surga-image

Tags

Share this article

বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির

বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির

নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের মহাকাব্যদ্বয় থেকে একটা চিরন্তন সত্য প্রবাদ রয়েছে " অতি দর্পে হত লঙ্কা এবং গৃহশত্রু বিভীষনের প্রভাব বাংলায় সদ্য নির্বাচনের ফলাফলে আবারও চির সত্য বলে বিবেচিত হলো " । পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, এস আই আর কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ শতাংশ প্রশাসনিক ও সৈনিক বলের আপ্রাণ চেষ্টার ফলও বঙ্গ বিজয়ে গুরুতর ভূমিকা নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে , বঙ্গ বিজয়ে সাবেক তৃণমূল সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী সন্ত্রীর আর্থিক ও প্রশাসনিক দূর্নীতি যে সহায়তা করেনি বিশুদ্ধ বিজেপি নেতাও অস্বীকার করতে সক্ষম হবেনা । ১৫ বছরের প্রশাসন বিরোধী বাস্তবতায় কাল বৈশাখীর ঝড় যে রয়েছে তাহা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুতেই রীতিমতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল । কথায় আছে জয়কালে ক্ষয় নেই , আর মরণকালে ঔষধ নেই । তাবড় তাবড় মন্ত্রীগণ ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং স্ব বিরোধী অর্থনৈতিক ঘোটালার স্বীকার হয়েছে এতে দ্বিমত থাকার কথা নয় । প্রশাসনিক ও আর্থিক ঘোটালায় ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের প্রধান ও প্রশাসন বেসামাল হয়ে গিয়েছিল তাতেও কোন সন্দেহ নেই । শেষের দিকে সুতো বাছতে গিয়ে কম্বল খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিল মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার । বিজেপির স্ট্যাটেজিক পয়েন্ট ছিল ২০২১ এর পূর্ব লগ্নে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলের মন্ত্রী সমেত প্রথম সারির নেতৃত্বকে প্রলুব্ধ করে নিজের নারদার আতঙ্কে বিজেপির তোষন। যদিও স্বউক্তি ছিল তিনি ২০০৯ সাল থেকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তৎসময়ে সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহজির সাথে চুপকি চুপকি সংযোগ । বঙ্গে পরিবর্তনের দমকা হাওয়া অনেক দিন থেকেই বইছিল । অবশ্য মাননীয়া বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক পরিকল্পনা মন্ত্রী সভার অস্তিত্বকে অনেকটা সচল রেখেছিল । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষ্মীর ভান্ডার মাসে ১৫০০ টাকা ( সাধারণের জন্য ) এবং অনগ্রসরদের জন্য ( মাসে ) ১৭০০ টাকা । অবশ্য বিশ্বগুরু , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমেত সর্বস্তরের বিজেপি নেতৃত্ব মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের অঙ্গীকার একটা অন্যতম জয়ের মাইলস্টোন এতে সন্দেহ নেই । তবে , ক্ষমতায় এলে বঙ্গে মাসে ৩০০০ টাকা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ত্রিপুরাবাসিও উল্লসিত বটে । কেননা ত্রিপুরায় যেহেতু বিজেপি সরকার বঙ্গে ধনুর ভাঙা পন অন্নপূর্ণা ভাতা ৩০০০ টাকা ত্রিপুরায় ও প্রচলিত হতে চলছে । অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি ৭ ম পে কমিশনের লাগু করায় অঙ্গীকার বদ্ধ যা ভাষনে ব্যক্ত করেছেন।যদিও বর্তমানে ৮ ম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধার প্রাপ্য বঙ্গের কর্মচারীবৃন্দ । আরও শতশত অঙ্গীকারে পর্যবসিত বঙ্গের জনগন । কোনটা ছেড়ে কোনটা ব্যক্ত করবো বুঝে উঠতে পারা ভার । যাকে বলা যায় ত্রিপুরার ভীষন ডকুমেন্ট এর ন্যায় উন্নয়নের পোক্ত সিঁড়ির বন্দোবস্ত রয়েছে বঙ্গে নূতন বিজেপি সরকারের স্থাপত্যে । বিধাতার বিচারে চিরসত্য সৃষ্টির পরিসমাপ্তি অবশ্যম্ভাবী । দুদিন আগে আর পরে । আজকে কিছু কিছু অনৈতিক ঘটনা অতি উৎসাহে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা সচরাচর হয়ে থাকে । তবে , উৎসবের সুর সর্বদা বজায় থাকেনা এটাই চিরসত্য । মন্ত্রী সভার শপথ থেকে আকাশচুম্বী উন্নয়নের ডালি পূর্ণতা বহন করবে না শুরুতেই হতাশার কড়াল প্রবাহ প্রবর্তিত হবে সেটা ভবিষ্যত বলবে ।যদিও বঙ্গ সমেত আমরা সবাই গঠন মূলক অগ্রগতিতে প্রত্যাশী। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াল আগ্রাসন ।অপরদিকে মাইনরিটি ভোটের বিভাজনে বঙ্গে ধরাশায়ী তৃণমূল । উপরন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় আশঙ্কা সমেত এস আই আরের আক্রোশে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের ভোটার লিস্ট চ্যুত । সব মিলিয়ে বিরোধী শক্তির বঙ্গে ইন্দ্র পতনে ভীষন ধাক্কা এতেও সন্দেহ নেই ।যদিও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গণনায় অব্যবস্থায় কাউন্টিং এজেন্টের উপর অপ্রত্যাশিত হামলার অজুহাতে কাউন্টিং হল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ লগ্নে গননা কেন্দ্রে গিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি । ভবানীপুরে ও তৃণমূলের বিসর্জন মানতে হচ্ছে ।যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেড়িয়ে যাওয়ার পথে ওনাকেও শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। বঙ্গে তৃণমূল অধ্যায়ের আপাতত সমাপ্তি । এখন দেখার বঙ্গে ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ভূমিতে বিজেপি অঙ্গীকার সমেত অগ্রগতি ও শান্তির বাতাবরণে ভূষিত হবে কিনা বাংলা ।

