কাটাখাল এলাকায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা পশ্চিম জেলা শাসকের
[10:27 pm, 13/7/2026] Dipankar: কাটাখাল বেড়িবাঁধ এবং দুর্গাচৌমুহনী-প্রগতি ব্যাকসাইড রোড ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন। পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা শাসক ড. বিশাল কুমার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলির রাস্তা ও বাঁধের কিছু অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই রাস্তাগুলি ব্যবহার না করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় মেরামতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নাগরিকদের বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।[10:27 pm, 13/7/2026] Dipankar: নিজস্ব প্রতিনিধি:
ভাড়া নিয়ে বচসা! যাত্রীকে পেটালেন ধর্মনগর নয়াপাড়ার অটো চালকরা!!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাড়া নিয়ে বচসা ধর্মনগরে ব্যবসায়ীকে মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছড়াল ব্যাপক উত্তেজনা ধর্মনগরে।ভাড়া এবং মালপত্র বহন করাকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে মারধর এবং তাঁর সাথে থাকা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নয়াপাড়া মোটরস্ট্যান্ড এলাকায় আজ ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আক্রান্ত ব্যবসায়ীর নাম শোভম দেব। আজ নয়াপাড়া মোটরস্ট্যান্ডে গাড়ি ভাড়া এবং মালামাল পরিবহনের খরচ নিয়ে চালক বা স্ট্যান্ডের কিছু কর্মীর সাথে তাঁর তীব্র তর্কাতর্কি শুরু হয়। বচসা চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেশ কয়েকজন মিলে শোভম বাবুর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে বেদম মারধর করার পাশাপাশি তাঁর পকেটে থাকা মানিব্যাগ এবং মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়।এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রান্ত ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলেই তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসেন। এর জেরে নয়াপাড়া মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়ে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়েই ধর্মনগর থানার পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ অফিসাররা উত্তেজিত জনতাকে বুঝিয়ে এবং পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টার পর যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
১৩ জুলাইয়ের পরিবর্তে বছর বাঁচাও পরীক্ষা হবে ১৫ জুলাই
নিজস্ব প্রতিনিধি: টিবিএসই পরিচালিত বছর বাঁচাও আজকের পরীক্ষা অর্থাৎ ১৩ জুলাই পরীক্ষা আগামী ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। চলতি মাসেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে। টিবিএসই সভাপতি ড ধনঞ্জয় গণ চৌধুরী বছর বাঁচাও আজকের পরীক্ষা আগামী ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। সময় আগের মতোই। এ নিয়ে বিস্তৃত জানান পর্ষদ সভাপতি। চলতি মাসেই বছর বাঁচাও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে। এ বছর বাঁচাও পরীক্ষায় মাধ্যমিক ৭৫৬জন উচ্চ মাধ্যমিকে ১৫৭০ জন আবেদনকারী। মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগের করণে সময়সূচীর বদল হয়েছে বলে জানিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি ।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি:বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা শনিবার টিআইএফটি-এর কনফারেন্স হলে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আগরতলা পুর নিগম এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর সাড়া প্রদানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সম্ভাব্য যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত সংস্থার মধ্যে নিবিড় সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও জলাবদ্ধতা নিরসন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা! পিতার সম্পত্তি ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ অসহায় পরিবার।
নিজস্ব প্রতিনিধি:বামুটিয়া বিধানসভার কালিবাজার এলাকায় এক অসহায় পরিবারের অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তি প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন পরিমল দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।পরিবারের দাবি, ২০১২ সালে সামাজিক রীতিনীতি মেনে তাঁদের মেয়ে লিপিকা দাসের বিয়ে হয় খোয়াই এলাকার বাসিন্দা অন্তু দাসের সঙ্গে। বিয়ের কিছুদিন পর অন্তু দাস কোর্ট ম্যারেজের কথা বলে আইনি প্রক্রিয়ার অজুহাতে পরিমল দাসকে কয়েকটি স্ট্যাম্প পেপার ও নথিতে স্বাক্ষর করান। পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা নিরক্ষর ও সরল-সোজা হওয়ায় কোনো নথি যাচাই না করেই জামাইয়ের কথায় বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করেছিলেন।অভিযোগ অনুযায়ী, পরে অন্তু দাস লিপিকা দাসকে বাংলাদেশে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে লিপিকা জানতে পারেন, তাঁর স্বামীর ভারতের বৈধ নাগরিকত্বের নথি নেই এবং তিনি বাংলাদেশে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং এই অন্তদাস ভারতের থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পারাপারের সাহায্যও করছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে লিপিকার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে পরিবারের উদ্যোগে তাঁকে গর্ভবতী অবস্থায় ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কিছুদিন পর অন্তু দাস আদালতের কাগজপত্র নিয়ে এসে বাড়ির দখল নিতে চান। তখন খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, কোর্ট ম্যারেজের নামে স্বাক্ষর করানো নথির মাধ্যমে তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ও জমি অন্তু দাসের নামে রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে।পরিবারের আরও অভিযোগ, এর আগেও কোমলপুর এলাকায় একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল অন্তু দাসের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি পরিবারের।অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অন্তু দাস কিছুদিন পর পর এখানে এসে ওই অসহায় পরিবার টিকে প্রাণে মারার হুমকি ও দেখাচ্ছে। এবং তার সাথে জড়িত আছে এলাকার কিছু জমি মাফিয়াআর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় আদালতে দীর্ঘ আইনি লড়াই চালানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাই তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মনুশ্রীর চিকিৎসায় পাশে ডি ওয়াই এফ আই, পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা
নিজস্ব প্রতিনিধি:আগামীকাল দিল্লিতে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে হাপানিয়া এলাকার ছোট্ট শিশু মনুশ্রী। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থ। এই কঠিন সময়ে মনুশ্রীর পরিবারের সহযোগিতার আবেদনে সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ডি ওয়াই এফ আই। সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা ইতোমধ্যেই অনলাইন মাধ্যমে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি নগদ অর্থও সংগ্রহ করা হয়। শনিবার সেই সংগৃহীত অর্থ মনুশ্রীর পরিবারের হাতে তুলে দেন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম ঘোষ, ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক শুভংকর মজুমদার, রাজ্য কমিটির সদস্য বিজয় বিশ্বাস এবং হাপানিয়া অঞ্চল কমিটির সম্পাদক আশীষ চক্রবর্তী। ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম ঘোষ মনুশ্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সমাজের সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ও সহৃদয় মানুষের প্রতি শিশুটির চিকিৎসার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
রাধানগর মোহনপুর সড়কের গাড়ি চাকা বন্ধ রাখলেন জিপ বাস চালকরা! চরম বিপাকে পথ চলতি যাত্রীরা!!
নিজস্ব প্রতিনিধি: কমান্ডার জিপ এবং টমটম তথা ই রিস্কা চালকদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং মারপিট। আগরতলা রাধানগর মোটর স্ট্যান্ড এবং মোহনপুর সড়কের গাড়ি চাকা একেবারে বন্ধ রাখলেন কমান্ডার জিপ চালকরা। তাদের সাথে একমত হয়ে একেবারে গাড়ি চালাতে নারাজ এবং পাশাপাশি গাড়ির স্টিয়ারিং ঘুরাচ্ছে না বাস চালকরাও। এই নিয়ে বেশ চরম বিপাকে পথ চলতি যাত্রীরা, পাশাপাশি আটকে আছে বহু জায়গায় ই খোয়াই কমলপুর সিমনা মোহনপুরের একাধিক প্রতিদিনকার যাত্রীরা।প্রশ্ন উঠছে তাঁদের মূল অভিযোগ কেন নিষ্পত্তি করা হচ্ছেনা? পরিবহন শ্রমিকদের সমস্যা সমাধান এবং সাধারণ যাত্রীদের দূর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ জনমনে ।
দেশের অন্নদাতারা বিজেপি জমানায় উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত হয়েছেন : ডাক্তার , মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী , ত্রিপুরা সরকার)
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের অন্নদাতাদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য দিতে আরও এক বড় পদক্ষেপ নিল ত্রিপুরা সরকার। স্থানীয় কৃষকদের সার্বিক কল্যাণের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে সমগ্র রাজ্য থেকে মোট ২০,৭১০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।কৃষকদের স্বার্থে এই ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরও সুসংগঠিত, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে শুক্রবার উদয়পুর মহকুমার কাঁকড়াবন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘খরিফ বিপণন মৌসুম ২০২৫-২৬’ উপলক্ষ্যে ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা।উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে কৃষকদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্ত করতে এবং কৃষকদের জন্য এটিকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে সরকার একাধিক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি আরোও বলেন, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করাই বর্তমান রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কারণ কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলেই গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে, আর গ্রামের উন্নয়ন হলেই সামগ্রিকভাবে ত্রিপুরার প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব।মুখ্যমন্ত্রী অতীতে কৃষকদের দুর্দশার কথা স্মরণ করে বলেন, কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদের জন্য চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন এবং বহু সময় ঋণগ্রস্ত হতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে স্থায়ী মুক্তি দিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বিভিন্ন যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করেছে। এই সব কৃষি-বান্ধব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের ফলে রাজ্যে কৃষি উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই কৃষকদের ব্যক্তিগত আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে কৃষকদের মধ্যে ২.৫৩ লক্ষেরও বেশি ‘মাটি স্বাস্থ্য কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ভর্তুকি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে ২৩৩.