Tags

Share this article

 ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ!সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা!

ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ!সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা!

নিজস্ব প্রতিনিধি:উওর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের নয়াপাড়া ১নং আই.সি.ডি.এস. অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশু,গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের অভিযোগ,গত প্রায় ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ অর্থ না আসায় চরম সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।এতদিন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এবং স্থানীয় দোকান থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী এনে শিশুদের খাবার দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও,দীর্ঘদিনের বকেয়ার কারণে এখন দোকানদাররাও আর বাকিতে সামগ্রী দিতে চাইছেন না বলে অভিযোগ।পাশাপাশি,কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ,শৌচাগার ও পর্যাপ্ত রান্নার ব্যবস্থা না থাকা এবং বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে জল পড়ার অভিযোগও উঠেছে।অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি,দ্রুত বকেয়া অর্থ মিটিয়ে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি কেন্দ্রটির পরিকাঠামো উন্নত করতে হবে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও জানা যায়নি।
চিত্তরঞ্জন চুরি কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পূর্ব থানার পুলিশের, উদ্ধার ৫০ গ্রাম গলিত স্বর্ণ

চিত্তরঞ্জন চুরি কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পূর্ব থানার পুলিশের, উদ্ধার ৫০ গ্রাম গলিত স্বর্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি:চিত্তরঞ্জন চুরি কাণ্ডের তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেল পূর্ব থানার পুলিশ। চুরি হয়ে যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে থেকে প্রায় ৫০ গ্রাম ওজনের গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই চুরি কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজনের যোগসূত্র রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। পূর্ব থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে এবং তাদের সন্ধানেও তদন্ত চালানো হচ্ছে।এই ঘটনায় আটক তিনজনের মধ্যে আপাতত দুজন জেল হেফাজতে রয়েছে, অন্যদিকে একজনকে পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চুরি যাওয়া সামগ্রী কোথায় সরিয়ে রাখা হয়েছিল, ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং পুরো চক্রের গতিবিধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৫০ গ্রাম গলিত স্বর্ণ, যা তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে দেখছে পুলিশ। চুরি যাওয়া অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পূর্ব থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিত্তরঞ্জন চুরি কাণ্ডের তদন্ত এখনও জারি রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, আগামী দিনে ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।
চন্দ্রপুর কাটাখালে দুর্বল বাঁশের সেতুতে পড়ে গেল গরু, এক ঘণ্টা পর ফায়ার ব্রিগেডের তৎপরতায় উদ্ধার

চন্দ্রপুর কাটাখালে দুর্বল বাঁশের সেতুতে পড়ে গেল গরু, এক ঘণ্টা পর ফায়ার ব্রিগেডের তৎপরতায় উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলার চন্দ্রপুর কাটাখালে দুর্বল বাঁশের সেতুতে ফের দুর্ঘটনার ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার ওই বাঁশের সেতু দিয়ে যাওয়ার সময় একটি গরু নিচে পড়ে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খবর দেওয়ার পর প্রায় এক ঘণ্টা সময় নিয়ে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরবর্তীতে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গরুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারের পর গরুটির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের দাবি, চন্দ্রপুর কাটাখালের উপর তৈরি এই বাঁশের সেতুটি অত্যন্ত দুর্বল এবং দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন এই সেতুর উপর দিয়ে এলাকার মানুষজনকে চলাচল করতে হয়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং গবাদি পশু নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।বাসিন্দাদের বক্তব্য, গত দু’বারের বন্যার পর সেতুটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমা মজুমদারকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ীভাবে সেতুটি সংস্কার বা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।প্রায় ৩০ ফুট জায়গার উপর থাকা এই সেতুটির জন্য এলাকার প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সামান্য একটি ভালো ও নিরাপদ সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হতে পারে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।গরু উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার সেতুটির দুরবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার মানুষ। তাদের প্রশ্ন, বারবার জানানোর পরও কেন সেতুটি মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে না? বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি বিষয়টিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করবেন—এমনটাই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।এখন দেখার বিষয়, এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে কতটা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
 উদ্বোধনের আগে স্কুল বিল্ডিং-এ ফাটল!বাগবাসা বিধাসভার কালাছড়া পিএম-শ্রী বিদ্যালয়ে!

