Tags

Share this article

বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা

বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা

নিজস্ব প্রতিনিধি : দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো জেলা স্তরের গুরুত্বপূর্ণ পাঞ্চ সম্মেলন। বিকশিত ভারত–গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ), অর্থাৎ VB-GRAM-G Act, 2025-কে সামনে রেখে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সোমবার দুপুর ১২টায় বিলোনিয়ার পুরাতন টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা সরকারের পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, সমাজকর্মী দীপায়ন চৌধুরী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এই সম্মেলনে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ফলে জেলা স্তরের এই সম্মেলনে পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।বক্তব্য রাখতে গিয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। পঞ্চায়েতের কাজকর্মে কোনো ধরনের দুনম্বরি বা অনিয়মকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য তিনি উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পঞ্চায়েত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়াও বক্তব্যে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণ কর্মসংস্থান, জীবিকা এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনকে ঘিরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ এলাকার কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।।
কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার

কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার

নিজস্ব প্রতিনিধি: আবারও পুলিশের অমানবিক রুপ প্রকাশ্যে এসেছে। গরীব দুঃস্থ এক কৃষক ন্যায্য বিচারের জন্য প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুবেলা করে থানার প্রতিটি পুলিশ অফিসারদের অনুরোধ করার পরও কেউই দুঃস্থ কৃষককে পাত্তাই দিচ্ছে না। অসহায় কৃষক এবার মিডিয়ার দারস্থ। উল্লেখ্য, কৈলাসহরের দেওরাছড়া এডিসি ভিলেজের তিন নং ওয়ার্ডের বাঘাছড়া গ্রামের বাসিন্দা ইননুস আলী পেশায় একজন কৃষক। ছোট বড় মিলিয়ে উনার নিজের মোট আটটি গরু রয়েছে। ইননুস আলী প্রতিদিন সকালবেলা নিজের গরুদের ঘাস খাওয়ানোর জন্য পাশ্ববর্তী গ্রামের টিলা জায়গায় নিয়ে যান। টিলা জায়গায় গরুদের ছেড়ে আসার কয়েক ঘন্টা পর গ্রামের এক যুবক ইননুস আলীকে জানায় যে, গরুগুলো কীটনাশক ঔষধ খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এই কথা শোনেই ইননুস আলী সাথে সাথেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে দেখেন তিনটি গরু মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে এবং বাকী পাঁচটি গরু মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছে। সাথে সাথেই পাঁচটি গরুকে উদ্ধার করে বাড়িতে এনে লেবুর জল এবং তেতুলের জল খাইয়ে ঘরোয়া চিকিৎসা করিয়ে পাঁচটি গরুকে বাঁচিয়ে তোলে। মৃত তিনটি গরুর মৃতদেহের পাশে প্লাস্টিক ব্যাগ ও প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতর কীটনাশক ঔষধ পান ইননুস আলী। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করে ইননুস আলী এও জানান যে, সকালবেলা উনি যখন গরু গুলোকে নিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে টিলা জায়গায় গরু গুলোকে ছেড়ে বাড়িতে ফেরেন তখন রাস্তায় লালমারি দারলং, সাংগি দারলং এবং লাল এন কুয়ালা দারলং-এর সাথে দেখা হয় এবং তাদের সাথে কথাবার্তাও হয়েছে বলে জানান। তাদের প্রত্যেকের হাতে প্লাস্টিক ব্যাগ দেখতে পান। এই প্লাস্টিক ব্যাগ গুলো পরবর্তী সময়ে মৃত গরুর মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় অসহায় ইননুস আলী হতভম্ব হয়ে পাশ্ববর্তী দারলং গ্রামের চেয়ারম্যানকে সম্পুর্ন ঘটনা জানানোর পর চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে আশ্বস্ত করেন যে, চিন্তা করিও না, তুমাকে ন্যায্য বিচার করে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। এই ঘটনার জন্য পুলিশকে এবং মিডিয়াকে না জানানোর জন্য ইননুস আলীকে বলেছিলো চেয়ারম্যান। পরবর্তী সময়ে গ্রামে শালিসি বৈঠক করে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে না পেরে চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে জানিয়ে দেয় যে, তুমি যা পারো করে নিও। এই কথা শোনার পর ইননুস আলী কৈলাসহর থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার পরও পুলিশ মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু গুলোর ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশকে বার বার বলার পর পুলিশ জানিয়ে দেয় যে, পশু হাসপাতালে গিয়ে নিজেরা কথা বলে ময়নাতদন্ত করে নিতে। পুলিশের কথা মতো ইননুস আলী কৈলাসহরের পশু হাসপাতালে গিয়ে পশু চিকিৎসকদের জানানোর পর চিকিৎসকরা জানায় যে, পুলিশ উনাদের না বললে কিংবা পুলিশের লিখিত আদেশ না পেলে উনারা ময়নাতদন্ত করতে পারবে না। পশু চিকিৎসকদের এই কথা শোনার পর ফের কৈলাসহর থানায় গিয়ে জানানোর পর পুলিশ জানায় যে, পশু চিকিৎসকদের টাকা পয়সা দিলে চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত করে দেবে। এভাবে করে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও আজ অব্দি কৈলাসহর থানার পুলিশ ইননুস আলীর মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং পুলিশ আজ অব্দি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু তিনটি এক সপ্তাহ ধরে একই জায়গায় পড়ে থাকায় এলাকা জুড়ে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পাশ্ববর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষেরা নিজ বাড়িতে বসবাস করতে পারছে না পচা দুর্গন্ধের জন্য। পুলিশের এই অমানবিক কান্ডে গোটা বাঘাছড়া গ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কৈলাসহর থানা সূত্রে জানা যায় যে, শাসক দলের মন্ডলের প্রভাবশালী এক মাতব্বরের আঙ্গুলি হেলনের কারনে পুলিশ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। ঘটনাকারীদের কাছ থেকে মন্ডলের সেই ।মাতব্বর মোটা অংক পেয়ে পেয়েছে। সেজন্যই পুলিশ কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে ।
সরকারকে নিকম্মা বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত

সরকারকে নিকম্মা বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি:সিটু রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত বলেন আটটি জেলার ২০টি জায়গায় হাজার হাজার জন অংশ নিয়েছেন। নিকম্মা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। সংবিধান, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, জনজীবন বিপন্ন, তা-ই আজ প্রতিবাদী শামিল হয়েছেন। সিটুর রাজ্য কমিটির সম্পাদক সমর চক্রবর্তীর হাতে আঘাত লাগে, তার অপারেশন হবে। অংশগ্রহণকারী এক ছাত্রী পড়ে আহত হলেন তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। সরকার যদি শিক্ষা না নেয় তাহলে আরও আন্দোলনসারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক পবিত্র কর বলেছেন ব্যাপক সংখ্যক নারীরা অংশ নিয়েছেন। জমিতে কাজ থাকার পরও ব্যাপক অংশ নিয়েছেন কৃষক চাষিরা। একটি বেসরকারি নার্সিং হোমের সামনে ব্যারিকেড নিয়ে পুলিশের ভূমিকা দুরভিসন্ধিমূলক, মতলবটা ভালো ছিল না। জিএমপি সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা কয়েকবছরের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া মিললো। জুমিয়া, দিনমজুর ক্ষেত মজুর,মহিলা, পুরুষ, ছাত্র যুব, কৃষক, চাষি অংশ নিয়েছেন অভূতপূর্ব সাড়া মিললো আগরতলা সহ গোটা রাজ্যে। এডিসি, নন এডিসি এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষ জাগলো।ত্রিপুরা ক্ষেত মজুর ইউনিয়ন রাজ্য সম্পাদক শ্যামল দে বলেন ২৫ হাজারেরও বেশি অংশ নিয়েছেন। সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে অংশ নিয়েছেন। গণশক্তির সংগ্রামের মেজাজ ছিল কর্মসূচিতে। সরকার যে ভাষা বুঝে সেই ভাষা বুঝিয়ে দিলো জনতা। সিটু রাজ্য সভাপতি মানিক দে বলেন তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কর্মসূচিতে।সরকার কোনো শিক্ষা নেবে কিনা সরকার জানে। আইনের শাসন তলানিতে। দুর্নীতি মাথাচাড়া দিয়েছে। আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে করা হয়েছে। একটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও গনবিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো, আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি সংগঠিত করার আগাম জানান মানিক দে। আগামীদিনে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হবে বলেও মানিক দে জানান। সরকারের নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর দাবি করে অর্থনীতি দাবি পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটু রাজ্য সভাপতি।
রাজ্য সরকারি প্রকল্পে সুবিধা নেই, জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার

