বিদ্যুতের রিচার্জের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিষেবার নামে প্রহসন! প্রশ্ন করতেই ক্ষিপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার? তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের ভূমিকায় ক্ষোভ!!জনসেবার দায়িত্বে থাকা সরকারি দপ্তর, অথচ সেখানে নিত্যদিনের ছবি যেন ভোগান্তির আরেক নাম। তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমে দীর্ঘদিন ধরেই পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের। সোমবারও সেই একই অবস্থা কে ঘিরে তীব্র ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ জনগন।দুটি রিচার্জ কাউন্টার থাকা সত্ত্বেও কার্যত একটি কাউন্টার দিয়েই পরিষেবা চালানো হয়। তার ওপর বারবার সার্ভার বিকল হয়ে পড়ায় তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় শতাধিক গ্রাহককে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ যখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, তখন দপ্তরে কর্মরত কিছু কর্মী পরিচিত কিছু ব্যক্তিকে অন্য কাউন্টার দিয়ে দ্রুত রিচার্জ করিয়ে দিচ্ছেন খুব সহজেই। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা পৌছে জনভোগান্তির কারণ জানতে বিদ্যুৎ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের কাছে প্রশ্ন তুলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রশ্নের সদুত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তিনি সাংবাদিকদের প্রতিই উচ্চস্বরে কথা বলেন, রূঢ় আচরণ করেন এবং হুমকিমূলক ভঙ্গিতে কথা বলেন, এমনকি ক্যামেরা চালানো নিয়েও আপত্তি তোলেন। গোটা বিষয় ঘিরে একটা প্রশ্নই উঠে আসছে যে, বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সত্যতা সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় উঠে আসার ভয়েই কি বিশ্বজিৎ বাবুর এই ব্যবহার?স্থানীয়দের একাংশের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে অতীতেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, অফিসের দায়িত্ব ও পরিষেবা প্রদানের চেয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতেই বেশি সময় ব্যয় করেন।এখন প্রশ্ন উঠছে—সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষের ন্যায্য প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকিমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কোথায়? বিদ্যুৎ পরিষেবার নামে প্রতিদিনের এই ভোগান্তির দায় নেবে কে? নাকি জনদুর্ভোগই তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের নতুন স্বাভাবিক চিত্র হয়ে উঠছে?
সিলিন্ডার চুরি! জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!
নিজস্ব প্রতিনিধি:উদয়পুরের লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্স থেকে ভোক্তাদের গ্যাস সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় অবশেষে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দে। তার বাড়ি বাগমা এলাকায় বলে জানা গেছে।ঘটনার পর শপিং কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা কৌশলে প্রসেনজিৎ দেকে আটক করেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রসেনজিৎ দে স্বীকার করে যে, তিনি দুটি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করেছিলেন এবং সেগুলো জসিম মিয়া নামে এক যুবকের কাছে বিক্রি করেছেন বলে জানান।স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে না পারলেও জনতার তৎপরতা ও উপস্থিত বুদ্ধির কারণেই চোরকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাব্রুম আদালত
নিজস্ব প্রতিনিধি:২৭ জুলাই বেলা ২ ঘটিকায় এই রায় দেন সাব্রুম আদালত।পাকিস্তানি মহিলার নাম লুইস নিগাত অর্থার ভানু।বয়স ৬৫ বৎসর। জানা যায় --গত ১১ অক্টোবর শনিবারদিন রাত ৯ ঘটিকায় সাব্রুম রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার হয় পাকিস্তানি মহিলা।পাকিস্তানি মহিলার নাম লুইস নিগ অর্থার ভানু(৬৫)।বাড়ী লাহোর পাকিস্তান। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে এই মহিলা ড্রাগস কান্ডে নেপাল কাঠমুন্ডু জেলে ছিলেন।গত সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে জেন জি আন্দোলনে সময় নেপাল কাঠমুন্ডু জেল থেকে অনেক কয়েদী পালিয়ে যায়।তারমধ্যে এই মহিলাও ছিলো।সুত্র মারফত জানা যায় --৬ ই জুন ২০১৪ সালে বিপুল পরিমান কোকেন সহ লুইস নিগ অর্থার ভানু(৬৫) এবং আরও এক মহিলাকে নেপাল কাঠমুন্ডু মেট্রো পুলিশ গ্রেপ্তার করেন।