তরমুজের আড়ালে দেড় কোটি টাকার নেশাজাতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার, অসম–ত্রিপুরা সীমান্তে পুলিশের বড় সাফল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরাইবাড়িতে ১৪ হাজারের বেশি বোতল ‘এস্কাফ’ উদ্ধার—গ্রেফতার চালক ও সহচালক।বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনেই বড়সড় সাফল্য পেল অসম পুলিশের শ্রীভূমি জেলা শাখা। অসম–ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টে অভিযান চালিয়ে তরমুজ বোঝাই একটি লরি থেকে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই নিষিদ্ধ কফ সিরাপের কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে চুরাইবাড়ি চেকপোস্টে ৮ নম্বর আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কে নিয়মিত নাকা তল্লাশি চলাকালীন AS26AC-1102 নম্বরের একটি ছয় চাকার লরি সন্দেহজনকভাবে সেখানে পৌঁছায়। আগে থেকেই গোপন সূত্রে খবর থাকায় পুলিশ লরিটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। লরিতে উপরে তরমুজ বোঝাই থাকলেও তার নিচে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছিল ৯৫টি কার্টুন ভর্তি নিষিদ্ধ কফ সিরাপ ‘এস্কাফ’। প্রতিটি কার্টুনে ১৫০টি করে বোতল থাকায় মোট উদ্ধার হয়েছে ১৪,২৫০ বোতল নেশাজাতীয় কফ সিরাপ।এই ঘটনায় লরির চালক নজরুল ইসলাম এবং সহচালক মুসলেম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চালকের বাড়ি অসমের বরপেটা জেলায় এবং সহচালকের বাড়ি ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার মেলাঘর এলাকায়।ঘটনা প্রসঙ্গে শ্রীভূমি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ শর্মা জানান,“রুটিন তল্লাশির সময়ই এই বড়সড় সাফল্য আসে। উদ্ধার হওয়া কফ সিরাপের কালোবাজারি মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। এগুলি গুয়াহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছিল।” তিনি আরও জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ইতিমধ্যেই একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তঃরাজ্য পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি লরির মালিককেও সমন পাঠানো হবে এবং কোথা থেকে এই মাদকদ্রব্য লোড করা হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ধৃতদের আগামী বৃহস্পতিবার শ্রীভূমি জেলা আদালতে পেশ করা হবে। অসম পুলিশের এই সফল অভিযানে আবারও প্রমাণ মিলল যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার রুখতে তারা কতটা সক্রিয়। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং কোনওভাবেই নেশাজাতীয় সামগ্রী রাজ্যের ভিতরে বা বাইরে পাচার হতে দেওয়া হবে না।
শুভ হউক বাংলা ১৪৩৩
সম্পাদকীয় কলম : বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে ' আশায় নাকি বাঁচে চাষা ' । বর্তমান সমসাময়িক রাজ্যের প্রেক্ষাপটে জনগণেরও ঠিক একই অবস্থা । এক সময় রাজ্যের গন দেবতারা জনৈক রাজনৈতিক দলের ভীষন যন্ত্রের আপ্লুত হয়ে হয়ে অন্ধভাবে তাঁদের পাশে রায় দিয়েছিলেন জনগণ । ২০১৮ সালে রাজ্যের মধ্যে নতুন সূর্যোদয় হয়েছিল । বহু আশা ছিল অসমাপ্ত কাজের গতিশীলতা আসবে । সেই স্বপ্নে আজও যেন জনগন বেঘোরে । ইতিমধ্যেই দেখেছেন বহু উত্থান - পতন। তবে , আক্ষেপের মধ্যেই আরও একটি বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছেন । সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনায় রত ।