রাজ্য সরকারি প্রকল্পে সুবিধা নেই, জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার

নিজস্ব প্রতিনিধি: মনস্রী চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধার কথা জানাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের পক্ষ থেকে Tata Trusts, Mumbai-কে দেওয়া একটি চিঠিতে মনস্রীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও হেড অব ডিপার্টমেন্ট ড. বিধান গোস্বামীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মনস্রী কোনও রাজ্য সরকারের মেডিক্যাল স্কিমের জন্য যোগ্য নন। ফলে রাজ্য সরকারের কোনও মেডিক্যাল প্রকল্পের আওতায় তাঁর চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বলে নথিতে জানানো হয়েছে। চিঠিতে আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY) নিয়েও তথ্য দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কভারেজ রয়েছে। তবে মনস্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার প্যাকেজটি AB-PMJAY-এর আওতাভুক্ত নয়। এর ফলে সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে মনস্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার খরচ বহনের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আশায় Tata Trusts-এর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। হাসপাতালের এই চিঠিতে সরকারি প্রকল্পের আওতায় মনস্রীর চিকিৎসার সুবিধা না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। ফলে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার জন্য পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার দিকেও তাকিয়ে রয়েছে পরিবার।
 কংগ্রেসের উদ্যোগে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের উদযাপন অনুষ্ঠান

কংগ্রেসের উদ্যোগে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের উদযাপন অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৯ই আগস্ট ১৯৪২ সালে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ।ঐতিহাসিক স্মৃতিকে স্মরণ করে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে রবিবার কংগ্রেস ভবনের সামনে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, তারপর একে একে দলীয় পতাকা থেকে শুরু করে শাখা সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করলেন নেতৃত্বরা । এরপর স্বাধীনতা আন্দোলনের মহান নেতৃত্ব ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁদের অবদান ও আত্মত্যাগকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মীরা। পরে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে কংগ্রেস ভবন থেকে পদযাত্রা করে গান্ধীঘাটের শহীদ বেদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। সেখানে পৌঁছে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ভারত ছাড়ো আন্দোলনের চেতনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শকে সামনে রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার বার্তাই এদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে তুলে ধরেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্ব।
কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল

কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি:দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির প্রতিবাদে ও ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ভারতীয় মজদুর সংঘের ঊনকোটি জেলা কমিটির উদ্যোগে ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘ ও সহায়িকারা কুমারঘাটে এক বিশাল মিছিলের পর SDM কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ার কারণে তাদের পক্ষে এখন সারা রাজ্যের সাথে ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি প্রকল্প বা SNP চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।উদাহরণস্বরূপ, বিভাগীয় দামের চেয়ে বাজারে ডিম, সয়াবিন তেল, ছানা, চিঁড়া, সুজি এবং মোবাইল রিচার্জের খরচ অনেক বেশি।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রীতথা ঊনকোটি জেলার মহিলা প্রমুখ আল্পনা দেবনাথ, BMS র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পিজুষ দাস, পেচারথল প্রজেক্টের সভানেত্রী নয়ন মল্লিকা চাকমা এবং কুমারঘাট প্রজেক্টের সভানেত্রী অঞ্জলি দেবনাথ সহ আরও অনেকে।এক সাক্ষাৎকারে ত্রিপুরা অঙ্গনারী কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রী আলপনা দেবনাথ ও বিএমএস-র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পীযূষ দাস জানান , বিরোধী ঐক্য সংগঠনের কিছু লোক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে গিয়ে বিভ্রান্তি চড়াচ্ছেন তা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, পাশাপাশি অঙ্গনারী কর্মীদের দাবিগুলি নিয়ে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে বিবেক বিবেচনা করেতা নিয়েও আশা ব্যক্ত করেন।
 কলকাতার অভিনয়ের দুনিয়ায় রাজ্যের সায়ন্তিকা

