Tags

Share this article

 ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা

ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরার চায়ের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রাজ্যের উন্নত মানের চা এবার পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। শুক্রবার আগরতলার দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩.৩১ মেট্রিক টন উন্নত মানের ত্রিপুরার চা ইউরোপের দেশগুলিতে পাঠানোর প্রক্রিয়ার সূচনা করা হয়।এই উপলক্ষে দুর্গাবাড়ি চা কারখানা প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরার চায়ের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তারের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই ইউরোপের উদ্দেশ্যে চা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।ত্রিপুরার চা দীর্ঘদিন ধরেই তার গুণমান ও স্বাদের জন্য পরিচিত। রাজ্যের পাহাড়ি ও সবুজ পরিবেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার চায়ের চাহিদা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের বাজারে এই বিপুল পরিমাণ চা পাঠানোর উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।চা রপ্তানির ফলে রাজ্যের চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত চা শ্রমিক, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ত্রিপুরার চা’-এর পরিচিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজ্যের চা শিল্প ভবিষ্যতে আরও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা পাঠানোর এই আনুষ্ঠানিক সূচনা তাই ত্রিপুরার চা শিল্পের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজ্যের উৎপাদিত উন্নত মানের চা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ত্রিপুরার চা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
 জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন

জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :তেলিয়ামুড়ার ঘিলাতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত জলিলুর রহমানের মৃত্যু ও গরু চুরির ঘটনাকে ঘিরে এবার সরব হলো ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে তেলিয়ামুড়া থেকে ঘিলাতলী এলাকায় গিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জমিয়তের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মৃত জলিলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। মৃতের পিতা-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শোনেন এবং কী পরিস্থিতিতে জলিলুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও পরিবারের বক্তব্যও খতিয়ে দেখেন তারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর প্রতিনিধি দলটি তেলিয়ামুড়া থেকে আগরতলায় ফিরে আসে। এরপর আগরতলার গেদু মিয়া মসজিদে ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে জমিয়তের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরি এবং জলিলুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে যে তথ্য তারা পেয়েছেন, সেই বিষয়গুলিও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা।জমিয়তের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক এবং ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে মৃতের পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়েও প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়।এর আগে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে কল্যাণপুর থানার ওসির কাছেও ডেপুটেশন প্রদান করে জমিয়তের প্রতিনিধি দল। জমিয়তের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।জমিয়তের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মুফতি তৈয়ীবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক চান মিয়া-সহ অন্যান্য সদস্যরা।জলিলুর রহমানের মৃত্যু এবং ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর জমিয়তের সাংবাদিক সম্মেলনের ফলে বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। এখন পুলিশের তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং প্রকৃত ঘটনা কীভাবে প্রকাশ্যে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে নমিনেশন প্রত্যাহার করেন ৫৪ জন

চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে নমিনেশন প্রত্যাহার করেন ৫৪ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামনেই ভিলেজ কমিটি নির্বাচন সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে চড়িলাম বিধানসভার অন্তর্গত বাতান মোরা, রামনগর, রংমালা, পদ্ম নগর এবং আমতলী কেন্দ্র থেকে মথা, কংগ্রেস এবং বিভিন্ন দল থেকে মোট ১৩৬ নমিনেশন দাখিল করেন। শুক্রবার ছিল নমিনেশনের পথ হার করা শেষ দিন এই দিনে বিভিন্ন দল থেকে মোট ৫৪ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে চড়িলাম ব্লকের বিডিও কৃতিকা সাহা সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে বিভিন্ন দল থেকে প্রত্যাহার করা বিষয়টি তুলে ধরেন।
নিখোঁজ পড়ুয়াকে উদ্ধারে সাফল্য পুলিশের !

নিখোঁজ পড়ুয়াকে উদ্ধারে সাফল্য পুলিশের !

