বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে , তোপ মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার
নিজস্ব প্রতিনিধি:মুখ্যমন্ত্রী সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে ।উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা, মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিমবঙ্গে গত কালকের প্রচার সহ নানা বিষয় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। তিনি স্পষ্টত জানান আসন্ন পশ্চিম বাংলায় নির্বাচনে বিজেপি সরকার গঠন করতে চলছে । তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে বাংলা এখন পিছিয়ে রয়েছে। শিল্প , সাহিত্য সব সম্পদ মুখ থুবড়ে পড়েছে। আইনের শাসন নেই । মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর শাসনকালে নারীরা সুরক্ষিত নয়। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকার সঠিক বাস্তবায়ন নেই । দুর্নীতি ও গুন্ডারাজ খতমের দিন সন্নিকটে বলেও অভিমত প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা।
আম্রকুঞ্জে দোল উৎসব উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি:বসন্তের রঙিন উৎসব হোলির আনন্দে মাতোয়ারা সবাই । অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র ভবনের আম্র কুঞ্জে রাজ্য ভিত্তিক দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা ভিম্ভিশ্বর ভট্টাচার্য, এডভাইজারী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন , দোল উৎসব ঐতিহ্যপূর্ণ একটি উৎসব ।হৃদয়ের মলিনতা কাটিয়ে বাহারি রঙ লাগিয়ে সৌভ্রত্বের বার্তা বহন করে দোল উৎসব। বর্তমান সরকার এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি ও জনজাতি মৈত্রীর পরিবেশ মজবুত করে চলছে । পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যবাসীকে দোল উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মেয়র দীপক মজুমদার।
অগ্নি নির্বাপক দপ্তর আয়োজিত রক্তদান শিবিরে ব্যাপক সাড়া
নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরা অগ্নি নির্বাপক দপ্তর এবং ইমারজেন্সি সার্ভিস দপ্তরের পক্ষ থেকে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনি স্থিত হেডকোয়ার্টারে। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা মিঠুন দাস চৌধুরী, প্রাক্তন ডাইরেক্টর উত্তম মন্ডল সহ অন্যান্যরা। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা বলেন , অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা জীবনঝুঁকি নিয়ে কেবলমাত্র কাজেই সীমিত নেই । সারা বছর বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ , রক্তদান শিবির, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। পাশাপাশি আগুনের লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে নিজেদের এবং আশ পাশের সুরক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান । প্রেক্ষিতে , শুখা মরশুম চলাকালীন যত্রতত্র আগুনের শুকা কিংবা দেশলাই না ফেলার বার্তা দিয়েছেন ।
অনন্যা নারী সম্মানে ভূষিত সোমা চক্রবর্তী
নিজস্ব প্রতিনিধি:গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে নারী দিবস এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । নারীরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করে চলছেন । রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান হয়েছে । ত্রিপুরার ওয়েব মিডিয়ার জগতে নিরলস প্রচেষ্টায় সংবাদ মাধ্যম হিসাবে নিরপেক্ষ ভূমিকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউজ টপ লিংক আয়োজিত অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে বিশিষ্ট নারীদের । এই তালিকায় রাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত সমাজসেবী ঊষা বাজার ভারত রত্ন সংঘের ক্লাব সম্পাদক চন্দন চক্রবর্তীর সহ ধর্মীনি সোমা চক্রবর্তীকেও নারী সম্মাননা প্রদান করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর দেব । উল্লেখ্য , সোমা চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ২০১৫ সালে বিজেপির টিকিটে পুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় প্রদেশ বিজেপি মহিলা মোর্চার কোষাধ্যক্ষ হিসাবেও ব্যাপক সাফল্যের ছাপ রেখেছিলেন । তাছাড়াও সোমা চক্রবর্তী অনাথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সারা বছর নিজেকে আড়াল রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । দীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ সেতুর মাধ্যম হিসাবে কাজের জন্য অনন্য নারী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। নিউজ টপ লিংক আগামীদিনে সোমা চক্রবর্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থস্থ্যের কামনা করেছে ।
TRESP উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক পশুপালন প্রশিক্ষণে আন্তঃরাজ্য এক্সপোজার ভিজিট
