Tags

Share this article

 'ভুয়ো' সাংবাদিক আটক সোনামুড়ায়। অভিযুক্তের নাম মফিজ মিয়া।

'ভুয়ো' সাংবাদিক আটক সোনামুড়ায়। অভিযুক্তের নাম মফিজ মিয়া।

নিজস্ব প্রতিনিধি:নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ উপার্জনের ধান্দায় নেমেছি কিছু অংশে বখাটে যুবক। আজ এমনি এক যুবককে আটক করলো সোনামুড়া তামশাবাড়ি এলাকার মানুষ। জানা যায় সোনামোড়া তামসাবাড়ি এলাকায় একটি বেকারির ফ্যাক্টরি রয়েছে সেই বেকারের ফ্যাক্টরিতে হঠাৎ এই কাউকে না জানে মালিকের অনুপস্থিতিতে মফিজ মিয়া নামে রাঙ্গামাটিরা এক যুবক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফ্যাক্টরির ভিতরে ঢুকে মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও করা শুরু করে দেয়। কর্মচারীদের বলে ফ্যাক্টরি এত ময়লা কেন মালিকে যেন তার সাথে দেখা করার কথা বলে। যথারীতি ওই ফ্যাক্টরির মালিক তাকে ফোন করলে সে বলেই তার সাথে দেখা করে বিষয়টি শেষ করার জন্য। তখন মালিক সাংবাদিক পরিচয় দেয়া মফিজকে তার ফ্যাক্টরির সামনে আসতে বলে তখনই এলাকার কিছু মানুষ বিষয়টি জানতে পেরে। এবং তারা জানতে চায় কোন সাংবাদিক এই সংবাদটির করেছে তখন মানুষ ও ওই ফ্যাক্টরির সামনে জড়ো হয় যখনই ভুয়া সাংবাদিক মফিজ ওই এলাকায় পৌঁছয়া তাকে আটক করে এলাকার লোকজন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তার পরিচয় পত্র কোথায় এবং কার অনুমতি নিয়ে একটি খাদ্য তৈরির ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করা হয়েছে। সে কোন প্রশ্নই উত্তর দিতে পারেনি এবং তার সাংবাদিকতার কোন পরিচয় পত্র তার কাছে ছিল না তখনই এলাকার লোক তাকে আটক করে সোনামুড়া থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসো তার কাছ থেকে কোন সংবাদমাধ্যমের পরিচয় পত্র পাইনি পরে পুলিশ তাকে সোনামুড়া থানায় নিয়ে চলে যায়। ফ্যাক্টরির মালিক জানান উনার ফ্যাক্টরিতে যথেষ্ট পরিছন্নতা বজায় রয়েছে এবং খাদ্যের গুণগত মানে সঠিক রয়েছে খাদ্য দপ্তর থেকে কোন ধরনের কমপ্লেন আসেনি উনার কাছে। উনার মনে হচ্ছে উনাকে ব্ল্যাকমেইল করে কিছু অর্থ উপার্জনের চেষ্টা ছিল এটা। এদিকে এক এলাকাবাসী জানান এ ধরনের বখাটে যুবকদের কারণে কলঙ্কিত হচ্ছে সংবাদ মাধ্যম। টাকার বিনিময়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করা সত্যকে অসত্য মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা আগামী দিনে সংবাদ মাধ্যমের প্রতি মানুষের বিশ্বাস থাকবে না দ্রুত এ ধরনের অসংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
 উদয়পুরে চুরির হিড়িক , পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ জনমনে

উদয়পুরে চুরির হিড়িক , পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ জনমনে