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে ভিন রাজ্যে চলে যাওয়া, এক স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে ৬০ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করে ছেলেটির পরিবারের হাতে তুলে দিল।নিজের ছেলে সন্তানকে পুনরায় হাতে তুলে দেওয়ায় পুলিশ, প্রশংসায় পঞ্চমুখ সন্তানের পিতা-মাতা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর থানা এলাকার সীমান্ত গ্রাম যাত্রাপুর পাড়ার ৩ নং ওয়ার্ডের বসবাসরত পরিবারের ১৪ বছরের ছেলে রফিউল হোসেন নামে ছেলেটি সকালবেলায় মা-বাবাকে প্রাইভেট টিউশনিতে পড়তে যাওয়ার কথা বলে একেবারে চলে যায় আগরতলার রেল স্টেশনে। আসাম গামী রেলওয়েতে করে চলে যায় শিলচর স্টেশনে। ওখানে গিয়ে ঘোরাফেরা করে, তখনই সন্দেহ হয় শ্রীকোনা আউটপুস্টের পুলিশের। তার সাথে তখন কথাবার্তা বলে, সন্দেহ পুলিশের সন্দেহ আরো গণিভুত হয়। ছেলেটির স্কুল ইউনিফর্মে ফোন নাম্বার ছিল। এই ফোন নাম্বার থেকে পুলিশ প্রথমে ফোন করে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং পরবর্তী সময় যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিকের সাথে কথা বলে। সঙ্গে সঙ্গে ওসি ছেলেটির বাবা কে সঙ্গে নিয়ে দুজন পুলিশ পাঠায় নির্দিষ্ট স্থানের উদ্দেশ্যে। ছেলেটি বাঁশপুকুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। এদিকে, যেদিন উধাও হয়ে যায় বাড়ি থেকে, পিতা মাতা আত্মীয়-স্বজন সবাই খোঁজাখুঁজি করার পর না পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ৯ই সেপ্টেম্বর বিকেল বেলায় যাত্রাপুর পুলিশের কাছে ছেলেটিকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য আবেদন জানান। ছেলেটি বাড়ি থেকে সকালবেলায় প্রাইভেট টিউশনিতে যাওয়ার পূর্বে দুই পৃষ্ঠার একটা লেখা টেবিলের উপরে রেখে যায়। লেখাতে স্পষ্ট রয়েছে তার জন্মদাতা পিতা নাকি সব সময় তার উপর অত্যাচার চালায়, মারধর করে ইত্যাদি। কিন্তু, যাত্রাপুর থানা থেকে যখন ছেলেটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার আত্মীয়-স্বজন খবর পেয়ে আসেন তখন ছেলেটির পিঠা স্পষ্ট বলছেন না, এই জাতীয় ঘটনা কোনদিন হয় নাই! এখন দেখার বিষয়, আদৌ কি জন্মদাতা পিতার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যাওয়াটা সঠিক হল! এক বিরল ঘটনার সাক্ষী রাখল অপ্রাপ্তবয়স্ক এই ছেলেটি!এদিকে যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক জানান, দেখুন আমি সঙ্গে সঙ্গে দুজন পুলিশ পাঠিয়েছি এবং এদের সাথে ছিল ছেলেটির পিতা এবং ছেলের মামা। চারজনের একটি টিম শিলচর গিয়ে পুলিশের কাছ থেকে উদ্ধার করে এই কিশোর টিকে। যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক আরো জানান, ছেলেটির প্রতি যাতে তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয় তার জন্য পরিবারের বিশেষ করে পিতার প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও এর পেছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে আছে কিনা পুলিশ খোঁজখবর নেবেন, এমনটাই যাত্রাপুর থানার ওসি জানালেন।
চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি ,আগরতলা : শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন প্রদান করল ত্রিপুরা মিড-ডে মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (CITU অনুমোদিত)। বুধবার সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।ডেপুটেশনে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়। সংগঠনের অভিযোগ, মিড-ডে মিল কর্মীদের টানা চার মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নতুন ওয়ার্কার নিয়োগ না হওয়ায় কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, কাজের তুলনায় পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম এবং নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দুর্গাপূজার সময়ও অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, কিন্তু সেই অনুযায়ী বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে যে সুযোগ-সুবিধাগুলি পাওয়া যেত, বর্তমানে তার অনেকটাই বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।এদিনের ডেপুটেশন থেকে সংগঠনের নেতৃত্ব বর্তমান বিজেপি সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক কারণে সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত কর্মী-সমর্থকদেরও বিভিন্ন জায়গায় বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। তবে এগুলি সংগঠনের পক্ষ থেকে করা অভিযোগ—এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে।মিড-ডে মিল কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য রান্না ও খাবার পরিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ তাঁদের নিজেদের বেতনই যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে তাঁদের পরিবার কীভাবে চলবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।সংগঠনের দাবি, অবিলম্বে চার মাসের বকেয়া বেতন প্রদান, প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন মিড-ডে মিল ওয়ার্কার নিয়োগ এবং কর্মীদের কাজের উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
 চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ বাজেয়াপ্ত করল এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে চোরাই বলে সন্দেহ করা বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে এসির পাইপ, কারেন্টের তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র।তবে চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদও পুলিশের হাতে আসে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের প্রচুর কার্টুন উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও মদের উৎস কোথায় এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত২৪ আগস্ট বিশ্রামগঞ্জ আর ডি ডিভিশন অফিসের সামনে একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হয় বিশালগড়ের ঠিকাদার প্লাবন সাহা এবং তার সঙ্গী সাগর নাথ। তাদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ শত প্রণোদিত ভাবে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা নে যার নম্বর ৩১/ ২০২৬। আসামিরা এতদিন ধরে পালিয়ে ছিল। বুধবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা ননজলা এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে দুই অভিযুক্ত সুরেন্দ্র রিয়ান এবং ফণী রায় দেববর্মাকে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার লক আপে পুড়ে দেয়। তাদেরকে বুধবার দিনই বিশালগড় মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি  আজিত দেববর্মা। তিনি বলেছেন বাকি রাও আটক হবে আইন আইনের পথে চলবে
 সরকারি অফিসের জন্য চা গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদ! ঘটনা খোয়াইয়ে ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার চালিয়ে চা গাছ কাটার অভিযোগ

