আগরতলায় বিএসএফ ও রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ‘সঞ্জীবনী-৩’ কর্মসূচি
আগরতলা: আগরতলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় আয়োজন করা হলো বিশেষ কর্মসূচি ‘সঞ্জীবনী-৩’। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণমূলক ভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। তাঁর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বিএসএফের আধিকারিক, রোটারি ক্লাবের সদস্য এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।অনুষ্ঠানের ব্যানার অনুযায়ী, Border Security Force (BSF)-এর উদ্যোগে এবং Rotary Club of Aspiring Agartala-এর সহযোগিতায় এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে বিএসএফের আধিকারিকরা সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের কল্যাণে বাহিনীর বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয় তুলে ধরেন। অন্যদিকে, রোটারি ক্লাবের সদস্যরাও সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রশাসনের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।বিএসএফ ও রোটারি ক্লাবের এই যৌথ উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যেও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। ‘সঞ্জীবনী-৩’ কর্মসূচির মাধ্যমে জনকল্যাণ, সামাজিক সহযোগিতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা আগামী দিনেও আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
বিশালগড় থানার পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে উঠলো ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত এক দেড় মাস পূর্বে বিশালগড় ১ নং গেইট সড়কে টমটম চাল এবং যাত্রী ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বিশালগড় থানার পুলিশ অফিসারের ভাইয়ের সঙ্গে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকে টমটম চালকের পরিবারকে বিশালগড় থানা থেকে মোটা অংকের টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে কোথাও বলা হয় ৬০ হাজার পরে বলা হয় দেড় লক্ষ টাকা দিতে হবে তা শুনে অসহায় পরিবার হতভম্ব হয়ে পড়ে। রবিবার দুপুরে বিশালগড় থানায় আসলে ওই মহিলাকে দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে, যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে থানার বিভিন্ন মামলায় সঙ্গে তাকে জড়িয়ে দেওয়া হবে। অসহায় মহিলা রবিবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্ত হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। একি চলছে বিশালগড়ে অরাজগতা? আইনের শাসন নেই বিশালগড়ে? কোথায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? জবাব চাইছে বিশালগড়ের জনগণ?
অমানুষিক ! টাটা কালীবাড়ির বীভৎসতা যেন ফের ভেসে উঠলো আমতলী থানাধীন বিক্রমনগরে
নিজস্ব প্রতিনিধি: কয়েকজন মহিলা মিলে টাটা কালীবাড়ির মতোই আরেক মহিলার উপর চওড়াও হয়ে রাস্তার ফেলে মারধর করেছে বলে অভিযোগ।আমতলী থানার অন্তর্গত বিক্রমনগরে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পর্দাফাঁস, স্থানীয়দের হাতে ধৃত দুই জোড়া যুবক-যুবতী, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম।সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক অধঃপতনের এক চরম এবং লজ্জাজনক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল আমতলী থানার অন্তর্গত বিক্রমনগর হাসপাতাল চৌমুহনী এলাকা। স্থানীয় একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী আগরতলা থেকে যুবতী ও বিবাহিত মহিলাদের এনে অসামাজিক কার্যকলাপ তথা মধুচক্র চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠছিল। শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা একজোট হয়ে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে দুই জোড়া যুবক ও বিবাহিত মহিলাকে আপত্তিকর অবস্থায় পাকড়াও করেন। এলাকার পবিত্র সামাজিক পরিবেশ কলুষিত করার অপরাধে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের গণধোলাই দেয়।অভিযুক্তদের মধ্যে রাজধানী আগরতলার ধলেশ্বর এলাকার বাসিন্দা প্রিয়ম বণিক নামে এক যুবকের নাম উঠে এসেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে একটি চক্র বিক্রমনগরের শান্ত পরিবেশকে ব্যবহার করে এই ধরনের অসামাজিক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।ঘটনার সবচেয়ে নিন্দনীয় এবং উদ্বেগজনক দিক হলো সত্য প্রকাশে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয়েছে সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যমকে। ঘটনার সঠিক তথ্য ও চিত্র ধারণের সময় এক অভিযুক্ত মহিলা কর্তব্যরত সাংবাদিকের ওপর আচমকা চড়াও হয়। গায়ের জোরে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তা আছড়ে ভেঙে ফেলা হয়। মুক্ত সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশকে রুখে দেওয়ার এই অপচেষ্টায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের আগুন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদমাধ্যমের ওপর এমন হামলায় স্থানীয় মহিলারা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং অসামাজিক চক্রটির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চড়াও হন। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় স্থানীয় থানার পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এক অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেয়। তবে ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চক্রের অপর দুই যুবক ও এক মহিলা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দিতে সক্ষম হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সাথে যুক্ত বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। একটি সুস্থ, অপরাধমুক্ত ও নৈতিক সমাজ গড়ার স্বার্থে এই ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একসুরে দাবি—অভিযুক্ত প্রিয়ম বণিক সহ পলাতক সমস্ত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সামাজিক নীতি-নৈতিকতা ও পরিবেশ বিনষ্ট করার দুঃসাহস না দেখায়।
দিনদুপুরে বাড়ি দখল হয়ে গেলেও পুলিশ-প্রশাসন নীরব !
