজ্যের ডাবর তাবড় ব্যক্তিত্ব। আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে রাজ্যকে নেশা মুক্ত করতে হবে। তাই আমরা আমাদের সংগঠনের তরফে স্লোগান তুলেছি " প্রজন্ম বাঁচাও"। এই স্লোগান বাস্তবায়িত করার জন্য আমরা মাঠে ছিলাম মাঠে আছি এবং মাঠে থাকবো বলে জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দের। সোনামুড়া বিভাগের যুব সংগঠনের নেতৃত্বদের নিয়ে আমরা আজকে মেলাঘর থানায় গিয়ে কথা বলেছি এবং নাবালকের বাড়িতে গিয়ে ও তার বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেছি, এবং পুলিশকে বলেছি পুলিশ যাতে অতি দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে এমনটাই জানিয়েছেন বাম যুবনেতা নবারুণ দেব।

January 31st, 2026
মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর
রাজনীতি

মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালীর ছৈলেংটা থানাধীন দূর্গাছড়া এলাকার তিপরা মথা দলের নব্য নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে কৃষি দপ্তরের জৈব সার উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সংবাদ সূত্রে জানা যায় তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়িতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তার বাড়িতে জমা রেখেছে প্রচুর জৈব সার। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায় বহু প্রকৃত কৃষকরা সার পাচ্ছে না কিন্তু নেতা হওয়ার সুবাদে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের সুযোগ সুবিধা। উল্লেখ্য তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার স্ত্রী যমুনা চাকমা ছামনু এলাকায় কৃষি দপ্তরের কর্মরত ছিল তখন এই সব কান্ড সংঘটিত হয়। বর্তমানে যমুনা চাকমা অন্যত্র বদলি হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে মোহন লাল চাকমার বাড়িতে হানা দেয় সঙ্গে ছৈলেংটা থানার পুলিশ এবং ছামনু কৃষি দপ্তরের আধিকারিক জ্যোতির ময় চাকমা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে মোট ৫৮ বস্তা জৈব সার উদ্ধার করে। গোটা বিষয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে সেইসাথে দপ্তর কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে খবর। অন্যদিকে দপ্তরের স্টোর কিপারের বক্তব্যে অন্য কিছু বেড়িয়ে আসছে। এদিকে তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

January 27th, 2026
রেগার নাম বদল ইস্যুতে বিজেপিকে বিধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি
রাজনীতি

রেগার নাম বদল ইস্যুতে বিজেপিকে বিধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহাত্মা গান্ধীর নামে প্রণীত এমজিএনরেগা প্রকল্পকে কার্যত বাতিল করে নতুন মোড়কে গ্রামীণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করা হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আরও বেশি দিনের কাজ, বেশি মজুরি ও বেশি অর্থ বরাদ্দ”—এই প্রতিশ্রুতির বন্যায় সরকারি অর্থ ও আইটি সেল–সহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে গোটা দেশ ও রাজ্যের মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।আশীষ সাহা বলেন, ইউপিএ সরকারের আমলে এমজিএনরেগায় কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রায় ৪ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও বর্তমান অর্থবর্ষে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.৩৭ শতাংশে। ২০১৪ সালের পর দেশজুড়ে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি জব কার্ড ডিজিটালাইজেশন, আধার লিংক ও ব্যাংক কেওয়াইসি–র অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ত্রিপুরায় প্রায় ৯ লক্ষ জব কার্ড রয়েছে। ফলে কাজের গড় দিন দেশে ৪৫–৪৬ থেকে নেমে এসেছে, রাজ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩২–৩৩ দিনে।তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ বছরে জব কার্ডধারীদের মধ্যে মাত্র ৮ শতাংশ ১০০ দিনের কাজ পেয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। কাজের জায়গায় না গিয়েও মজুরি তোলার অভিযোগও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, দেশ ও রাজ্যে কোটি কোটি টাকা মজুরি বকেয়া পড়ে রয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সোশ্যাল অডিট রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বলেন, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিভিন্ন বছরে ত্রিপুরার এমজিএনরেগা প্রকল্পে শত শত কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই তথ্য আড়াল করতেই সরকার নতুন আইনের মাধ্যমে প্রকল্পের আইনি অধিকার তুলে দিতে চাইছে, যাতে অর্থের বড় অংশ ঠিকাদার ও শাসকদলের একাংশের হাতে চলে যায়।সংবাদ সম্মেলনে আশীষ কুমার সাহা আরো বলেন, এমজিএনরেগা শুধু একটি প্রকল্প নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই প্রকল্পকে দুর্বল করা মানে গরিব মানুষের জীবিকা ধ্বংস করা। কংগ্রেস দল এই নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন জারি রাখবে বলেও তিনি ঘোষণা করেন।