কলকাতার অভিনয়ের দুনিয়ায় রাজ্যের সায়ন্তিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার প্রতিভার তালিকায় যুক্ত হলো আরও একটি উজ্জ্বল নাম। গোমতী জেলার উদয়পুরের কৃতি কন্যা সায়ন্তিকা ধর কলকাতার বড় পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছেন। ‘মা দুর্গা প্রোডাকশন’-এর প্রযোজনায় এবং পরিচালক রঞ্জন দত্তের পরিচালনায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র ‘আনন্দ আশ্রম’-এর মাধ্যমে তাঁর টলিউডে অভিষেক ঘটে। গত ৩১ জুলাই ২০২৬ মুক্তিপ্রাপ্ত এই পারিবারিক ড্রামা ইতিমধ্যেই দর্শক ও শিল্পমহলে সাড়া ফেলেছে।ত্রিপুরা পুলিশের প্রয়াত ডিএসপি সুরজিৎ ধর ও গৃহিণী রাখি সিংহ ধরের কন্যা সায়ন্তিকা বর্তমানে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ক্লাসিকাল ও ওয়েস্টার্ন নাচে দক্ষতা অর্জন করেন তিনি। ২০২৫ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিজ্ঞাপন দেখে অভিনয়ের জগতে প্রবেশের সুযোগ পান এবং পরবর্তীতে কলকাতায় প্রশিক্ষণ নিয়ে চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ লাভ করেন।‘আনন্দ আশ্রম’ ছবিটি একটি অনাথ আশ্রমকে কেন্দ্র করে সামাজিক বার্তাধর্মী গল্প তুলে ধরে, যেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে। ছবিতে সায়ন্তিকার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন বোধিসত্ত্ব মজুমদার, কৌশিক ব্যানার্জী, লাবণী সরকারসহ একাধিক অভিজ্ঞ শিল্পী।সায়ন্তিকা জানিয়েছেন, মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি এই পথে এগিয়ে এসেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও চলচ্চিত্রে কাজ করতে চান। তাঁর মা রাখি সিংহ বলেন, বর্তমান সময়ে শুধু পড়াশোনা নয়, সন্তানদের আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যেতে দেওয়াই অভিভাবকদের দায়িত্ব।সায়ন্তিকার মা রাখি সিংহ জানান, বর্তমান সময়ে সন্তানদের নিজেদের পছন্দের পথে এগিয়ে যেতে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। টিভি সিরিয়াল ও চলচ্চিত্র জগতেও সফল ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।ত্রিপুরার একটি ছোট শহর থেকে টলিউডের বড় মঞ্চে সায়ন্তিকার এই সাফল্য রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
নেশা ও চুরির বিষয়ে কৈলাশহর থানায় ডেপুটেশন দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী

নেশা ও চুরির বিষয়ে কৈলাশহর থানায় ডেপুটেশন দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৈলাসহর পুর পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দিন দিন মাদকদ্রব্যের অবাধ কারবার, মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এর জেরে চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ বাড়ছে বলে অভিযোগ তুলে কৈলাসহর থানার দ্বারস্থ হলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তীসহ এলাকার বহু বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে অবিলম্বে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।অভিযোগে বলা হয়েছে, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনিকেতন শপিং কমপ্লেক্স, শ্মশানঘাট সংলগ্ন এলাকা, সিনেমা হলের পাশের পাড়া এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরেই ড্রাগসের অবাধ কারবার চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং সন্ধ্যার পর অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন।স্থানীয়দের দাবি, মাদকের বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চুরির ঘটনাও। কয়েকদিন আগে সর্বানন্দ স্মরণী এলাকায় দিনের বেলায় একটি চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বিভিন্ন পাড়ায় ছোট-বড় চুরির অভিযোগ সামনে আসছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নেশার টাকা জোগাড় করতেই একাংশ মাদকাসক্ত এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানসী চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই তারা থানায় অভিযোগ জানাতে এসেছেন। তাঁর কথায়, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং চুরির ঘটনাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দিনের বেলায় চুরির ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, মাদকাসক্তদের একটি অংশ নেশার খরচ জোগাড় করতে চুরির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেওয়ার আগেই পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।কাউন্সিলরের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও অভিযান চালানোরও আহ্বান জানানো হয়েছে।এদিকে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তাদের মতে, মাদক কারবার বন্ধ করা গেলে চুরি-ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে।
IGGL-এর গাড়ি চলাচলে গ্রামীণ রাস্তা বেহাল!পথ অবরোধ করল এলাকাবাসী!