নিজস্ব প্রতিনিধি: জনজাতি এলাকায় গ্রামীণ জীবিকা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে Animal Resources Development Department, Tripura (প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর)-এর উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত Tripura Rural Economic Growth and Service Delivery Project (TRESP)-এর অধীনে লাইভলিহুড কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দুই দিনের একটি আন্তঃরাজ্য এক্সপোজার ভিজিটের আয়োজন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার পশুপালকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে পশুপালনভিত্তিক জীবিকা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (DPMU), পশ্চিম ত্রিপুরার অধীন বিভিন্ন আরডি ব্লকের মোট ২৩ জন লাইভস্টক প্রোডিউসার গ্রুপ (PG) সদস্য এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তারা ICAR–National Research Centre on Pig, রানি, গৌহাটি-তে বৈজ্ঞানিক শূকর পালন ও উন্নত ছাগল পালনের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে রওনা দেন। এই এক্সপোজার ভিজিটটি তত্ত্বাবধান করছেন ড. পল্লিকা দেববর্মা, সহকারী পরিচালক, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর, যিনি এই কর্মসূচির ইন-চার্জ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অংশগ্রহণকারীদের Maharaja Bir Bikram Airport, আগরতলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান ড. রাহুল ধর পুরকায়স্থ, নোডাল অফিসার (PIU-প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর), ড. সুজয় বিশ্বাস, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (PIU-প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর) এবং ড. জয়দেব মজুমদার, লাইভস্টক স্পেশালিস্ট, TRESP প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট। বিদায়ী বক্তব্যে কর্মকর্তারা বৈজ্ঞানিক পশুপালন পদ্ধতি, উন্নত প্রজনন কৌশল, সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা পশুপালনের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই ধরনের এক্সপোজার ভিজিটের মাধ্যমে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং TRESP গ্রামীণ পশুপালকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করে তুলতে কাজ করছে। এর ফলে লাইভস্টক ভ্যালু চেইন আরও শক্তিশালী হবে এবং ত্রিপুরার উপজাতি সম্প্রদায়ের জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।
ভিভিআইপির চলাচলের বিধি নিষেধে আটকে যায় রোগীর গাড়িও! ঘটনা বিশালগড়ে
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের উপরাষ্ট্রপতি রবিবার উদয়পুর সফরকে ঘিরে আগরতলা থেকে উদয়পুর পর্যন্ত গোটা জাতীয় সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে,উপরাষ্ট্রপতির কনভয়ের জন্য গোটা জাতীয় সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে রাস্তা খালি করা হয়েছে। তবে যে যতবড় ভিভিআইপি হোক না কেন রাস্তা দিয়ে ভিআইপিরা চলাচল করার সময় সবচেয়ে আগে প্রাধান্য পাবে জরুরী পরিষেবার গাড়ি, যার মধ্যে রয়েছে রুগী বহনকারী গাড়ি এবং দমকল বাহিনীর গাড়ি। রাস্তা দিয়ে ভিআইপি কনভয় যাবে বলে যদি রোগী বহনকারী গাড়ি যদি আটক করে রাখে তাহলে সাধারণ মানুষ সরকারের দিকে এবং সরকারি এই প্রটোকলের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলবেই।রবিবার উপরাষ্ট্রপতি উদয়পুর সফরকে ঘিরে আরো একটি এমন ঘটনার নজির স্থাপন হলো বিশালগড়ে। রবিবার দেশের উপরাষ্ট্রপতি উদয়পুর মাতা ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিতে যাবেন ভালো কথা, উপরাষ্ট্রপতি উদয়পুর সফরকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরি করা হয়েছে যা উপরাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার স্বার্থে, কিন্তু প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কি ভুলে গেছেন জরুরী পরিষেবার গাড়ি এই প্রটোকলের আওতায় পড়ে না! উপরাষ্ট্রপতি উদয়পুর যাবে বলে সব গাড়ি আটকে দিলেও রোগী বহনকারী গাড়ি আটকে রাখা যায়না, রোগীর গাড়ি সবচেয়ে আগে যেতে দিতে হবে এটাই নিয়ম। এই অবস্থায় উদয়পুর শালগড়া থেকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়া এক রোগীকে ডাক্তার দেখাতে আগরতলা নিয়ে যাওয়ার পথে বিশালগড়ে মোটরস্টেন্ড এলাকার বাইপাস সড়কের আসতেই রোগীর গাড়িটি আটকে দেয় রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। প্রায় আধা ঘন্টার উপর মারাত্মক ভাবে অসুস্থ রোগী নিয়ে ঠাই দাড়িয়ে থাকতে হয় গাড়িটি। সাংবাদিকরা এই বিষয়ে এক টি এস আর জোয়ানকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান উপর মহল থেকে নাকি নির্দেশ রয়েছে উপরাষ্ট্রপতির জন্য নাকি রোগীর গাড়িও যেতে দেওয়া হবেনা। এই অবস্থায় রোগীর এক আত্মীয় সরকারি এই প্রটোকলের তীব্র বিরোধিতা করেন। উপর মহলের হয়তো ইচ্ছা রোগী মরলে মরোক তাতে কিছুই যায় আসেনা। এই যদি হয় সরকারি প্রটোকলের নমুনা তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় এবং কার কাছে তার বিচার চাইবে। সরকারি প্রতিনিধিদের কাছে কি সাধারণ মানুষের জীবনের কোন মূল্য নেই এটাই এখন জানতে চার সাধারণ মানুষ। এই প্রশ্নের সঠিক জবাব আছে কি সরকারের কাছে!!