এই কোকেনগুলি পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে নাইজেরিয়া যাওয়ার কথা।নেপালে এই মহিলার ১৫ বৎসরের জেল হয়।গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে নেপালে জেল থেকে পালিয়ে এই ভারতে বিহারে ছিলেন।বিহারে।বিহার থেকে শিলিগুড়ি হয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দিয়ে সাব্রুম চলে আসেন বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য।এই পাকিস্তানি মহিলা কোনরকম কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলো কিভাবে?ভারতে প্রবেশ করে বিহার,উত্তরপ্রদেশ,পশ্চিমবঙ্গ ঘুরে ত্রিপুরায় আসলেন।কোনও নিরাপত্তা কর্মীর নজরে পরলো না? রাজ্য এবং দেশের আইনশৃঙ্গলা নিয়ে পূনরায় প্রশ্ন তৈরী হলো।তবে এই মহিলার কাছ থেকে অনেকগুলি মোবাইল নম্বর পাওয়া গিয়েছিলো।এই মামলায় সাক্ষ গ্রহনের পর সাব্রুম আদালত পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেন।
একই পরিবারের তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিনিধি:পশ্চিম মুহুরীপুর এলাকায় একই বাড়ীথেকে উদ্ধার তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার বিবরনে জানাযায় শান্তির বাজার মহকুমার অধীনে পশ্চিম মুহুরীপুর এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর চক্রবর্তীর বাসভবনথেকে শঙ্কর চক্রবর্তী ও উনার সহধর্মীনি ছবি চক্রবর্তীর মৃতদেহ রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করাহয়। অপরদিকে একইঘরে শঙ্কর চক্রবর্তীর ছেলে কৃষ্ণ চক্রবর্তীর মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধারকরাহয়। লোকগুঞ্জনে শুনাযাচ্ছে ছেলে মা ও বাবাকে হত্যাকরে নিজে আত্মঘাতীহয়েছে। তবে এই মৃত্যুকান্ডনিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। ঘটনার খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয় বাইখোড়া থানা, বিলোনিয়া থানার পুলিশ সহ দক্ষিনজেলার অতিরুক্ত পুলিশসুপার। এই হত্যাকান্ডনিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনেজানাতেগিয়ে শঙ্কর চক্রবর্তীর অপর ছেলে মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজকরে। সে অন্যান্যদিনের ন্যায় কাজেগিয়েছিলো কিন্তু আজ তারাতারি কাজথেকে ফিরেএসেছে। বাড়ীতে ফিরে এসে মিঠুন চক্রবর্তীকে বলে উর বাবাকে ডেকেএনে স্থান করানোর জন্য এবং সকলে যাতে স্থানকরেনেন। স্থানকরে বাইরে বেরহবে বলে জানান। পরবর্তীসময় সকলে স্থান সারলে মিঠুন চক্রবর্তীকে উর কাকার বারিতে লকারের চাবি আনতে পাঠায়। পরবর্তীসময় মিঠুম চক্রবর্তী চাবি আনতেগিয়ে ভাই ও মাকে ফোনকরে ফোনেনাপেয়ে বারিতে ফিরেআসে। বারিতেএসে দেখতেপায় ঘরের দরজা জানালা লাগানো। মিঠুন চক্রবর্তী সকলকে অনেক ডাকাডাকি করে নাপেয়ে বাড়ীর পেছনেয় দিকদিয়ে জানালাদিয়ে দেখতেপায় উরভাই কৃষ্ণচক্রবর্তী ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ভাইকে বাচাতেগিয়ে দেখতেপায় উর মায়ের গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় পরেরয়েছে ও উর পিতার মাথায় আঘাতকরা অবস্থায় রয়েছে। মা ও বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়েরয়েছে ও ভাই জুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুনিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি মেয়েকে ভালোবাসতো এবং তাকে কোর্টমেরেজ করেছে। এইনিয়ে ছেলের বাড়ীর লোকজনেরা সবকিছু মেনে নিয়েছে কিন্তু মেয়ের বাড়ীথেকে এই বিয়ে মেনে নিতে পারছেনাবলে জানাযায়। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর পেছনে মেয়ের বাড়ীর লোকজনদের দায়ী করছে মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর পরিবারে কোনপ্রকারের অশান্তি ছিলোনা। পুলিশের তদন্তক্রমে মৃত্যুর আসল রহস্য উঠেআসবে। এখন দেখার বিষয় মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচনে পুলিশ কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।
৫০টি মিনি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিটের শুভ উদ্বোধন মন্ত্রী সুধাংশু দাস আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে
