Tags

Share this article

কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল

কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি:দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির প্রতিবাদে ও ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ভারতীয় মজদুর সংঘের ঊনকোটি জেলা কমিটির উদ্যোগে ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘ ও সহায়িকারা কুমারঘাটে এক বিশাল মিছিলের পর SDM কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ার কারণে তাদের পক্ষে এখন সারা রাজ্যের সাথে ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি প্রকল্প বা SNP চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।উদাহরণস্বরূপ, বিভাগীয় দামের চেয়ে বাজারে ডিম, সয়াবিন তেল, ছানা, চিঁড়া, সুজি এবং মোবাইল রিচার্জের খরচ অনেক বেশি।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রীতথা ঊনকোটি জেলার মহিলা প্রমুখ আল্পনা দেবনাথ, BMS র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পিজুষ দাস, পেচারথল প্রজেক্টের সভানেত্রী নয়ন মল্লিকা চাকমা এবং কুমারঘাট প্রজেক্টের সভানেত্রী অঞ্জলি দেবনাথ সহ আরও অনেকে।এক সাক্ষাৎকারে ত্রিপুরা অঙ্গনারী কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রী আলপনা দেবনাথ ও বিএমএস-র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পীযূষ দাস জানান , বিরোধী ঐক্য সংগঠনের কিছু লোক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে গিয়ে বিভ্রান্তি চড়াচ্ছেন তা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, পাশাপাশি অঙ্গনারী কর্মীদের দাবিগুলি নিয়ে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে বিবেক বিবেচনা করেতা নিয়েও আশা ব্যক্ত করেন।
 কলকাতার অভিনয়ের দুনিয়ায় রাজ্যের সায়ন্তিকা

কলকাতার অভিনয়ের দুনিয়ায় রাজ্যের সায়ন্তিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার প্রতিভার তালিকায় যুক্ত হলো আরও একটি উজ্জ্বল নাম। গোমতী জেলার উদয়পুরের কৃতি কন্যা সায়ন্তিকা ধর কলকাতার বড় পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছেন। ‘মা দুর্গা প্রোডাকশন’-এর প্রযোজনায় এবং পরিচালক রঞ্জন দত্তের পরিচালনায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র ‘আনন্দ আশ্রম’-এর মাধ্যমে তাঁর টলিউডে অভিষেক ঘটে। গত ৩১ জুলাই ২০২৬ মুক্তিপ্রাপ্ত এই পারিবারিক ড্রামা ইতিমধ্যেই দর্শক ও শিল্পমহলে সাড়া ফেলেছে।ত্রিপুরা পুলিশের প্রয়াত ডিএসপি সুরজিৎ ধর ও গৃহিণী রাখি সিংহ ধরের কন্যা সায়ন্তিকা বর্তমানে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ক্লাসিকাল ও ওয়েস্টার্ন নাচে দক্ষতা অর্জন করেন তিনি। ২০২৫ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিজ্ঞাপন দেখে অভিনয়ের জগতে প্রবেশের সুযোগ পান এবং পরবর্তীতে কলকাতায় প্রশিক্ষণ নিয়ে চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ লাভ করেন।‘আনন্দ আশ্রম’ ছবিটি একটি অনাথ আশ্রমকে কেন্দ্র করে সামাজিক বার্তাধর্মী গল্প তুলে ধরে, যেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে। ছবিতে সায়ন্তিকার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন বোধিসত্ত্ব মজুমদার, কৌশিক ব্যানার্জী, লাবণী সরকারসহ একাধিক অভিজ্ঞ শিল্পী।সায়ন্তিকা জানিয়েছেন, মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি এই পথে এগিয়ে এসেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও চলচ্চিত্রে কাজ করতে চান। তাঁর মা রাখি সিংহ বলেন, বর্তমান সময়ে শুধু পড়াশোনা নয়, সন্তানদের আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যেতে দেওয়াই অভিভাবকদের দায়িত্ব।সায়ন্তিকার মা রাখি সিংহ জানান, বর্তমান সময়ে সন্তানদের নিজেদের পছন্দের পথে এগিয়ে যেতে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। টিভি সিরিয়াল ও চলচ্চিত্র জগতেও সফল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।ত্রিপুরার একটি ছোট শহর থেকে টলিউডের বড় মঞ্চে সায়ন্তিকার এই সাফল্য রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
নেশা ও চুরির বিষয়ে কৈলাশহর থানায় ডেপুটেশন দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী

