surga-image

Tags

Share this article

 বেপরোয়া গাড়ির তাণ্ডব কাঁঠালতলী-  মহেশখলা শিল্প কারখানা এলাকায়!

বেপরোয়া গাড়ির তাণ্ডব কাঁঠালতলী- মহেশখলা শিল্প কারখানা এলাকায়!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশকয়েটি অটো, পুলিশের জিপসি সহ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করে পালায় সেই বেপরোয়া গাড়ি!! এমনকি এই গাড়ির ধাক্কায় স্কুল ছাত্র সহ কয়েকজন আহতও হয়েছেন!! পুলিশ এবং এলাকাবাসী সেই গাড়ি ভাঙচুর করলেও আটকাতে পারেননি অভিযুক্ত চালককে!! যদিও কিছুদূর গিয়ে রাস্তায় গাড়ি রেখে পালায় চালক!! প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় কেন এই গাড়ির চালক এমন তাণ্ডব চালালো ? গাড়িতে কি ছিল ? আমতলী থানা পুলিশ এখন মুখ খুলতে নারাজ!!

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!

জ্বরে আক্রান্ত ছাত্রীকে হার্টের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ মধুপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রীকে জ্বরের ওষুধ না দিয়ে হার্টের রোগীর ঔষধ খেয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে ১৭ বছরের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী কমলাসাগর দেবীপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার স্বপন সরকারের মেয়ে সুস্মিতা সরকার বমি করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। শুরু হয়ে যাক চিৎকার মা বাবা এবং অন্যান্য আত্মীয়দের মধ্যে। তারপরেও দৌড়ে গিয়ে কোন ডাক্তারের হদিস পানিয় রোগীর আত্মীয়রা। একটা সময়ে নার্সের কাছে গেলে নার্স নাকি মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শুরু হয়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতাল ভাঙচুর। কিন্তু অভিযোগ এই সময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিজের রুমে আরাম-আয়াসে হালকা ঠান্ডায় নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন । পরে এলাকার জনগণ কিংবা রোগীর আত্মীয়দের চিৎকারে দ্রুত ছুটে আসে সেই ডাক্তার। মুহূর্তের মধ্যেই সেই সুস্মিতা সরকারকে কোনরকমে বমি করিয়ে সেই ওষুধ ভিতর থেকে বের করে দেয়। যদিও তার অবস্থা বর্তমানে গুরুতর। তাকে বর্তমানে মধুপুর হাসপাতাল থেকে জিবিপি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক

নয়নের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন DYFI রাজ্য সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপাহী জলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মার সঙ্গে দেখা করলেন বাম গণতান্ত্রিক যুব সংগঠন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির এক প্রতিনিধিদল। শনিবার বিকেল পাঁচটায় প্রতিনিধি দল বিশ্রামগঞ্জ পুলিশ সুপার অফিসে গিয়ে তার কক্ষে দেখা করেন। কয়েকদিন আগে মেলাঘর থানা এলাকায় রাষ্ট্রবাদী বিজেপি দলের অ- মানুষ নেতা দুলাল সূত্রধর তার প্রতিবেশী তের বছরের এক নাবালক ছেলে কে জঘন্য ভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করে। অপমান ঘৃণা অত্যাচার এবং যন্ত্রণায় শিশুটি আত্মহত্যা করে। রাষ্ট্রবাদী নেতার বিরুদ্ধে মেলাঘর থানায় মামলা হয়। কিন্তু মেলাঘর থানার পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করছে না। মেলাঘর থানার আই ও অসীম ভৌমিক তাকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ। পুলিশ নাকি অভিযুক্তকে খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ এলাকার মানুষ বলেছে গতকাল রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর তার নিজ বাড়িতে ছিল। পুলিশ বলছে তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। অভিযুক্ত দুলাল সূত্রধর কে অতি দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সিপাহীজলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন রাজ্য কমিটির নেতৃত্ব নবারুণ দেব। তার সঙ্গে ছিলেন হিরন্ময় নারায়ন দেবনাথ গৌতম ঘোষ শান্তনু দেব ,প্রনয় সিনহা এবং জন্টু দেবনাথ। এসপির সঙ্গে দেখা করে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাম যুব সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব পুরো বিষয় তুলে ধরে বলেন পুলিশ সুপার তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্ত বেশি দিন পালিয়ে বাঁচতে পারবে না। তাকে আটক করা হবে। আইন আইনের পথে চলবে। যুব সংগঠনের নেতৃত্বরা পুলিশ সুপারকে সিপাহী জলায় গাঁজা বাগান ধ্বংস করার যে অভিযান তিনি শুরু করেছেন তার জন্য তার প্রশংসা করেছেন তারা। পাশাপাশি সিন্থেটিক নেশার বিরুদ্ধে অভিযান জারি রাখার জন্য এসপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। কারণ নেশার সাথে যুক্ত রয়েছে রাজ্যের ডাবর তাবড় ব্যক্তিত্ব। আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে রাজ্যকে নেশা মুক্ত করতে হবে। তাই আমরা আমাদের সংগঠনের তরফে স্লোগান তুলেছি " প্রজন্ম বাঁচাও"। এই স্লোগান বাস্তবায়িত করার জন্য আমরা মাঠে ছিলাম মাঠে আছি এবং মাঠে থাকবো বলে জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দের। সোনামুড়া বিভাগের যুব সংগঠনের নেতৃত্বদের নিয়ে আমরা আজকে মেলাঘর থানায় গিয়ে কথা বলেছি এবং নাবালকের বাড়িতে গিয়ে ও তার বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেছি, এবং পুলিশকে বলেছি পুলিশ যাতে অতি দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে এমনটাই জানিয়েছেন বাম যুবনেতা নবারুণ দেব।

জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!

জনজাতি শিক্ষার নামে দুর্নীতির কালো অধ্যায় লুথুয়া আবাসিক বিদ্যালয়ে ঠিকাদারি লুট!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জনজাতি ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার সদিচ্ছায় রাজ্যের সাব্রুম মহকুমার লুথুয়া চা বাগান এলাকায় নির্মিত হয় একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়। উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ি ও জনজাতি এলাকার দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উন্নত ও মানসম্মত আবাসিক শিক্ষা প্রদান। কিন্তু বাস্তবে সেই স্বপ্ন আজ দুর্নীতির ভারে ভেঙে পড়ছে।সূত্রের খবর, ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই সুবিশাল আবাসিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ২০২৩ সালে শেষ হয়। অথচ বিদ্যালয় চালু হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই প্রকৃত চিত্র সামনে আসে। বিদ্যালয়ের বাথরুমের ছাদ ভেদ করে জল চুঁইয়ে পড়ছে, যা স্বয়ং বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রধান কংক্রিট কলামে স্পষ্ট ফাটল দেখা যায়। এসব ত্রুটি ঢাকতে তড়িঘড়ি অর্ধেক পর্যন্ত রং করে “শাক দিয়ে মাছ ঢাকার” অপচেষ্টা চালায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি সংস্থা।অভিযোগ আরও গুরুতর। জানা যাচ্ছে, বিদ্যালয় নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ও নির্মাণসামগ্রী আত্মসাৎ করেছে। জনজাতি শিক্ষার নামে বরাদ্দ অর্থ কার্যত কিছু রাঘববোয়ালের পকেটে ঢুকেছে বলেই অভিযোগ।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, এই দুর্নীতির খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার আগেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমকে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সাব্রুমের সংবাদমাধ্যম মাথা নত করেনি। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধুলোয় লুটিয়ে দেওয়ার এই চক্রান্ত তারা মেনে নেবে না।আজ গোটা সাব্রুমবাসীর একটাই দাবি—এই দুর্নীতির পর্দা অবিলম্বে উন্মোচন হোক। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার শিক্ষা উন্নয়নের স্বচ্ছ উদ্যোগ যেন দুর্নীতির কালো ছায়ায় কলুষিত না হয়—এটাই জনগণের জোরালো আহ্বান।