IGGL-এর গাড়ি চলাচলে গ্রামীণ রাস্তা বেহাল!পথ অবরোধ করল এলাকাবাসী!

নিজস্ব প্রতিনিধি:-এর কর্মীদের গাড়ি চলাচলের কারণে গ্রামীণ রাস্তা ভেঙে বেহাল হয়ে পড়ায় উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর মহকুমার পূর্ব রৌয়া ও জলাবাসা সংযোগস্থলে IGGL প্রজেক্টের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাল এলাকাবাসী। ঘটনার বিবরণে জানা যায় প্রায় ৩ বছর আগে চামটিলা জাতীয় সড়ক থেকে জলেবাসাগামী পথের বাম দিকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে IGGL একটি প্রজেক্টের কাজ শুরু করে। প্রজেক্টে প্রবেশের জন্য IGGL নিজেদের খরিদকৃত জমির উপর মাটি ভরাট করে একটি কাঁচা রাস্তা তৈরি করে। কিন্তু প্রায় ২ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাস্তাটি পাকা করা হয়নি। ফলে IGGL-এর কর্মীরা প্রতিদিন প্রায় ২০-২৫টি গাড়ি নিয়ে প্রজেক্টে যাতায়াতের জন্য পার্শ্ববর্তী ৮ ফুট চওড়া ব্রিক সোলিং গ্রামীণ রাস্তাটি ব্যবহার করছে। গত বছর বর্ষায় রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বছরও একই অবস্থা হওয়ায় রাস্তাটির বর্তমানে বেহাল দশা। এছাড়াও IGGL-এর তৈরি কাঁচা রাস্তার দুপাশে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পার্শ্ববর্তী কৃষকদের ধান জমি জলে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রবল বর্ষণে গ্রামের পুকুরের জল উপচে মাছও পালিয়ে যাচ্ছে। এতে কৃষক ও এলাকাবাসী বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিগত বছর থেকেই এলাকাবাসী IGGL কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এমনকি পানিসাগর মহকুমা শাসকও IGGL-কে নির্দেশ দেন নিজেদের জমির উপর রাস্তা তৈরি করে সেটি ব্যবহার করার জন্য এবং গ্রামীণ রাস্তা ব্যবহার না করার জন্য। কিন্তু IGGL কর্তৃপক্ষ মহকুমা শাসকের নির্দেশ অমান্য করায় বাধ্য হয়ে আজ এলাকাবাসী পথ অবরোধে নামে। অবরোধের সময় IGGL-এর কর্মীরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গাড়ি নিয়ে বের হতে চাইলে এলাকাবাসী ও উপস্থিত সংবাদকর্মীদের চাপে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে IGGL-এর কর্মীরা নিজেদের জমির উপর দিয়ে কাঁচা রাস্তা দিয়ে গাড়ি বের করে নিয়ে যায়।       এলাকাবাসীর প্রশ্ন, IGGL-এর মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ৫০০ মিটার রাস্তা তৈরি করতে ২ বছর কেন লাগছে? আর রাস্তা তৈরি না করে পার্শ্ববর্তী মানুষ ও কৃষকদের ক্ষতির দায় কেন নিতে চাইছে না IGGL?
 বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনিতে দুঃসাহসিক চুরি! নগদ সহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার সামগ্রী লুট!

বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনিতে দুঃসাহসিক চুরি! নগদ সহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার সামগ্রী লুট!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জের মাস্টারপাড়া রাজা চৌমুহনি এলাকায় বুধবার ভোররাতে একটি দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় নগদ অর্থসহ প্রায় ৩২ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোরের দল।জানা গেছে, বুধবার সকালে দোকান মালিক অজিত দেববর্মা প্রতিদিনের মতো দোকান খুলতে এসে দেখেন দোকানের ভেতরে সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিষয়টি দেখে তার সন্দেহ হলে তিনি দোকানে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গভীর রাতে চোরেরা দোকানের পেছনের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ক্যাশবাক্স ভেঙে নগদ প্রায় *৭ হাজার টাকা* নিয়ে যায়। পাশাপাশি দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামালও চুরি করে। সব মিলিয়ে নগদ অর্থ ও মালামালের মূল্য প্রায় *৩২ হাজার টাকা* বলে দোকান মালিক দাবি করেছেন।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।