সরকারি অফিসের জন্য চা গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদ! ঘটনা খোয়াইয়ে ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার চালিয়ে চা গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য জমি পরিষ্কারের দাবি, প্রতিবাদে কাজ বন্ধ করলেন শ্রমিকরা।খোয়াইয়ের ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে জমি পরিষ্কার করার ঘটনাকে ঘিরে চা শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য বাগানের ওই অংশের জমি পরিষ্কার করা হচ্ছে বলে ঘটনাস্থলে থাকা এক ঠিকাদার শ্রমিকদের জানিয়েছেন বলে অভিযোগ।জানা গেছে, চা বাগানের একটি অংশে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে ফেলার কাজ চলাকালীন বিষয়টি নজরে আসে কর্মরত চা শ্রমিকদের। তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে কাজের কারণ জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত এক ঠিকাদার জানান, ওই এলাকায় সরকারি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে এবং সেই কারণেই জমি পরিষ্কারের কাজ চলছে।ঠিকাদারের এই বক্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, ধলাবিল চা বাগান একটি চা শিল্প সমবায় সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক রয়েছেন। অথচ তাঁদের আগাম কিছু না জানিয়ে কীভাবে বাগানের চা গাছ কেটে জমি পরিষ্কারের কাজ শুরু করা হলো, তা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।শ্রমিকদের দাবি, একসময় এই চা বাগানের ওপর প্রায় এক হাজার শ্রমিকের পরিবার নির্ভরশীল ছিল। বর্তমানে বাগানটি কার্যত দুরবস্থার মধ্যে রয়েছে এবং শ্রমিকের সংখ্যা কমে প্রায় দুইশতে দাঁড়িয়েছে। বাগানে বর্তমানে যে পরিমাণ চা গাছ রয়েছে, তার ওপরই অবশিষ্ট শ্রমিকদের জীবিকা অনেকটাই নির্ভরশীল।এই পরিস্থিতিতে নির্বিচারে চা গাছ কেটে ফেলা হলে আগামী দিনে শ্রমিকদের জীবিকা আরও সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। শ্রমিকদের বক্তব্য, সরকারি কোনো প্রকল্পের জন্য বাগানের জমি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে আগে আলোচনা করা উচিত ছিল।শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে খোয়াই মহকুমা শাসকের সঙ্গে কথা বলা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বাগানে চা গাছ কাটা বা জমি পরিষ্কারের কাজ বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।চা বাগানের জমিতে সরকারি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলে তার আগে সমবায় সমিতি, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধলাবিল চা বাগান এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
 আগরতলার ডি-ব্লকে ভিসি নির্বাচনে চার বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