নিজস্ব প্রতিনিধি :আগরতলার দুর্গা চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন রামঠাকুর লেন-এ। বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক নাগরিকের বাড়ির অংশ দখল করছে একদল যুবক। বাড়ির ওই অংশটি খাস । বাড়ির মালিকের দাবি ওই এলাকায় আরও অনেক বাড়ির দখলে খাস জমি আছে। কিন্তু একমাত্র তাদের দখলে থাকা জমি দখল করা হয়েছে ক্লাবের নামে। অথচ এই জায়গায় তিনি এক অসহায় দম্পতিকে ঘর করে থাকতে দিয়েছিলেন। ওরা প্রয়াত হতেই একাংশরা সেই জায়গার দখল নিতে উঠে পড়ে লেগেছে। পুলিশ এবং মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও সাড়া পাচ্ছে না আক্রান্ত পরিবার।
নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে আস্তিকতার পরিবেশে আসার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিনিধি: গণেশ পূজা উপলক্ষে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতি বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভগবান গণেশের আশীর্বাদে বিরোধীদের সুবুদ্ধির উদয় হবে এবং সমাজে নেতিবাচক ও নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে ইতিবাচক ও আস্তিকতার পরিবেশ গড়ে তোলার দিকে সবাই এগিয়ে আসবেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণেশ পূজা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভগবান গণেশকে জ্ঞান, বুদ্ধি, শুভবুদ্ধি ও মঙ্গলময়তার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। তাই এই পবিত্র দিনে সকলের মধ্যে শুভবুদ্ধি, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য গড়ে উঠুক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।বিরোধীদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বান, রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও সমাজ ও মানুষের স্বার্থে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত। নাস্তিকতার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আস্তিকতা, আস্থা, নীতি ও মূল্যবোধের পরিবেশে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গণেশ পূজার এই শুভক্ষণে রাজ্যের সকল মানুষের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
মানবসেবার বার্তা, ২৯তমবার রক্তদান করলেন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি অরিন্দম দেব
নিজস্ব প্রতিনিধি:ধর্মনগর, ১৩ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুবমোর্চার উদ্যোগে রবিবার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে এক রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিজেপি ও যুবমোর্চার নেতৃত্ব-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি অরিন্দম দেব। উদ্বোধনের পর মানবসেবার বার্তা দিতে তিনি নিজেও রক্তদান করেন। এদিন ছিল তাঁর জীবনের ২৯তম রক্তদান। নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে তিনি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার নজির স্থাপন করেছেন বলে আয়োজকদের দাবি।রক্তদান শেষে অরিন্দম দেব যুবসমাজের উদ্দেশে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যে মানবিকতার পাশাপাশি রক্তের প্রয়োজন মেটাতে স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্বও উঠে আসে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির উত্তর জেলা সভাপতি কাজল দাস, ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, বাগবাসার বিধায়ক যাদব লাল দেবনাথ, পানিসাগরের বিধায়ক বিনয় ভূষণ দাস, জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. তমজিত নাথ, ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা মলিনা দেবনাথ-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও সম্পাদিকা, উত্তর জেলা যুবমোর্চা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন মণ্ডলের যুবমোর্চা সভাপতিরা। রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। রক্তের সংকট মোকাবিলায় আগামী দিনেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের সামাজিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়।
মহারাজগঞ্জ বাজারের মাছ বাজারে আচমকা মুখ্যমন্ত্রী, যানজট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ব্যবসায়ী-জনসাধারণকে বার্তা
আগরতলা: শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা আগরতলার মহারাজগঞ্জ বাজারের মাছ বাজারে আচমকা পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ মানিক সাহা। শনিবার বাজার পরিদর্শনকালে তিনি বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, যানজট, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং ভবিষ্যতে বাজারকে আরও আধুনিক ও সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন।আচমকা মুখ্যমন্ত্রীকে বাজারে দেখতে পেয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। পরিদর্শনের সময় বাজারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে মাছ বাজারের পরিকাঠামো, চলাচলের ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাজার এলাকায় যানজটের পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।মহারাজগঞ্জ বাজারে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহনের লোডিং-আনলোডিংয়ের কারণে ব্যস্ত সময়ে যানজটের সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল আরও সহজ করা যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।বাজার এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বাজারে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলা এবং নির্দিষ্ট জায়গায় বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাজারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানান তিনি।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহারাজগঞ্জ বাজারকে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিকভাবে গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বাজারের বর্তমান সমস্যা চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে যানজট নিয়ন্ত্রণ, বাজারের পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাজার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি ক্রেতাদের জন্যও যাতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।মহারাজগঞ্জ বাজারের উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণের পাশাপাশি যানজট সমস্যা কমাতে প্রশাসনিকভাবে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর এই আচমকা বাজার পরিদর্শনকে ঘিরে এদিন মহারাজগঞ্জ বাজারে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা যায়। বাজারের বিভিন্ন সমস্যা সরেজমিনে দেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের।
টমটমে ফেলে যাওয়া ৩ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার!