নিজস্ব প্রতিনিধি:উদয়পুর শহর ও আশেপাশের এলাকা গুলোতে বসত বাড়িতে চুরির ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে! এই পরিস্থিতিতে ফের এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে!! এবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই এক শিক্ষকের বাড়িতে সংঘটিত হয়েছে বড়সড় চুরি। ঘটনাটি উদয়পুর পৌর পরিষদের অন্তর্গত মহাদেব দিঘীর পূর্ব পাড় এলাকায়। আক্রান্ত বাড়ির মালিক পেশায় শিক্ষক বিপ্লব সাহা। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে বিপ্লব সাহা তাঁর পরিবারকে নিয়ে অমরপুরে অবস্থিত তাঁদের পুরোনো বাড়িতে বেড়াতে যান। এই সুযোগে রাতের অন্ধকারে বাড়িটি ফাঁকা পেয়ে চোরের দল হানা দেয়।চোরেরা বাড়ির মূল দরজার তালা ও হুক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর বসত ঘরে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। ঘরের দুটি গোদ্রেজসহ একাধিক আলমারি ভেঙে তছনছ করে ফেলে তারা। চুরির সময় নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৪ থেকে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।মঙ্গলবার সকালে বিপ্লব সাহার ভাই পার্থপ্রতিম সাহা বাড়িতে এসে এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। তিনি দ্রুত অমরপুরে থাকা বিপ্লব সাহাকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বিপ্লব সাহা তড়িঘড়ি করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন এবং রাধাকিশোরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ পাওয়ার পরপরই রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পার্থপ্রতিম সাহা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মাত্র প্রায় ১০০ মিটার দূরত্বে এমন দুঃসাহসিক চুরি কীভাবে সম্ভব, তা ভেবে দেখার বিষয়।এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, রাধাকিশোরপুর থানা এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু চোরদের শনাক্তকরণ বা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে পুলিশের তৎপরতা তেমন চোখে পড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের এত কাছাকাছি বারবার চুরির ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে চোরদের গ্রেফতার করা হোক এবং এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হোক।এখন দেখার বিষয়, এই ঘটনার পর প্রশাসন কতটা দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী উদ্যোগ নেয়।
সবাইকে নিয়ে চলার আহ্বান প্রদেশ বিজেপি সভাপতি অভিষেক দেবরায়ের

সবাইকে নিয়ে চলার আহ্বান প্রদেশ বিজেপি সভাপতি অভিষেক দেবরায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: মঙ্গলবার দিনভর একাধিক সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৩২ মাতাবাড়ি বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন বিধায়ক তথা বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনসংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এদিন বিকেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।এদিনের কর্মসূচির সূচনা হয় বিকাল প্রায় ৪টায় দাতারাম বাজার এলাকায় আয়োজিত এক যোগদান সভার মাধ্যমে। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগত মোট ১৬টি পরিবারের ৬৭ জন ভোটার বিজেপিতে যোগদান করেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানান অভিষেক দেবরায়। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিজেপির আদর্শ, নীতি ও রাজ্যের চলমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উপর আলোকপাত করেন। পাশাপাশি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের শক্তি বৃদ্ধি এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।এরপর বিকাল প্রায় ৫টায় জোয়ালি খামার এলাকায় নবনির্মিত বিজেপি পার্টি কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। ফিতা কেটে কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যা প্রায় ৬টায় সিমসিমা এলাকায় আরও একটি নতুন পার্টি কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন বিধায়ক। এই কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে এলাকায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।এদিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সাধারণ সম্পাদক রথীন্দ্র জমাতিয়া, গোমতী জেলার সহ-সভাপতি উত্তম দে, ৩২ মাতাবাড়ি মন্ডলের সভাপতি বিশ্বজিৎ মারাক এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ। এছাড়াও স্থানীয় কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি পুরো কর্মসূচিকে সফল করে তোলে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনগুলোতেও সংগঠন বিস্তার ও জনসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ধরনের কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
 তিন সন্তানের জননীর রহস্য মৃত্যু!বিশালগড় লালটিলা এলাকায় চাঞ্চল্য!!