উদ্বোধনের আগে স্কুল বিল্ডিং-এ ফাটল!বাগবাসা বিধাসভার কালাছড়া পিএম-শ্রী বিদ্যালয়ে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার উত্তর জেলার বাগবাসা বিধানসভা এলাকার কালাছড়া পিএম-শ্রী বিদ্যালয়ের নবনির্মিত তিতল ভবন উদ্বোধনের আগেই একাধিক অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভবনটির নির্মাণকাজ নিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জেলাশাসক এবং আরডি দপ্তরে আরটিআই আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখনও পর্যন্ত ওই আবেদনের সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্রদীপ ভট্টাচার্য জানান, প্রায় ৮ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তিতল ভবনটির নির্মাণকাজের ওয়ার্ক অর্ডার হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনও পর্যন্ত ভবনটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি।এদিকে, ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। আরটিআই আবেদন জমা পড়ার পর ভবনের বিভিন্ন অংশে মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্রদীপ ভট্টাচার্য নিম্নমানের কাজের সম্ভাবনার কথা স্বীকার করলেও, নির্মাণকাজে ঠিক কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সদস্য আবদুল কাদির জানান, আগের প্রধান শিক্ষকের সময় ভবন নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক বদলি হয়ে যাওয়ার পর সেই মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে বলে তাঁর অভিযোগ। এরপর থেকেই নির্মাণকাজ যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।আবদুল কাদিরের আরও দাবি, ভবনটি এখনও হ্যান্ডওভার না হলেও চারটি কোণসহ বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। আরটিআই আবেদন জমা পড়ার পরই মেরামতির কাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, নির্মাণকাজে সত্যিই নিম্নমানের সামগ্রী বা অনিয়ম হয়ে থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা জরুরি। কারণ, ভবিষ্যতে এই ভবনেই এলাকার বহু ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করবে। ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তার দায়ভার কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এদিকে, স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে নির্মাণকাজে দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে অর্থ দিয়ে নিম্নমানের কাজ করিয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বতন্ত্রভাবে কোনও প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনের আগেই ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে নির্মাণকাজের গুণমান পরীক্ষা করা হোক এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে গোটা বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কাঞ্চনপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে হোস্টেল ওয়ার্ডেনের ২০ বছরের কারাদণ্ড!

কাঞ্চনপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে হোস্টেল ওয়ার্ডেনের ২০ বছরের কারাদণ্ড!

নিজস্ব প্রতিনিধি:উওর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুর মহকুমাধীন সেন্ট পিটার স্কুলের হোস্টেলে এক নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তৎকালীন হোস্টেল ওয়ার্ডেন উদয় কুমার রিয়াংকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিল ধর্মনগর বিশেষ পকসো আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা,অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী সুদর্শন শর্মা জানান,২০২২ সালের ২১ নভেম্বর কাঞ্চনপুর থানায় মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী,ঘটনার পূর্ববর্তী প্রায় দুই মাস ধরে অভিযুক্ত ওয়ার্ডেন হোস্টেলের রান্নাঘর ও নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।মামলাটি পরবর্তীতে ধর্মনগর বিশেষ পকসো আদালতে স্থানান্তরিত হয়। তদন্তকারী আধিকারিক সঞ্জিত ত্রিপুরা তিন মাসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট পেশ করেন। দীর্ঘ শুনানি চলাকালীন সরকার পক্ষের আইনজীবী মোট ১৬ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেন।চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারক সুদীপ্ত চৌধুরী অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। শনিবার সাজা ঘোষণার সময় পকসো আইনের ৪ নম্বর ধারায় ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানার পাশাপাশি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। এই সাজা মূল কারাদণ্ডের সঙ্গেই কার্যকর হবে।সরকার পক্ষের আইনজীবী সুদর্শন শর্মা জানান,এই কঠোর রায় সমাজে অপরাধীদের মধ্যে ভয়ের বার্তা পৌঁছে দেবে এবং শিশুদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
প্রয়াত শিক্ষক পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জ্ঞাপন অর্থ মন্ত্রীর