৬৩ কোটি টাকার উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। এই ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারবেন। পাশাপাশি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাওয়ার ব্যবস্থা চালু থাকায় আর্থিক লেনদেন আরও নিরাপদ ও সহজ হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান কেনার মতো এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ কৃষকদের মনে নতুন আশা ও গভীর আস্থার সঞ্চার করেছে। এই সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব ইতিমধ্যেই রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে। যে সমস্ত জমি আগে বছরের পর বছর পতিত পড়ে থাকত, কৃষকরা এখন সরকারি সহায়তায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সেই সব জমিতেও নতুন করে চাষাবাদ শুরু করেছেন। ফলে সামগ্রিকভাবে কৃষিকাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উৎসাহ বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।পূর্বতন সরকারের কড়া সমালোচনা করে খাদ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে সমস্ত জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদক্ষেপ। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে কৃষকদের কল্যাণে এমন কোনো উল্লেখযোগ্য বা সুদূরপ্রসারী দূরদর্শিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি, যার ফলে কৃষকরা কৃষিকাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। বর্তমান ডাবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। এটি কেবল একটি সাধারণ সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এর মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি আরও মজবুত হচ্ছে।এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, খাদ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শান্তনু, উদয়পুর মহকুমা শাসক ত্রিদিব সরকার, খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব এবং পরিচালক সুমিত লোধ, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশ্বজিৎ সরকার। সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাঁকড়াবন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুপ্রিয়া সাহা।অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খরিফ বিপণন মৌসুম ২০২৫-২৬’ উপলক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা সবুজ পতাকা নেড়ে এই ধান সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।খাদ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কৃষকদের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। একই সাথে সংগৃহীত ধান দ্রুত পরিবহণ এবং তা সঠিকভাবে মজুত রাখার জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিপুল সংখ্যক কৃষক, উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল নজরকাড়ার মতো। সরকারের এই ধারাবাহিক উদ্যোগে রাজ্যের কৃষক মহলে খুশির হাওয়া লক্ষ্য করা গেছে।
সূর্যমনীনগর এলাকার প্রত্যেকটি গন দেবতারা আমার পরিবারের অংশ , বক্তা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল
নিজস্ব প্রতিনিধি :প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় আরও একধাপ এগোল গরিব মানুষের স্বপ্নপূরণের উদ্যোগ। আজ ১৮ নম্বর সূর্যমণি নগর বিধানসভা কেন্দ্রের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৫০০ জন উপভোক্তার হাতে নতুন ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হয়।আজ ১৮ নম্বর সূর্যমণি নগর বিধানসভা কেন্দ্রের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় প্রায় ৫০০ জন প্রকৃত উপভোক্তার হাতে ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডুকলি আর.ডি. ব্লকের চেয়ারম্যান ভুলন সাহা, পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।এদিন উপভোক্তাদের হাতে ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দিয়ে অতিথিরা জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষের মাথার উপর পাকা ছাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।ঘরের অনুমোদনপত্র হাতে পেয়ে উপভোক্তাদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা পাওয়ার আশায় উচ্ছ্বসিত তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপভোক্তারা সরকারের এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সিধাই থানাধীন সুরেন্দ্রনগরে যৌথবাহিনীর বড় সাফল্য! বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ১
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে মাদক বিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল যৌথবাহিনী।বুধবার গভীর রাতে সিধাই থানাধীন সুরেন্দ্রনগর এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।আগরতলা এনসিবি (NCB) টিমের নেতৃত্বে এই অভিযানে শামিল ছিল বিএসএফ, টিএসআর এবং সিধাই থানার পুলিশ প্রশাসন।গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী সুরেন্দ্রনগরের একটি বাড়িতে আকস্মিক তল্লাশি চালায়।সেখান থেকে ড্রাম ভর্তি অবস্থায় রাখা বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়।অভিযান শেষে গাঁজা ভর্তি ১২টি ড্রাম সিধাই থানায় নিয়ে আসা হয়।মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) আশীষ দাসগুপ্ত জানান, বাজেয়াপ্ত হওয়া শুকনো গাঁজার মোট পরিমাণ প্রায় ৫৭০ কেজি।এই মাদক পাচার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।তবে তদন্তের স্বার্থে ধৃত ব্যক্তির নাম এখনই প্রকাশ করা হয়নি।এই চক্রের মূল শিকড় খুঁজতে তদন্ত জোরকদমে চলছে।
Top News
View All →কাটাখাল এলাকায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা পশ্চিম জেলা শাসকের
July 13th, 2026
ভাড়া নিয়ে বচসা! যাত্রীকে পেটালেন ধর্মনগর নয়াপাড়ার অটো চালকরা!!
July 13th, 2026
১৩ জুলাইয়ের পরিবর্তে বছর বাঁচাও পরীক্ষা হবে ১৫ জুলাই
July 13th, 2026
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী
July 11th, 2026
কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা! পিতার সম্পত্তি ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ অসহায় পরিবার।
July 11th, 2026
মনুশ্রীর চিকিৎসায় পাশে ডি ওয়াই এফ আই, পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা
July 11th, 2026