Tags

Share this article

ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন

ত্রিপুরায় ১৩ ও ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর বাস্তবায়ন ও আগামী পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৩ ও ১৪ অক্টোবর আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভ ২০২৬’। বিদ্যা ভারতী শিক্ষা সমিতি ত্রিপুরার উদ্যোগে এবং মহারাজা বীর বিক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার আগরতলার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে করে এই কথা জানান ত্রিপুরা এডুকেশন কনক্লেভর সদস্যরা তিনি আরো জানান ১৩ অক্টোবর সকাল ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল এন. ইন্দ্রসেনা রেড্ডি। উপস্থিত থাকবেন বিদ্যা ভারতী পূর্বোত্তর ক্ষেত্রের সাংগঠনিক সম্পাদক ডঃ পবন তিওয়ারি। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষা প্রশাসকরা অংশ নিয়ে রাজ্যে NEP 2020-এর অগ্রগতি, সমস্যা এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।
সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান ও অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান ও অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

আগরতলা: সেবা সংকল্প কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতাপগড় মণ্ডলের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচি এবং অভিভাবক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতাপগড়স্থিত লোকনাথ মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রক্তদানের মাধ্যমে মানবসেবার বার্তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের সম্মাননা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি জানানো হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সদর শহর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, প্রতাপগড় মণ্ডল সভাপতি স্বপ্না দাস, মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মৌসুমী দাস-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।সেবা সংকল্প কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা তুলে ধরা হয়। রক্তদান কর্মসূচির পাশাপাশি অভিভাবকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সামগ্রিকভাবে, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সমাজসেবামূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।
পুজায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড লেভেল মিটার বিতরণ

পুজায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড লেভেল মিটার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: শব্দের মাত্রা পরিমাপক যন্ত্র বিতরণ ও প্রদর্শনী কর্মসূচি। ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (TSPCB) মোট ৩৫টি সাউন্ড লেভেল মিটার বা শব্দের মাত্রা পরিমাপক যন্ত্র সংগ্রহ করেছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, শব্দের মাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং Noise Pollution (Regulation and Control) Rules, 2000 কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই যন্ত্রগুলি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র (পুলিশ) দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়ার হয়েছে। আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনের হল নম্বর-৩-এ সাউন্ড লেভেল মিটার বিতরণ ও প্রদর্শনী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি, যন্ত্রগুলির পরিচালনা, ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং শব্দের মাত্রা পরিমাপের পদ্ধতি সম্পর্কে প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়াও, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ২০০০ সালের বিধির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি নিয়ে একটি সচেতনতামূলক আলোচনাও হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী। অনিমেষ দেববর্মা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার পুলিশ বিভাগের আইজিপি (আইনশৃঙ্খলা) এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের প্রধান সচিব।
 ধর্মনগরে বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী

ধর্মনগরে বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হলো বহু প্রতিক্ষিত উত্তর জেলা শাসক কার্যালয়। উত্তর ত্রিপুরা জেলার প্রশাসনিক পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ধর্মনগরে গড়ে উঠেছে এই নবনির্মিত জেলা শাসক ও কালেক্টর কার্যালয় কমপ্লেক্স।ত্রিপুরা সরকারের উদ্যোগে এই প্রশাসনিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন উত্তর ত্রিপুরা জেলার সামগ্রিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রী নবনির্মিত কার্যালয় ভবনের উদ্বোধনের পাশাপাশি একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনার করেন এদিন। নবনির্মিত জেলা শাসক ও কালেক্টর কার্যালয় কমপ্লেক্স উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর সচিব কিরণ গিত্যে, স্বরাষ্ট্র ও আরডি দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং এবং রাজস্ব ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের সচিব মিলিন্দ ধর্মরাও রামটেকে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্মনগর, পানিসাগর ও বাগবাসা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়কগন, উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি, ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন, জেলা বিজেপি সভাপতি, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।নতুন কার্যালয় কমপ্লেক্স চালু হলে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ আরও সুসংহতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা। পাশাপাশি, প্রশাসনিক পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সুবিধা বৃদ্ধি এবং সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এই পরিকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করবে।উন্নত প্রশাসনিক পরিকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে আরও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার যে লক্ষ্য রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে, উত্তর ত্রিপুরার এই নবনির্মিত জেলা শাসক ও কালেক্টর কার্যালয় সেই উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
নিজ সন্তানদের কুপিয়ে খুনের চেষ্টা গর্ভধারিনী মায়ের , হতবাক এলাকাবাসী !

