surga-image

Tags

Share this article

ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!

ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী শিববাড়িতে দান বাক্স ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল গভীর রাতে সংঘটিত এই চুরির পুরো ঘটনাই ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়।শনিবার সকালে সেই ফুটেজের ভিত্তিতে মন্দির কমিটির সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। ধৃত ব্যক্তির নাম সুমন চক্রবর্তী,তার বাড়ি ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে

শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের বদলি করার প্রতিবাদে স্কুলে তালা! কমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করছে কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষকরা!!সাবরুম উচ্চতার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সাবরুম শহরের একটি বনেদি স্কুল হিসেবে পরিচিত ছিল একটা সময় আজ সেই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকদের কারণে। যে স্কুল ছিল শিক্ষাঙ্গনের সে স্কুলে আজ পুলিশ পাহারায় স্কুল চালাতে হচ্ছে। এমনই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় শনিবার সকাল দশটা নাগাদ সাবরুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গেটে দেখা যায় তালা ঝুলানো। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। সাথে কিছু অভিভাবকরাও জানা যায় সাব্রুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ইনচার্জ প্রণব দাস কে সম্প্রতি একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা দপ্তর থেকে তাকে সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় তার বদলে সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসের অঙ্গুলী হেলনে কিছু অভিভাবকদের ও কিছু শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে আজ স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ওই নেতা বলে এমনটাই গুঞ্জন উঠছে সাব্রুম মহাকুমা জুড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে স্কুল চত্ত্বরে উপস্থিত হয় সাবরুম থানার পুলিশ ও সাবরুম মহকুমার দুইজন ডিসিএম কিন্তু দেখা যায় তারা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করলে এক চুনোপুটি বিজেপি নেতা টিংকু মজুমদার উল্টো চড়াও হয় dcm রতন দাস ও ডিসিএম মনোজ প্রভাকর পালের উপর এবং ওই রাষ্ট্রবাদী চুনোপুটি নেতা টিংকু মজুমদার খুব বাজে ব্যবহার করে দুই ডিসিএম এর সাথে। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে আরো পুলিশ এবং মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্কুলের পেছনের গেট খুলে শিক্ষকদের প্রথমে প্রবেশ করানো হয় এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জানানো হয় যারা যারা ক্লাস করতে ইচ্ছুক তাদের স্কুলে প্রবেশ করার জন্য পেছনের গেট দিয়ে। সেই মোতাবেক এক এক করে দেখা যায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের ক্লাস রুমে উপস্থিত হয় এবং স্কুলের পঠন পাঠানো শুরু হয়। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন অভিভাবক পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনের পাশে আর কেউ না থাকায় চুপিসরে চাবি রেখে চলে যায় এবং পরবর্তী সময়ে মহকুমা প্রশাসন এবং পুলিশ চাবি নিয়ে স্কুলের প্রধান গেইটের তালা খুলে দেয়। জানা যায় শিক্ষা দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক প্রণব দাসকে যে স্কুলে ট্রান্সফার করা হয়েছে সেখানে তার দায়িত্ব পালন করার জন্য। এবং মহকুমা শাসক আদেশ দিয়েছেন dcm এর সাথে যারা অসভ্য আচরণ করেছেন তার বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সাবরুম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

 ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার  !

ধর্মনগরে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি কাণ্ডে পুলিশের বড় সাফল্য!উদ্ধার ৬০টি সিলিন্ডার !

নিজস্ব প্রতিনিধি:উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থানা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শুক্রবার ধারাবাহিক অভিযানে তিনটি পৃথক স্থান থেকে মোট ৬০টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব বাজার এলাকায় আজিম খানের বাড়ি থেকে ১৮টি,মধুবাড়ী রোডে টিটন পালের বাড়ি থেকে ২৭টি এবং রাগনা এলাকায় সালমা বেগমের বাড়ি থেকে আরও ১৫টি সিলিন্ডার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ২৬টি ভর্তি এবং ৩৪টি খালি।উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলি মালিকানা যাচাইয়ের জন্য মহকুমা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা। পুলিশ জানিয়েছে,চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত

