Tags

Share this article

 অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে রক্তদান শিবির, জিবি হাসপাতালকে পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান

অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে রক্তদান শিবির, জিবি হাসপাতালকে পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বার্তা নিয়ে অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে আগরতলার মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদারসহ অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের কর্মকর্তারা ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।রক্তদান শিবিরে সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এদিন মোট ৫০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। রক্তদানের পাশাপাশি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের পক্ষ থেকে আগরতলা জিবি হাসপাতালের জন্য পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার হাত দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জন্য এই হুইলচেয়ারগুলি তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রক্তদান একটি মহান সামাজিক ও মানবিক কাজ। একজনের দান করা রক্ত সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সমাজের সকল স্তরের মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এদিন যারা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন, তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমাজের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতা পালন করাও সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই রক্তদান ও হুইলচেয়ার প্রদানের মতো মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জোলাইবাড়ী মোবাইল ঠিক করার নামে ২১ মাসের শিশু সহ নিখোঁজ গৃহবধূ!

জোলাইবাড়ী মোবাইল ঠিক করার নামে ২১ মাসের শিশু সহ নিখোঁজ গৃহবধূ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জোলাইবাড়ি থেকে এক গৃহবধূ তার ২১ মাসের শিশু সন্তানসহ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরছড়া নারায়ণ পাল পাড়া এলাকায়।জানা গেছে, নিখোঁজ গৃহবধূর নাম অর্পিতা দে (মুহুরী), বয়স ২১ বছর। তিনি সজল মুহুরীর পুত্রবধূ। তার স্বামী সৌরভ মুহুরী কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে থাকেন। বাড়িতে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথেই থাকতেন অর্পিতা।পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকায় অর্পিতা তার ২১ মাসের পুত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে জোলাইবাড়ি বাজারে মোবাইল ফোন ঠিক করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।অবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে বাইখোরা থানায় একটি মিসিং ডায়েরি দায়ের করা হয়। শ্বশুর নিজে থানায় গিয়ে এই অভিযোগ জানান।এদিকে এই নিখোঁজের পেছনে অন্য কারণ রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পরিবার। পরিবারের দাবি, শান্তিরবাজার এলাকার বাসিন্দা প্রেম দাস নামের এক যুবকের সাথে অর্পিতার ঘনিষ্ঠ মেলামেশা ছিল। তাদের সন্দেহ, ওই যুবকের সাথেই হয়তো কোথাও চলে গেছে অর্পিতা। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি।বাইখোরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, মিসিং ডায়েরির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিখোঁজ গৃহবধূ ও শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা জোলাইবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত এক মহিলা !

ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত এক মহিলা !

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিবার দুপুরে বিশালগড় নেতাজি নগর এলাকার বাসিন্দা শেফালী দাস নম ঘরের তালা দিয়ে ডাক্তার দেখানোর জন্য আগরতলায় চলে যান। চোরের দল সেই সুযোগকে কাজে লাগে ঘরে থাকা এক লক্ষ টাকা এবং স্বর্ণের জিনিস নিয়ে চম্পট দেয়। পরবর্তী সময়ে শেফালী দাস নম ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে এসে দেখতে পান এই অবস্থা তা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অসহায় মহিলা। খবর যায় থানায় ছুটে আসেন পুলিশ। পুলিশ উক্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ করে নিয়ে আসে। তবে বলাই বাহুল্য বিশালগড় অত্র এলাকায় চুরির ঘটনা হিড়িক লেগেছে।
 গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার, পশ্চিম থানার পুলিশের সাফল্য

গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার, পশ্চিম থানার পুলিশের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা শহরে মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিম থানার পুলিশ। পুলিশের তল্লাশিতে একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ গাঁজা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আগরতলার লেইক চৌমুহনী এলাকায়।জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লেইক চৌমুহনী এলাকায় একটি গাড়িতে তল্লাশি চালায় পশ্চিম থানার পুলিশ। তল্লাশির সময় গাড়ির ভিতর থেকে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হন পুলিশকর্মীরা। ঘটনায় গাড়িটি আটক করা হয়েছে এবং গাঁজা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম থানার ওসি সঞ্জিত সেন। মাদক পাচার ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পশ্চিম থানার পুলিশের অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।ঘটনার পর লেইক চৌমুহনী এলাকায় পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ এবং এই ঘটনায় কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।
পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলার মুক্তধারা হলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলার মুক্তধারা হলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান

আগরতলা, ২৫ সেপ্টেম্বর: মহান চিন্তাবিদ, দার্শনিক ও ভারতীয় জনসংঘের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার আগরতলার মুক্তধারা হলে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, বিধায়িকা মীনা রাণী সরকার, এলাকার কাউন্সিলরসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম ও চিন্তাধারার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ছিলেন একজন মহান চিন্তাবিদ ও দূরদর্শী দার্শনিক। ভারতীয় সমাজব্যবস্থা, সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।মুখ্যমন্ত্রী পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’-এর ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। সমাজের শেষ সারিতে থাকা মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার যে দর্শন তিনি তুলে ধরেছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আদর্শ ও চিন্তাধারা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তারা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের সরল জীবনযাপন, দেশপ্রেম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য তাঁর চিন্তাভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এদিনের অনুষ্ঠানকে ঘিরে মুক্তধারা হল প্রাঙ্গণে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল লক্ষ্যণীয়। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।
সিপি আই এম প্রার্থীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ!

সিপি আই এম প্রার্থীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপি আই এম প্রার্থীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ বিজেপি ও মথার বিরুদ্ধে, কমলপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে ডেপুটেশন​শ্রীরামপুর ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কমলপুরের রাজনীতি। গভীর রাতের অন্ধকারে শ্রীরামপুর ভিলেজ কমিটির সিপিআইএম প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপি এবং তিপ্রা মথা আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। ​এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে, দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সরব হলো সিপিআইএম। ঘটনার প্রতিবাদে কমলপুর শহরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করা হয়। মিছিলটি কমলপুর শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের (SDPO) কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সিপিআইএমের এক প্রতিনিধি দল কমলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নিকট একটি স্মারকলিপি (ডেপুটেশন) প্রদান করে।​এদিনের এই বিক্ষোভ মিছিল ও ডেপুটেশন প্রদান কর্মসূচিতে সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। নেতৃত্ব দেন পার্টির সিনিয়র নেতা কল্যাণী রায়, সুবীর দেব, সুলেমান আলী, হিমাদ্রী দত্ত, অঞ্জন ব্রহ্মা সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।​বিক্ষোভ সভা থেকে নেতৃত্ব অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীদের ভয় পেতেই শাসক দল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ধরনের অগণতান্ত্রিক ও হিংসাত্মক পথ বেছে নিয়েছে। অবিলম্বে প্রার্থীর ওপর আক্রমণকারীদের গ্রেফতার করা না হলে এবং প্রার্থীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না দিলে আগামী দিনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলে ডেপুটেশন শেষে নেতৃত্বের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
জল জীবন মিশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ঘিরে ক্ষোভ সাব্রুমবাসীর!

জল জীবন মিশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ঘিরে ক্ষোভ সাব্রুমবাসীর!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আধিকারিকদের ম্যানেজ করে চলছে দেদার হরিরলুট বাণিজ্য!!প্রধানমন্ত্রী জল জীবন মিশনের প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ঘিরে সাব্রুমে ক্ষোভ, উঠছে একাধিক প্রশ্ন ?সাব্রুম মহকুমার সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ডিডাব্লিউএস দপ্তরের প্রধানমন্ত্রী জল জীবন মিশনের কাজ ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। পানীয় জল সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা নিশ্চিত করতে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন জরুরি হলেও কাজের ধরন,পাইপলাইন বসানোর গভীরতা এবং রাস্তা ব্যবহারে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সৎ নিষ্ঠাবান জনগণের প্রকৃত বন্ধু তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা মহাশয় রাজ্যের জনগণের কথা মাথায় রেখে কালখাম ঝড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাত নিয়ে আসলেও এক শ্রেণীর আধিকারিক ও স্বার্থন্বেষী কিছু ঠিকাদার জন্য সঠিকভাবে নির্মাণ কাজ করা হয়েছে না বলে রাজ্যের বিভিন্ন মহলের দাবি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট গভীরতায় পাইপলাইন বসানোর কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। ঠিকাদার সংস্থা সম্পূর্ণ নিজের মর্জি মাফিক নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই নিয়ে ক্যামেরার সামনে সত্যতা স্বীকার করে নিলেন এ কাজের ম্যানেজার। কোথাও কোথাও প্রায় এক ফুট থেকে দেড় ফুট গভীরতার মধ্যেই পাইপলাইন বসানোর কাজ শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে রাস্তার পাশে নতুন করে পাইপলাইন বসানোর কাজকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের কারণে রাস্তা ও সংলগ্ন এলাকায় চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে দৈনন্দিন যাতায়াত ও অন্যান্য কাজে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, উন্নয়নের নামে পরিচালিত কোনো প্রকল্প যদি মানুষের সুবিধা বাড়ানোর পরিবর্তে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে, তাহলে সেই প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে কি না। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়ম মেনে গুণগত মান বজায় রাখা। শুধু তাই নয় অফিসের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে প্লাস্টিকের ফাইভ বসানো হচ্ছে সেগুলি খুবই নির্মাণের। দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার বাবুরা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিজেরাই খুবই নির্ম মানের প্লাস্টিক ফাইভ বসানোর জন্য সাহায্য করছেন ঠিকাদার সংস্থাকে। আবার রাস্তার কিছু কিছু জায়গাতে লোহার পাইপ ইভ বসানো নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাব্রুম নগরের সাধারণ জনগণের আরো অভিযোগ রাস্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।ফলে পাইপলাইন বসানোর গভীরতা, কাজের মান এবং রাস্তা ব্যবহারে সৃষ্ট সমস্যার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া জরুরি বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখুক, প্রয়োজনে কাজের মান পরীক্ষা করুক এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
দুর্গাপূজায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ, ট্রাফিক নিয়ম ও ই-চালান নিয়ে বিস্তারিত জানালেন ট্রাফিক এসপি