নিজস্ব প্রতিনিধি:রাজ্যের প্রাণীদ্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী, আধুনিক ও জনমুখী করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আজ আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার প্রাণী সম্পদ বিকাশ, মৎস্য ও তপশিলি কল্যাণ দপ্তরের মাননীয় মন্ত্রী শ্রী সুধাংশু দাস ৫০টি ব্লক-স্তরের 'মিনি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিট'-এর শুভ উদ্বোধন করেন এবং সবুজ পতাকা প্রদর্শনের মাধ্যমে যানবাহনগুলির আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনা করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের মাননীয় সভাধিপতি শ্রী বিশ্বজিৎ শীল, সহ প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের প্রায় ৩০০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী।অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসমাবেশকে সম্বোধন করে মাননীয় প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী শ্রী সুধাংশু দাস রাজ্যের প্রাণীপালকদের দোরগোড়ায় আধুনিক, সহজলভ্য ও কৃষকবান্ধব প্রাণিচিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাণীস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, প্রাণীমৃত্যুর হার হ্রাস, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রাণীপালকদের আয় ও জীবিকার আরও উন্নতি হবে।অনুষ্ঠানের বর্ধিত পর্বে মাননীয় মন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এই গুরুত্বপূর্ণ জনপরিষেবা প্রকল্পের সূচনা প্রতীক হিসেবে মিনি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিটগুলির চালকদের হাতে প্রতীকী চাবি তুলে দেন।উল্লেখ্য, প্রাণীপালকদের দোরগোড়ায় সময়মতো এবং সহজলভ্য জরুরি প্রাণিচিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ত্রিপুরা সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যে ১৩টি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিট চালু করেছে যা রাজ্যজুড়ে দ্রুত প্রাণী চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে। সেই উদ্যোগের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার আধুনিক প্রাণিচিকিৎসা সরঞ্জামসমৃদ্ধ ৫০টি মিনি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিট চালু করা হলো, যা রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে আরও দ্রুত, সহজলভ্য ও কার্যকর প্রাণিচিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করবে।১৯৬২ টোল-ফ্রি ভেটেরিনারি হেল্পলাইনের সঙ্গে সংযুক্ত এই ইউনিটগুলির মাধ্যমে প্রাণীর চিকিৎসা, সরুরি প্রাণিচিকিৎসা পরিষেবা, টিকাকরণ, কৃমিনাশক প্রদান, কৃত্রিম প্রজনন, গর্ভধারণ পরীক্ষা, রোগ পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যক প্রাণিচিকিৎসা পরিষেবা সরাসরি প্রাণীপালকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
সরকারি দফতরে ফের চোরের থাবা!
নিজস্ব প্রতিনিধি:সরকারি অফিসেই চোরের দাপট! তালা ভেঙ্গে উধাও ৩'টি মোবাইল ফোন, মোটর সহ মূল্যবান সরকারি সামগ্রী!!তেলিয়ামুড়া মহকুমার পি.ডাব্লিউ.ডি- দপ্তরের অধীনস্থ ওয়াটার রিসোর্স বিভাগের সরকারি অফিসে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় প্রশ্নের মুখে সরকারি দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা। মঙ্গলবার গভীর রাতে চোরের দল সরকারি অফিসে হানা দিয়ে একের পর এক তালা ভেঙ্গে নির্বিঘ্নে উধাও করে দেয় সরকারি কাজে ব্যাবহৃত বহুমূল্যবান সামগ্রী।বুধবার, খারচি পূজা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকলেও বিশেষ কাজে কয়েকজন কর্মী অফিসে এসে দেখেন মূল ফটকের তালা ভাঙ্গা। খবর পেয়ে অন্যান্য কর্মীরা ছুটে এসে দেখেন, শুধু মূল ফটকই নয়—অফিসের প্রতিটি কক্ষের দরজা, লকার ও আলমারির তালাও ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে দেখা যায়, সরকারি কাজে ব্যাবহৃত তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, কয়েকটি মোটর সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী চুরি হয়ে গেছে।এই ব্যাপারে তেলিয়ামুড়া থানায় অভিযোগ জানানো হলেও, শেষ খবর লেখা পর্যন্ত তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি।সরকারি অফিসে যদি এভাবে তালা ভেঙ্গে চোরেরা নিশ্চিন্তে লুটপাট চালিয়ে পালিয়ে যেতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের সম্পত্তির নিরাপত্তা কতটা সুরক্ষিত—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও চুরি যাওয়া সরকারি সামগ্রী উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন দপ্তরের কর্মীরা।
শান্তিবাজার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে মানহানির অভিযোগ শান্তিবাজারে পুলিশের উপস্থিতিতে ক্ষমা চাইলেন যুবক!
