Tags

Share this article

রাজ্যপালের দ্বারস্থ ওয়েব মিডিয়া ফোরাম , একগুচ্ছ দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

রাজ্যপালের দ্বারস্থ ওয়েব মিডিয়া ফোরাম , একগুচ্ছ দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

আগরতলা, ৯ জুন।। রাজ্যের নিউজ পোর্টালগুলির স্বার্থরক্ষা এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে মহামান্য রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু-র দ্বারস্থ হলো ত্রিপুরা ওয়েব মিডিয়া ফোরাম। ফোরামের একটি প্রতিনিধি দল রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন। সম্পাদক, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত এই বৃহৎ সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্যপালের সুস্বাস্থ্য কামনা করে রাজ্যের ওয়েব মিডিয়া জগতের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।স্মারকলিপিতে মূলতঃ তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। রাজভবনে স্মারকলিপি প্রদানের সময় ত্রিপুরা ওয়েব মিডিয়া ফোরামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দে। এ ছাড়া প্রতিনিধি দলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি বাপি রায়, হীরক গুপ্ত, শান্তনু বিশ্বাস, দীপজিৎ আচার্য এবং গৌতম ঘোষ প্রমুখ ।ফোরামের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, মহামান্য রাজ্যপাল এই দাবিগুলি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং রাজ্যের ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের বিকাশে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ধর্মনগরে সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ মিছিল

ধর্মনগরে সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি:দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মনগরে সিপিআই(এম)-এর বিক্ষোভ মিছিল। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ধর্মনগরে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে সিপিআই(এম)। ধর্মনগর মহকুমা দপ্তর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে মিছিল থেকে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলি পরিক্রমা করে পথচলতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মিছিলটি পুনরায় মহকুমা দপ্তরে এসে শেষ হয়।এই মিছিল রাজ্যজুড়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনেরই অংশ বলে জানিয়েছে সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অমিতাভ দত্ত । তিনি অভিযোগ করে বলেন করেন, ক্রমাগত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দেন।সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অমিতাভ দত্ত, জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দে, মহকুমা সম্পাদক রতন রায়, এবং ধর্মনগর শহর পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর অঞ্চলের কর্মী-সমর্থকবৃন্দ।
রাজ্যে জনকল্যাণ শিবির আয়োজন  : টিংকু রায়

রাজ্যে জনকল্যাণ শিবির আয়োজন : টিংকু রায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজ্যব্যাপী জনকল্যাণ শিবির আয়োজন করা হবে।এ উপলক্ষ্যে আজ সচিবালয়ের ভিডিও কনফারেন্স হলে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়ের সভাপতিত্বে এক ভার্চুয়ালি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই ভার্চুয়ালি সভায় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের অধিকর্তা সহ ৮টি জেলার জেলাশাসকগণ অংশগ্রহণ করেন।সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে আগরতলা সহ রাজ্যের প্রতিটি ব্লক এবং স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। এরমধ্যে রাজ্যভিত্তিক শিবিরটি আগামী ১৪-১৬ জুন পর্যন্ত রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। ব্লক এবং পুর এলাকায় শিবিরের আয়োজন করা হবে আগামী ১৫-১৭ জুন পর্যন্ত। এই শিবিরগুলিতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের নথিবদ্ধকরণ সহ বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা হবে। শিবিরগুলিতে বিশেষ করে আয়ুষ্মান ভারত, পি.এম. সূর্যঘর, পি.এম. স্বনিধি, লাখপতি দিদি, ভিবি-জি রামজি ইতাদি প্রকল্পের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির

বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি...ধলাই জেলার আমবাসা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্তর্গত গুরুধন পাড়া আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের উদ্যোগে সম্প্রতি তিলক কুমার পাড়ায় একটি বিশেষ ম্যালেরিয়া স্বাস্থ্য শিবির এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজিত হয়। বর্ষা মরশুমের শুরুতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই শিবিরে তিলক কুমার পাড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ৩০ জন গ্রামবাসী উপস্থিত হয়ে সরাসরি বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেন। শিবিরে আসা প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। গ্রীষ্ম ও বর্ষার এই সন্ধিক্ষণে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রোধ করতে এই শিবিরে আগত সমস্ত সন্দেহভাজন রোগীদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ম্যালেরিয়ার স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) করা হয়। এর পাশাপাশি, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়তে থাকা অসংক্রামক রোগ যেমন-উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগেরও বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসা ও পরীক্ষার পাশাপাশি এই শিবিরের একটি অন্যতম বিষয় ছিল জনসচেতনতা বৃদ্ধি। গুরুধন পাড়া আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামবাসীদের ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে রাতে ও দিনে ঘুমানোর সময় বাধ্যতামূলকভাবে মশারি ব্যবহার করা, বাড়ির আশেপাশে কোথাও জল জমতে না দেওয়া এবং জ্বর হলে কোনো রকম অবহেলা না করে অবিলম্বে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটিয়ে কীভাবে অসংক্রামক রোগগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেই বিষয়েও স্বাস্থ্য কর্মীরা গ্রামবাসীদের পরামর্শ দেন। ধলাই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয় থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।
বটতলা বাজারে মদবিরোধী অভিযানে   জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার

বটতলা বাজারে মদবিরোধী অভিযানে জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার ও পশ্চিম ত্রিপুরা পুলিশ সুপার নমিত পাঠক ও পশ্চিম থানার ওসি রানা চ্যাটার্জির নেতৃত্বে বটতলা বাজারে মদ বিরোধী অভিযান করা হয় সোমবার সন্ধ্যা রাতে। অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ মদ ধ্বংস করে দেওয়া হয়। রাজধানী আগরতলা শহরের বটতলা বাজারে বিলেতি মদের পাশাপাশি দেশি মদের রমরমা চলেছে। তাতে বাজার এলাকার পরিবেশ কলুষিত হচ্ছে। বাজারের ব্যবসায়ী সহ অনেকেই এ ব্যাপারে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ পুলিশের জ্ঞাতসারেই এ ধরনের ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে চলেছে। সে কারণেই জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার স্বয়ং মদ বিরোধী অভিযানে সামিল হন। অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন তারা। রাজ্য সরকার রাজ্যকে নেশা মুক্ত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে। সে ক্ষেত্রে রাজধানীর বাজার গুলিতে এ ধরনের কার্যকলাপ কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।
গভীর রাতে মহিলা আধিকারিকের অভিযানে ভেস্তে গেলো বনদস্যুদের পরিকল্পনা !

গভীর রাতে মহিলা আধিকারিকের অভিযানে ভেস্তে গেলো বনদস্যুদের পরিকল্পনা !

নিজস্ব প্রতিনিধি.....খোয়াই ওয়ারেংটু বাড়ি এলাকায় বড়সড় পাচার অভিযান ব্যর্থ করে কাঠ বোঝাই গাড়ি আটক করে পুলিশ ও বন দফতর!!ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গতকাল রাত আনুমানিক বারোটার দিকে গোপন খবরের ভিত্তিতে পেট্রোলিং করছিল বন দপ্তরের কর্মীরা। আজ সকাল ছয়টার দিকে খোয়াই মহকুমার ওয়ারেংটু বাড়ি এলাকা থেকে দুটি গাড়িতে প্রায় 180 ফুট যার বাজার মূল্য রয়েছে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা। এদিন অভিনেতা নেতৃত্বে ছিলেন এস ডিএফ ও সুস্মিতা দাস, ডি এফ ও অশোক কুমার আইএফএস সহ বন দপ্তরের আধিকারিক বিমল নম সহ অন্যান্যরা।
কদমতলায় ৩ বাংলাদেশি ও ১ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার!পুলিশ রিমান্ডের আবেদন।

কদমতলায় ৩ বাংলাদেশি ও ১ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার!পুলিশ রিমান্ডের আবেদন।

 নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টার অভিযোগে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ১ জন ভারতীয় অটোচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কদমতলা থানায় অভিবাসন ও বিদেশী আইন, ২০২৫-এর ধারা ২১/২৩(ক)-এর অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন রানিবাড়ি বিএসএফ বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় একটি অটো ই-রিকশায় থাকা ৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিক ও চালককে বিএসএফ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই তিনজন নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্বীকার করেন এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে প্রবেশের পর পুনরায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন বলে জানান।তদন্তে ধৃতদের একজন সোহেল মিয়া জানায়, প্রায় তিন মাস আগে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় সে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং পেচরথাল থানার অন্তর্গত শান্তিপুর এলাকায় বসবাস করছিল। পরে অটোচালক মানিক রায়ের সহায়তায় তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।পুলিশ মামলার তদন্তে বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করেছে এবং ধৃতদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোনসহ কয়েকটি সামগ্রী জব্দ করেছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আদালতের কাছে বিএনএস ২০২৩-এর ধারা ২৪৯ সংযোজন এবং অভিযুক্তদের ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন জানিয়েছে।
 দড়ি দিয়ে পাথরের সাথে বাঁধা মৃতদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে! চাঞ্চল্যকর ঘটনা কুমারঘাটে

দড়ি দিয়ে পাথরের সাথে বাঁধা মৃতদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে! চাঞ্চল্যকর ঘটনা কুমারঘাটে

