Tags

Share this article

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি:বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা শনিবার টিআইএফটি-এর কনফারেন্স হলে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আগরতলা পুর নিগম এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর সাড়া প্রদানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সম্ভাব্য যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত সংস্থার মধ্যে নিবিড় সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও জলাবদ্ধতা নিরসন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা! পিতার সম্পত্তি ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ অসহায় পরিবার।

কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা! পিতার সম্পত্তি ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ অসহায় পরিবার।

নিজস্ব প্রতিনিধি:বামুটিয়া বিধানসভার কালিবাজার এলাকায় এক অসহায় পরিবারের অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তি প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন পরিমল দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।পরিবারের দাবি, ২০১২ সালে সামাজিক রীতিনীতি মেনে তাঁদের মেয়ে লিপিকা দাসের বিয়ে হয় খোয়াই এলাকার বাসিন্দা অন্তু দাসের সঙ্গে। বিয়ের কিছুদিন পর অন্তু দাস কোর্ট ম্যারেজের কথা বলে আইনি প্রক্রিয়ার অজুহাতে পরিমল দাসকে কয়েকটি স্ট্যাম্প পেপার ও নথিতে স্বাক্ষর করান। পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা নিরক্ষর ও সরল-সোজা হওয়ায় কোনো নথি যাচাই না করেই জামাইয়ের কথায় বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করেছিলেন।অভিযোগ অনুযায়ী, পরে অন্তু দাস লিপিকা দাসকে বাংলাদেশে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে লিপিকা জানতে পারেন, তাঁর স্বামীর ভারতের বৈধ নাগরিকত্বের নথি নেই এবং তিনি বাংলাদেশে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং এই অন্তদাস ভারতের থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পারাপারের সাহায্যও করছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে লিপিকার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে পরিবারের উদ্যোগে তাঁকে গর্ভবতী অবস্থায় ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কিছুদিন পর অন্তু দাস আদালতের কাগজপত্র নিয়ে এসে বাড়ির দখল নিতে চান। তখন খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, কোর্ট ম্যারেজের নামে স্বাক্ষর করানো নথির মাধ্যমে তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ও জমি অন্তু দাসের নামে রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে।পরিবারের আরও অভিযোগ, এর আগেও কোমলপুর এলাকায় একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল অন্তু দাসের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি পরিবারের।অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অন্তু দাস কিছুদিন পর পর এখানে এসে ওই অসহায় পরিবার টিকে প্রাণে মারার হুমকি ও দেখাচ্ছে। এবং তার সাথে জড়িত আছে এলাকার কিছু জমি মাফিয়াআর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় আদালতে দীর্ঘ আইনি লড়াই চালানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাই তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মনুশ্রীর চিকিৎসায় পাশে ডি ওয়াই এফ আই, পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা

মনুশ্রীর চিকিৎসায় পাশে ডি ওয়াই এফ আই, পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগামীকাল দিল্লিতে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে হাপানিয়া এলাকার ছোট্ট শিশু মনুশ্রী। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থ। এই কঠিন সময়ে মনুশ্রীর পরিবারের সহযোগিতার আবেদনে সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ডি ওয়াই এফ আই। সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা ইতোমধ্যেই অনলাইন মাধ্যমে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি নগদ অর্থও সংগ্রহ করা হয়। শনিবার সেই সংগৃহীত অর্থ মনুশ্রীর পরিবারের হাতে তুলে দেন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম ঘোষ, ডুকলি বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক শুভংকর মজুমদার, রাজ্য কমিটির সদস্য বিজয় বিশ্বাস এবং হাপানিয়া অঞ্চল কমিটির সম্পাদক আশীষ চক্রবর্তী। ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম ঘোষ মনুশ্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সমাজের সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ও সহৃদয় মানুষের প্রতি শিশুটির চিকিৎসার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
রাধানগর মোহনপুর সড়কের গাড়ি চাকা বন্ধ রাখলেন জিপ বাস চালকরা! চরম বিপাকে পথ চলতি যাত্রীরা!!

