বিষ নিক্ষেপে লক্ষাদিক টাকার মাছ ধ্বংস করল দুষ্কৃতীরা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: পুকুরের মালিক সিঙ্কু রায় জানান কে বা কারা রাতের অন্ধকারে গতকাল বিষ নিক্ষেপ করেছে তার পুকুরে। এতে লক্ষাদিক টাকার মাছ মরে গেছে।ক্ষতির শিকার হয়েছেন সিঙ্কু রায়। এই বিষয়ে হ পুকুরের মালিক পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুকুরের মালিকের বক্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পুকুরে বিষ নিক্ষেপ করা হয়েছে। উনার সন্দেহের তালিকায় দুইজন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। গোটা বিষয়টি জানিয়ে খোয়াই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাটি খোয়াই পৌর পরিষদের অন্তর্গত এক নম্বর ওয়ার্ডের সেকেন্ডার্ড এলাকায়। পকুরের মালিক শুঙ্কু রায় এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ।
১০ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ! ঘটনা কল্যাণপুর থানার দ্বারিকাপুর স্কুলের সামনে !
নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রামচন্দ্র ঘাট এলাকার ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাসকে মারধর করে খুনের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সমীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন একদল দুষ্কৃতকারীর বিরুদ্ধে।অভিযোগ, পূর্ত দপ্তরের অধীনে কল্যাণপুর থানার দ্বারিকাপুর এলাকায় বোল্ডার তৈরির কাজের বরাত পান ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাস। গত দেড় মাস ধরে কাজ চলাকালীন তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছিল বলে জানান তিনি।গত রবিবার বিকেল ৪টা নাগাদ কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে দ্বারিকাপুর স্কুলের সামনে ১০-১২ জনের একটি দুষ্কৃতিকারী দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যেই চার পাঁচজন দুষ্কৃতিকারীদের চিনতে পেরেছিল তারা হল পুলকেশ ধুপি ওরফে আবু, পাপন সরকার, প্রীতম শুক্ল দাস, বিশ্বজিৎ ঘোষ, বাপি রাউত হামলাকারীদের মধ্যে অন্যতম, বাকিদের চিনতে পারেনি। এমনকি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও তাঁকে মারধর এবং ১০ লক্ষ টাকা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় আটটি মোবাইল ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গুরুতর আহত ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাস আজ মঙ্গলবার আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের পরবর্তী ভূমিকা দিকে তাকিয়ে খোয়াইয়ের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন জনগণ।
রিভার ফ্রন্ট উদ্বোধনে সাংবাদিকদের বসার ব্যবস্থা নেই,আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত রিভার ফ্রন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।অনুষ্ঠান কভারেজের জন্য সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁদের বসার জন্য ন্যূনতম চেয়ার পর্যন্ত রাখা হয়নি বলে অভিযোগ।সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থেকেই কাজ করতে হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বসার ন্যূনতম ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক মহলের একাংশ।সাংবাদিকদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানস্থলে অতিথি ও অন্যান্যদের জন্য বসার ব্যবস্থা থাকলেও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য পর্যাপ্ত চেয়ার বা নির্দিষ্ট বসার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থেকেই ক্যামেরা ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে তাঁদের।আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য এমন ন্যূনতম ব্যবস্থাপনা কেন করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আয়োজকদের ভূমিকা নিয়ে। ভবিষ্যতে সরকারি বা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য প্রয়োজনীয় ও সম্মানজনক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে সাংবাদিক মহলে।
বিনামূল্যে বস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ পূর্বদয়া সামাজিক সংস্থার
নিজস্ব প্রতিনিধি: সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করল পূর্বদয়া সামাজিক সংস্থা। সংস্থার পক্ষ থেকে একটি পুরনো ঘরকে সংস্কার ও মেরামত করে নতুন রূপ দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে বস্ত্র বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।এই উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের পুরনো পোশাক বিনামূল্যে সংগ্রহ করার সুযোগ থাকবে। সংস্থার কর্ণধার নীতি দেব জনগণের উদ্দেশ্যে এই স্টলটি উন্মুক্ত করেন। স্টলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারের উপযোগী পুরনো পোশাক রাখা থাকবে, যাতে প্রয়োজনীয় মানুষজন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেগুলি নিতে পারেন।ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সংস্থার কর্ণধার নীতি দেব। এটি পূর্বদয়া সামাজিক সংস্থার পক্ষ থেকে দ্বিতীয় নম্বর স্টল। আগামী দিনে ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় আরও এমন স্টল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।নীতি দেব বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের অসহায় ও প্রয়োজনীয় মানুষদের সহযোগিতা করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এই ধরনের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
জোলাইবাড়ীতে গণেশ পুজো দেখতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ৮ বছরের শিশুর! আশঙ্কা জনক মা-বাবা!
