নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পোহালেই প্রত্যেকের ঘরে পূজিত হবেন মা লক্ষী। বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোৎসব শেষে মা লক্ষীর আরাধনায় সকলে মাতোয়ারাহবেন। এই উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারের পাশাপাশি শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত বাইখোড়া বাজারে মায়ের প্রতিমা সহ পূজায় ব্যাবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাজির হলো দোকানদাররা। লক্ষীপূজার বাজারের বিভিন্নদিকগুলো নিয়ে সংবাদ সংগ্রহকরতেগিয়ে মৃৎ শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেজানাযায় এইবছরের মায়ের প্রতিমার দাম তেমন বৃদ্ধী করাহয়নি। প্রতিমা নির্মানে উনাদের অধিক অর্থ ব্যায় করতেহয়েছে বলে জানান। প্রতিমা তৈরির জন্য মাটি উনাদেরকে ক্রয় করতেহয়। এছারা মায়ের প্রতিমা তৈরিতে ব্যাবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ে বিগতদিনের তুলনায় অধিক অর্থ ব্যায় করতেহয়েছে। সেই তুলনায় প্রতিমা বিক্রির দাম সিমাবদ্ধ রাখাহয়েছে। প্রতিমা বিক্রির সর্বোচ্চ দাম ৫০০ টাকা রাখাহয়েছে বলেছে জানাযায়। স্থানীয় মৃৎিশল্পীদের পাশাপাশি মহকুমার বাইরে মেলাঘর থেকে মায়ের প্রতিমা নিয়ে বাজারে এসেছেন কিছু সংখ্যক ব্যাবসায়ী। অপরদিকে মায়ের পূজায় ব্যাবহৃত মালাথেকে শুরুকরেবিভিন্ন সামগ্রীর দাম বিগতদিনেরন্যায় রেখেছেন বলে জানান দোকানদার। পূজায় ব্যাবহৃত ফলের দাম বিগতদিনের তুলনায় অনেকবৃদ্ধী পেয়েছে বলে জানান ফল ব্যাবসায়ীরা। সকলে মায়ের পূজার জন্য কম পরিমানে নিজ সাধ্যমতো ফল ক্রয় করছে বলছে জানাযায়। মূল্য বৃদ্ধীর বাজারেও লোকজনেরা নিজেদের সাধ্যমত সামগ্রী ক্রয়করে মায়ের পূজার আয়োজনকরছে। কোজাগরী লক্ষীপূজাকে কেন্দ্রকরে সকলের মধ্যে আনন্দের বাতাবরন লক্ষ্য করা যায়।