তিন সন্তানের জননীর রহস্য মৃত্যু!বিশালগড় লালটিলা এলাকায় চাঞ্চল্য!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর রাতে বিশালগড় লালটিলা অঞ্চলে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু। গৃহবধূর নাম সনকা নম। স্বামীর নাম বিকাশ নম। জানা গেছে, তিন সন্তানের মা সনকা নম দীর্ঘদিন ধরেই নেশাগ্রস্ত স্বামীর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। এলাকাবাসীর বক্তব্য সেই গৃহবধূ আত্মহত্যা করতেই পারেনা। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজনরা ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করলেও, বাবার বাড়ির লোকজনদের দাবি গলায় দরির কিংবা আত্মহত্যার কোন লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সবচাইতে গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘক্ষণ যাবৎ গৃহবধূকে নামিয়ে বাড়ির উঠোনে ফেলে রাখা হয়। পরে গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনরা এসে উদ্ধার করে বিশালগড় মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিশালগড় মহিলা থানার পুলিশ।
 গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে গরমিলের অভিযোগ শান্তি গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে!ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা

গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে গরমিলের অভিযোগ শান্তি গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে!ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বীরচন্দ্রনগর শহীদ স্মৃতি বিদ্যামন্দির সংলগ্ন মাঠে এলপিজি রান্নার গ্যাস সরবরাহকে কেন্দ্র করে সোমবার চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শান্তিরবাজার শান্তি গ্যাস গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গ্রাহক রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজনের তুলনায় গ্যাস কম দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকরা ।অভিযোগ, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও এজেন্সির পক্ষ থেকে গ্রাহকদের মধ্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসময় কয়েকজন গ্রাহকের সন্দেহ হলে তারা উপস্থিত কর্মীদের সামনেইে সিলিন্ডারের ওজন করার দাবি জানান। পরে ওজন করে দেখা যায়, একাধিক সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজনের তুলনায় সর্বনিম্ন ২ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ৪ কেজি পর্যন্ত গ্যাস কম রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। গ্রাহকদের দাবি, পরীক্ষা করা প্রায় ১০টি সিলিন্ডারের মধ্যে মাত্র একটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত ওজন পাওয়া যায়, বাকি সবকটিতেই ওজনে গরমিল ধরা পড়ে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা এজেন্সির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের অনিয়ম চললেও যথাযথ তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। গ্রাহকদের দাবি, প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের আগে বাধ্যতামূলকভাবে ওজন নিশ্চিত করা হোক এবং পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।এদিকে, গ্রাহকদের একাংশ আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিলে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে সহজেই গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এ ধরনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ গ্রাহকরা যখন নিয়মিত গ্যাস পান না, তখন অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে কীভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হয়? তাদের দাবি, এই অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।গ্রাহকরা খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।এখন গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে ওঠা ওজনে গরমিল, অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে গ্যাস সরবরাহ এবং গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর কী ধরনের তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী ও গ্যাস গ্রাহকরা।
 সরকারি অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধের অভিযোগ বনদপ্তরের বিরুদ্ধে!