মোদী শাসনে মহিলারা স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভর , কোন ক্ষেত্রেই পিছিয়ে নেই : মিমি মজুমদার
নিজস্ব প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরা প্রদেশ ভারতীয় জনতা মহিলা মোর্চার উদ্যোগে রবিবার আগরতলার মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিজেপি প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, নারী ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দেশ ও রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যই আজকের দিনের প্রধান ভাবনা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে তিনি সকল নারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সম্মান জানান।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশে নারীদের ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সমাজের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে সমাজের সকল স্তরের নারীরা আজ আরও শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর হয়ে উঠছেন এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।অনুষ্ঠানে নারীদের অধিকার, মর্যাদা ও ক্ষমতায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা নারীদের সম্মানিত করা হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
ধর্মনগরে বিজেপির যুব শঙ্খনাদ সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: রেলযোগে ধর্মনগরে এসে বিজেপির উত্তর জেলা যুব মোর্চার উদ্যোগে আয়োজিত ‘যুব শঙ্খনাদ ২০২৬’ সমাবেশে যোগ দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা। শুক্রবার ধর্মনগরের বিবিআই ময়দানে অনুষ্ঠিত এই যুব সমাবেশকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।এই জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য,রাজ্য সরকারের মন্ত্রী টিংকু রায়,প্রদেশ যুব মোর্চার সভাপতি ও বিধায়ক সুশান্ত দেব,উত্তর জেলা বিজেপির সভাপতি কাজল দাস,প্রদেশ ওবিসি মোর্চার সভাপতি মলিনা দেবনাথ,বিধায়ক যাদব লাল দেবনাথ,বিধায়ক বিনয় ভূষণ দাস,জেলা যুব মোর্চার সভাপতি জয়জিত শর্মা এবং উত্তর জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ।এছাড়াও সভায় দলের অন্যান্য পদাধিকারী,কর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
স্ত্রী-কে খু*ন করে মৃ*তদেহ নিয়ে রাত কাটালেন অভিযুক্ত খু*নি স্বামী
নিজস্ব প্রতিনিধি: সকালে নাটক করতে গিয়ে ধরা পড়ে অভিযুক্ত স্বামী লক্ষিন্দর মুন্ডা।মৃ*ত গৃহবধুর নাম মনি মুন্ডা (রটে)।ঘটনা কমলাসাগর হরিশ নগর মুন্ডা পাড়া।অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে বিশালগড় থানা পুলিশ। পারিবারিক অশান্তির জানি প্রতিনিয়ত যৌতুক দেওয়ার জন্য নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্বামী স্ত্রীর উপর প্রতিনিয়ত আক্রমণ চালায়। ঘরে দুটি সন্তান কোন সন্তান রয়েছে। কিন্তু নেশাগ্রস্ত স্বামী সেদিকে চিন্তা না করে গতকাল রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘরে ঢুকে স্থির উপর নির্যাতন চালায়। স্বামীর লোহা রড দিয়ে নিজ মাথায় আঘাত করে রাতে মাথা ফেটে চৌচির স্ত্রীর মৃত্যু হয়। কিন্তু স্বামী সে ঘটনা কাউকে জানায়নি শুক্রবার সকালে হঠাৎ সে চিৎকার করতে থাকে তার স্ত্রী মাটিতে পড়ে রয়েছে। মৃত গৃহবধূর আত্মীয়-স্বজন ছুটে এসে তাকে জিজ্ঞাসা করতে তার কথায় অসংলগ্নতা লক্ষ্য করতে পেরে খবর দিয়ে বিশালগড় থানায় পুলিশ ঘটনার তলে ছুটে গিয়ে স্বামীকে জিজ্ঞাসা করতে সেই কোন রকম সঠিক উত্তর দিতে পারিনি দ্রুততাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনাই মুহূর্তের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্ত স্বামীর কঠোর শাস্তির দাবি করেন এলাকাবাসী।
জনজাতি এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক রাজ্য সরকার: মুখ্যমন্ত্রী , ডক্টর মানিক সাহা
নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার জনজাতি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ হিসেবে “মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি কল্যাণ উন্নয়ন অভিযান”-এর আওতায় তেলিয়ামুড়া মহকুমার চাকমাঘাট ব্যারেজ প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল এক বিশেষ কর্মসূচি। এদিন প্রায় পাঁচ হাজার জনজাতি বস্ত্রবুনন শিল্পীর হাতে বিনামূল্যে সুতা তুলে দেওয়া হয়। এই দিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য, জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা , রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় , বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী সহ মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ করে জনজাতি মহিলা বুনন শিল্পীদের হাতে সুতা তুলে দেন উপস্থিত অতিথিরা। এর ফলে গ্রামীণ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রবুনন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলির জীবিকা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, জনজাতি জনগণের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রায় ৩৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলেও তিনি জানান।তাঁর কথায়, অতীতে জনজাতি জনগণের উন্নয়নে তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি, তবে বর্তমানে উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।অন্যদিকে, বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, অতীতে জনজাতি সমাজকে ঘিরে আবেগের রাজনীতি হয়েছে, যার ফলে প্রকৃত উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে জনজাতি মানুষদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বে জনজাতি জনগণের স্বনির্ভরতা ও জীবিকা উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও জনজাতি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। সুতা বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এদিন চাকমাঘাট ব্যারেজ প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বহু মহিলা বুনন শিল্পী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