নিজস্ব প্রতিনিধি: জোলাইবাড়ীতে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। গণেশ পুজো দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো ৮ বছরের শিশু তুষার মজুমদার। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় জোলাইবাড়ী ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায়। জানা যায়, লতুয়া টিলা এলাকার বাসিন্দা সুশাঙ্কর মজুমদার তার স্ত্রী রেশমি রিয়াং মজুমদার এবং ৮ বছরের ছেলে তুষারকে নিয়ে এক বাইকে করে জোলাইবাড়ীতে গণেশ পুজো দেখতে যাচ্ছিলেন। তখনই ফায়ার সার্ভিসের কাছে আচমকা বাইকের সামনে একটি কুকুর চলে আসে। কুকুরটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে বাইকটি। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই জোলাইবাড়ী দমকল বাহিনীর কর্মীরা ছুটে আসেন এবং তিনজনকে উদ্ধার করে জোলাইবাড়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মাঝ রাস্তায় মৃত্যু হয় ৮ বছরের তুষারের।বর্তমানে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে তার মা ও বাবা। এই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখ খুলতে নারাজ হন নিহতের বাবা। পরবর্তীতে তুষারের জেঠু শংকর মজুমদার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা ঘটনার বিবরণ দেন। তবে এই দুর্ঘটনার পর সবচেয়ে বড় রহস্য হলো ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাইকটি উধাও হয়ে যাওয়া। কে বা কারা বাইকটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দিয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এর পিছনে বড় কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
শারদ সম্মান ও ‘মায়ের গমন’ নিয়ে প্রস্তুতি সভা মুক্তধারা হলে
নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে ‘শারদ সম্মান এবং মায়ের গমন’ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হলো। সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর আগরতলার মুক্তধারা অডিটোরিয়ামে ত্রিপুরা সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিভিন্ন ক্লাব ও পূজা কমিটির কর্মকর্তারা। আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আয়োজন, শারদ সম্মান প্রদান এবং প্রতিমা নিরঞ্জন তথা ‘মায়ের গমন’ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা হয়।উল্লেখ্য, ২৩ অক্টোবর শারদ সম্মান ও ‘মায়ের গমন’ সংক্রান্ত মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়েও প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। উৎসবকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও আনন্দমুখর করে তুলতে প্রশাসন, পুর নিগম এবং ক্লাব-পূজা কমিটিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসবের সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক আবহকে আরও তুলে ধরার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই প্রস্তুতি সভা বলে জানা যায়।
গাড়িতে ৪০ লাখ টাকা সহ আটক ৫ জন !
নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিবার রাতে কমলপুর মহকুমার দুর্গা চৌমুহনী এলাকায় পুলিশের নাকা চেকিং চলাকালীন একটি সন্দেহভাজন বোলেরো গাড়ি থেকে নগদ ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গাড়িতে থাকা পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কমলপুর ট্রাফিক ইনচার্জ পঙ্কজ দেবনাথ এবং কমলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন আচার্যের যৌথ নেতৃত্বে দুর্গা চৌমুহনী এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় ধর্মনগর থেকে আগরতলাগামী একটি প্রাইভেট বোলেরো গাড়ি, যার নম্বর TR 01 CD 0692, সন্দেহ হওয়ায় সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় গাড়ি থেকে নগদ ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়।আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া টাকা সুপারি ব্যবসার লেনদেনের টাকা। তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বক্তব্যে কিছু অসংগতি লক্ষ্য করা গেছে বলে জানা যায়। পাঁচজনের বাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হওয়ায় এবং টাকার উৎস সম্পর্কে তাদের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা মেশিনের মাধ্যমে গণনা করা হয়। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন কমলপুর মহকুমার ডিসিএম অদিতি দাস, কমলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌরভ দাস, কমলপুর থানার পুলিশ অফিসার কপিল পাল-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও সাব-ইন্সপেক্টররা। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের উৎস কোথায়, কোন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই টাকা এসেছে এবং এর পেছনে কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পরই টাকার প্রকৃত উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা এবং আটক পাঁচজনকে আগামীকাল আদালতে সোপর্দ করা হবে।
রিজনাল কনফারেন্স উপলক্ষে রোড সেফটি সচেতনতা কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব অফিসার্স-এর ত্রিপুরা রাজ্য শাখা এবং রাজ্য মহিলা শাখার উদ্যোগে আসন্ন রিজনাল কনফারেন্সকে সামনে রেখে রোড সেফটি বা পথ নিরাপত্তা বিষয়ে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পথ নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গাড়ি চালানোর সময় হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক নিয়ম অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যা। সামান্য অসচেতনতার কারণে অনেক সময় প্রাণহানি ও গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটে। তাই নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।আগামী ২৬ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব অফিসার্স-এর রিজনাল কনভেনশন। সেই কনভেনশনকে সামনে রেখেই রোড সেফটি নিয়ে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কনভেনশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।রোড সেফটি কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা দেওয়া হয়—সড়কে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং অন্যের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