মেলাঘরে গাঁজা বিরোধী অভিযানে সফলতা পুলিশের

মেলাঘরে গাঁজা বিরোধী অভিযানে সফলতা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি :একই দিনে মেলাঘর থানার দুই, দুটি নেশা বিরোধী অভিযানে বিরাট সাফল্য! একটি গাঁজা কাটিং অভিযান, অপরটি হলো শুকনো গাঁজা উদ্ধার অভিযান। জানা গেছে, মেলাঘর থানার, তৈবান্দাল ফারি থানার অন্তর্গত গামাইছড়া গভীর জঙ্গল থেকে S,T,F, বাহিনী ও মেলাঘর থানার পুলিশ মিলে ২০৬ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার করে। অন্যদিকে মেলাঘর থানার শেষ সীমানা দুলঙ্গা এলাকায় ফলন্ত গাঁজা কাটিং এ অভিযান চালিয়ে কুড়িটি প্লটে এক লক্ষ ৪২ হাজার গাজা গাছ ধ্বংস করা হয়। নেতৃত্বে ছিলেন, মেলাঘর থানার si সুবীর সাহা, টিএসআর ও সিআরপিএফ বাহিনী। মেলাঘর থানার এই দুটি নেশা বিরোধী অভিযানে, মানুষ সাধুবাদ জানাচ্ছে। আগামী দিনেও মেলাঘর থানা এই সমস্ত নেশা বিরোধী অভিযানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর

মথার নেতার বাড়ি থেকে সার বাজেয়াপ্ত করলো দপ্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালীর ছৈলেংটা থানাধীন দূর্গাছড়া এলাকার তিপরা মথা দলের নব্য নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে কৃষি দপ্তরের জৈব সার উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সংবাদ সূত্রে জানা যায় তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার বাড়িতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তার বাড়িতে জমা রেখেছে প্রচুর জৈব সার। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায় বহু প্রকৃত কৃষকরা সার পাচ্ছে না কিন্তু নেতা হওয়ার সুবাদে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের সুযোগ সুবিধা। উল্লেখ্য তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমার স্ত্রী যমুনা চাকমা ছামনু এলাকায় কৃষি দপ্তরের কর্মরত ছিল তখন এই সব কান্ড সংঘটিত হয়। বর্তমানে যমুনা চাকমা অন্যত্র বদলি হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে মোহন লাল চাকমার বাড়িতে হানা দেয় সঙ্গে ছৈলেংটা থানার পুলিশ এবং ছামনু কৃষি দপ্তরের আধিকারিক জ্যোতির ময় চাকমা মোহন লাল চাকমার বাড়ি থেকে মোট ৫৮ বস্তা জৈব সার উদ্ধার করে। গোটা বিষয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে সেইসাথে দপ্তর কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে খবর। অন্যদিকে দপ্তরের স্টোর কিপারের বক্তব্যে অন্য কিছু বেড়িয়ে আসছে। এদিকে তিপরা মথা দলের নেতা মোহন লাল চাকমা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

গোমতী হোটেল থেকে ৪ জন নেশা কারবারী সমেত ফেন্সিডিল উদ্ধার

গোমতী হোটেল থেকে ৪ জন নেশা কারবারী সমেত ফেন্সিডিল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : গোপন খবরের ভিত্তিতে সোনামুড়া থানা, ব্রিজ সংলগ্ন স্বনামধন্য গোমতী হোটেল থেকে চারজন নেশা কারবারি এবং ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ এসকপ উদ্ধার করে! কলকাতার যুবক মোহাম্মদ তৌহিদুল একটি ব্যাগে করে ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় এসকপ সিরাপ নিয়ে, সোনামুড়া ব্রিজ সংলগ্ন গোমতী হোটেলের ২০৮ নম্বর রুমে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ খবর আছে সুনামুরা থানার কাছে, তরীঘরি করে সোনামুড়া থানার পুলিশ গোমতী হোটেলের 208 নম্বর কক্ষে অভিযান চালান, অভিযান চালিয়ে ব্যাগ ভর্তি ১৪৭ বোতল নেশা জাতীয় কফ সিরাপ এসকপ উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি। উদ্ধার কালে হোটেল থেকে গ্রেপ্তার হয় পশ্চিমবাংলার মোহাম্মদ তহিদুল, সুনামুরা মধুবন এলাকার ইকবাল আহমেদ, দক্ষিণ বেজিমারার জাহিদ মিয়া, ও জাহিদ হোসেন খান নামে বেজিমারার আরো এক যুবক। বর্তমানে সোনামুড়া থানা তাদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস মামলা হাতে নিয়েছে। পুরো ঘটনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন সোনামুড়া থানার ওসি তাপস দাস।

রেগার নাম বদল ইস্যুতে বিজেপিকে বিধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