নেশা ও চুরির বিষয়ে কৈলাশহর থানায় ডেপুটেশন দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৈলাসহর পুর পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দিন দিন মাদকদ্রব্যের অবাধ কারবার, মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এর জেরে চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ বাড়ছে বলে অভিযোগ তুলে কৈলাসহর থানার দ্বারস্থ হলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তীসহ এলাকার বহু বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে অবিলম্বে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।অভিযোগে বলা হয়েছে, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনিকেতন শপিং কমপ্লেক্স, শ্মশানঘাট সংলগ্ন এলাকা, সিনেমা হলের পাশের পাড়া এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরেই ড্রাগসের অবাধ কারবার চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং সন্ধ্যার পর অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন।স্থানীয়দের দাবি, মাদকের বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চুরির ঘটনাও। কয়েকদিন আগে সর্বানন্দ স্মরণী এলাকায় দিনের বেলায় একটি চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বিভিন্ন পাড়ায় ছোট-বড় চুরির অভিযোগ সামনে আসছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নেশার টাকা জোগাড় করতেই একাংশ মাদকাসক্ত এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই তারা থানায় অভিযোগ জানাতে এসেছেন। তাঁর কথায়, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং চুরির ঘটনাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দিনের বেলায় চুরির ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, মাদকাসক্তদের একটি অংশ নেশার খরচ জোগাড় করতে চুরির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেওয়ার আগেই পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।কাউন্সিলরের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও অভিযান চালানোরও আহ্বান জানানো হয়েছে।এদিকে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তাদের মতে, মাদক কারবার বন্ধ করা গেলে চুরি-ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে।
IGGL-এর গাড়ি চলাচলে গ্রামীণ রাস্তা বেহাল!পথ অবরোধ করল এলাকাবাসী!

IGGL-এর গাড়ি চলাচলে গ্রামীণ রাস্তা বেহাল!পথ অবরোধ করল এলাকাবাসী!

নিজস্ব প্রতিনিধি:-এর কর্মীদের গাড়ি চলাচলের কারণে গ্রামীণ রাস্তা ভেঙে বেহাল হয়ে পড়ায় উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর মহকুমার পূর্ব রৌয়া ও জলাবাসা সংযোগস্থলে IGGL প্রজেক্টের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাল এলাকাবাসী। ঘটনার বিবরণে জানা যায় প্রায় ৩ বছর আগে চামটিলা জাতীয় সড়ক থেকে জলেবাসাগামী পথের বাম দিকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে IGGL একটি প্রজেক্টের কাজ শুরু করে। প্রজেক্টে প্রবেশের জন্য IGGL নিজেদের খরিদকৃত জমির উপর মাটি ভরাট করে একটি কাঁচা রাস্তা তৈরি করে। কিন্তু প্রায় ২ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাস্তাটি পাকা করা হয়নি। ফলে IGGL-এর কর্মীরা প্রতিদিন প্রায় ২০-২৫টি গাড়ি নিয়ে প্রজেক্টে যাতায়াতের জন্য পার্শ্ববর্তী ৮ ফুট চওড়া ব্রিক সোলিং গ্রামীণ রাস্তাটি ব্যবহার করছে। গত বছর বর্ষায় রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বছরও একই অবস্থা হওয়ায় রাস্তাটির বর্তমানে বেহাল দশা। এছাড়াও IGGL-এর তৈরি কাঁচা রাস্তার দুপাশে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পার্শ্ববর্তী কৃষকদের ধান জমি জলে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রবল বর্ষণে গ্রামের পুকুরের জল উপচে মাছও পালিয়ে যাচ্ছে। এতে কৃষক ও এলাকাবাসী বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিগত বছর থেকেই এলাকাবাসী IGGL কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এমনকি পানিসাগর মহকুমা শাসকও IGGL-কে নির্দেশ দেন নিজেদের জমির উপর রাস্তা তৈরি করে সেটি ব্যবহার করার জন্য এবং গ্রামীণ রাস্তা ব্যবহার না করার জন্য। কিন্তু IGGL কর্তৃপক্ষ মহকুমা শাসকের নির্দেশ অমান্য করায় বাধ্য হয়ে আজ এলাকাবাসী পথ অবরোধে নামে। অবরোধের সময় IGGL-এর কর্মীরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হতে চাইলে এলাকাবাসী ও উপস্থিত সংবাদকর্মীদের চাপে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে IGGL-এর কর্মীরা নিজেদের জমির উপর দিয়ে কাঁচা রাস্তা দিয়ে গাড়ি বের করে নিয়ে যায়।       এলাকাবাসীর প্রশ্ন, IGGL-এর মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ৫০০ মিটার রাস্তা তৈরি করতে ২ বছর কেন লাগছে? আর রাস্তা তৈরি না করে পার্শ্ববর্তী মানুষ ও কৃষকদের ক্ষতির দায় কেন নিতে চাইছে না IGGL?
 বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনিতে দুঃসাহসিক চুরি! নগদ সহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার সামগ্রী লুট!

বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনিতে দুঃসাহসিক চুরি! নগদ সহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার সামগ্রী লুট!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনি এলাকায় বুধবার ভোররাতে একটি দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় নগদ অর্থসহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোরের দল।জানা গেছে, বুধবার সকালে দোকান মালিক অজিত দেববর্মা প্রতিদিনের মতো দোকান খুলতে এসে দেখেন দোকানের ভেতরে সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিষয়টি দেখে তার সন্দেহ হলে তিনি দোকানে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গভীর রাতে চোরেরা দোকানের পেছনের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ক্যাশবাক্স ভেঙে নগদ প্রায় *৭ হাজার টাকা* নিয়ে যায়। পাশাপাশি দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামালও চুরি করে। সব মিলিয়ে নগদ অর্থ ও মালামালের মূল্য প্রায় *৩২ হাজার টাকা* বলে দোকান মালিক দাবি করেছেন।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
 'ভুয়ো' সাংবাদিক আটক সোনামুড়ায়। অভিযুক্তের নাম মফিজ মিয়া।

'ভুয়ো' সাংবাদিক আটক সোনামুড়ায়। অভিযুক্তের নাম মফিজ মিয়া।

নিজস্ব প্রতিনিধি:নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ উপার্জনের ধান্দায় নেমেছি কিছু অংশে বখাটে যুবক। আজ এমনি এক যুবককে আটক করলো সোনামুড়া তামশাবাড়ি এলাকার মানুষ। জানা যায় সোনামোড়া তামসাবাড়ি এলাকায় একটি বেকারির ফ্যাক্টরি রয়েছে সেই বেকারের ফ্যাক্টরিতে হঠাৎ এই কাউকে না জানে মালিকের অনুপস্থিতিতে মফিজ মিয়া নামে রাঙ্গামাটিরা এক যুবক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফ্যাক্টরির ভিতরে ঢুকে মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও করা শুরু করে দেয়। কর্মচারীদের বলে ফ্যাক্টরি এত ময়লা কেন মালিকে যেন তার সাথে দেখা করার কথা বলে। যথারীতি ওই ফ্যাক্টরির মালিক তাকে ফোন করলে সে বলেই তার সাথে দেখা করে বিষয়টি শেষ করার জন্য। তখন মালিক সাংবাদিক পরিচয় দেয়া মফিজকে তার ফ্যাক্টরির সামনে আসতে বলে তখনই এলাকার কিছু মানুষ বিষয়টি জানতে পেরে। এবং তারা জানতে চায় কোন সাংবাদিক এই সংবাদটির করেছে তখন মানুষ ও ওই ফ্যাক্টরির সামনে জড়ো হয় যখনই ভুয়া সাংবাদিক মফিজ ওই এলাকায় পৌঁছয়া তাকে আটক করে এলাকার লোকজন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তার পরিচয় পত্র কোথায় এবং কার অনুমতি নিয়ে একটি খাদ্য তৈরির ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করা হয়েছে। সে কোন প্রশ্নই উত্তর দিতে পারেনি এবং তার সাংবাদিকতার কোন পরিচয় পত্র তার কাছে ছিল না তখনই এলাকার লোক তাকে আটক করে সোনামুড়া থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসো তার কাছ থেকে কোন সংবাদমাধ্যমের পরিচয় পত্র পাইনি পরে পুলিশ তাকে সোনামুড়া থানায় নিয়ে চলে যায়। ফ্যাক্টরির মালিক জানান উনার ফ্যাক্টরিতে যথেষ্ট পরিছন্নতা বজায় রয়েছে এবং খাদ্যের গুণগত মানে সঠিক রয়েছে খাদ্য দপ্তর থেকে কোন ধরনের কমপ্লেন আসেনি উনার কাছে। উনার মনে হচ্ছে উনাকে ব্ল্যাকমেইল করে কিছু অর্থ উপার্জনের চেষ্টা ছিল এটা। এদিকে এক এলাকাবাসী জানান এ ধরনের বখাটে যুবকদের কারণে কলঙ্কিত হচ্ছে সংবাদ মাধ্যম। টাকার বিনিময়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করা সত্যকে অসত্য মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা আগামী দিনে সংবাদ মাধ্যমের প্রতি মানুষের বিশ্বাস থাকবে না দ্রুত এ ধরনের অসংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
 উদয়পুরে চুরির হিড়িক , পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ জনমনে