নাবালিকা অপহরন মামলায় ধৃত ১
নিজস্ব প্রতিনিধি: অপহরনের মামলা দায়ের করার পর আমতলী থানার পুলিশ নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার সহ অপহরণকারীকে জালে তুলতে তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত খাশিয়ামঙ্গল দয়ারাম পাড়া এলাকায় অপহরণকারীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালালেও নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত অপহরণকারী! জানা গেছেন গত ১০ দিন আগে আমতলী থানার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এলাকার ১৪ বছরের এক নাবালিকা মেয়েকে বিভিন্ন প্রলোবন দেখিয়ে অপহরণ করে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার খাশিয়ামঙ্গল দয়ারামপাড়া এলাকার রবি দেববর্মার ছেলে জনি দেববর্মা। এই বিষয়ে নাবালিকা মেয়েটির বাবা আমতলী থানায় অভিযুক্ত রনি দেববর্মার বিরুদ্ধে লিখিত আকারে অপহরণের মামলা দায়ের করে। এরপরেই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারসহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধারে তারপর হয়ে উঠে আমতলী থানার পুলিশ। অবশেষে রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী থানার পুলিশ তেলিয়ামুড়া দয়ারামপাড়া স্থিত অপহরণকারী রনি দেববর্মার বাড়িতে হানা দেয় আমতলী থানা এবং তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ। যদিও দূর থেকে পুলিশের গাড়ি দেখতে পেয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী রনি দেববর্মা ওই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ দীর্ঘক্ষন ধরে গোটা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার সহ অভিযুক্ত অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য কিন্তু কোথাও তাদের হদিস পাওয়া যায়নি। এ দিনের এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমতলী থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর গোপাল দাস। একদিন তাদেরকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত অপহরণকারীর মা-বাবাকে প্রশ্ন করে যে এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটিয়ে নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী জনি দেববর্মা আত্ম গোপন করে আছে কিন্তু তারা কেন বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেনি, যদিও পুরুষের এই প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব দিতে পারেনি অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা বাবা। এদিন সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে ঘটনাটি স্বীকার করেছে অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা। এই ঘটনায় নাবালিকা মেয়েটির পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের দাবি আমতলী থানার পুলিশ যেন অভিযুক্ত জনি দেববর্মার বিরুদ্ধে দ্রুত অপহরণের মামলা নথিভুক্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার সহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করে।
নিয়ম-নীতি মেনে রাজ্যে পালিত বিশ্বকর্মা পূজা
নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়ম-নীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা অনুষ্ঠিত হলো ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। ভাদ্র মাসের শেষের দিকে প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মহলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় বিশ্বকর্মা পূজা।দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে কারিগরি, নির্মাণ ও শিল্পকর্মের দেবতা হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে আরাধনা করা হয়। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যানবাহন, নির্মাণকাজ, কারিগরি পেশা ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কাছে এই পূজার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দুই চাকার যানবাহন থেকে শুরু করে চার চাকার গাড়ি, বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র, যন্ত্রপাতি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। অনেক জায়গায় পূজাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণেরও আয়োজন করা হয়।সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ও কর্মস্থলে ভক্তদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পূজার মূল পর্ব। নিজেদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, সাফল্য, নিরাপত্তা এবং যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার কাছে প্রার্থনা করেন কর্মজীবী মানুষরা।বিশ্বকর্মা পূজাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহনের মালিক, চালক, কারিগর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন।
Top News
View All →বিষ নিক্ষেপে লক্ষাদিক টাকার মাছ ধ্বংস করল দুষ্কৃতীরা!
September 22nd, 2026
১০ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ! ঘটনা কল্যাণপুর থানার দ্বারিকাপুর স্কুলের সামনে !
September 22nd, 2026
রিভার ফ্রন্ট উদ্বোধনে সাংবাদিকদের বসার ব্যবস্থা নেই,আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
September 22nd, 2026
বিনামূল্যে বস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ পূর্বদয়া সামাজিক সংস্থার
September 21st, 2026
জোলাইবাড়ীতে গণেশ পুজো দেখতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ৮ বছরের শিশুর! আশঙ্কা জনক মা-বাবা!
September 21st, 2026
শারদ সম্মান ও ‘মায়ের গমন’ নিয়ে প্রস্তুতি সভা মুক্তধারা হলে
September 21st, 2026