নিজস্ব প্রতিনিধি: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেএলো সাব্রুম মহকুমা সাব্রুম বনদপ্তরের বিরুদ্ধে। সৌন্দর্য আয়নেরজন্য ঢাকঢোল-পিটিয়ে গত কয়েক বছর আগে সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ-লক্ষ টাকা খরচ করে সাব্রুম-আগরতলা ০৮-নং জাতীয় সড়কের দমদমা থেকে ভারত-বাংলাদেশে ফেনী নদীর উপর নির্মিত মৈত্রীসেতু যাওয়ার জিরোপয়েন্ট তথা সাবরুম বনদপ্তরের অফিসের নিচের জাতীয় সড়ক থেকে সাব্রুমের ভূমিপত্তন-সাব্রুম (LAND PORT-SABROOM) গেট পর্যন্ত সিমেন্টের বড় আকারে কয়েকশ ফুলেরটপ বসানো হয়েছিল। আর এই বেপারে সাব্রুম দমদমা এলাকার এক সচেতন নাগরিক রাজীব দে সাব্রুম মহকুমা বনদপ্তরের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থের আদ্যাশ্রাদ্ধের অভিযোগ তুলে জানান, বনদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবছর সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ খরচ করে সাব্রুম মহকুমারের বিভিন্ন স্থানে লোক দেখানোর জন্য বিভিন্ন রকমের গাছ লাগাতে দেখা যায়। অভিযোগ, গাছ লাগানোর পর দপ্তরকে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে দেখা যায় না। যার ফলে ওই লাগানো কাজগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মেরে যায়। এ রকমই অভিযোগ তুলে তিনি আরো জানান, দমদমা থেকে ভারত-বাংলাদেশে ফেনী নদীর উপর মৈত্রীসেতু যাওয়ার জিরোপয়েন্ট তথা সাবরুমের বনদপ্তরের অফিসের নিচের ৮ নং জাতীয় সড়ক থেকে সাব্রুমের ভূমিপত্তন-সাব্রুম গেঁট পর্যন্ত সাব্রুম মহকুমা বনদপ্তরের উদ্যোগে গত কয়েক বছর আগে লক্ষ-লক্ষ টাকা খরচ করে আনুমানিক (৯০০-১০০০) নয়শ-হাজার টাকা মূল্যের কয়েকশ ফুলেরটপে গাছ লাগিয়ে দপ্তরের নিজেদের দায়িত্ব থেকে বিলীন হয়ে যায়। সরকারের এহেন উদাসীনতার কারণে সরকারি অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধ কেন করা হচ্ছে। উনি সরকার বাহাদুরের কাছে অনুরোধ জানান, সরকার যাতে এ সমস্ত ব্যাপার নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।