প্রয়াত শিক্ষক পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জ্ঞাপন অর্থ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ২৬শে আগস্ট বুধবার উদয়পুর বিবেক সংঘ সংলগ্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আগরতলার বেসরকারি আইএলএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা বিশিষ্ট কবি, লেখক ও প্রকাশক প্রীতম ভট্টাচার্য। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে উদয়পুর জুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। শুক্রবার ত্রিপুরা বিধানসভার অধিবেশন থাকায় শনিবার প্রয়াত প্রীতম ভট্টাচার্যের উদয়পুর জগন্নাথ চৌমুহনী এলাকার বাসভবনে যান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী তথা রাধাকিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রণজিৎ সিংহ রায়। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং প্রয়াতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এদিন প্রীতম ভট্টাচার্যের বাসভবনে বসেই দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে গোমতি জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মন্ত্রী। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাইক মালিক ও চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আবেদন জানান।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, মৃত্যু চিরন্তন সত্য। কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু এমন গভীর শোকের জন্ম দেয়, যার বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা উদয়পুর ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক ও প্রকাশক প্রীতম ভট্টাচার্যকে হারিয়েছি। তাঁর অকাল প্রয়াণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্য ও প্রকাশনা জগতেও প্রীতম ভট্টাচার্যের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁর মৃত্যু সমাজ ও সংস্কৃতি জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একজন গুণী শিক্ষক, সৃজনশীল সাহিত্যিক ও প্রকাশক হিসেবে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এদিন মন্ত্রী প্রয়াতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে সরকার ও তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের পাশে রয়েছেন। পাশাপাশি এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরও পরিবারের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।শেষে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রয়াত প্রীতম ভট্টাচার্যের আত্মার শান্তি কামনা করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এবং শোকাহত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রদানের জন্য প্রার্থনা করেন। এদিকে প্রীতম ভট্টাচার্যের অকাল প্রয়াণে শিক্ষক মহল, সাহিত্যপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার

সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা বেম্বো মিশনের অধীন মোহনপুর মহকুমার অন্তর্গত সিমনা এলাকার বিভিন্ন বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে আসেন ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের বিশেষ প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব ছিলেন ভারত সরকারের জাতীয় বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার কামনা শর্মা। এই প্রতিনিধি দল মোহনপুর মহকুমাধীন সিমনা বিধানসভার কাতলামারা, শরৎ চৌধুরি সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রতিনিধি দল বাঁশের চারা,ফুল, বাঁশ থেকে শুরু করে বাঁশের দ্বারা তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প গুলি পরিদর্শন করেন। এদিন শিমনা এলাকা স্থিত রাধা মাধব নার্সারি, বাঁশগ্রাম বেম্বো প্রকল্প,ফ্যাশন হান্ডিক্রাফটস সহ বিভিন্ন প্রকল্প খতিয়ে দেখেন। এই পরিদর্শন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার কামনা শর্মা ত্রিপুরা রাজ্যের সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প গুলির ভুয়সী প্রশংসা করেন পাশাপাশি এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন উনার ২৩ ও ২৫ আগষ্ট দুই দিন ব্যাপী ত্রিপুরা রাজ্য সফর নিয়ে।
 ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে পালিত হলো বনমহোৎসব উৎসব

ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে পালিত হলো বনমহোৎসব উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি:পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা।ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বনমহোৎসব উৎসব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু, ১৪ বাধারঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা মীনারানী সরকার সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ ও সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।বনমহোৎসবের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়।
দুই মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালক গ্রেফতার! ঘটনা খোয়াই বাইজল বাড়ি এলাকায়।

