নিজস্ব প্রতিনিধি:সিটু রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত বলেন আটটি জেলার ২০টি জায়গায় হাজার হাজার জন অংশ নিয়েছেন। নিকম্মা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। সংবিধান, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, জনজীবন বিপন্ন, তা-ই আজ প্রতিবাদী শামিল হয়েছেন। সিটুর রাজ্য কমিটির সম্পাদক সমর চক্রবর্তীর হাতে আঘাত লাগে, তার অপারেশন হবে। অংশগ্রহণকারী এক ছাত্রী পড়ে আহত হলেন তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। সরকার যদি শিক্ষা না নেয় তাহলে আরও আন্দোলনসারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক পবিত্র কর বলেছেন ব্যাপক সংখ্যক নারীরা অংশ নিয়েছেন। জমিতে কাজ থাকার পরও ব্যাপক অংশ নিয়েছেন কৃষক চাষিরা। একটি বেসরকারি নার্সিং হোমের সামনে ব্যারিকেড নিয়ে পুলিশের ভূমিকা দুরভিসন্ধিমূলক, মতলবটা ভালো ছিল না। জিএমপি সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা কয়েকবছরের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া মিললো। জুমিয়া, দিনমজুর ক্ষেত মজুর,মহিলা, পুরুষ, ছাত্র যুব, কৃষক, চাষি অংশ নিয়েছেন অভূতপূর্ব সাড়া মিললো আগরতলা সহ গোটা রাজ্যে। এডিসি, নন এডিসি এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষ জাগলো।ত্রিপুরা ক্ষেত মজুর ইউনিয়ন রাজ্য সম্পাদক শ্যামল দে বলেন ২৫ হাজারেরও বেশি অংশ নিয়েছেন। সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে অংশ নিয়েছেন। গণশক্তির সংগ্রামের মেজাজ ছিল কর্মসূচিতে। সরকার যে ভাষা বুঝে সেই ভাষা বুঝিয়ে দিলো জনতা। সিটু রাজ্য সভাপতি মানিক দে বলেন তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কর্মসূচিতে।সরকার কোনো শিক্ষা নেবে কিনা সরকার জানে। আইনের শাসন তলানিতে। দুর্নীতি মাথাচাড়া দিয়েছে। আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে করা হয়েছে। একটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও গনবিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো, আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি সংগঠিত করার আগাম জানান মানিক দে। আগামীদিনে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হবে বলেও মানিক দে জানান। সরকারের নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর দাবি করে অর্থনীতি দাবি পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটু রাজ্য সভাপতি।