নিজস্ব প্রতিনিধি: সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে মানহানি ও অপপ্রচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শান্তিবাজার। ঘটনার জেরে অভিযুক্ত যুবক চন্দন দেবনাথ শান্তিবাজার থানার উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে। সিপাহীজলা জেলার নিদয়া এলাকার বাসিন্দা চন্দন দেবনাথ বি.এড কোর্সে ভর্তির জন্য অনুকূল দত্ত নামে এক ব্যক্তির কাছে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা দেন। রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় ২০ হাজার টাকা ফেরত পেলেও বাকি ১০ হাজার ৮০ টাকা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। অভিযোগ, অনুকূল দত্ত দাবি করেন ওই টাকা কলেজে জমা হয়ে গিয়েছে। এরপরই চন্দন দেবনাথ ফেসবুকে অনুকূল দত্ত ও তাঁর স্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে পোস্ট করেন।পাল্টা অনুকূল দত্তের অভিযোগ, ওই পোস্টের জেরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন ও সামাজিকভাবে মানহানি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রবিবার শান্তিবাজার থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। একইসাথে সরব হন অনুকূল দত্তের স্ত্রী দেবশ্রীতা নন্দীও।তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। চন্দন দেবনাথ তাঁর ভুল স্বীকার করে নেন এবং অনুকূল দত্ত ও তাঁর স্ত্রীর সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃতভাবে অনুকূল দত্তের স্ত্রীর ছবি ব্যবহারের জন্যও দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি। ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না বলেও তিনি জানিয়েছেন।
অনুরাগ ধ্যানকর, এিপুরা পুলিশ মহানির্দেশক। অবসান এক বর্ণময় পুলিশি কর্মজীবনের
নিজস্ব প্রতিনিধি:১৯৯৪ সালের আইপিএস ব্যাচের অফিসার অনুরাগ ধনকর ত্রিপুরা পুলিশে অন্তত তিন দশক ধরে নানা দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি ত্রিপুরার ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ পদে দায়িত্ব নেন, তার আগে ছিলেন ত্রিপুরা পুলিশের ইনটেলিজেন্সের ডিজিপি। এছাড়াও সিবিআই, বিএসএফ এবং সিআইএসএফ-এর দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।রাষ্ট্রসংঘের ইউএন মিশনের হয়ে কসোভোতেও বিশেষ দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই আইপিএস অফিসার।সিবিআইয়ে দায়িত্বে থাকাকালীন নীরব মোদির বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক প্রতারণার তদন্তের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।
স্কুলে যাওয়ার পথে নাবালিকা ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে গাড়ির চালক গ্রেপ্তার, মূল অভিযুক্ত পলাতক
নিজস্ব প্রতিনিধি:খোয়াই থানাধীন পশ্চিম চেবরি গ্রাম পঞ্চায়েতের নন্দন পল্লী এলাকায় এক নবম শ্রেণির নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দিনের আলোয় স্কুলে যাওয়ার পথে এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে এই নৃশংস ঘটনার অভিযোগে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় গাড়ির চালককে গ্রেপ্তার করেছে মহিলা থানার পুলিশ। তবে অভিযোগের মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। জানা যায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টা নাগাদ নন্দন পল্লী এলাকার এক নবম শ্রেণির ছাত্রী বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছাতেই একটি গাড়িতে থাকা দুই যুবক জোরপূর্বক তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এরপর চলন্ত গাড়ির মধ্যেই রাজেশ দেবনাথ নামে এক যুবক ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তরা তাকে রাস্তার পাশে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ওই ছাত্রী পরে রাস্তায় একটি অটোরিকশা থামিয়ে চালকের কাছে সাহায্য চান। অটোচালক ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে নাবালিকাকে নিয়ে মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত চলাকালীন গাড়ির চালক আশীষ দেবনাথকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযোগের মূল অভিযুক্ত রাজেশ দেবনাথ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।
পুরানো কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ১৭ নং ওয়ার্ডের ৪২ নং বুথে
নিজস্ব প্রতিনিধি: দলের পুরানো কর্মীদের সতেজ করে সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে কাজ চলছে । ব্যতিক্রম নয় ৭ রামনগর বিধানসভা । এলাকার বিধায়ক তথা মেয়র দীপক মজুমদার সূচনা করতেই ওয়ার্ড ভিত্তিক কাজ শুরু হয়েছে । শনিবার ১৭ নং ওয়ার্ডের ৪২ নং বুথে প্রত্যেক পুরানো কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন কর্মসূচির সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক সঞ্জয় সাহা । ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কর্পোরেটর শিখা ব্যানার্জী সহ এলাকায় বহু কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ স্থাপন করেন। সঙ্গে ছিলেন ৪২ নং বুথ সভাপতি অমিত বনিক, মন্ডলের সহ সভাপতি গৌতম ঘোষ, মন্ডলের সদস্যা রুমা নন্দী মজুমদার প্রমুখ । আগামীদিনে এমনভাবেই বুথ ভিত্তিক সকল কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন নেতৃত্বরা ।
Top News
View All →বিদ্যুতের রিচার্জের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!
July 27th, 2026
সিলিন্ডার চুরি! জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!
July 27th, 2026
পাকিস্তানি মহিলাকে ২ বৎসরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাব্রুম আদালত
July 27th, 2026
একই পরিবারের তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার
July 24th, 2026
৫০টি মিনি মোবাইল ভেটেরিনারি ইউনিটের শুভ উদ্বোধন মন্ত্রী সুধাংশু দাস আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে
July 24th, 2026
সরকারি দফতরে ফের চোরের থাবা!
July 22nd, 2026