January 25th, 2026
মন কি বাত অনুষ্ঠানের সভায় বিরোধীদের সমালোচনায় মুখর মুখ্যমন্ত্রী
রাজনীতি

মন কি বাত অনুষ্ঠানের সভায় বিরোধীদের সমালোচনায় মুখর মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মন কি বাত’-এর ১৩০তম পর্ব শোনার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নাম না করেই বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা। রবিবার ১৯ চড়িলাম বিধানসভার অন্তর্গত ৪০ নম্বর বুথের বিশ্রামগঞ্জ শচীন দেব্বর্মন স্মৃতি কলাক্ষেত্রে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আপনাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে যা খুশি তাই করতে পারবেন না। সরকার এবং আইনের হাত অনেক লম্বা, তাই সবাইকে সাবধান থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, বিরোধীরা গঠনমূলক রাজনীতির বদলে বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাঁর কথায়, ঘুম থেকে উঠেই সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ি দেয় বিরোধীরা। কাজের কাজ কিছুই নেই, তাদের কাজের কোনো ইতিহাসও নেই।তিনি দাবি করেন, রাজ্য সরকার উন্নয়নমূলক কাজ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

January 25th, 2026
তিন বোনের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে পিতৃ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয় কমলাসাগর শাসক দলের নেত্রী!
রাজনীতি

তিন বোনের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে পিতৃ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয় কমলাসাগর শাসক দলের নেত্রী!

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিন বোনের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এবং জীবিত ভাইকে মৃত বানিয়ে পিতৃ সম্পত্তি হাতিয়ে নিলো দুই ভাই সহ কমলাসাগর মন্ডল সম্পাদিকা। ঘটনার বিবরণ জানা যায় কমলাসাগর বিধানসভার দীনদয়াল চৌমুনি এলাকায় তিন বোন ও তিন ভাই এর পিতৃ সম্পত্তি রয়েছে। তিন বোন বিবাহ সূত্রে স্বামীর বাড়িতে এবং এক ভাই কর্মসূত্রে বহিরাজে রয়েছে। কিন্তু দুই ভাই সুকুমার চক্রবর্তী ও পঙ্কজ চক্রবর্তী এবং সুকুমার চক্রবর্তী স্ত্রী কমলাসাগর শাসক দলের নেত্রী রিনা চক্রবর্তী তিন বোনের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এবং এক ভাইয়ের ডেট সার্টিফিকেট বানিয়ে সম্পূর্ণ পিতৃ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়। বোনেরা জানায় বাড়িতে থাকা দুই ভাই তিন বোনকে মিথ্যে কথা বলে বাবার নাম সংশোধন করতে হবে বলে জানিয়ে বিশালগড় এইচ ডিএম অফিসে ডেকে এনে সাদা কাগজে জাল সাক্ষর করে নেয় এবং তাদের বলে দেয় বাড়ি চলার জন্য। তিন বোন বিশ্বাসের মাধ্যমে ভাইদেরকে কিছু বলে উঠতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে বড় ভাই শংকর চক্রবর্তী যিনি কর্মসূত্রে বহিরাজ্যে রয়েছেন তিনি বাড়িতে এসে দেখেন উনার পিতৃ সম্পত্তি ছোট দুই ভাইয়ের নামে করে নিয়েছে। এই বিষয়ে যখন তিন বোন জানতে বাপের বাড়িতে যায় তখন দুই ভাইয় তাদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় এবং হুমকি দেয় যদি তাদের বাড়িতে যদি আবার আসে তাদের প্রাণে মেরে দেওয়া হবে। তাছাড়া তিন বোনের নামে বাড়ির জায়গাটি দু গন্ডা করে পিতা থাকাকালীন তাদের নামে দিয়ে যায়। কিন্তু এখন দেখা যায় কমলাসাগর মন্ডল সম্পাদিকা রিনা চক্রবর্তী সরকারি প্রভাব খাটিয়ে সম্পূর্ণভাবে বেআইনির মাধ্যমে উনার স্বামী ও আরেক ভাসুরের নামে সম্পূর্ণ সম্পত্তি করে নেয়। তাই তিন বোন সংবাদ মাধ্যমের দারস্ত হয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সুবিচার পাওয়ার জন্য।