রাধানগর মোহনপুর সড়কের গাড়ি চাকা বন্ধ রাখলেন জিপ বাস চালকরা! চরম বিপাকে পথ চলতি যাত্রীরা!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কমান্ডার জিপ এবং টমটম তথা ই রিস্কা চালকদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং মারপিট। আগরতলা রাধানগর মোটর স্ট্যান্ড এবং মোহনপুর সড়কের গাড়ি চাকা একেবারে বন্ধ রাখলেন কমান্ডার জিপ চালকরা। তাদের সাথে একমত হয়ে একেবারে গাড়ি চালাতে নারাজ এবং পাশাপাশি গাড়ির স্টিয়ারিং ঘুরাচ্ছে না বাস চালকরাও। এই নিয়ে বেশ চরম বিপাকে পথ চলতি যাত্রীরা, পাশাপাশি আটকে আছে বহু জায়গায় ই খোয়াই কমলপুর সিমনা মোহনপুরের একাধিক প্রতিদিনকার যাত্রীরা।প্রশ্ন উঠছে তাঁদের মূল অভিযোগ কেন নিষ্পত্তি করা হচ্ছেনা? পরিবহন শ্রমিকদের সমস্যা সমাধান এবং সাধারণ যাত্রীদের দূর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ জনমনে ।
দেশের অন্নদাতারা বিজেপি জমানায় উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত হয়েছেন : ডাক্তার , মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী , ত্রিপুরা সরকার)

দেশের অন্নদাতারা বিজেপি জমানায় উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত হয়েছেন : ডাক্তার , মানিক সাহা ( মুখ্যমন্ত্রী , ত্রিপুরা সরকার)

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের অন্নদাতাদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য দিতে আরও এক বড় পদক্ষেপ নিল ত্রিপুরা সরকার। স্থানীয় কৃষকদের সার্বিক কল্যাণের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে সমগ্র রাজ্য থেকে মোট ২০,৭১০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।কৃষকদের স্বার্থে এই ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরও সুসংগঠিত, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে শুক্রবার উদয়পুর মহকুমার কাঁকড়াবন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘খরিফ বিপণন মৌসুম ২০২৫-২৬’ উপলক্ষ্যে ধান সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা।উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে কৃষকদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্ত করতে এবং কৃষকদের জন্য এটিকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে সরকার একাধিক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি আরোও বলেন, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করাই বর্তমান রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কারণ কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলেই গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে, আর গ্রামের উন্নয়ন হলেই সামগ্রিকভাবে ত্রিপুরার প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব।মুখ্যমন্ত্রী অতীতে কৃষকদের দুর্দশার কথা স্মরণ করে বলেন, কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদের জন্য চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন এবং বহু সময় ঋণগ্রস্ত হতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে স্থায়ী মুক্তি দিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বিভিন্ন যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করেছে। এই সব কৃষি-বান্ধব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের ফলে রাজ্যে কৃষি উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই কৃষকদের ব্যক্তিগত আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে কৃষকদের মধ্যে ২.৫৩ লক্ষেরও বেশি ‘মাটি স্বাস্থ্য কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ভর্তুকি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে ২৩৩.৬৩ কোটি টাকার উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। এই ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারবেন। পাশাপাশি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাওয়ার ব্যবস্থা চালু থাকায় আর্থিক লেনদেন আরও নিরাপদ ও সহজ হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান কেনার মতো এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ কৃষকদের মনে নতুন আশা ও গভীর আস্থার সঞ্চার করেছে। এই সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব ইতিমধ্যেই রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে। যে সমস্ত জমি আগে বছরের পর বছর পতিত পড়ে থাকত, কৃষকরা এখন সরকারি সহায়তায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সেই সব জমিতেও নতুন করে চাষাবাদ শুরু করেছেন। ফলে সামগ্রিকভাবে কৃষিকাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উৎসাহ বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।পূর্বতন সরকারের কড়া সমালোচনা করে খাদ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে সমস্ত জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদক্ষেপ। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে কৃষকদের কল্যাণে এমন কোনো উল্লেখযোগ্য বা সুদূরপ্রসারী দূরদর্শিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি, যার ফলে কৃষকরা কৃষিকাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। বর্তমান ডাবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। এটি কেবল একটি সাধারণ সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এর মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি আরও মজবুত হচ্ছে।এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, খাদ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শান্তনু, উদয়পুর মহকুমা শাসক ত্রিদিব সরকার, খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব এবং পরিচালক সুমিত লোধ, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশ্বজিৎ সরকার। সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাঁকড়াবন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুপ্রিয়া সাহা।অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খরিফ বিপণন মৌসুম ২০২৫-২৬’ উপলক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা সবুজ পতাকা নেড়ে এই ধান সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।খাদ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কৃষকদের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। একই সাথে সংগৃহীত ধান দ্রুত পরিবহণ এবং তা সঠিকভাবে মজুত রাখার জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিপুল সংখ্যক কৃষক, উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল নজরকাড়ার মতো। সরকারের এই ধারাবাহিক উদ্যোগে রাজ্যের কৃষক মহলে খুশির হাওয়া লক্ষ্য করা গেছে।
সূর্যমনীনগর এলাকার প্রত্যেকটি গন দেবতারা আমার পরিবারের অংশ , বক্তা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল

সূর্যমনীনগর এলাকার প্রত্যেকটি গন দেবতারা আমার পরিবারের অংশ , বক্তা বিধায়ক রাম প্রসাদ পাল

নিজস্ব প্রতিনিধি :প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় আরও একধাপ এগোল গরিব মানুষের স্বপ্নপূরণের উদ্যোগ। আজ ১৮ নম্বর সূর্যমণি নগর বিধানসভা কেন্দ্রের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৫০০ জন উপভোক্তার হাতে নতুন ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হয়।আজ ১৮ নম্বর সূর্যমণি নগর বিধানসভা কেন্দ্রের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় প্রায় ৫০০ জন প্রকৃত উপভোক্তার হাতে ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডুকলি আর.ডি. ব্লকের চেয়ারম্যান ভুলন সাহা, পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।এদিন উপভোক্তাদের হাতে ঘরের অনুমোদনপত্র তুলে দিয়ে অতিথিরা জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষের মাথার উপর পাকা ছাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।ঘরের অনুমোদনপত্র হাতে পেয়ে উপভোক্তাদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা পাওয়ার আশায় উচ্ছ্বসিত তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপভোক্তারা সরকারের এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
 সিধাই থানাধীন সুরেন্দ্রনগরে যৌথবাহিনীর বড় সাফল্য! বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ১

সিধাই থানাধীন সুরেন্দ্রনগরে যৌথবাহিনীর বড় সাফল্য! বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে মাদক বিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল যৌথবাহিনী।বুধবার গভীর রাতে সিধাই থানাধীন সুরেন্দ্রনগর এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।আগরতলা এনসিবি (NCB) টিমের নেতৃত্বে এই অভিযানে শামিল ছিল বিএসএফ, টিএসআর এবং সিধাই থানার পুলিশ প্রশাসন।গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী সুরেন্দ্রনগরের একটি বাড়িতে আকস্মিক তল্লাশি চালায়।সেখান থেকে ড্রাম ভর্তি অবস্থায় রাখা বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়।অভিযান শেষে গাঁজা ভর্তি ১২টি ড্রাম সিধাই থানায় নিয়ে আসা হয়।মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) আশীষ দাসগুপ্ত জানান, বাজেয়াপ্ত হওয়া শুকনো গাঁজার মোট পরিমাণ প্রায় ৫৭০ কেজি।এই মাদক পাচার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।তবে তদন্তের স্বার্থে ধৃত ব্যক্তির নাম এখনই প্রকাশ করা হয়নি।এই চক্রের মূল শিকড় খুঁজতে তদন্ত জোরকদমে চলছে।
 শিক্ষক স্বল্পতায় পড়ুয়ারা বিপাকে !

শিক্ষক স্বল্পতায় পড়ুয়ারা বিপাকে !

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে আছেন মাত্র একজন শিক্ষিকা! এনিয়ে লঙ্কা কাণ্ড ঘটে যায় দক্ষিণ চড়িলাম ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে!!স্কুল পরিদর্শনে আসা ডেপুটি আইএস এবং অভিভাবকদের তর্ক বিতর্ক!!!চড়িলামের ডেপুটি আই এস তনিমা রায়ের কথায় ক্ষেপে গেলেন দক্ষিণ চড়িলাম ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবিকারা। ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের অভিযোগ এমনিতেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক নেই। নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক সহ মাত্র চারজন শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছে। তারমধ্যে একজন অসুস্থ দুইজন জনগণনার কাজে নিযুক্ত। যার ফলে শুধুমাত্র বর্তমানে দায়িত্ব রত ইনচার্জ ভাগ্যশ্রী দেববর্মা, একা বিদ্যালয় সামলাচ্ছেন। ১৩ই ফাকে বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে ভিজিট এ এসে চড়িলামের ডেপুটি আই এস তনিমা রায় নাকি ছাত্রছাত্রীদের মায়েদের বলেন এমন হলে বিদ্যালয়ে শিশুদের আনবেন না। এই কথা শুনে ক্ষেপে যায় ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েরা। তাদের অভিযোগ ডেপুটি আইএস এই কথা বলার কে? তাকে কে অর্ডার দিয়েছে এমন কথা বলার যে শিশুদের বিদ্যালয়ে আনবেন না
গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থার প্রতিবাদে কদমতলা চল্লিশদ্রোণ সড়কের মুখে যৌথ অবরোধ!

গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থার প্রতিবাদে কদমতলা চল্লিশদ্রোণ সড়কের মুখে যৌথ অবরোধ!

নিজস্ব প্রতিনিধি:বেহাল রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবিতে কদমতলায় পথ অবরোধ!চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ!!উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ব্লক এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দীর্ঘদিনের বেহাল অবস্থার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে কদমতলা অটোস্ট্যান্ড সংলগ্ন তেমাথা এবং সবজি বাজারের চল্লিশদ্রোন সড়কের মুখে পথ অবরোধে সামিল হন স্থানীয় বিএমএস শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা, অটোচালক, ই-রিকশাচালক, যানবাহনের মালিক এবং এলাকার সাধারণ মানুষ।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কদমতলা–রানীবাড়ি সড়ক, কদমতলা বাজার থেকে চল্লিশদ্রোন ভায়া তারকপুর–সরসপুর সড়ক এবং কদমতলা–ধর্মনগর মূল সড়কের প্রায় ৯০ শতাংশ অংশ বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়কের সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গ্রহণ না করায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।অবরোধকারীদের দাবি, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোর সংস্কারের কাজ শুরু না হলে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না। তাঁদের বক্তব্য, রাস্তা অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে ফেলা তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। বরং বৃহত্তর কদমতলা ব্লকের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সড়কগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন।বিক্ষোভকারীরা আরও দাবি করেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কারের জন্য অনেক আগেই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গড়িমসির কারণে এখনও কাজ শুরু হয়নি। ফলে যাত্রীবাহী অটো, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা, টুকটুক, ছোট গাড়ির চালক এবং সাধারণ যাত্রীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। জীবিকার স্বার্থেই চালক ও গাড়ির মালিকরাও আন্দোলনে শামিল হয়েছেন বলে জানান তাঁরা।বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস ও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবরোধ কর্মসূচি চলবে।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে চলা অবরোধের জেরে স্কুলপড়ুয়া, সরকারি কর্মচারী, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। যদিও মানবিক কারণে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের অবরোধ থেকে ছাড় দেওয়া হয়। অবরোধের ফলে রাস্তার দু'পাশে অসংখ্য ছোট-বড় যানবাহন আটকে পড়ে এবং গোটা এলাকায় তীব্র যানজট ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।সংবাদ লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কদমতলা থানার পুলিশ উপস্থিত থাকলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আধিকারিক সেখানে পৌঁছাননি বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
এক চরম বিদ্যুৎ সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমা!

এক চরম বিদ্যুৎ সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ সকাল থেকে আচমকাই অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে গেছেন বিদ্যুৎ নিগম TSECL-র সমস্ত অস্থায়ী লাইনম্যানরা। ফলে যেকোনো মুহূর্তে ঘুটঘুটে অন্ধকারে তলিয়ে যেতে পারে গোটা সাব্রুম।অভিযোগ অত্যন্ত বিস্ফোরক! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, ঝড়-বৃষ্টি মাথায় করে যারা সাব্রুমের বিদ্যুৎ সচল রাখেন, সেই অস্থায়ী লাইনম্যানদের নেই কোনো ন্যূনতম জীবন বিমা। বিগত দিনে একের পর এক কর্মী লাইনের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হলেও, কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। ক্ষুব্ধ কর্মীদের হুংকার— "বেতন বৃদ্ধি আর জীবনের নিরাপত্তা না পেলে কাজ বন্ধ রাখবে তারা!"এদিকে ভরা বর্ষায় এই কর্ম বিরতিতে রীতিমতো কাঁপন ধরেছে বিদ্যুৎ দপ্তরে। সাব্রুম সাব- ডিভিশনের সিনিয়র ম্যানেজার অসীম দাস সংবাদমাধ্যমকে জানান, লাইনম্যানরা কাজ বন্ধ রাখায় পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই বর্ষার মরশুমে লাইনের ব্যাপক মেইনটেন্যান্স প্রয়োজন। তারা কাজে না ফিরলে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্তব্ধ রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তবে সমাধান না হলে এক নজিরবিহীন মহাবিপর্যয়ের সাক্ষী হতে চলেছে সাব্রুমবাসী!

Top News

View All →
মনুশ্রীর চিকিৎসায় পাশে ডি ওয়াই এফ আই, পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা | Newstoplink.com