রুদ্র সাগর এলাকায় চাষীদের ফসল জলে প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:বোরো ধান কাটার উৎসব এবার অধরাই থেকে যেতে পারে রুদ্রসাগর পাড়ের কৃষকদের কাছে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রুদ্রসাগরের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। জল বেড়ে যাওয়ায় সাগর সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধানখেত ডুবে গেছে জলের তলায়।কৃষকদের আশঙ্কা, জল নেমে গেলেও ফসল ঘরে তোলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকার ফলে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা আর খাওয়ার উপযোগী থাকবে না।রুদ্রসাগরের চারপাশে অবস্থিত বটতলী, চন্দনমুড়া, রাঙ্গামুড়া, গ্রামতলী, কেমতলী, মায়ারানী সহ একাধিক গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার কৃষক পরিবার এই পরিস্থিতিতে হতাশায় ভুগছেন।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সোনামুড়া-আগরতলা সড়কের বটতলী এলাকায় নির্মীয়মান সুইচ গেট ঘিরে তৈরি অস্থায়ী বাঁধের কারণেই বৃষ্টির জল তাদের জমিতে জমে যায়। সময়মতো যদি সেই বাঁধ খুলে দেওয়া হতো, তাহলে এই ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব ছিল বলে দাবি তাদের।উল্লেখ্য, অস্থায়ী বাঁধ খুলে দেওয়ার দাবিতে কৃষকরা বটতলী সুইচ গেট এলাকায় সোনামুড়া-আগরতলা সড়ক অবরোধ করেন। পরে সোনামুড়া থানার ওসির তত্ত্বাবধানে বাঁধটি খুলে দেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। জমিতে জমে থাকা জলের কারণে ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় অধিকাংশ ফসল।কৃষকদের বক্তব্য, এই জমিতে বছরে মাত্র একবারই চাষ করা হয়। ফলে এবারের বোরো ধানের ক্ষতি তাদের জন্য বড় ধাক্কা। তারা জানান, ধান সবে পাকতে শুরু করেছিল এবং ফলনও ভালো হওয়ার আশা ছিল। আর কয়েকদিন সময় পেলেই সেই ধান ঘরে তুলে নবান্নের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারতেন তারা।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, জল থেকে কষ্ট করে ধান কেটে আনলেও তা আদৌ খাওয়ার উপযোগী থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন কৃষকরা।

সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!

সরকারি হাসপাতালের প্রবেশ পথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন!প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল।

বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা

বর্ষা আসার পর বাধ সারাই করতে মনে হয়! বললেন কৈলাসহরের বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা

নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণে কৈলাসহর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গৌরনগর ব্লকের লাঠিয়াপুরা এলাকায় ৬২ নম্বর গেইট সংলগ্ন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও অন্যান্যরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাটি ভর্তি বস্তা ও সিমেন্টের ব্লক ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী সমাধান জরুরি। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক বলেন, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা প্রয়োজন। শুধু বালুর বস্তা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।”

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে , খোলা থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মুখ্যমন্ত্রী

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে , খোলা থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও আপাতত ত্রিপুরায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্কুল ও কলেজ খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ বিকেল সাড়ে চারটায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।বৈঠকে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সব দপ্তরকে জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন।তিনি বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় সব দপ্তরকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জেলা প্রশাসন, ত্রিপুরা স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থা দ্রুত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।এদিকে, লংতরাই ভ্যালি এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী নিহতের পরিবারের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।