দুই মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালক গ্রেফতার! ঘটনা খোয়াই বাইজল বাড়ি এলাকায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি: বীভৎস সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবতীরও মৃত্যু!!বীভৎস সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল তাঁর শালিকারও। মর্মান্তিক এই ঘটনায় মৃত দুইজন হলেন রতীশ দেববর্মা ও বিল্লু দেববর্মা। চলতি মাসের ২০ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে খোয়াই-বাইজালবাড়ি থানার অন্তর্গত মোহনবাড়ি টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে রতিশ দেববর্মা তাঁর শালিকা বিল্লু দেববর্মাকে চাম্পাহাওর থানার অন্তর্গত মায়েঙবেকারিং এলাকায় শালিকা বাড়ি থেকে নিয়ে ওর নিজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাইকে রওনা হন। দুজনেই একই বাইকে ছিলেন। মোহনবাড়ি টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছতেই একটি জ্বালানির ট্যাঙ্কার ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বাইকের সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষের পর রতিশ দেববর্মা বাইক থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান এবং ট্যাঙ্কার ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।অন্যদিকে বাইকে থাকা বিল্লু দেববর্মা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে বাইজালবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিল্লু দেববর্মার মৃত্যু হয়। ফলে একই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রতিশ দেববর্মার পর প্রাণ হারালেন তাঁর শালিকাও। এই ঘটনায় মৃতদের পরিবার-পরিজন ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনায় জড়িত জ্বালানির ট্যাঙ্কার ট্রাকটি ধরার জন্য বাইজাল বাড়ি থানার আধিকারিক সিদাই থানা এবং লেফুঙ্গা থানার পুলিশকে আগাম বার্তা পাঠান। সেই মোতাবেক লেফুঙ্গা থানা পুলিশ গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হন। যদিও দূর থেকে পুলিশ দেখে গাড়ি চালক গাড়ি থামিয়ে পালিয়ে যায়। তারপরে অবশেষে মঙ্গলবার গাড়ির চালককে আটক করতে সক্ষম হয় বাইজালবাড়ি থানার পুলিশ।দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং চালকের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পাশাপাশি চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব থানার পুলিশ

হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা: হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পেল আগরতলার পূর্ব থানার পুলিশ। বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ও নিখোঁজ হওয়া মোট ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সোমবার সেগুলি যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মালিকরা। পুলিশের এই উদ্যোগের জন্য তারা পূর্ব থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।আগরতলার পূর্ব থানায় আয়োজিত এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর SDPO পান্নালাল সেন। তিনি বিস্তারিতভাবে জানান, বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং পুলিশের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একে একে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলির সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়।পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন শনাক্ত করার পর সেগুলির প্রকৃত মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও তথ্য নিশ্চিত করার পর পূর্ব থানায় তাদের হাতে মোবাইল ফোনগুলি তুলে দেওয়া হয়।মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকদের অনেকেই জানান, হারিয়ে যাওয়ার পর তারা ফোনগুলি ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশের সক্রিয় উদ্যোগে সেই হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারে পুলিশের এই ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে।সদর SDPO পান্নালাল সেন জানান, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করছে। সাধারণ মানুষ যাতে মোবাইল হারিয়ে গেলে দ্রুত থানায় অভিযোগ করেন এবং মোবাইল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পুলিশকে দেন, সেই আহ্বানও জানানো হয়েছে।পূর্ব থানার পুলিশের এই উদ্যোগে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ তাদের মূল্যবান মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন, অন্যদিকে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থাও আরও বাড়ল। আগামী দিনেও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারে পুলিশ আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Top News

View All →
উদ্বোধনের আগে স্কুল বিল্ডিং-এ ফাটল!বাগবাসা বিধাসভার কালাছড়া পিএম-শ্রী বিদ্যালয়ে! | Newstoplink.com