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলাশয়ে উদ্ধার রহস্যময় লাশ!! কুমারঘাটে চাঞ্চল্য, খুন নাকি আত্মহত্যা—ধোঁয়াশায় পুলিশ। কুমারঘাট থানার অন্তর্গত ভাটি দুধপুর পঞ্চায়েত এর কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় একটি জলাশয় থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া এই মৃতদেহকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক রহস্য, যা এখন তদন্তের কেন্দ্রে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলাশয় থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায় দেহটি একটি রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল এবং সঙ্গে একটি বড় পাথর জড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের ধারণা, যাতে মৃতদেহটি জলের উপর ভেসে উঠতে না পারে সেজন্যই এমনভাবে পাথর বেঁধে জলে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার পর এলাকায় নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন—এটি কি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, নাকি অন্য কোনও রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই মৃত্যুর পিছনে?এদিকে সূত্রের খবর, সম্প্রতি ফটিকরায় থানায় এক ব্যক্তির নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি সেই নিখোঁজ ব্যক্তির হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। তবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।যদিও ঘটনাস্থল কুমারঘাট থানার অধীন, তথাপি মৃতদেহ শনাক্তকরণের স্বার্থে ফটিকরায় থানার পুলিশকেও ঘটনাস্থলে আসতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল দুই-ই বাড়ছে। বিশেষ করে মৃতদেহের সঙ্গে রশি ও পাথর পাওয়ার বিষয়টি রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে। তবে এটি হত্যা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু—সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।রহস্যময় এই মৃত্যুর নেপথ্যে কী লুকিয়ে আছে? খুনের ছক, নাকি অন্য কোনও অজানা কাহিনি? উত্তর খুঁজছে পুলিশ, অপেক্ষায় গোটা কুমারঘাট ও ফটিকরায় জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়েছে
জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫: ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েতের সাফল্য, সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী কিশোর বর্মন

জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫: ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েতের সাফল্য, সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী কিশোর বর্মন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫-এর অধীনে ত্রিপুরার পঞ্চায়েতগুলির উল্লেখযোগ্য সাফল্য সম্পর্কে শনিবার আগরতলার সিভিল সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন গ্রামীণ উন্নয়ন (পঞ্চায়েত) বিভাগের মন্ত্রী কিশোর বর্মন।সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কাজের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় স্তরে ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েত পুরস্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনসেবার মানোন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই গ্রামীণ পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।মন্ত্রী আরও বলেন, এই অর্জন রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, সরকারি কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে পঞ্চায়েতগুলিকে আরও উন্নয়নমূলক কাজে উৎসাহিত করবে।গ্রামীণ উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ই-টেন্ডার উধাও ৩৩ লক্ষ টাকার ক্রয়! কুমারঘাট হাসপাতালে সরঞ্জাম কেনায় কি ‘গোপন বন্দোবস্ত

ই-টেন্ডার উধাও ৩৩ লক্ষ টাকার ক্রয়! কুমারঘাট হাসপাতালে সরঞ্জাম কেনায় কি ‘গোপন বন্দোবস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুমারঘাট মহকুমা হাসপাতালের জন্য প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকার এফআরইউ (First Referral Unit) সরঞ্জাম ক্রয়কে কেন্দ্র করে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। বাধ্যতামূলক ই-টেন্ডারিংকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে এত বড় অঙ্কের সরকারি ক্রয় সম্পন্ন হল, কেনই বা কোনও বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল না—এই প্রশ্নে সরব হয়েছে ঊনকোটি জেলা কংগ্রেস। শনিবার কৈলাসহরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে ন্যাশনাল হেলথ মিশন (এনএইচএম)-এর মিশন ডিরেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় জেলা কংগ্রেস।জেলা কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রায় ৩২ থেকে ৩৩ লক্ষ টাকার এই সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ই-টেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। পরিবর্তে ফিজিক্যাল টেন্ডারের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগরতলাভিত্তিক একটি সংস্থাকে কাজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এত বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে কেন গোপনীয়তার আবরণ তৈরি করা হল, তা নিয়ে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিরাজিত সিনহা, জেলা কংগ্রেস সভাপতি বদরুজ্জামান, বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য্যসহ অন্যান্য নেতৃত্ব। জেলা কংগ্রেস সভাপতি বদরুজ্জামান অভিযোগ করেন, রাজ্যের অন্যান্য জেলায় একই ধরনের প্রকল্পে ই-টেন্ডারিং বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করা হলেও কুমারঘাটের ক্ষেত্রে রহস্যজনকভাবে ভিন্ন পথ অবলম্বন করা হয়েছে।তাঁর প্রশ্ন, “যদি সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে, তাহলে ই-টেন্ডার এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কেন পড়ল? কেন সংবাদপত্রে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল না? কাকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই বা এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে?”কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, সরকারি ক্রয়ের মূল ভিত্তি হল উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই নীতিগুলোকেই কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে বহু যোগ্য সরবরাহকারী সংস্থা প্রতিযোগিতার সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকতে পারে।জেলা কংগ্রেসের অভিযোগ, বিষয়টি শুধু একটি টেন্ডার প্রক্রিয়ার প্রশ্ন নয়; এটি সরকারি অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং জনস্বার্থ রক্ষার প্রশ্ন। তাই তারা অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান ক্রয় প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় ই-টেন্ডারের মাধ্যমে সরঞ্জাম ক্রয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।বদরুজ্জামান জানান, অভিযোগের অনুলিপি ঊনকোটি জেলার জেলা শাসকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবে কংগ্রেস।তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত এনএইচএম বা স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—৩৩ লক্ষ টাকার এই ক্রয় প্রক্রিয়ায় সত্যিই কি নিয়ম ভাঙা হয়েছে, নাকি এর আড়ালে রয়েছে আরও বড় কোনও রহস্য? এখন সেই উত্তর খুঁজছে সাধারণ মানুষও।
বটতলা বাজারে মদবিরোধী অভিযানে জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার | Newstoplink.com