January 22nd, 2026
ব্রু পুনর্বাসন শিবির পরিদর্শনে মন্ত্রী বিকাশ দেব্বর্মা
রাজনীতি

ব্রু পুনর্বাসন শিবির পরিদর্শনে মন্ত্রী বিকাশ দেব্বর্মা

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরার মিজোরাম সীমান্ত সংলগ্ন দামছড়া এলাকার খাহামথাই পাড়ায় অবস্থিত রিয়াং ব্রু পুনর্বাসন গ্রামে রবিবার দুপুরে পরিদর্শনে যান জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক আধিকারিক। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই পুনর্বাসন গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা ও সমস্যা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এদিনের এই পরিদর্শন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, গত ২১ বছর ধরে আর্থ-সামাজিক নানা সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই গ্রামে বসবাসকারী রিয়াং ব্রু শরণার্থীরা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে একাধিক মৌলিক অধিকার থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত ছিলেন তাঁরা। সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকার কারণে প্রশাসনিক পরিষেবার আলো পৌঁছয়নি বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা গ্রামবাসীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত রিয়াং ব্রু সম্প্রদায়ের মানুষজন তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সমস্যার কথা সরাসরি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবার ঘাটতি, শিক্ষার সুযোগের অভাব এবং স্থায়ী কর্মসংস্থানের সমস্যা বিশেষভাবে উঠে আসে আলোচনায়।মন্ত্রী মনোযোগ সহকারে গ্রামবাসীদের বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যাতে এই পুনর্বাসন গ্রামে বসবাসকারী মানুষদের মৌলিক চাহিদা পূরণে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। তিনি আশ্বাস দেন, বর্তমান বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় রিয়াং ব্রু সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নে কোনওরকম ঘাটতি রাখা হবে না।প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী দিনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল প্রত্যন্ত এই গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।দীর্ঘদিনের বঞ্চনার পর প্রশাসনের এই সক্রিয় ভূমিকা নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে খাহামথাই পাড়ার রিয়াং ব্রু পুনর্বাসন গ্রামের মানুষের চোখে।

January 11th, 2026
প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন বিতর্কিত টি পি এস সি চেয়ারম্যান কর্নেল কুশ কুমার
রাজনীতি

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন বিতর্কিত টি পি এস সি চেয়ারম্যান কর্নেল কুশ কুমার

নিজস্ব প্রতিনিধি: শেষ রক্ষা হয়নি টি পি এস সি চেয়ারম্যানের ।বিতর্ক ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যেই অবশেষে পদত্যাগ করলেন ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশন (টিপিএসসি)-র চেয়ারম্যান কর্নেল কুশ কুমার। জানা গিয়েছে, পোলো টাওয়ার হোটেল কাণ্ডের পর টিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের কার্যকলাপ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।প্রসঙ্গত, ২৮ ডিসেম্বর রাতে হোটেল পোলো টাওয়ারে অনুষ্ঠিত প্রবাসী ত্রিপুরাবাসী সামিটের পর মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর নিরাপত্তা কর্মী ও টিপিএসসি চেয়ারম্যান কর্নেল কুশ কুমার শর্মার মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। ওই অনুষ্ঠানের পর মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী তার গাড়ি হোটেলের সামনে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। কিন্তু হোটেলের সামনে গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল টিপিএসসি চেয়ারম্যানের। নিরাপত্তা কর্মী চেয়ারম্যানের গাড়ি সরানোর অনুরোধ করলে, তিনি গাড়ি সরানোর পরিবর্তে নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, এই সময় চেয়ারম্যান জওয়ানের কলার ধরে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে চেয়ারম্যান ও তার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয় এবং এরপর তাদের নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঘটনার পর থেকে রাজ্য প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হচ্ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ জানুয়ারি টিপিএসসি-র চেয়ারম্যান রাজ্যপালের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। আজ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রশাসনিক মহলে মনে করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ক্রমবর্ধমান বিতর্কের জেরেই তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হতে হয়েছে।যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফে বিস্তারিত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, তবে টিপিএসসি-কে ঘিরে ওঠা সাম্প্রতিক বিতর্কে এই পদত্যাগ গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।