উদয়পুরে চুরির হিড়িক , পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ জনমনে

নিজস্ব প্রতিনিধি:উদয়পুর শহর ও আশেপাশের এলাকা গুলোতে বসত বাড়িতে চুরির ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে! এই পরিস্থিতিতে ফের এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে!! এবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই এক শিক্ষকের বাড়িতে সংঘটিত হয়েছে বড়সড় চুরি। ঘটনাটি উদয়পুর পৌর পরিষদের অন্তর্গত মহাদেব দিঘীর পূর্ব পাড় এলাকায়। আক্রান্ত বাড়ির মালিক পেশায় শিক্ষক বিপ্লব সাহা। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে বিপ্লব সাহা তাঁর পরিবারকে নিয়ে অমরপুরে অবস্থিত তাঁদের পুরোনো বাড়িতে বেড়াতে যান। এই সুযোগে রাতের অন্ধকারে বাড়িটি ফাঁকা পেয়ে চোরের দল হানা দেয়।চোরেরা বাড়ির মূল দরজার তালা ও হুক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর বসত ঘরে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। ঘরের দুটি গোদ্রেজসহ একাধিক আলমারি ভেঙে তছনছ করে ফেলে তারা। চুরির সময় নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৪ থেকে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।মঙ্গলবার সকালে বিপ্লব সাহার ভাই পার্থপ্রতিম সাহা বাড়িতে এসে এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। তিনি দ্রুত অমরপুরে থাকা বিপ্লব সাহাকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বিপ্লব সাহা তড়িঘড়ি করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন এবং রাধাকিশোরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ পাওয়ার পরপরই রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পার্থপ্রতিম সাহা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মাত্র প্রায় ১০০ মিটার দূরত্বে এমন দুঃসাহসিক চুরি কীভাবে সম্ভব, তা ভেবে দেখার বিষয়।এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, রাধাকিশোরপুর থানা এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু চোরদের শনাক্তকরণ বা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে পুলিশের তৎপরতা তেমন চোখে পড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের এত কাছাকাছি বারবার চুরির ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে চোরদের গ্রেফতার করা হোক এবং এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হোক।এখন দেখার বিষয়, এই ঘটনার পর প্রশাসন কতটা দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী উদ্যোগ নেয়।
সবাইকে নিয়ে চলার আহ্বান প্রদেশ বিজেপি সভাপতি অভিষেক দেবরায়ের