সব কিছু যেন শুভ হয় । বাংলা নতুন বছরে প্রত্যাশা রাখছেন রাজ্যবাসী । আক্ষরিক অর্থে সুসময় এসেছে একাংশ সুবিধাভোগীদের । আমাদের অনতি দূরের রাজ্যে অবিজেপি সরকার রয়েছে । বাংলা ভাষী এই রাজ্যের মধ্যে বেকারদের জন্য বেকার ভাতা, কন্যাশ্রী প্রকল্প,মহিলাদের জন্য চালু রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার । তাতে করে কয়েক কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সুনিশ্চিত গ্যারান্টি হয়েছে । ছোট রাজ্য ত্রিপুরা । মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৪০-৪৫ লাখ। এই ছোট রাজ্যের মধ্যেই বেকার ভাতা , লক্ষ্মীর ভান্ডার মতো কোন ধরনের প্রকল্প রুপায়ন নিয়ে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হিসাবে দাবী করা রাজনদের প্রয়াস কেউ এখন পর্যন্ত দেখতে পাননি । রাজ্যের মধ্যে শূন্যপদ পূরন হচ্ছেনা । বাড়ছে বেকার যুবকদের মধ্যে হতাশা । শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা । হাজারোও বেকার টেট উত্তীর্ণ হয়ে চাকরীর জন্য ধর্নারত । বিশ্ব মানের হাসপাতাল গড়ার ভাষন শুনা গেলেও বাস্তবে চিকিৎসা পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে । কোন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা মনে হয় হাসপাতালের মেঝে রোগীদের ভিড়ে । নেশা মুক্ত প্রদেশ গড়ার বাস্তব চিত্রে দেখা যায় নেশা করবার চলছে রেল পথেও। এত কিছুর পরেও সবাইকে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বলতেই হবে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।
উৎসবের আমেজে মেলাঘর বাজারে ইলিশের দাপট বনাম ক্রেতার পকেট
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেলাঘরের মাছ ও মাংসের বাজারে আজ উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের আমেজে ইলিশের জয়জয়কার থাকলেও, দাম নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভোর থেকেই মেলাঘর বাজারের আকাশ-বাতাস মুখরিত বিক্রেতাদের হাঁকডাকে। পহেলা বৈশাখ মানেই পাতে এক টুকরো ইলিশ আর পছন্দের মাংস। তাই আজ সকাল থেকেই মাছ ও মাংসের দোকানে তিল ধারণের জায়গা নেই। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাজারে রুপালি ইলিশের দাপট চোখে পড়ার মতো। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।দাম নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও বাঙালির উৎসবের জোয়ারে তা যেন কিছুটা ম্লান। পকেটে টান পড়লেও ঐতিহ্যের টানে খালি হাতে ফিরছেন না কেউ। সাধ্য আর সাধের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে বাঙালির উৎসব প্রিয়তারই।মেলাঘর বাজারের এই ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, দামের ঊর্ধ্বগতি উৎসবের আনন্দকে দমাতে পারেনি। নতুন বছর সবার জন্য সুখের হোক
সোনামুড়া-বিলোনিয়া সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা!চালকের মৃত্যু!! গুরুতর আহত মা ও শিশু!
সোনামুড়া: সোনামুড়া টু বিলোনিয়া মূল সড়কের রবীন্দ্রনাথ মগ্গারপার এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক টমটম চালক। এই ঘটনায় একই পরিবারের মা ও শিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।জানাগেছে, আজ সোনামুড়া-বিলোনিয়া সড়কে রবীন্দ্রনগর মগ্গারপার TR01C-4311 নম্বরের একটি ম্যাক্স গাড়ি এবং TR07A-3835 নম্বরের টমটমের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই তীব্র ছিল যে ঘটনাস্থলেই টমটম চালকের মৃত্যু হয়। নিহতের নাম প্রদীপ দাস, পিতা- জয় কৃষ্ণ দাস। তাঁর বাড়ি সোনামুড়ার ঠাকুরমুরা এলাকায়।দুর্ঘটনার সময় টমটমে যাত্রী হিসেবে ছিলেন সোনামুড়া আরালিয়ার বাসিন্দা সেলিনা আক্তার এবং তাঁর চার বছরের শিশু পুত্র মোহাম্মদ সামি। দুর্ঘটনায় তারা দুজনেই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় দুই যুবক, শাকিল ও মনির, দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরাই মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে মেলাঘর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলা জিবি হাসপাতালে রেফার করেন।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সোনামুড়া থানার পুলিশ মগ্গারপার এলাকায় পৌঁছায়। পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত যানবাহন দুটিকে উদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে যায়।
স্ত্রী এবং ছেলেকে খুন করে বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা শিক্ষকের! চাঞ্চল্য উদয়পুরে!