January 7th, 2026
খোয়াই মৎস্য মেলায় ব্রাত্য স্থানীয় বিধায়ক
রাজনীতি

খোয়াই মৎস্য মেলায় ব্রাত্য স্থানীয় বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: খোয়াই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কে বঞ্চিত রেখে খোয়াই জেলাভিত্তিক মৎস্য মেলা করলেন মৎস্য দপ্তর। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গত কিছুদিন আগে খোয়াই জেলা হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসে সব কয়টা দপ্তরকে বলে গিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যেন সরকারি অনুষ্ঠান গুলিতে নিমন্ত্রণ প্রায়। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর আদেশ কে অমান্য করে খোয়াই মৎস্য দপ্তর বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে স্থানীয় বিধায়ক নিমন্ত্রণ না করে জেলা ভিত্তিক মৎস্যমেলা সম্পূর্ণ করলেন । আজকের এই মৎস্য মেলাতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতন কল্যাণী রায় সাহা, বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী সমীর কুমার দাস, খোয়াই জেলা আধিকারিক রজত পান্থ মৎস্য দপ্তরের খোয়াই মহকুমা আধিকারিক বিজয় কান্তি ঘোষ। সহ অন্যান্যরা। রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত সময় সূচির প্রায় দেড় ঘন্টা দেরি করে জেলাভিত্তিক মৎস্যমালার শুভ সূচনা হয়। এই মেলাতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। অথচ এই মেলা করতে গিয়ে রাজ্য সরকারের লাখ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে, অথচ মেলাতে জনগণের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। মৎস্য মেলাতে মাছ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে কিন্তু মেলাতে আগত সাধারণ অংশের জনগণের অভিযোগ বাজার থেকে চড়া দাম মাছের। তবে মেলাতে আগত বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা খোয়াই মৎস্য দপ্তরকে অনুরোধ করেন এই সময়ে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাস এবং জানুয়ারি মাসে খোয়াই মহকুমাতে বিভিন্ন এলাকাতে জলাশয় শুকিয়ে যায় তার জন্য মৎস্য দপ্তর যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। সূত্র মারফত খবর এই সমস্ত দিক নিয়ে খোয়াই মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক বিজয় কান্তি ঘোষ কোন খোঁজ খবরই রাখেন না, অফিসে রাত্রি যাপন করে হিসাব মিলাতে ব্যস্ত থাকেন।

January 7th, 2026
প্রবল শৈত্যপ্রবাহ , আবহাওয়া  দপ্তরের রিপোর্ট তলব মুখ্যমন্ত্রীর
রাজনীতি

প্রবল শৈত্যপ্রবাহ , আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট তলব মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: দপ্তরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ রাজ্যের স্কুলগুলোতে শীতের ছুটির বিষয়ে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।প্রসঙ্গত, শীতে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে যাওয়ায় এডিসি (স্বশাসিত জেলা পরিষদ) এলাকার সমস্ত স্কুল আজ থেকে আগামী ১৩ই জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে রাজ্যের অন্যান্য এলাকার স্কুলগুলির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা জানান, বিষয়টি তাঁর গোচরে এসেছে। তিনি বলেন, এই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই আবহাওয়া দপ্তরের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, শীতের প্রকোপ যদি আরও বাড়ে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা নিচে নেমে যায়, সেক্ষেত্রে রাজ্যের অন্যান্য বিদ্যালয়গুলিতেও ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। তবে একসঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি যাতে না হয়, সেই বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা প্রয়োজন। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা কী রকম থাকবে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে বিষয়টি অনুধাবন করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।রাজ্য সরকারের এই অবস্থানের দিকে নজর রেখে অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা পরবর্তী ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন।

January 3rd, 2026
২০২৬ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৪ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস ( দেব )
রাজনীতি

২০২৬ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন ১৪ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস ( দেব )

নিজস্ব প্রতিনিধি : মানুষের সাথে মানুষের পাশে জনপ্রিয় কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস ( দেব ) । গত ৪ বছর ধরে এলাকার মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । ১৪ নং ওয়ার্ডের মানুষের সুখ দুঃখের চিরসাথী হিসাবে দলমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাজ করে চলেছেন । ২০২৬ ইং নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন । তিনি বলেন , রাজ্যের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসার ডক্টর মানিক সাহা এবং পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার উভয়েই নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বহুবিধ প্রকল্প রূপায়ন ও বাস্তবায়ন করে চলেছেন । পাশাপাশি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রত্যেকের কাছে সহযোগিতার কামনা করেছেন । নতুন বছর নতুন আলোয় সবার জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস ( দেব ) ।

January 1st, 2026