নিজ সন্তানদের কুপিয়ে খুনের চেষ্টা গর্ভধারিনী মায়ের , হতবাক এলাকাবাসী !

নিজস্ব প্রতিনিধি; হাঁড় কাঁপানো এক ঘটনায় রীতিমতো গোটা মহকুমা জুড়ে তীব্র চাঞ্চলও ছড়িয়েছে। এক জন্মদাত্রী মা দুই সন্তানকে কুপিয়ে মারার চেষ্টায় সভ্য সমাজকে আবারো কলঙ্কিত করল। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলো সোমবার অমরপুর বীরগঞ্জ থানাধীন কাঠালবাগান মুসলিম কলোনি এলাকায়। নর পিচাশ জন্মদাত্রী মা খোদ দুই সন্তানকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে মারার প্রাণপণ চেষ্টা করে। বড় ছেলে এবং এলাকাবাসীদের তৎপরতায় বেঁচে গেল ফুটফুটে দুটি তরতাজা প্রাণ,,, এমত অবস্থায় এলাকাবাসীরা নর পিসাশ জন্মদাত্রী মাকে আটক করে বেঁধে রাখে বীরগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হলে,,,, ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে নর পিচাশ মাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।। তবে এই ঘটনায় সভ্য সমাজকে রীতিমত প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে,, কেননা খুদ জন্মদাত্রী মা নিজ সন্তানকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে মারার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিল,,,, যে মায়ের হাতে সন্তানের ভবিষ্যৎ সেই মায়ের হাতে মৃত্যুর দোরগোড়ায় সন্তান,,,, তাহলে এ সভ্য সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে,,,,,,
সাংসদ প্রফেসর বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা মোর্চার গণধর্না

সাংসদ প্রফেসর বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা মোর্চার গণধর্না

আগরতলা, ১০ অক্টোবর: কংগ্রেস সাংসদ প্রফেসর বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গণধর্না কর্মসূচি পালন করল ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা মোর্চা। শনিবার আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে মহিলা মোর্চার উদ্যোগে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।এদিনের গণধর্না কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী মহিলা মোর্চার সদস্যরা সাংসদ প্রফেসর বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সরব হন। এই অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁরা সংশ্লিষ্ট ঘটনার যথাযথ তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা মহিলাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার সুনিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁদের বক্তব্য, মহিলাদের সম্মান ও সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও ধরনের আপস করা উচিত নয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও তোলা হয়।মহিলাদের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে নিজেদের প্রতিবাদী অবস্থান তুলে ধরতেই এই গণধর্না কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মৌসুমী দাস, ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির সহ-সভাপতি অজন্তা ভট্টাচার্য-সহ মহিলা মোর্চার অন্যান্য নেত্রী ও সদস্যরা।সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহিলাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দাবিকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেন মহিলা মোর্চার সদস্যরা।
রঞ্জিতনগরে পুকুরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী ও আগরতলা পুর নিগমের মেয়র

রঞ্জিতনগরে পুকুরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী ও আগরতলা পুর নিগমের মেয়র

আগরতলা, ১০ অক্টোবর: আগরতলা শহরের রঞ্জিতনগর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুকুরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। শনিবার বিকেল ৪টায় আগরতলা পুর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত রঞ্জিতনগরে সংযোগ সংঘের নিকটবর্তী পুকুরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার-সহ পুর নিগমের অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, আধিকারিক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।রঞ্জিতনগর এলাকার এই পুকুরের সংস্কার, উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নের উদ্যোগকে স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুকুরের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, আশপাশের পরিবেশের উন্নয়ন এবং জলাশয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এলাকাটিকে আরও পরিচ্ছন্ন ও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।শহরের জলাশয়গুলি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বৃষ্টির জল সংরক্ষণ এবং স্থানীয় পরিবেশকে সুন্দর রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পুকুরের সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি জলাশয়গুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি।আগরতলা পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতায় রঞ্জিতনগরের এই প্রকল্প এলাকার পরিকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী ও মেয়র-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়। রঞ্জিতনগর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নাগরিক পরিষেবার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে পুকুরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আগরতলা, ৯ অক্টোবর: আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের প্রস্তাবিত নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় শুক্রবার। এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুর নিগমের পূর্ব জোনাল চেয়ারম্যান সুখময় সাহা, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর রুমা দাস-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।নতুন ওয়ার্ড অফিস ভবন নির্মিত হলে এলাকার নাগরিকদের বিভিন্ন পুর পরিষেবা প্রদান এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওয়ার্ড স্তরে নাগরিক পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এলাকার মানুষের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে নতুন ভবনটি নির্মাণ করা হলে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ওয়ার্ড অফিসে যোগাযোগ করা আরও সুবিধাজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে

কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানুষের বিপদের দিনে দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় যুক্ত হলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স কমলপুরের বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। কারণ, সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া অনেক সময় একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।আজ কমলপুর টাউনহলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির উদ্যোক্তা ছিল কমলপুর মহকুমা প্রশাসন এবং সহযোগিতায় ছিল কমলপুর নগর পঞ্চায়েত। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব। তাঁর হাত ধরেই হাসপাতালের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, কমলপুর মহকুমার মেডিকেল অফিসার শুভাশিস দে, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার তথা ডিসিএম অদিতি দাস-সহ নগর পঞ্চায়েতের অন্যান্য কাউন্সিলররা।চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা ব্যয়ে এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।একটি অ্যাম্বুলেন্স শুধু রোগী পরিবহণের বাহন নয়, অনেক সময় তা হয়ে ওঠে সংকটাপন্ন মানুষের কাছে আশার ভরসা। দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা কিংবা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে দ্রুত পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে উপকৃত হবেন বহু মানুষ। বিশেষ করে মহকুমার সাধারণ মানুষের কাছে এই পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জনস্বার্থে এই উদ্যোগের সার্থকতা তখনই, যখন প্রয়োজনের মুহূর্তে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সহজে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা পাবেন। তাই নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়মিত ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করে কমলপুর মহকুমার মানুষের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করে তোলাই এখন প্রত্যাশা।মানুষের জীবন রক্ষায় প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। আর সেই সংকটের সময়ে রোগীর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক আশাব্যঞ্জক সংযোজন।
৬ বছর যাবত বাঁধ ওয়াটার পাম্প ভোগান্তির শিকার অপারেটর সহ স্থানীয়রা উদাসীন দপ্তর!ঘটনা মান্দাই ব্লকের অধীন উদয়কালাম পাড়ায়।

৬ বছর যাবত বাঁধ ওয়াটার পাম্প ভোগান্তির শিকার অপারেটর সহ স্থানীয়রা উদাসীন দপ্তর!ঘটনা মান্দাই ব্লকের অধীন উদয়কালাম পাড়ায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি: মান্দাই ব্লকের অধীন আর.সি নগর ভিসির অন্তর্গত উদয়কালাম পাড়ায় প্রায় ২০১৮ সালে স্থানীয়দের পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি ওয়াটার পাম্প বসানো হয় এবং এর অপারেটর ছিলেন সুকুমার দেববর্মা নামে এক যুবক।বছর দুয়েক ঠিক ঠাক মতো চললেও প্রায় ৬ বছর যাবত বন্ধ ওয়াটার পাম্পটি।সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নাম থাকলেও মান্দাই ব্লকের সিস্টেমে তার নাম নেই ফলে বন্ধ এই ওয়াটার পাম্পটি।ফলে পানীয় জলের সমস্যায় ভোগান্তির শিকার পাম্প অপারেটর সুকুমার সহ স্থানীয় জনগণ।সুকুমারের এও অভিযোগ এই পাম্পের জন্য একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বসানো হয় কিন্তু সেটিও ঠিক মতো চলে না।যার এবং তার নামও অপারেটর হিসেবে গিয়োগ পাওয়া সুকুমার দেববর্মার নামও কাটা।মূলত গোটা ঘটনা চক্রে পানীয় জল,কৃষি ক্ষেত্রে কৃষক সহ বঞ্চিত অপারেটর সুকুমার দেববর্মা।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সে বিস্তারিত জানান গোটা বিষয় এখন দেখার সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না উক্ত সমস্যা সমাধান