ধর্মনগর উপ নির্বাচনে বিজেপি জয়ী প্রার্থীকে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

ধর্মনগর উপ নির্বাচনে বিজেপি জয়ী প্রার্থীকে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তীর বিপুল জয়ের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ধর্মনগরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মনগরের জনগণ যে আস্থা ও সমর্থন বিজেপির ওপর রেখেছেন, তার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিপুল জনসমর্থন সরকারকে আরও দায়বদ্ধ করে তুলেছে এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার প্রেরণা জোগাবে।ডাঃ সাহা আরও জানান, ধর্মনগরের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও অগ্রগতিকে সামনে রেখে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের এই যাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

দীর্ঘদিনধরে তালাবন্ধী হয়ে আছে পিতরাই পাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র!

দীর্ঘদিনধরে তালাবন্ধী হয়ে আছে পিতরাই পাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র!

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নে জোলাইবাড়ী বিধানসভাকেন্দ্রের পিতরাইপাড়ায় সরকারি অর্থব্যায়করে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানকরাহয়। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের কিছু সময় পর কিছু সমস্যার সৃষ্টিহয়। এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের জন্য যেইব্যক্তি জায়গা প্রদানকরেছেন উনাকে চাকুরির দেবার পতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছেবলে অভিযোগ। জায়গার মালিক জানান উপস্বাস্থ্য নির্মানেের আগে উনাকে বলাহয়েছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য জায়গা প্রদানকরাহলে উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদানকরাহবে। এই পতিশ্রুতিপেয়ে জায়গা প্রদানকরাহলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মানের পর চাকুরি নাপেয়ে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরেদিলো জায়গার মালিক। পরবর্তীসময় স্থানীয় মন্ত্রী সহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনিকস্তরের লোকজনদের নিয়ে আলোচনাক্রমে পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহয়েছে। কয়েকমাস সবকিছু ঠিকঠাক চললেও বর্তমান সময়ে কয়েকদিন যাবৎ পুনরায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালাদিয়ে বন্ধকরে রাখাহয়েছে। জায়গার মালিক জানান উনার পরিবারের একজনকে চাকুরি প্রদাননাকরলে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি খোলাহবেনা। অপরদিকে স্থানীয় লোকজচাইছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালুকরতে প্রসাশন যেন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহনকরে। যাতেকরে সামান্য অসুস্থহলে লোকজনেরা এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রথেকে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহনকরতে পারে। অপরদিকে এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানিয় জলের সমস্যারয়েছে বলে জাননা স্থামীয়রা। এখন দেখার বিষয় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনরায় চালু করতে প্রসাশন কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।

তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!

তিন দিনের মাথায় নদী থেকে উদ্ধার হল রাকেশ শীলের মৃত দেহ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: এন ডি আর এফ, টিএসআর দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়ন এবং এসডিআরএফ কর্মীদের টানা তিন দিনের অভিযানে রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ ঈশানচন্দ্রনগর স্কুল সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে আমতলী থানার পুলিশ ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। রাকেশের পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!

ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল গভীর রাতে সংঘটিত এই চুরির পুরো ঘটনাই ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়।শনিবার সকালে সেই ফুটেজের ভিত্তিতে মন্দির কমিটির সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। ধৃত ব্যক্তির নাম সুমন চক্রবর্তী,তার বাড়ি ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে

শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের বদলি করার প্রতিবাদে স্কুলে তালা! কমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করছে কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষকরা!!সাবরুম উচ্চতার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সাবরুম শহরের একটি বনেদি স্কুল হিসেবে পরিচিত ছিল একটা সময় আজ সেই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকদের কারণে। যে স্কুল ছিল শিক্ষাঙ্গনের সে স্কুলে আজ পুলিশ পাহারায় স্কুল চালাতে হচ্ছে। এমনই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় শনিবার সকাল দশটা নাগাদ সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গেটে দেখা যায় তালা ঝুলানো। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। সাথে কিছু অভিভাবকরাও জানা যায় সাব্রুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ইনচার্জ প্রণব দাস কে সম্প্রতি একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা দপ্তর থেকে তাকে সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় তার বদলে সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের অঙ্গুলী হেলনে কিছু অভিভাবকদের ও কিছু শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে আজ স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ওই নেতা বলে এমনটাই গুঞ্জন উঠছে সাব্রুম মহাকুমা জুড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে স্কুল চত্ত্বরে উপস্থিত হয় সাবরুম থানার পুলিশ ও সাবরুম মহকুমার দুইজন ডিসিএম কিন্তু দেখা যায় তারা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করলে এক চুনোপুটি বিজেপি নেতা টিংকু মজুমদার উল্টো চড়াও হয় dcm রতন দাস ও ডিসিএম মনোজ প্রভাকর পালের উপর এবং ওই রাষ্ট্রবাদী চুনোপুটি নেতা টিংকু মজুমদার খুব বাজে ব্যবহার করে দুই ডিসিএম এর সাথে। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে আরো পুলিশ এবং মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্কুলের পেছনের গেট খুলে শিক্ষকদের প্রথমে প্রবেশ করানো হয় এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জানানো হয় যারা যারা ক্লাস করতে ইচ্ছুক তাদের স্কুলে প্রবেশ করার জন্য পেছনের গেট দিয়ে। সেই মোতাবেক এক এক করে দেখা যায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের ক্লাস রুমে উপস্থিত হয় এবং স্কুলের পঠন পাঠানো শুরু হয়। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন অভিভাবক পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনের পাশে আর কেউ না থাকায় চুপিসরে চাবি রেখে চলে যায় এবং পরবর্তী সময়ে মহকুমা প্রশাসন এবং পুলিশ চাবি নিয়ে স্কুলের প্রধান গেইটের তালা খুলে দেয়। জানা যায় শিক্ষা দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসকে যে স্কুলে ট্রান্সফার করা হয়েছে সেখানে তার দায়িত্ব পালন করার জন্য। এবং মহকুমা শাসক আদেশ দিয়েছেন dcm এর সাথে যারা অসভ্য আচরণ করেছেন তার বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সাবরুম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

 ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার  !

ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার !

নিজস্ব প্রতিনিধি:উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থানা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শুক্রবার ধারাবাহিক অভিযানে তিনটি পৃথক স্থান থেকে মোট ৬০টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব বাজার এলাকায় আজিম খানের বাড়ি থেকে ১৮টি,মধুবাড়ী রোডে টিটন পালের বাড়ি থেকে ২৭টি এবং রাগনা এলাকায় সালমা বেগমের বাড়ি থেকে আরও ১৫টি সিলিন্ডার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ২৬টি ভর্তি এবং ৩৪টি খালি।উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলি মালিকানা যাচাইয়ের জন্য মহকুমা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা। পুলিশ জানিয়েছে,চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত

রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:বোরো ধান কাটার উৎসব এবার অধরাই থেকে যেতে পারে রুদ্রসাগর পাড়ের কৃষকদের কাছে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রুদ্রসাগরের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। জল বেড়ে যাওয়ায় সাগর সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধানখেত ডুবে গেছে জলের তলায়।কৃষকদের আশঙ্কা, জল নেমে গেলেও ফসল ঘরে তোলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকার ফলে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা আর খাওয়ার উপযোগী থাকবে না।রুদ্রসাগরের চারপাশে অবস্থিত বটতলী, চন্দনমুড়া, রাঙ্গামুড়া, গ্রামতলী, কেমতলী, মায়ারানী সহ একাধিক গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার কৃষক পরিবার এই পরিস্থিতিতে হতাশায় ভুগছেন।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সোনামুড়া-আগরতলা সড়কের বটতলী এলাকায় নির্মীয়মান সুইচ গেট ঘিরে তৈরি অস্থায়ী বাঁধের কারণেই বৃষ্টির জল তাদের জমিতে জমে যায়। সময়মতো যদি সেই বাঁধ খুলে দেওয়া হতো, তাহলে এই ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব ছিল বলে দাবি তাদের।উল্লেখ্য, অস্থায়ী বাঁধ খুলে দেওয়ার দাবিতে কৃষকরা বটতলী সুইচ গেট এলাকায় সোনামুড়া-আগরতলা সড়ক অবরোধ করেন। পরে সোনামুড়া থানার ওসির তত্ত্বাবধানে বাঁধটি খুলে দেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। জমিতে জমে থাকা জলের কারণে ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় অধিকাংশ ফসল।কৃষকদের বক্তব্য, এই জমিতে বছরে মাত্র একবারই চাষ করা হয়। ফলে এবারের বোরো ধানের ক্ষতি তাদের জন্য বড় ধাক্কা। তারা জানান, ধান সবে পাকতে শুরু করেছিল এবং ফলনও ভালো হওয়ার আশা ছিল। আর কয়েকদিন সময় পেলেই সেই ধান ঘরে তুলে নবান্নের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারতেন তারা।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, জল থেকে কষ্ট করে ধান কেটে আনলেও তা আদৌ খাওয়ার উপযোগী থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন কৃষকরা।

সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!

সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল।

বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা

বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা

নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে কৈলাসহর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গৌরনগর ব্লকের লাঠিয়াপুরা এলাকায় ৬২ নম্বর গেইট সংলগ্ন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও অন্যান্যরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাটি ভর্তি বস্তা ও সিমেন্টের ব্লক ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী সমাধান জরুরি। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক বলেন, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা প্রয়োজন। শুধু বালুর বস্তা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।”

বঙ্গে তৃণমূলের ছিন্নমূল অবস্থা , প্রত্যাশা মাফিক উত্থানের জয় বিজেপির | Newstoplink.com