সরকারি অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধের অভিযোগ বনদপ্তরের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেএলো সাব্রুম মহকুমা সাব্রুম বনদপ্তরের বিরুদ্ধে। সৌন্দর্য আয়নেরজন্য ঢাকঢোল-পিটিয়ে গত কয়েক বছর আগে সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ-লক্ষ টাকা খরচ করে সাব্রুম-আগরতলা ০৮-নং জাতীয় সড়কের দমদমা থেকে ভারত-বাংলাদেশে ফেনী নদীর উপর নির্মিত মৈত্রীসেতু যাওয়ার জিরোপয়েন্ট তথা সাবরুম বনদপ্তরের অফিসের নিচের জাতীয় সড়ক থেকে সাব্রুমের ভূমিপত্তন-সাব্রুম (LAND PORT-SABROOM) গেট পর্যন্ত সিমেন্টের বড় আকারে কয়েকশ ফুলেরটপ বসানো হয়েছিল। আর এই বেপারে সাব্রুম দমদমা এলাকার এক সচেতন নাগরিক রাজীব দে সাব্রুম মহকুমা বনদপ্তরের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থের আদ্যাশ্রাদ্ধের অভিযোগ তুলে জানান, বনদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবছর সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ খরচ করে সাব্রুম মহকুমারের বিভিন্ন স্থানে লোক দেখানোর জন্য বিভিন্ন রকমের গাছ লাগাতে দেখা যায়। অভিযোগ, গাছ লাগানোর পর দপ্তরকে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে দেখা যায় না। যার ফলে ওই লাগানো কাজগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মেরে যায়। এ রকমই অভিযোগ তুলে তিনি আরো জানান, দমদমা থেকে ভারত-বাংলাদেশে ফেনী নদীর উপর মৈত্রীসেতু যাওয়ার জিরোপয়েন্ট তথা সাবরুমের বনদপ্তরের অফিসের নিচের ৮ নং জাতীয় সড়ক থেকে সাব্রুমের ভূমিপত্তন-সাব্রুম গেঁট পর্যন্ত সাব্রুম মহকুমা বনদপ্তরের উদ্যোগে গত কয়েক বছর আগে লক্ষ-লক্ষ টাকা খরচ করে আনুমানিক (৯০০-১০০০) নয়শ-হাজার টাকা মূল্যের কয়েকশ ফুলেরটপে গাছ লাগিয়ে দপ্তরের নিজেদের দায়িত্ব থেকে বিলীন হয়ে যায়। সরকারের এহেন উদাসীনতার কারণে সরকারি অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধ কেন করা হচ্ছে। উনি সরকার বাহাদুরের কাছে অনুরোধ জানান, সরকার যাতে এ সমস্ত ব্যাপার নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
রাজনীতিকে আলবিদা জানালেন রেবতী ত্রিপুরা

রাজনীতিকে আলবিদা জানালেন রেবতী ত্রিপুরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজনৈতিক জীবনকে আলবিদা জানিয়ে পুরানো "শিক্ষকতা"র পেশায় ফিরে গেলেন রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা। তিনি যোগ দিয়েছেন তাঁর পূর্বের কর্মস্থল আগরতলার মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। তিনি স্নাতকোত্তর শিক্ষক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) হিসেবে পুনরায় গান্ধী স্কুলে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রেবতী ত্রিপুরার এই প্রত্যাবর্তন শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই এটিকে রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষা ও সুস্থ সমাজ গঠনে অবদান রাখার এক অনুপ্রেরণা মূলক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
 বিদ্যুতের রিচার্জের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!

বিদ্যুতের রিচার্জের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিষেবার নামে প্রহসন! প্রশ্ন করতেই ক্ষিপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার? তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের ভূমিকায় ক্ষোভ!!জনসেবার দায়িত্বে থাকা সরকারি দপ্তর, অথচ সেখানে নিত্যদিনের ছবি যেন ভোগান্তির আরেক নাম। তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমে দীর্ঘদিন ধরেই পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের। সোমবারও সেই একই অবস্থা কে ঘিরে তীব্র ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ জনগন।দুটি রিচার্জ কাউন্টার থাকা সত্ত্বেও কার্যত একটি কাউন্টার দিয়েই পরিষেবা চালানো হয়। তার ওপর বারবার সার্ভার বিকল হয়ে পড়ায় তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় শতাধিক গ্রাহককে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ যখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, তখন দপ্তরে কর্মরত কিছু কর্মী পরিচিত কিছু ব্যক্তিকে অন্য কাউন্টার দিয়ে দ্রুত রিচার্জ করিয়ে দিচ্ছেন খুব সহজেই। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা পৌছে জনভোগান্তির কারণ জানতে বিদ্যুৎ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের কাছে প্রশ্ন তুলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রশ্নের সদুত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তিনি সাংবাদিকদের প্রতিই উচ্চস্বরে কথা বলেন, রূঢ় আচরণ করেন এবং হুমকিমূলক ভঙ্গিতে কথা বলেন, এমনকি ক্যামেরা চালানো নিয়েও আপত্তি তোলেন। গোটা বিষয় ঘিরে একটা প্রশ্নই উঠে আসছে যে, বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সত্যতা সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় উঠে আসার ভয়েই কি বিশ্বজিৎ বাবুর এই ব্যবহার?স্থানীয়দের একাংশের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে অতীতেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, অফিসের দায়িত্ব ও পরিষেবা প্রদানের চেয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতেই বেশি সময় ব্যয় করেন।এখন প্রশ্ন উঠছে—সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষের ন্যায্য প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকিমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কোথায়? বিদ্যুৎ পরিষেবার নামে প্রতিদিনের এই ভোগান্তির দায় নেবে কে? নাকি জনদুর্ভোগই তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের নতুন স্বাভাবিক চিত্র হয়ে উঠছে?
সিলিন্ডার চুরি! জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!

