Tags

Share this article

কাঞ্চনপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে হোস্টেল ওয়ার্ডেনের ২০ বছরের কারাদণ্ড!

কাঞ্চনপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে হোস্টেল ওয়ার্ডেনের ২০ বছরের কারাদণ্ড!

নিজস্ব প্রতিনিধি:উওর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুর মহকুমাধীন সেন্ট পিটার স্কুলের হোস্টেলে এক নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তৎকালীন হোস্টেল ওয়ার্ডেন উদয় কুমার রিয়াংকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিল ধর্মনগর বিশেষ পকসো আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা,অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী সুদর্শন শর্মা জানান,২০২২ সালের ২১ নভেম্বর কাঞ্চনপুর থানায় মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী,ঘটনার পূর্ববর্তী প্রায় দুই মাস ধরে অভিযুক্ত ওয়ার্ডেন হোস্টেলের রান্নাঘর ও নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।মামলাটি পরবর্তীতে ধর্মনগর বিশেষ পকসো আদালতে স্থানান্তরিত হয়। তদন্তকারী আধিকারিক সঞ্জিত ত্রিপুরা তিন মাসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট পেশ করেন। দীর্ঘ শুনানি চলাকালীন সরকার পক্ষের আইনজীবী মোট ১৬ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেন।চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারক সুদীপ্ত চৌধুরী অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। শনিবার সাজা ঘোষণার সময় পকসো আইনের ৪ নম্বর ধারায় ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানার পাশাপাশি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। এই সাজা মূল কারাদণ্ডের সঙ্গেই কার্যকর হবে।সরকার পক্ষের আইনজীবী সুদর্শন শর্মা জানান,এই কঠোর রায় সমাজে অপরাধীদের মধ্যে ভয়ের বার্তা পৌঁছে দেবে এবং শিশুদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
প্রয়াত শিক্ষক পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জ্ঞাপন অর্থ মন্ত্রীর

প্রয়াত শিক্ষক পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জ্ঞাপন অর্থ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ২৬শে আগস্ট বুধবার উদয়পুর বিবেক সংঘ সংলগ্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আগরতলার বেসরকারি আইএলএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা বিশিষ্ট কবি, লেখক ও প্রকাশক প্রীতম ভট্টাচার্য। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে উদয়পুর জুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। শুক্রবার ত্রিপুরা বিধানসভার অধিবেশন থাকায় শনিবার প্রয়াত প্রীতম ভট্টাচার্যের উদয়পুর জগন্নাথ চৌমুহনী এলাকার বাসভবনে যান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী তথা রাধাকিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রণজিৎ সিংহ রায়। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং প্রয়াতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এদিন প্রীতম ভট্টাচার্যের বাসভবনে বসেই দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে গোমতি জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মন্ত্রী। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাইক মালিক ও চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আবেদন জানান।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, মৃত্যু চিরন্তন সত্য। কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু এমন গভীর শোকের জন্ম দেয়, যার বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা উদয়পুর ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক ও প্রকাশক প্রীতম ভট্টাচার্যকে হারিয়েছি। তাঁর অকাল প্রয়াণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্য ও প্রকাশনা জগতেও প্রীতম ভট্টাচার্যের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁর মৃত্যু সমাজ ও সংস্কৃতি জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একজন গুণী শিক্ষক, সৃজনশীল সাহিত্যিক ও প্রকাশক হিসেবে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এদিন মন্ত্রী প্রয়াতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে সরকার ও তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের পাশে রয়েছেন। পাশাপাশি এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরও পরিবারের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।শেষে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রয়াত প্রীতম ভট্টাচার্যের আত্মার শান্তি কামনা করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এবং শোকাহত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রদানের জন্য প্রার্থনা করেন। এদিকে প্রীতম ভট্টাচার্যের অকাল প্রয়াণে শিক্ষক মহল, সাহিত্যপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার

সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা বেম্বো মিশনের অধীন মোহনপুর মহকুমার অন্তর্গত সিমনা এলাকার বিভিন্ন বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শনে আসেন ন্যাশনাল বেম্বো মিশনের বিশেষ প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব ছিলেন ভারত সরকারের জাতীয় বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার কামনা শর্মা। এই প্রতিনিধি দল মোহনপুর মহকুমাধীন সিমনা বিধানসভার কাতলামারা, শরৎ চৌধুরি সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত বেম্বো প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রতিনিধি দল বাঁশের চারা,ফুল, বাঁশ থেকে শুরু করে বাঁশের দ্বারা তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প গুলি পরিদর্শন করেন। এদিন শিমনা এলাকা স্থিত রাধা মাধব নার্সারি, বাঁশগ্রাম বেম্বো প্রকল্প,ফ্যাশন হান্ডিক্রাফটস সহ বিভিন্ন প্রকল্প খতিয়ে দেখেন। এই পরিদর্শন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় বেম্বো মিশনের এডিশনাল কমিশনার কামনা শর্মা ত্রিপুরা রাজ্যের সিমনা এলাকার বেম্বো প্রকল্প গুলির ভুয়সী প্রশংসা করেন পাশাপাশি এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন উনার ২৩ ও ২৫ আগষ্ট দুই দিন ব্যাপী ত্রিপুরা রাজ্য সফর নিয়ে।
 ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে পালিত হলো বনমহোৎসব উৎসব

ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে পালিত হলো বনমহোৎসব উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি:পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা।ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশন লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বনমহোৎসব উৎসব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু, ১৪ বাধারঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা মীনারানী সরকার সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ ও সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।বনমহোৎসবের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়।
দুই মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালক গ্রেফতার! ঘটনা খোয়াই বাইজল বাড়ি এলাকায়।

দুই মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালক গ্রেফতার! ঘটনা খোয়াই বাইজল বাড়ি এলাকায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি: বীভৎস সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবতীরও মৃত্যু!!বীভৎস সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল তাঁর শালিকারও। মর্মান্তিক এই ঘটনায় মৃত দুইজন হলেন রতীশ দেববর্মা ও বিল্লু দেববর্মা। চলতি মাসের ২০ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে খোয়াই-বাইজালবাড়ি থানার অন্তর্গত মোহনবাড়ি টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে রতিশ দেববর্মা তাঁর শালিকা বিল্লু দেববর্মাকে চাম্পাহাওর থানার অন্তর্গত মায়েঙবেকারিং এলাকায় শালিকা বাড়ি থেকে নিয়ে ওর নিজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাইকে রওনা হন। দুজনেই একই বাইকে ছিলেন। মোহনবাড়ি টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছতেই একটি জ্বালানির ট্যাঙ্কার ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বাইকের সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষের পর রতিশ দেববর্মা বাইক থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান এবং ট্যাঙ্কার ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।অন্যদিকে বাইকে থাকা বিল্লু দেববর্মা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে বাইজালবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিল্লু দেববর্মার মৃত্যু হয়। ফলে একই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রতিশ দেববর্মার পর প্রাণ হারালেন তাঁর শালিকাও। এই ঘটনায় মৃতদের পরিবার-পরিজন ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনায় জড়িত জ্বালানির ট্যাঙ্কার ট্রাকটি ধরার জন্য বাইজাল বাড়ি থানার আধিকারিক সিদাই থানা এবং লেফুঙ্গা থানার পুলিশকে আগাম বার্তা পাঠান। সেই মোতাবেক লেফুঙ্গা থানা পুলিশ গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হন। যদিও দূর থেকে পুলিশ দেখে গাড়ি চালক গাড়ি থামিয়ে পালিয়ে যায়। তারপরে অবশেষে মঙ্গলবার গাড়ির চালককে আটক করতে সক্ষম হয় বাইজালবাড়ি থানার পুলিশ।দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং চালকের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পাশাপাশি চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব থানার পুলিশ

হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা: হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পেল আগরতলার পূর্ব থানার পুলিশ। বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ও নিখোঁজ হওয়া মোট ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সোমবার সেগুলি যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মালিকরা। পুলিশের এই উদ্যোগের জন্য তারা পূর্ব থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।আগরতলার পূর্ব থানায় আয়োজিত এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর SDPO পান্নালাল সেন। তিনি বিস্তারিতভাবে জানান, বিভিন্ন সময়ে মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং পুলিশের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একে একে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলির সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়।পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন শনাক্ত করার পর সেগুলির প্রকৃত মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও তথ্য নিশ্চিত করার পর পূর্ব থানায় তাদের হাতে মোবাইল ফোনগুলি তুলে দেওয়া হয়।মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকদের অনেকেই জানান, হারিয়ে যাওয়ার পর তারা ফোনগুলি ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশের সক্রিয় উদ্যোগে সেই হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারে পুলিশের এই ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে।সদর SDPO পান্নালাল সেন জানান, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করছে। সাধারণ মানুষ যাতে মোবাইল হারিয়ে গেলে দ্রুত থানায় অভিযোগ করেন এবং মোবাইল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পুলিশকে দেন, সেই আহ্বানও জানানো হয়েছে।পূর্ব থানার পুলিশের এই উদ্যোগে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ তাদের মূল্যবান মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন, অন্যদিকে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থাও আরও বাড়ল। আগামী দিনেও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারে পুলিশ আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 বিশালগড় পুলিশের নয়া কীর্তি !

বিশালগড় পুলিশের নয়া কীর্তি !

নিজস্ব প্রতিনিধি: রোগী হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন আর পুলিশ নাকি ফোন করে মীমাংসার প্রস্তাব দিচ্ছে। গত শুক্রবার রাতে বিশালগড় থানাধীন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলেজের কাছে বিকাশ বিশ্বাস নামের এক যুবককে নিতাই দাস, তার ছেলে সৌরভ দাস মিলে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। এখন বিকাশ জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিশালগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টো মীমাংসা করার প্রস্তাব দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকি অভিযোগের রিসিভ কপিও দিচ্ছে না ।
তালার জায়গায় বহাল রইল তালা! দরজাও রইল বন্ধ—তবুও রক্ষা পেল না গৃহস্থের সম্বল!

তালার জায়গায় বহাল রইল তালা! দরজাও রইল বন্ধ—তবুও রক্ষা পেল না গৃহস্থের সম্বল!

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালাবদ্ধ ঘরের সুযোগ নিয়ে সব চুরি করে চম্পট দিল চোরের দল। ঘটনাটি ঘটেছে মেলাঘরের চর এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত সুভাষ সাহার স্ত্রী মিনতি সাহা গতকাল রাতে বাড়িতে ছিলেন না। তিনি পারিবারিক কাজে বিশালগড়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়ি খালি থাকার সুযোগটিকেই কাজে লাগায় দুষ্কৃতীরা। চোরের দল কৌশলে একটি লাঠি ব্যবহার করে ঘরের পেছনের দরজার ভেতরের ছিটকিনি খুলে ফেলে এবং নিঃশব্দে ভেতরে প্রবেশ করে।​এরপর ঘরের আলমারি ও বাক্স তছনছ করে চোরের দল সোনা ও রুপোর গয়না সহ নগদ কাঁচা পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। তবে পালানোর সময় একটি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো কারণে সেটি ঘরের পেছনের অংশে ফেলে রেখে চম্পট দেয় তারা।​সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে মিনতি সাহাকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। এলাকার শান্ত পরিবেশে এমন চুরির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে চর এলাকায়।
রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলার ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয় রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, বিধায়িকা মীনা রানি সরকার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্ত্যে সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এদিন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
 উত্তর গেইট সংলগ্ন দেবেশ রয়ের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য!

উত্তর গেইট সংলগ্ন দেবেশ রয়ের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর উত্তর গেইট এলাকায় দেবেশ রায়ের বাড়িতে শর্ট সার্কিটের জেরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত আগরতলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, বাড়ির বিদ্যুতের মেইন লাইন পুড়ে যাওয়ায় পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।তবে বাড়ির মালিকের সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের ফলে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।বর্তমানে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। স্থানীয়দের মতে, অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।

Top News

View All →