মনু নদীর পাড় ভাঙ্গনে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

মনু নদীর পাড় ভাঙ্গনে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিনিধি: মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় কৈলাসহর লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়।অল্পতে রক্ষা পেল কৈলাসহরবাসীরা। উল্লেখ্য, ঊনকোটি জেলার জেলাসদর কৈলাসহরে তিনদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টি পড়ছে। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে শহর এলাকার ড্রেন সহ লক্ষীছড়া এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন নালা নর্দমায় বৃষ্টির জল রয়েছে। একইসাথে কৈলাসহরের মনু নদীর জলও বেড়েছে। অন্যদিকে, কৈলাসহরের লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ভিতরে জিরো পয়েন্টে মনু নদীর বাঁধ বিপদজনক হয়ে যায়। অল্প বৃষ্টি হলেই লাটিয়াপুড়া গ্রামের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় জল জমে যায়। সেই জল নিষ্কাশনের জন্য বিগত দুই দিন পূর্বে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জিরো পয়েন্টের কাছে যে বাঁধটি রয়েছে সেই বাঁধ কেটে বড় লোহার পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছিলো। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করে মনু নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধের কাটা অংশ দিয়ে জল প্রবেশ করতে শুরু হওয়ায় গোটা লাটিয়াপুড়া গ্রামে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। এই খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই গোটা কৈলাসহর মহকুমায় তীব্র আতংক বিরাজ করতে থাকে। এখবর শোনা মাত্রই মঙ্গলবার দুপুরে ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদারের নির্দেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে মাটির বস্তা এবং বোল্ডার ফেলা শুরু হয়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার, কৈলাসহর মহকুমার মহকুমাশাসক বিপুল দাস, বন্যা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা সহ আরও অন্যান্য আধিকারিক মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান এবং শ্রমিকদের কাজ খতিয়ে দেখেন। কাজ পরিদর্শনকালে বিএসএফের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এব্যাপারে জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার জানান যে, আতংকের কিংবা ভয়ের কিছু নেই। কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। হঠাৎ করে নদীর জল বেড়ে যাওয়াতেই এই বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছিলো। মনু নদীর জল বাড়তে থাকলেও এখনও বিপদসীমার দেড় মিটারের নীচেই রয়েছে বলেও জানান। তাছাড়া কাঞ্চনপুর, লংতরাই ভ্যালী সহ উঁচু পাহাড় এলাকায় বৃষ্টিপাত আর না হলে মনু নদীর জল আর বাড়বে না বলেও জানান। এছাড়া বিগত তিনদিন ধরে লাগাতার ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে গোটা ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর বড় বড় গাছ, বিদ্যুৎের খুঁটি সহ কিছু বাড়িঘর ভাঙ্গলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এবং কিছু কিছু এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘরে জল ঢুকলেও কেউ বাড়িঘর ছেড়ে অন্য কোথাও যায় নি। কিংবা শেল্টার হাউসে কেউ আসেনি বলেও জানান। প্রশাসন সজাগ রয়েছে এবং প্রশাসন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান জেলাশাসক ডক্টর তমাল মজুমদার

আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

আগামী ৭২ ঘন্টায় রাজ্যজুড়ে বজ্র আঁটুনি সহ ভাড়ি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কিছু জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকালখোয়াই ও পশ্চিম জেলায় এক বা দুই স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার গতি ৬০–৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া এবং ৭–২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তেমনি, ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা) বয়ে যেতে পারে। উত্তর, ঊনকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে ৭–১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনো, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে দূরে থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে 2027 সালের আদমশুমারির ১ম ধাপের জন্য একদিনের রাজ্য স্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডি সি ও ত্রিপুরা রতন বিশ্বাস,ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল ORGI সুভাষ দাসগুপ্ত সহ অন্যরা। প্রসঙ্গত রাজ্যের জনগণনার প্রথম পর্যায়ে কিভাবে পরিচালিত হবে সেই সকল বিষয় নিয়েই আজকের এই সেমিনার আয়োজিত হয়। আজকের এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন রাজ্যের সকল জেলার ডিএম,এ ডি এম, এস ডি এম সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। প্রায় ১১ হাজারের মতো কর্মী এই জনগণনার কাজে নিয়োজিত থাকবে। এবারের জনগণনা পুরোটাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে ১৭ জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে পয়লা আগস্ট থেকে ৩০ শে আগস্ট অর্থাৎ ৪৫ দিনব্যাপী চলবে এই জনগণনা। আজকের এই কর্মশালা মূলত আলোচনা হয়,বাড়ির তালিকাভুক্তি ও হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ।জনগণনা প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল টুলস নিয়ে আলোচনা।জনগণনা ২০২৭ এর কৌশল – সময়কাল, প্রক্রিয়া, প্রশ্নপত্র ও ডিজিটাল টুলসের সারসংক্ষেপ।রাজ্যে কাজের অগ্রগতি – জনগণনা কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, তহবিল বিতরণ, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন জনগণনা কর্মীদের ভূমিকা।মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও রাজ্যে প্রচার কার্যক্রম।ডিজিটাল টুলস (CMMS, HLBC, মোবাইল অ্যাপ) ব্যবহারের পদ্ধতি এবং CMMS ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, স্ব-গণনা ইত্যাদি।

শিক্ষক বদলীকে ঘিড়ে রাজনৈতিক নাটক মঞ্চস্থ, ক্ষোভ শিক্ষানুরাগী মহলে | Newstoplink.com