সবাইকে নিয়ে চলার আহ্বান প্রদেশ বিজেপি সভাপতি অভিষেক দেবরায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: মঙ্গলবার দিনভর একাধিক সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৩২ মাতাবাড়ি বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন বিধায়ক তথা বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনসংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এদিন বিকেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।এদিনের কর্মসূচির সূচনা হয় বিকাল প্রায় ৪টায় দাতারাম বাজার এলাকায় আয়োজিত এক যোগদান সভার মাধ্যমে। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগত মোট ১৬টি পরিবারের ৬৭ জন ভোটার বিজেপিতে যোগদান করেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানান অভিষেক দেবরায়। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিজেপির আদর্শ, নীতি ও রাজ্যের চলমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উপর আলোকপাত করেন। পাশাপাশি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের শক্তি বৃদ্ধি এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।এরপর বিকাল প্রায় ৫টায় জোয়ালি খামার এলাকায় নবনির্মিত বিজেপি পার্টি কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। ফিতা কেটে কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যা প্রায় ৬টায় সিমসিমা এলাকায় আরও একটি নতুন পার্টি কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন বিধায়ক। এই কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে এলাকায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।এদিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সাধারণ সম্পাদক রথীন্দ্র জমাতিয়া, গোমতী জেলার সহ-সভাপতি উত্তম দে, ৩২ মাতাবাড়ি মন্ডলের সভাপতি বিশ্বজিৎ মারাক এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ। এছাড়াও স্থানীয় কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি পুরো কর্মসূচিকে সফল করে তোলে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনগুলোতেও সংগঠন বিস্তার ও জনসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ধরনের কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
 তিন সন্তানের জননীর রহস্য মৃত্যু!বিশালগড় লালটিলা এলাকায় চাঞ্চল্য!!

তিন সন্তানের জননীর রহস্য মৃত্যু!বিশালগড় লালটিলা এলাকায় চাঞ্চল্য!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর রাতে বিশালগড় লালটিলা অঞ্চলে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু। গৃহবধূর নাম সনকা নম। স্বামীর নাম বিকাশ নম। জানা গেছে, তিন সন্তানের মা সনকা নম দীর্ঘদিন ধরেই নেশাগ্রস্ত স্বামীর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। এলাকাবাসীর বক্তব্য সেই গৃহবধূ আত্মহত্যা করতেই পারেনা। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজনরা ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করলেও, বাবার বাড়ির লোকজনদের দাবি গলায় দরির কিংবা আত্মহত্যার কোন লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সবচাইতে গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘক্ষণ যাবৎ গৃহবধূকে নামিয়ে বাড়ির উঠোনে ফেলে রাখা হয়। পরে গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনরা এসে উদ্ধার করে বিশালগড় মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিশালগড় মহিলা থানার পুলিশ।
 গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে গরমিলের অভিযোগ শান্তি গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে!ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা

গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে গরমিলের অভিযোগ শান্তি গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে!ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বীরচন্দ্রনগর শহীদ স্মৃতি বিদ্যামন্দির সংলগ্ন মাঠে এলপিজি রান্নার গ্যাস সরবরাহকে কেন্দ্র করে সোমবার চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শান্তিরবাজার শান্তি গ্যাস গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গ্রাহক রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজনের তুলনায় গ্যাস কম দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকরা ।অভিযোগ, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও এজেন্সির পক্ষ থেকে গ্রাহকদের মধ্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসময় কয়েকজন গ্রাহকের সন্দেহ হলে তারা উপস্থিত কর্মীদের সামনেইে সিলিন্ডারের ওজন করার দাবি জানান। পরে ওজন করে দেখা যায়, একাধিক সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজনের তুলনায় সর্বনিম্ন ২ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ৪ কেজি পর্যন্ত গ্যাস কম রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। গ্রাহকদের দাবি, পরীক্ষা করা প্রায় ১০টি সিলিন্ডারের মধ্যে মাত্র একটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজন পাওয়া যায়, বাকি সবকটিতেই ওজনে গরমিল ধরা পড়ে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা এজেন্সির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের অনিয়ম চললেও যথাযথ তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। গ্রাহকদের দাবি, প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের আগে বাধ্যতামূলকভাবে ওজন নিশ্চিত করা হোক এবং পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।এদিকে, গ্রাহকদের একাংশ আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিলে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে সহজেই গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এ ধরনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ গ্রাহকরা যখন নিয়মিত গ্যাস পান না, তখন অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে কীভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হয়? তাদের দাবি, এই অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।গ্রাহকরা খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।এখন গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে ওঠা ওজনে গরমিল, অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে গ্যাস সরবরাহ এবং গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর কী ধরনের তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী ও গ্যাস গ্রাহকরা।