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১ তারিখ নিরঞ্জন দেবনাথ পরিবার নিয়ে গোর্খা বস্তি পিএন কমপ্লেক্স থেকে রেল স্টেশনে যাওয়ার পথে টমটমে একটি ব্যাগ ফেলে যান। ব্যাগে ছিল ২ জোড়া চুড়ি, সোনার চেন ও মঙ্গলসূত্র - ওজন প্রায় ২ ভরি, বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। খবর পেয়ে IT ভবনের CCTV ফুটেজ বিশ্লেষণ করে SI জয়নাল হোসেনের তৎপরতায় গাড়ি শনাক্ত ও চালকের বাড়ি থেকে সমস্ত গয়না উদ্ধার করে পুলিশ। চালক নিজেও জানতেন না ব্যাগটি সিটের পিছনে পড়ে ছিল। আজ প্রকৃত মালিকের হাতে গয়না তুলে দিল এনসিসি থানার পুলিশ।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন ওসি পরিতোষ দাস
তেলিয়ামুড়ায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু!
নিজস্ব প্রতিনিধি:তেলিয়ামুড়া থানাধীন আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কের তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাসক কার্যালয়ের সংলগ্ন জারুইল বাড়ি এলাকায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। জানা গেছে, একটি বহিরাজ্যের গাড়ির পেছনে আচমকাই ধাক্কা মারে একটি বাইক। দুর্ঘটনায় বাইকে থাকা দু’জন আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা
নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরার চায়ের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রাজ্যের উন্নত মানের চা এবার পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। শুক্রবার আগরতলার দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩.৩১ মেট্রিক টন উন্নত মানের ত্রিপুরার চা ইউরোপের দেশগুলিতে পাঠানোর প্রক্রিয়ার সূচনা করা হয়।এই উপলক্ষে দুর্গাবাড়ি চা কারখানা প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরার চায়ের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তারের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই ইউরোপের উদ্দেশ্যে চা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।ত্রিপুরার চা দীর্ঘদিন ধরেই তার গুণমান ও স্বাদের জন্য পরিচিত। রাজ্যের পাহাড়ি ও সবুজ পরিবেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার চায়ের চাহিদা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের বাজারে এই বিপুল পরিমাণ চা পাঠানোর উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।চা রপ্তানির ফলে রাজ্যের চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত চা শ্রমিক, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ত্রিপুরার চা’-এর পরিচিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজ্যের চা শিল্প ভবিষ্যতে আরও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা পাঠানোর এই আনুষ্ঠানিক সূচনা তাই ত্রিপুরার চা শিল্পের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজ্যের উৎপাদিত উন্নত মানের চা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ত্রিপুরার চা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
Top News
View All →আগরতলায় বিএসএফ ও রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ‘সঞ্জীবনী-৩’ কর্মসূচি
September 13th, 2026
বিশালগড় থানার পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে উঠলো ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ!
September 13th, 2026
অমানুষিক ! টাটা কালীবাড়ির বীভৎসতা যেন ফের ভেসে উঠলো আমতলী থানাধীন বিক্রমনগরে
September 13th, 2026
দিনদুপুরে বাড়ি দখল হয়ে গেলেও পুলিশ-প্রশাসন নীরব !
September 13th, 2026
নাস্তিকতার পরিবেশ পরিহার করে আস্তিকতার পরিবেশে আসার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
September 13th, 2026
মানবসেবার বার্তা, ২৯তমবার রক্তদান করলেন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি অরিন্দম দেব
September 13th, 2026