আগরতলার ডি-ব্লকে ভিসি নির্বাচনে চার বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভিলেজ কমিটির (ভিসি) নির্বাচন। ওল্ড আগরতলার ডি-ব্লকের অন্তর্গত চারটি ভিসি—রাধামোহনপুর, পশ্চিম রাধামোহনপুর, বর্ধমান ঠাকুরপাড়া ও ধূপছড়ায় নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই চারটি ভিসির জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চার প্রার্থী। রাধামোহনপুর ভিসিতে বিনয় দেববর্মা, পশ্চিম রাধামোহনপুর ভিসিতে সোমা দেববর্মা, ধূপছড়া ভিসিতে মোনাক দেববর্মা এবং বর্ধমান ঠাকুরপাড়া ভিসিতে বুদ্ধলক্ষ্মী দেববর্মা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।খয়েরপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত এই চারটি ভিসিতে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন খয়েরপুর মণ্ডল সভাপতি রাজেশ ভৌমিক। তাঁর নেতৃত্বেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।এদিন উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল এবং জনজাতি মণ্ডল সভাপতি ভবরণঞ্জন দেববর্মা। নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
 পুজো আসতে না আসতেই শুরু হয়ে গেল চাঁদার জুলুম বাজি!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা নিয়ে হাফলংয়ে তুমুল উত্তেজনা!

পুজো আসতে না আসতেই শুরু হয়ে গেল চাঁদার জুলুম বাজি!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা নিয়ে হাফলংয়ে তুমুল উত্তেজনা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কন্টেনার চালককে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ধর্মনগরের হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক কন্টেনার গাড়ির চালককে একদল যুবক মারধর করার পাশাপাশি তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলেও প্রায় ১২ ঘণ্টা পরও কোনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত চালক। জানা গেছে, কৈলাশহরের বাসিন্দা পিন্টু মাইশো দাস গতকাল রাতে আগরতলা থেকে একটি কন্টেনার গাড়িতে অনলাইন সামগ্রী নিয়ে শিলচরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথে হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় একদল যুবক বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা দাবি করে তাঁর গাড়ি থামিয়ে আটকায় বলে অভিযোগ। পিন্টুর দাবি, তিনি ইতিমধ্যেই চাঁদা দিয়েছেন বলে জানিয়ে পুনরায় চাঁদা দেওয়ার কারণ জানতে চান। অভিযোগ, এরপরও তাঁকে ফের চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পিন্টুর আরও অভিযোগ, তাঁর কাছে গাড়ির লাইন খরচ বাবদ প্রায় ২২ হাজার টাকা ছিল। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার টাকা গাড়িতে জ্বালানি ভরার কাজে খরচ হয়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট টাকা তাঁর কাছে ছিল। অভিযোগ, সেই অবশিষ্ট নগদ টাকাই তাঁর কাছ থেকে নিয়ে যায় যুবকদের দল। ঘটনার পর রাতেই তিনি থানায় বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন পিন্টু। তবে তাঁর অভিযোগ, ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।এদিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পিন্টু একটি রসিদও দেখান। তাঁর দেখানো রসিদে ‘ধর্মনগর মিডিয়াম ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। পিন্টুর দাবি, বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা সংগ্রহের সঙ্গে ওই সংগঠনের নাম জড়িত রয়েছে। রসিদে সংগঠনের সভাপতি হিসেবে কানু চন্দ্র নাথ এবং সম্পাদক হিসেবে বিজয় দেবের নাম উল্লেখ রয়েছে বলেও তিনি জানান।ঘটনার প্রকৃত সত্যতা উদঘাটনে রসিদে উল্লিখিত সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং কারা চাঁদা সংগ্রহ করছিল, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন পিন্টু। এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার সকালে PNG সংগঠনের কর্মকর্তারা ধর্মনগর থানায় যান বলে জানা গেছে। তাঁরা পুলিশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন বলেও খবর। তবে কন্টেনার চালককে মারধর, তাঁর কাছ থেকে টাকা নিয়ে যাওয়া এবং চাঁদা আদায়ের ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Top News

View All →
কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল | Newstoplink.com