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাত সকালে রক্তে রাঙা এক বিভীষিকা ময় দৃশ্য স্তব্ধ উদয়পুর। চন্দ্রপুর বেলতলী এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় ভেঙে চুরমার হয়ে গেল একটি সুখী পরিবার। অভিযোগ, বটতলী স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক অজিত দাস নিজের স্ত্রী রুপা দাস ও ছেলে দিগন্ত দাসকে নির্মমভাবে খুন করেন। স্থানীয়দের মতে, ভোরবেলায় হঠাৎ চিৎকার শুনে ছুটে এলেও ততক্ষণে সব শেষ। পরিবারের সদস্য নারায়ণ চন্দ্র দাস জানান, অজিত গত কয়েকদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তিনি নিজেও বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর অবস্থায় তাকে গোমতী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, চিকিৎসা চলছে—অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। শুরু হয়েছে তদন্ত—কী কারণে এমন নৃশংস পরিণতি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এক নিমিষেই নিঃশেষ হয়ে গেল এক পরিবার উদয়পুর জুড়ে এখন শোক, আতঙ্ক আর অবিশ্বাসের ছায়া।
আমতলী - গোলাঘাটি কেন্দ্রে বোমা ,গুলির ঝংকার , ত্রস্ত ভোটাররা
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯ আমতলী–গোলাঘাটি কেন্দ্রের দয়ালপাড়ায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায়। বক্সনগর বিধানসভার অন্তর্গত ভেলুয়ার চর দয়ালপাড়ায় এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।রবিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং ভোর থেকেই ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে থাকেন। প্রথমদিকে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিপ্রা মথা ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।অভিযোগ, বহিরাগত বিজেপি কর্মীরা দয়ালপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে জড়ো হন, যা ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই অবস্থায় তিপ্রা মথার কর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে এলে আধা-সামরিক বাহিনী ও পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।পরিস্থিতি ক্রমশ আরও অবনতি হলে পরপর ছয়টি বোমা নিক্ষেপ ও গুলিচালনার অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে দুটি বোমা সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের সামনেই পড়ে বলে জানা গেছে। ঘটনায় তিপ্রা মথার কর্মী অবিরাম দেববর্মা আহত হন।তিপ্রা মথার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই ঘটনায় বক্সনগরের বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেনের ভূমিকা রয়েছে এবং তাঁর নেতৃত্বেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মা বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বর্তমানে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও সিআরপিএফ বাহিনী।
দিনভর মারপিট ,সন্ধ্যায় আত্মপক্ষ সমর্থনে দলীয় কর্মীদের প্রদ্যোত
নিজস্ব প্রতিনিধি: টি টি এ এ ডি সি নির্বাচনে কলঙ্কিত গণতান্ত্রিক পরিমণ্ডলে ভোট হয়েছে । ভোট মানেই মতাধিকার প্রয়োগের স্বতন্ত্র স্বাধীনতা । আগামী ৫ বছরের জন্য জনগন তাঁদের পছন্দমতো জনপ্রতিনিধি চয়ন করবেন ভোটের মাধ্যমে । তবে , দিনভর সমস্ত ভোট কেন্দ্রে গুলোতে দেখা গিয়েছিল হিংসা ,মারপিট । বারবার অভিযোগ উঠেছে মথা কর্মীদের বিরুদ্ধে । বিজেপি প্রার্থী আক্রমণ , পুলিং এজেন্ট তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা । বিশ্বের সবচেয়ে বড় দলের দাবীদার বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও রীতিমতো মথা আতঙ্কে কাটিয়েছিল । তবে , সমস্ত অভিযোগ ঝেড়ে ফেলে ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ায় ভোটার এবং ভোট কর্মীদের অভিনন্দন জানালেন মথা সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন । সাংবাদিক সম্মেলনে যারা এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছে সোজাসাপ্টা তাদের গুণ্ডা হিসাবে ভৎসনা করলেন । এমনকি অনেকটা নরম সুরে অশান্তি সৃষ্টি করা কাউকে বিজেপি কিংবা কোন দলের কর্মীও হতে পারেনা বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। কৌশলী রাজনীতিবিদ প্রদ্যুৎ কাউকে দোষারূপ না করে আত্মপক্ষ নিয়ে সাফাই দিলেন । পাশাপাশি ১৭ ই এপ্রিল ভোট গণনার পরেও সবাইকে শান্তি বজায় রাখার আগাম আহ্বান জানালেন । জয় কিংবা পরাজয় নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। তবে , রাজ্যাব্যাপী এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে সাধারন মানুষের।