সিলিন্ডার চুরি! জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!

নিজস্ব প্রতিনিধি:উদয়পুরের লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্স থেকে ভোক্তাদের গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় অবশেষে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দে। তার বাড়ি বাগমা এলাকায় বলে জানা গেছে।ঘটনার পর শপিং কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা কৌশলে প্রসেনজিৎ দেকে আটক করেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রসেনজিৎ দে স্বীকার করে যে, তিনি দুটি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করেছিলেন এবং সেগুলো জসিম মিয়া নামে এক যুবকের কাছে বিক্রি করেছেন বলে জানান।স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে না পারলেও জনতার তৎপরতা ও উপস্থিত বুদ্ধির কারণেই চোরকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাব্রুম আদালত

পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাব্রুম আদালত

নিজস্ব প্রতিনিধি:২৭ জুলাই বেলা ২ ঘটিকায় এই রায় দেন সাব্রুম আদালত।পাকিস্তানি মহিলার নাম লুইস নিগাত অর্থার ভানু।বয়স ৬৫ বৎসর। জানা যায় --গত ১১ অক্টোবর শনিবারদিন রাত ৯ ঘটিকায় সাব্রুম রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার হয় পাকিস্তানি মহিলা।পাকিস্তানি মহিলার নাম লুইস নিগ অর্থার ভানু(৬৫)।বাড়ী লাহোর পাকিস্তান। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে এই মহিলা ড্রাগস কান্ডে নেপাল কাঠমুন্ডু জেলে ছিলেন।গত সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে জেন জি আন্দোলনে সময় নেপাল কাঠমুন্ডু জেল থেকে অনেক কয়েদী পালিয়ে যায়।তারমধ্যে এই মহিলাও ছিলো।সুত্র মারফত জানা যায় --৬ ই জুন ২০১৪ সালে বিপুল পরিমান কোকেন সহ লুইস নিগ অর্থার ভানু(৬৫) এবং আরও এক মহিলাকে নেপাল কাঠমুন্ডু মেট্রো পুলিশ গ্রেপ্তার করেন।এই কোকেনগুলি পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে নাইজেরিয়া যাওয়ার কথা।নেপালে এই মহিলার ১৫ বৎসরের জেল হয়।গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে নেপালে জেল থেকে পালিয়ে এই ভারতে বিহারে ছিলেন।বিহারে।বিহার থেকে শিলিগুড়ি হয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দিয়ে সাব্রুম চলে আসেন বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য।এই পাকিস্তানি মহিলা কোনরকম কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলো কিভাবে?ভারতে প্রবেশ করে বিহার,উত্তরপ্রদেশ,পশ্চিমবঙ্গ ঘুরে ত্রিপুরায় আসলেন।কোনও নিরাপত্তা কর্মীর নজরে পরলো না? রাজ্য এবং দেশের আইনশৃঙ্গলা নিয়ে পূনরায় প্রশ্ন তৈরী হলো।তবে এই মহিলার কাছ থেকে অনেকগুলি মোবাইল নম্বর পাওয়া গিয়েছিলো।এই মামলায় সাক্ষ গ্রহনের পর সাব্রুম আদালত পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেন।