Tags

Share this article

 SBI-এর গ্রাহক তথ্য! প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি রেকর্ডে ব্যক্তিগত তথ্য, তদন্ত শুরু

SBI-এর গ্রাহক তথ্য! প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি রেকর্ডে ব্যক্তিগত তথ্য, তদন্ত শুরু

নয়াদিল্লি, ২২ অক্টোবর: দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-এর গ্রাহকদের কিছু ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। SBI-এর পক্ষ থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩.৭৫ লাখ রেকর্ডের প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩,৮৯৭টি গ্রাহক রেকর্ডে ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য (PII) পাওয়া গিয়েছে। তবে এই তথ্য কতটা সম্পূর্ণ ও নির্ভুল এবং এর উৎস কোথায়—তা এখনও তদন্তাধীন।কীভাবে বিষয়টি সামনে এল?SBI জানিয়েছে, গত ১৬ অক্টোবর তাদের থ্রেট ইন্টেলিজেন্স পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা, Defence Cyber Agency এবং Indian Computer Emergency Response Team (CERT-In)-এর কাছ থেকে গ্রাহক তথ্য ডার্ক ওয়েবে থাকার বিষয়ে সতর্কবার্তা পাওয়া যায়।এর পরেই ব্যাঙ্ক তাদের সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ও কনটেইনমেন্ট প্রোটোকল সক্রিয় করে। পাশাপাশি CERT-In অনুমোদিত একটি স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোনামুড়ায় প্রশাসন ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জলাশয় ভরাট ও কালী মন্দির ভাঙার গুরুতর অভিযোগ জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে!

সোনামুড়ায় প্রশাসন ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জলাশয় ভরাট ও কালী মন্দির ভাঙার গুরুতর অভিযোগ জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রশাসন ও আইনকে তোয়াক্কা না করে সোনামুড়ায় দেদারছে চলছে জলাশয় ভরাটের কাজ। একদল জমি মাফিয়ার দাদাগিরিতে আজ বিলুপ্তির পথে একটি বিশালাকার জলাশয়, যা একসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের পানীয় ও দৈনন্দিন জলের প্রধান উৎস ছিল। শুধু জলাশয় ভরাটই নয়, জমি মাফিয়াদের তাণ্ডব থেকে রেহাই পায়নি স্থানীয় মানুষের গভীর আস্থার কেন্দ্রস্থল একটি কালী মন্দিরও।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে পথটি দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চলছে, সেখানেই রয়েছে স্থানীয়দের নিজেদের উদ্যোগে গড়ে তোলা একটি কালী মন্দির। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সেই মন্দিরটি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জমি মাফিয়া চক্রটি। এই নক্কারজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র এলাকায়।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় নগর পঞ্চায়েত—সবাইকে লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও জমি মাফিয়াদের এই দৌরাত্ম্য কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। উল্টে প্রতিবাদ করতে গেলে স্থানীয় মানুষদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ক্রমাগত মাটি ফেলে জলাশয়টি সম্পূর্ণ বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে।যেখানে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনো অবস্থাতেই প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাটের অনুমতি দেওয়া হয় না, সেখানে কীভাবে এই বিশাল জলাশয়টি দিনের পর দিন মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে—তা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পুরো বেআইনি কর্মকাণ্ডটি ঘটছে সোনামুড়া অফিস টিলাস্থিত এসডিএম (SDM) অফিসের কোয়ার্টার থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে। মহকুমা প্রশাসনের একদম নাকের ডগায় দাঁড়িয়ে এভাবে জমি মাফিয়ারা কীভাবে এত বড় দুঃসাহস দেখায়, তা ভেবে বাকরুদ্ধ সচেতন মহল।প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন স্থানীয়দের স্পষ্ট দাবি সরকার ও মহকুমা প্রশাসন যেখানে জলাশয় ভরাটে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে, সেখানে এই জমি মাফিয়ারা কার ছত্রছায়ায় এই কাজ চালাচ্ছে?স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও আস্থায় আঘাত হেনে রাতারাতি মন্দির ভেঙে ফেলার পরও কেন প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে?এলাকাবাসীর জোর দাবি, অবিলম্বে এই বেআইনি জলাশয় ভরাট বন্ধ করতে হবে, জড়িত জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি

গঞ্জেরটিলা বিপদ নাশিনি মন্দির দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহচ্ছে মানব মুর্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোৎসব। এই দূর্গোৎসবকে কেন্দ্রকরে সমস্ত ক্লাব যে যার সাধ্যমতো পূজার আয়োজনকরেথাকে। অন্যান্যবছরের ন্যায় এইবছরও মায়ের আরধনায় ব্রতীহলেন শান্তির বাজার মহকুমার গঞ্জেরটিলা বিপদনাশিনি মন্দির দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা। ছোটপরিসরে পূজার আয়োজনকরে লোকজনদের আনন্দ প্রদানে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে এইবছর মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়েছে। স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে এই মানব মুর্তির আয়োজন করাহয়। পৌরানিক ধর্মগ্রন্থথেকে কিছুটা অংশ বাছাইকরে মানব মুর্তির আয়োজনকরাহয়। গঞ্জের টিলা দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি দেখারজন্য দক্ষিন জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্নস্থান থেকে দর্শকদের সমাগমঘটে। সপ্তমী পূজার রাতে মানব মুর্তি দেখার জন্য ব্যাপকহারে লোকসমাগম ঘটে। এই পূজানিয়ে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারা সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জাননা এই পূজা ১০ বছরে পদার্পন করেছে। এইবছরের পূজার বাজেট তিন থেকে সারে তিনলক্ষটাকা রাখাহয়েছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত মানব মুর্তি পাঁচদিন ব্যপী দেখানো হবে। এইবছর মানবমুর্তি দ্বীতিয় বছরে পদার্পনকরেছে। পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতারাজানান পূজা শেষে উৎবৃত্ত অর্থ থাকলে উনারা এই অর্থদিয়ে সামাজিককর্মসূচী হাতেনেবেন।
শান্তিরবাজারে ফের বাইক দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই

শান্তিরবাজারে ফের বাইক দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই

শান্তিরবাজার প্রতিনিধি: মিঠুন ভৌমিক। দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজারে আট নম্বর জাতীয় সড়কে ফের বাইক দুর্ঘটনা। রবিবার, ১৮ অক্টোবর, সকাল আনুমানিক ১০টা নাগাদ শান্তিরবাজার ট্রাই জংশন সংলগ্ন ভারত পেট্রোলিয়ামের পেট্রোল পাম্পের সামনে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হলেন দুই বাইক আরোহী। দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, TR08G8272 নম্বরের একটি সুপার স্প্লেন্ডার বাইক পেট্রোল পাম্প থেকে তেল নিয়ে বেরোনোর পথে TR01BC6464 নম্বরের একটি পালসার বাইকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই বাইক আরোহী রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিরবাজার দমকল বাহিনীর কর্মীরা। তাঁরা আহত দুজনকে উদ্ধার করে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিত্য রায় জমাতিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। অন্যদিকে, অপর আহত কিষান বৈদ্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে। আহত কিষান বৈদ্যের বয়স ২৪ বছর। তাঁর বাড়ি বিলোনিয়ার হলচুমনি এলাকায়। অপর আহত নিত্য রায় জমাতিয়ার বয়স ৪৮ বছর। তাঁর বাড়ি শান্তিরবাজার মহকুমার পতিছড়ি মুড়া সিংপাড়া এলাকায় বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, শান্তিরবাজারে আট নম্বর জাতীয় সড়কে একের পর এক দুর্ঘটনাকে ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠছে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে। ব্যস্ত জাতীয় সড়কে যান চলাচলের ক্ষেত্রে চালকদের সতর্কতা, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা এবং দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব আরও একবার সামনে নিয়ে এল এই ঘটনা।
 দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: দুর্গাপুজো উপলক্ষে আগরতলা শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেল ঘুরে দেখেন এবং দুর্গামায়ের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি রাজ্যবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেন তিনি।এদিন আগরতলা শহরের রামঠাকুর সংঘ, কন্যাল চমণি, বুদ্ধমন্দির, অরবিন্দ সংঘ-সহ বিভিন্ন ক্লাবের দুর্গাপুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি মণ্ডপে পুজোর আয়োজন, প্রতিমা ও প্যান্ডেলের সাজসজ্জা ঘুরে দেখেন তিনি।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দুর্গাপুজো রাজ্যের মানুষের কাছে আনন্দ, উৎসাহ ও সম্প্রীতির এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। উৎসবের দিনগুলিতে যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে পুজো উপভোগ করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসন কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর সার্বিক মঙ্গল কামনা করে সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি-শৃঙ্খলা কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা পুর নিগমের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. এ পি জে আবদুল কালামের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মর্মমূর্তি উন্মোচন করা হয়। একই সঙ্গে ভারতীয় সংবিধানের প্রধান রূপকার ড. বি আর আম্বেদকরের নামাঙ্কিত শিশু উদ্যানের উদ্বোধন এবং তাঁর মর্মমূর্তিও উন্মোচন করা হয়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর প্রদীপ চন্দ-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।দুই মহান মনীষীর স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি তাঁদের আদর্শ, দেশপ্রেম, শিক্ষা ও সমাজ গঠনে অবদানের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তাঁদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
 রামনগরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে যুবক-যুবতী ও মহিলাদের আর্থিক সহায়তা দীপক মজুমদারের

রামনগরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে যুবক-যুবতী ও মহিলাদের আর্থিক সহায়তা দীপক মজুমদারের

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের যুবক-যুবতী ও মহিলাদের পাশে দাঁড়ালেন বিধায়ক তথা আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। তাঁর উদ্যোগে কেন্দ্রের প্রতিটি বুথ থেকে ১০ জন করে যুবক-যুবতী ও মহিলাদের দুর্গাপুজো উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।প্রসঙ্গত, দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে রামনগর এলাকার প্রতিটি ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাকে ইতিমধ্যেই আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন বিধায়ক। পাশাপাশি, এলাকার মহিলাদের উপহার হিসেবে প্রায় ৬ হাজার শাড়িও বিতরণ করা হয়েছিল। উৎসবের আনন্দ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন, রামনগরের প্রতিটি বাসিন্দাই তাঁর পরিবারের সদস্য। পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানো তাঁর দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আগামী দিনেও মানুষের পাশে থেকে এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে যুবক-যুবতী ও মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
অভিমানী অভিযুক্ত চোরের থানায় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা

অভিমানী অভিযুক্ত চোরের থানায় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিনিধি: চোর সন্দেহে থানায় নিয়ে আসা যুবক থানার ভেতরে নিজ দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়! তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয় বিশালগড় থানার এক এসপিও ও পুলিশ কর্মী!!তড়িঘড়ি তাকে বিশাল গড় হাসপাতালে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে আগরতলা হাঁপানিয়া হাসপাতালে রেফার করে হয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে খবর সংগ্রহ করতে গেলে গুণধর পুলিশ কর্মী রাজীব বণিক বিভিন্ন তুল্লা বাজারের সঙ্গে জড়িত সেই রাজিব সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন

ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর বাস্তবায়ন ও আগামী পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৩ ও ১৪ অক্টোবর আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভ ২০২৬’। বিদ্যা ভারতী শিক্ষা সমিতি ত্রিপুরার উদ্যোগে এবং মহারাজা বীর বিক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার আগরতলার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে করে এই কথা জানান ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভর সদস্যরা তিনি আরো জানান ১৩ অক্টোবর সকাল ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল এন. ইন্দ্রসেনা রেড্ডি। উপস্থিত থাকবেন বিদ্যা ভারতী পূর্বোত্তর ক্ষেত্রের সাংগঠনিক সম্পাদক ডঃ পবন তিওয়ারি। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষা প্রশাসকরা অংশ নিয়ে রাজ্যে NEP 2020-এর অগ্রগতি, সমস্যা এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।
সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান ও অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান ও অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

আগরতলা: সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচি এবং অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতাপগড়স্থিত লোকনাথ মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রক্তদানের মাধ্যমে মানবসেবার বার্তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের সম্মাননা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি জানানো হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সদর শহর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, প্রতাপগড় মণ্ডল সভাপতি স্বপ্না দাস, মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মৌসুমী দাস-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।সেবা সংকল্প কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা তুলে ধরা হয়। রক্তদান কর্মসূচির পাশাপাশি অভিভাবকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সামগ্রিকভাবে, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সমাজসেবামূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।

Top News

View All →