Tags

Share this article

কোজাগরী লক্ষী পূজাকে কেন্দ্রকরে বাইখোড়া বাজার বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাজির দোকানদাররা

কোজাগরী লক্ষী পূজাকে কেন্দ্রকরে বাইখোড়া বাজার বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাজির দোকানদাররা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পোহালেই প্রত্যেকের ঘরে পূজিত হবেন মা লক্ষী। বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোৎসব শেষে মা লক্ষীর আরাধনায় সকলে মাতোয়ারাহবেন। এই উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারের পাশাপাশি শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত বাইখোড়া বাজারে মায়ের প্রতিমা সহ পূজায় ব্যাবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাজির হলো দোকানদাররা। লক্ষীপূজার বাজারের বিভিন্নদিকগুলো নিয়ে সংবাদ সংগ্রহকরতেগিয়ে মৃৎ শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেজানাযায় এইবছরের মায়ের প্রতিমার দাম তেমন বৃদ্ধী করাহয়নি। প্রতিমা নির্মানে উনাদের অধিক অর্থ ব্যায় করতেহয়েছে বলে জানান। প্রতিমা তৈরির জন্য মাটি উনাদেরকে ক্রয় করতেহয়। এছারা মায়ের প্রতিমা তৈরিতে ব্যাবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ে বিগতদিনের তুলনায় অধিক অর্থ ব্যায় করতেহয়েছে। সেই তুলনায় প্রতিমা বিক্রির দাম সিমাবদ্ধ রাখাহয়েছে। প্রতিমা বিক্রির সর্বোচ্চ দাম ৫০০ টাকা রাখাহয়েছে বলেছে জানাযায়। স্থানীয় মৃৎিশল্পীদের পাশাপাশি মহকুমার বাইরে মেলাঘর থেকে মায়ের প্রতিমা নিয়ে বাজারে এসেছেন কিছু সংখ্যক ব্যাবসায়ী। অপরদিকে মায়ের পূজায় ব্যাবহৃত মালাথেকে শুরুকরেবিভিন্ন সামগ্রীর দাম বিগতদিনেরন্যায় রেখেছেন বলে জানান দোকানদার। পূজায় ব্যাবহৃত ফলের দাম বিগতদিনের তুলনায় অনেকবৃদ্ধী পেয়েছে বলে জানান ফল ব্যাবসায়ীরা। সকলে মায়ের পূজার জন্য কম পরিমানে নিজ সাধ্যমতো ফল ক্রয় করছে বলছে জানাযায়। মূল্য বৃদ্ধীর বাজারেও লোকজনেরা নিজেদের সাধ্যমত সামগ্রী ক্রয়করে মায়ের পূজার আয়োজনকরছে। কোজাগরী লক্ষীপূজাকে কেন্দ্রকরে সকলের মধ্যে আনন্দের বাতাবরন লক্ষ্য করা যায়।
বিসর্জনের পর হাওড়া নদীর জল দূষণ পরীক্ষায় রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ

বিসর্জনের পর হাওড়া নদীর জল দূষণ পরীক্ষায় রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ

আগরতলা: দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর হাওড়া নদীর জলের দূষণের মাত্রা নিরূপণে উদ্যোগী হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানোর পাশাপাশি বায়ু ও শব্দদূষণের মাত্রাও পর্যবেক্ষণ করছে পর্ষদ। পুজোর আগে ও পরের দূষণের মাত্রার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ।শনিবার রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আগরতলার দশমীঘাটে পৌঁছে হাওড়া নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য পর্ষদের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন গৌতম ঘোষ, ডঃ রাজীব পাল, রতন দেবনাথ এবং প্রজেক্ট অফিসার প্রসেনজিৎ দাস।এদিন নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ প্রসঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আধিকারিক ডঃ রাজীব পাল জানান, কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশিকা অনুসারে প্রতি বছরের মতো এবারও পরিবেশ পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা করা হচ্ছে। দুর্গাপুজোর আগে হাওড়া নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছিল। বিসর্জন পর্ব শেষ হওয়ার পর ফের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে পুজোর আগে ও পরের জলের গুণমানের তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায়।তিনি আরও জানান, আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন ধরে নদীর জলের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কাজ চলবে। পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে একটি তুলনামূলক রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিতে পাঠানো হবে।জলদূষণ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়েও নিরীক্ষণ চালাচ্ছে পর্ষদ। ডঃ রাজীব পাল জানান, গণেশ পুজো থেকে বায়ু ও শব্দদূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিতে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে।শুধু আগরতলাতেই নয়, কুমারঘাট ও উদয়পুর-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় নদীর জল, বায়ু এবং শব্দদূষণের মাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। উৎসবের মরশুমে পরিবেশের উপর দূষণের প্রভাব কতটা পড়ছে, সেই চিত্র নিরূপণ করতেই এই ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।
 শহরের বিভিন্ন বাজারে প্রায় ৫০ কেজি শব্দযুক্ত বাজি উদ্ধার!