রেগার নাম বদল ইস্যুতে বিজেপিকে বিধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহাত্মা গান্ধীর নামে প্রণীত এমজিএনরেগা প্রকল্পকে কার্যত বাতিল করে নতুন মোড়কে গ্রামীণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করা হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আরও বেশি দিনের কাজ, বেশি মজুরি ও বেশি অর্থ বরাদ্দ”—এই প্রতিশ্রুতির বন্যায় সরকারি অর্থ ও আইটি সেল–সহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে গোটা দেশ ও রাজ্যের মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।আশীষ সাহা বলেন, ইউপিএ সরকারের আমলে এমজিএনরেগায় কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রায় ৪ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও বর্তমান অর্থবর্ষে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.৩৭ শতাংশে। ২০১৪ সালের পর দেশজুড়ে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি জব কার্ড ডিজিটালাইজেশন, আধার লিংক ও ব্যাংক কেওয়াইসি–র অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ত্রিপুরায় প্রায় ৯ লক্ষ জব কার্ড রয়েছে। ফলে কাজের গড় দিন দেশে ৪৫–৪৬ থেকে নেমে এসেছে, রাজ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩২–৩৩ দিনে।তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ বছরে জব কার্ডধারীদের মধ্যে মাত্র ৮ শতাংশ ১০০ দিনের কাজ পেয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। কাজের জায়গায় না গিয়েও মজুরি তোলার অভিযোগও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, দেশ ও রাজ্যে কোটি কোটি টাকা মজুরি বকেয়া পড়ে রয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সোশ্যাল অডিট রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বলেন, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিভিন্ন বছরে ত্রিপুরার এমজিএনরেগা প্রকল্পে শত শত কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই তথ্য আড়াল করতেই সরকার নতুন আইনের মাধ্যমে প্রকল্পের আইনি অধিকার তুলে দিতে চাইছে, যাতে অর্থের বড় অংশ ঠিকাদার ও শাসকদলের একাংশের হাতে চলে যায়।সংবাদ সম্মেলনে আশীষ কুমার সাহা আরো বলেন, এমজিএনরেগা শুধু একটি প্রকল্প নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই প্রকল্পকে দুর্বল করা মানে গরিব মানুষের জীবিকা ধ্বংস করা। কংগ্রেস দল এই নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন জারি রাখবে বলেও তিনি ঘোষণা করেন।

মন কি বাত অনুষ্ঠানের সভায় বিরোধীদের সমালোচনায় মুখর মুখ্যমন্ত্রী

মন কি বাত অনুষ্ঠানের সভায় বিরোধীদের সমালোচনায় মুখর মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মন কি বাত’-এর ১৩০তম পর্ব শোনার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নাম না করেই বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা। রবিবার ১৯ চড়িলাম বিধানসভার অন্তর্গত ৪০ নম্বর বুথের বিশ্রামগঞ্জ শচীন দেব্বর্মন স্মৃতি কলাক্ষেত্রে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আপনাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে যা খুশি তাই করতে পারবেন না। সরকার এবং আইনের হাত অনেক লম্বা, তাই সবাইকে সাবধান থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, বিরোধীরা গঠনমূলক রাজনীতির বদলে বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাঁর কথায়, ঘুম থেকে উঠেই সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ি দেয় বিরোধীরা। কাজের কাজ কিছুই নেই, তাদের কাজের কোনো ইতিহাসও নেই।তিনি দাবি করেন, রাজ্য সরকার উন্নয়নমূলক কাজ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

বাগদেবীর আরাধনায় পড়ুয়ারা আনন্দে বিহ্বল

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছরের মতো এবারও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। বিদ্যার দেবীর পূজাকে কেন্দ্র করে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বই, খাতা, কলম সাজিয়ে আলপনা ও ফুলের সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ ও মণ্ডপগুলো।পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে রঙিন সরস্বতী পূজার মণ্ডপ। সাদা ও বাসন্তী রঙের সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা। নতুন পোশাকে সেজে ছাত্র-ছাত্রীরা পূজার দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।অন্যদিকে, পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থাকবে পুলিশি নজরদারি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ। সব মিলিয়ে সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ভক্তি, আনন্দ ও উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।

রাজ্যে বাড়ছে এইচ আই ভি | Newstoplink.com