দুর্গাপূজায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ, ট্রাফিক নিয়ম ও ই-চালান নিয়ে বিস্তারিত জানালেন ট্রাফিক এসপি

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে আগরতলা শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ট্রাফিক দপ্তর। দুর্গাপূজার সময় শহরে যানবাহন ও পথচারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে।এ বিষয়ে শুক্রবার এডি নগরস্থিত ট্রাফিক ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন ট্রাফিক এসপি কান্তা জাঙ্গীর। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দুর্গাপূজার সময় ট্রাফিকের নিয়মাবলী, যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ, পার্কিং ব্যবস্থা এবং ই-চালান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজটের সমস্যা নিয়েও এদিন আলোচনা করেন ট্রাফিক এসপি। বিশেষ করে নাগেরজলা ব্রিজের উপর যানজট, সিটি সেন্টার এবং ওরিয়েন্ট চৌমুহনী এলাকায় যানবাহনের চাপ নিয়ে ট্রাফিক দপ্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। পূজার দিনগুলিতে এসব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ তৈরি হতে পারে। তাই পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।এছাড়াও শহরের বিভিন্ন বাজার এলাকায় অবৈধ পার্কিং, নো-এন্ট্রি ও ওয়ান-ওয়ে নিয়ম না মানা এবং রাস্তার উপর দীর্ঘ সময় ভারী যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি নিয়েও ট্রাফিক দপ্তরের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি মহারাজগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ী, বাজার কমিটি ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে যানজটের কারণ চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ট্রাফিক এসপি জানান, শুধু জরিমানা বা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পরিবহন সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার মাধ্যমেই দুর্গাপূজার সময় আগরতলা শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব। একইসঙ্গে সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নির্দিষ্ট স্থানে যানবাহন পার্ক করার আহ্বান জানানো হয়।দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে শহরের ব্যস্ত এলাকাগুলিতে ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি ও সমন্বয় আরও জোরদার করা হবে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।
ধনপুরে সম্রাটের নেতৃত্বে বিজেপির প্রচারে ঝড়

ধনপুরে সম্রাটের নেতৃত্বে বিজেপির প্রচারে ঝড়

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাহাড় থেকে গ্রাম ছুটে বেড়াচ্ছেন ভিসি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর প্রচারে যুবনেতা সম্রাট রায় । প্রদেশ যুব মোর্চার গুরুদায়িত্ব পেয়েই হাইকমান্ডের নির্দেশ মোতাবেক পাহাড়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক এবং জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করে চলছেন । মূল লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো  । বাম বিরোধী আন্দোলনের পোড় খাওয়া নেতা হিসেবে যুব নেতা সম্রাট রায় । জনজাতি এলাকার মানুষের কাছে ঘরের ছেলে হয়ে উঠতে পেরেছেন । তিনি আশাবাদী ভিসি নির্বাচনে বিজেপির পদ্ম দিকেদিকে ফুটবে । বিরোধীরা যতই চক্রান্ত করুক কোন লাভ হবে না । অস্তিত্ব সংকটে দিশেহারা হয়ে অপ্রলাপ শুরু করে হাসির খোরাক হয়ে গেছে বলেও তোপ দাগলেন সম্রাট রায় । ধনপুরে প্রচারে বিজেপির প্রচারে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক ঝড় তোলেন ।
১৮৫৬ জন টেট উত্তীর্ণের একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডে চাকরিপ্রার্থীরা

১৮৫৬ জন টেট উত্তীর্ণের একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডে চাকরিপ্রার্থীরা

আগরতলা, বৃহস্পতিবার: ২০২৪ সালে টেট-১ ও টেট-২ উত্তীর্ণ ১৮৫৬ জন চাকরিপ্রার্থীর একযোগে নিয়োগের দাবিতে ফের জেআরবিটি বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান বেকার যুবক-যুবতীরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা সকল উত্তীর্ণ প্রার্থীকেই অবিলম্বে একসঙ্গে নিয়োগ করতে হবে।চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, নিয়োগের দাবি নিয়ে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ মেলেনি। ফলে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।চাকরিপ্রার্থীরা জানান, তাঁরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই দ্রুত তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।তাঁদের আরও বক্তব্য, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন তাঁরা।