শহরের বিভিন্ন বাজারে প্রায় ৫০ কেজি শব্দযুক্ত বাজি উদ্ধার!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর মহকুমা প্রশাসন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের যৌথ উদ্যোগে লক্ষ্মী পূজার আগের দিন শহরের বেশ কয়েকটি বাজারে শব্দবাজি বিরোধী অভিযান করল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সদর মহকুমার অতিরিক্ত মহকুমা শাসক দীপরাজ দেব সহ পুলিশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্মকর্তারা। এই দিন রাজ্যের এম বি টিলাবাজার, বেলতলী বাজার, এডি নগর বাজার, বটতলা বাজার, মহারাজগঞ্জ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার গুলিতে হানা দেয় মহকুমা প্রশাসন। এই বিষয়ে অতিরিক্ত মহাকুমা শাসক জানিয়েছেন শব্দবাজির বিরুদ্ধে কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 জয়দীপ শুভদীপ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজন দাসের ফাঁসির দাবিতে ধর্মনগর শহরে যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের বিক্ষোভ মিছিল

জয়দীপ শুভদীপ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজন দাসের ফাঁসির দাবিতে ধর্মনগর শহরে যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি : দুর্গোৎসবের অষ্টমীর রাতে ধর্মনগর থানার অন্তর্গত বড়ুয়াকান্দি এলাকায় জয়দীপ ও শুভদীপের খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল ধর্মনগরের রাজনৈতিক মহল। এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজন দাসের ফাঁসির দাবিতে শনিবার সন্ধ্যায় যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে ধর্মনগরে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে অভিযুক্ত বিজন দাসের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সরব হন কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন উত্তর ত্রিপুরা জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি দ্বিগবিজয় চক্রবর্তী, প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কেবল নন্দী-সহ জেলা কংগ্রেস ও যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্ব। মিছিল থেকে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান তোলা হয়। জয়দীপ ও শুভদীপ হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে কংগ্রেসের এই কর্মসূচিকে ঘিরে ধর্মনগরে রাজনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। এখন দেখার বিষয়, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয় এবং নিহতদের পরিবার কবে ন্যায়বিচার পায়।
 SBI-এর গ্রাহক তথ্য! প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি রেকর্ডে ব্যক্তিগত তথ্য, তদন্ত শুরু

SBI-এর গ্রাহক তথ্য! প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি রেকর্ডে ব্যক্তিগত তথ্য, তদন্ত শুরু

নয়াদিল্লি, ২২ অক্টোবর: দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-এর গ্রাহকদের কিছু ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। SBI-এর পক্ষ থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩.৭৫ লাখ রেকর্ডের প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি গ্রাহক রেকর্ডে ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য (PII) পাওয়া গিয়েছে। তবে এই তথ্য কতটা সম্পূর্ণ ও নির্ভুল এবং এর উৎস কোথায়—তা এখনও তদন্তাধীন।কীভাবে বিষয়টি সামনে এল?SBI জানিয়েছে, গত ১৬ অক্টোবর তাদের থ্রেট ইন্টেলিজেন্স পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা, Defence Cyber Agency এবং Indian Computer Emergency Response Team (CERT-In)-এর কাছ থেকে গ্রাহক তথ্য ডার্ক ওয়েবে থাকার বিষয়ে সতর্কবার্তা পাওয়া যায়।এর পরেই ব্যাঙ্ক তাদের সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ও কনটেইনমেন্ট প্রোটোকল সক্রিয় করে। পাশাপাশি CERT-In অনুমোদিত একটি স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোনামুড়ায় প্রশাসন ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জলাশয় ভরাট ও কালী মন্দির ভাঙার গুরুতর অভিযোগ জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে!