পূর্ব থানায় আটক বিলেতি মদ সমেত ১
নিজস্ব প্রতিনিধি:গোপন খবর ভিত্তিতে পূর্ব থানা ও মহারাজগঞ্জ বাজার ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে নেতাজি সুভাষ রোড এলাকা থেকে ২৯০ বোতল বিলাতি মদ সহ একজন বিক্রেতাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ! এই বিলিতি মদ গুলো যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকার উপর হবে বলে জানান পূর্ব থানার ওসি সুব্রত দেবনাথ। তিনি জানান , কোনভাবেই অবৈধ নেশা কারবারী এলাকায় বরদাস্ত করা হবেনা । আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আরক্ষা করতে কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে পুলিশের । প্রেক্ষিতে , ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে রহস্যের উন্মোচন করে মূল রহস্যের উন্মোচন করতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদী ওসি সুব্রত দেবনাথ ।
টি পি এস সি' র অধিকর্তাকে সকাশে ডেপুটেশন পরীক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিনিধি:টিপিএসসি কর্তৃক আয়োজিত টি ইএস আরডি দফতরের অধীনে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার গ্রেড ওয়ান গ্রেট টু পদে মেইনস পরীক্ষার তারিখ বাড়ানোর জন্য শুক্রবার চাকরি প্রত্যাশীরা ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করে। তাদের বক্তব্য ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর মেইনস পরীক্ষার তারিখ ২ মে ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রার্থীরা মেইনস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রায় মাত্র দেড় মাস সময় পাচ্ছেন।কিন্তু মেইনস পরীক্ষাটি মোট ৫০০ নম্বরের, যেখানে টেকনিক্যাল পেপার ও জেনারেল স্টাডিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এত বিশাল সিলেবাসের জন্য এত অল্প সময় প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। সেদিকে নজর রেখে পরীক্ষা যেন পিছিয়ে দেওয়া হয় এই দাবিতে আজকে তাদের এই ডেপুটেশন বলে জানায় তারা। এখন দেখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নেন । আদৌ পরীক্ষার তারিখ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় কিনা । সেদিকে তাকিয়েই চাকরী প্রত্যাশীরা ।
উড়িষ্যায় রহস্যজনক মৃত্যু ত্রিপুরার যুবকের!
নিজস্ব প্রতিনিধি:চেন্নাই থেকে বাড়ি ফিরছিল কাঞ্চনমালার যুবক রমজান মিয়া (২০)। ছেলের দেহ ফিরিয়ে আনতে সরকারি সাহায্যের আবেদন তার বাবার। রেল লাইনে দ্বিখণ্ডিত মৃতদেহ উদ্ধার হয় যুবকের।চেন্নাই থেকে কাজ করে বাড়িতে ফেরার পথে রেলের নিচে কাটা পড়ে মৃত্যু ত্রিপুরা রাজ্যের কাঞ্চনমালা এলাকার ২০ বছরের অবিবাহিত যুবক রমজান মিয়া। তার বাবার নাম সোনা মিয়া। জানা গেছে রমজান মিয়া গত ছয় মাস আগে পেটের তাগিদে চেন্নাইয়ে কাজ করতে গিয়েছিল। চেন্নাই থেকে রেলওয়ে রমজান মিয়া বাড়ি ফেরার পথে বুধবার ভোরে উড়িষ্যায় রেলের নিচে কাটা পড়ে রমজান মিয়া, ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। বুধবার সকালে রমজান মিয়ার মৃত্যুর খবর কাঞ্চন মালঞ্চিত তার নিজ বাড়িতে পৌঁছতেই তার বাবা সোনা মিয়া সহ তার পরিবারের অন্যান্যরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর গোটা এলাকায় চাউর হতেই স্থানীয় এলাকাবাসীরা তাদের বাড়িতে এসে ঘটনার খোঁজখবর নেয়। ছেলের এই মৃত্যুর খবর পেয়ে বাবা সোনা মিয়া হতভম্ব হয়ে পড়েন। বুধবার তিনি জানিয়েছেন উনার পাঁচ পুত্র সন্তান এদের মধ্যে রমজান মিয়া সবচেয়ে ছোট। সোনা মিয়া একজন দিনমজুর, বাবার সাথে সংসারের হাল ধরতে রমজান নিয়েও চেন্নাইয়ে কাজে যোগ দিয়েছিল, বাড়ি ফেরার পথেই বুধবার ভরে তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা কাঞ্চনমালা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রমজান মিয়ার বাবা সোনা মিয়া সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে ছেলের মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহযোগিতা দাবি করেছেন।