সোনামুড়ায় প্রশাসন ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জলাশয় ভরাট ও কালী মন্দির ভাঙার গুরুতর অভিযোগ জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রশাসন ও আইনকে তোয়াক্কা না করে সোনামুড়ায় দেদারছে চলছে জলাশয় ভরাটের কাজ। একদল জমি মাফিয়ার দাদাগিরিতে আজ বিলুপ্তির পথে একটি বিশালাকার জলাশয়, যা একসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের পানীয় ও দৈনন্দিন জলের প্রধান উৎস ছিল। শুধু জলাশয় ভরাটই নয়, জমি মাফিয়াদের তাণ্ডব থেকে রেহাই পায়নি স্থানীয় মানুষের গভীর আস্থার কেন্দ্রস্থল একটি কালী মন্দিরও।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে পথটি দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চলছে, সেখানেই রয়েছে স্থানীয়দের নিজেদের উদ্যোগে গড়ে তোলা একটি কালী মন্দির। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সেই মন্দিরটি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জমি মাফিয়া চক্রটি। এই নক্কারজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র এলাকায়।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় নগর পঞ্চায়েত—সবাইকে লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও জমি মাফিয়াদের এই দৌরাত্ম্য কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। উল্টে প্রতিবাদ করতে গেলে স্থানীয় মানুষদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ক্রমাগত মাটি ফেলে জলাশয়টি সম্পূর্ণ বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে।যেখানে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনো অবস্থাতেই প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাটের অনুমতি দেওয়া হয় না, সেখানে কীভাবে এই বিশাল জলাশয়টি দিনের পর দিন মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে—তা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পুরো বেআইনি কর্মকাণ্ডটি ঘটছে সোনামুড়া অফিস টিলাস্থিত এসডিএম (SDM) অফিসের কোয়ার্টার থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে। মহকুমা প্রশাসনের একদম নাকের ডগায় দাঁড়িয়ে এভাবে জমি মাফিয়ারা কীভাবে এত বড় দুঃসাহস দেখায়, তা ভেবে বাকরুদ্ধ সচেতন মহল।প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন স্থানীয়দের স্পষ্ট দাবি সরকার ও মহকুমা প্রশাসন যেখানে জলাশয় ভরাটে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে, সেখানে এই জমি মাফিয়ারা কার ছত্রছায়ায় এই কাজ চালাচ্ছে?স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও আস্থায় আঘাত হেনে রাতারাতি মন্দির ভেঙে ফেলার পরও কেন প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে?এলাকাবাসীর জোর দাবি, অবিলম্বে এই বেআইনি জলাশয় ভরাট বন্ধ করতে হবে, জড়িত জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি

গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোৎসব। এই দূর্গোৎসবকে কেন্দ্রকরে সমস্ত ক্লাব যে যার সাধ্যমতো পূজার আয়োজনকরেথাকে। অন্যান্যবছরের ন্যায় এইবছরও মায়ের আরধনায় ব্রতীহলেন শান্তির বাজার মহকুমার গঞ্জেরটিলা বিপদনাশিনি মন্দির দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা। ছোটপরিসরে পূজার আয়োজনকরে লোকজনদের আনন্দ প্রদানে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে এইবছর মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়েছে। স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে এই মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়। পৌরানিক ধর্মগ্রন্থথেকে কিছুটা অংশ বাছাইকরে মানব মুর্তির আয়োজনকরাহয়। গঞ্জের টিলা দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি দেখারজন্য দক্ষিন জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্নস্থান থেকে দর্শকদের সমাগমঘটে। সপ্তমী পূজার রাতে মানব মুর্তি দেখার জন্য ব্যাপকহারে লোকসমাগম ঘটে। এই পূজানিয়ে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জাননা এই পূজা ১০ বছরে পদার্পন করেছে। এইবছরের পূজার বাজেট তিন থেকে সারে তিনলক্ষটাকা রাখাহয়েছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি পাঁচদিন ব্যপী দেখানো হবে। এইবছর মানবমুর্তি দ্বীতিয় বছরে পদার্পনকরেছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারাজানান পূজা শেষে উৎবৃত্ত অর্থ থাকলে উনারা এই অর্থদিয়ে সামাজিককর্মসূচী হাতেনেবেন।
শান্তিরবাজারে ফের বাইক দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই

শান্তিরবাজারে ফের বাইক দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই

শান্তিরবাজার প্রতিনিধি: মিঠুন ভৌমিক। দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজারে আট নম্বর জাতীয় সড়কে ফের বাইক দুর্ঘটনা। রবিবার, ১৮ অক্টোবর, সকাল আনুমানিক ১০টা নাগাদ শান্তিরবাজার ট্রাই জংশন সংলগ্ন ভারত পেট্রোলিয়ামের পেট্রোল পাম্পের সামনে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হলেন দুই বাইক আরোহী। দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, TR08G8272 নম্বরের একটি সুপার স্প্লেন্ডার বাইক পেট্রোল পাম্প থেকে তেল নিয়ে বেরোনোর পথে TR01BC6464 নম্বরের একটি পালসার বাইকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই বাইক আরোহী রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিরবাজার দমকল বাহিনীর কর্মীরা। তাঁরা আহত দুজনকে উদ্ধার করে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিত্য রায় জমাতিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। অন্যদিকে, অপর আহত কিষান বৈদ্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে। আহত কিষান বৈদ্যের বয়স ২৪ বছর। তাঁর বাড়ি বিলোনিয়ার হলচুমনি এলাকায়। অপর আহত নিত্য রায় জমাতিয়ার বয়স ৪৮ বছর। তাঁর বাড়ি শান্তিরবাজার মহকুমার পতিছড়ি মুড়া সিংপাড়া এলাকায় বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, শান্তিরবাজারে আট নম্বর জাতীয় সড়কে একের পর এক দুর্ঘটনাকে ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠছে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে। ব্যস্ত জাতীয় সড়কে যান চলাচলের ক্ষেত্রে চালকদের সতর্কতা, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা এবং দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব আরও একবার সামনে নিয়ে এল এই ঘটনা।
 দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: দুর্গাপুজো উপলক্ষে আগরতলা শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেল ঘুরে দেখেন এবং দুর্গামায়ের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি রাজ্যবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেন তিনি।এদিন আগরতলা শহরের রামঠাকুর সংঘ, কন্যাল চমণি, বুদ্ধমন্দির, অরবিন্দ সংঘ-সহ বিভিন্ন ক্লাবের দুর্গাপুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি মণ্ডপে পুজোর আয়োজন, প্রতিমা ও প্যান্ডেলের সাজসজ্জা ঘুরে দেখেন তিনি।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দুর্গাপুজো রাজ্যের মানুষের কাছে আনন্দ, উৎসাহ ও সম্প্রীতির এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। উৎসবের দিনগুলিতে যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে পুজো উপভোগ করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসন কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর সার্বিক মঙ্গল কামনা করে সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা পুর নিগমের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. এ পি জে আবদুল কালামের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মর্মমূর্তি উন্মোচন করা হয়। একই সঙ্গে ভারতীয় সংবিধানের প্রধান রূপকার ড. বি আর আম্বেদকরের নামাঙ্কিত শিশু উদ্যানের উদ্বোধন এবং তাঁর মর্মমূর্তিও উন্মোচন করা হয়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর প্রদীপ চন্দ-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।দুই মহান মনীষীর স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি তাঁদের আদর্শ, দেশপ্রেম, শিক্ষা ও সমাজ গঠনে অবদানের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তাঁদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

Top News

View All →
বানরের উৎপাতে কাঠালিয়া ব্লক এলাকার বহু পরিবার একেবারে অতিষ্ঠ! | Newstoplink.com