হঠাৎ উত্তপ্ত হয় জম্পুইজলা ব্লকের চিকনছড়া গ্রাম!
নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরির ছাগল, মুরগি কেনার অভিযোগে মাংস ব্যবসায়ীর উপর সঙ্গবদ্ধভাবে হামলা চালায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!চিকনছড়া ভিলেজের গ্রামবাসীদের অভিযোগ এই এলাকার শত শত ছাগল এবং ভেড়া চুরি করে কম দামে বিক্রি করা হয় বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত চেছুড়িমাই এলাকার মাংস ব্যবসায়ী তপন সরকারের কাছে। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে মাংস ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সড়কে যানজট লেগে যায়।
শারীরিক হেনস্তা,দেখে নেওয়ার হুমকি অটো চালক সহ তার সঙ্গীর সার্কিট হাউস এলাকায়:সঠিক বিচার চাইলো যাত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি: এক অটো যাত্রীকে শারীরিক ভাবে হেনস্তা এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এক অটো চালক ও তার এক মহিলা সঙ্গী।ঘটনা রাজধানীর সার্কিট হাউস এলাকায়। জানা যায় গান্ধীগ্রাম থেকে TR01 M 2327 নম্বরের অটোতে ওঠে এক যুবক তার কাজের কিছু জিনিস নিয়ে।প্রথমেই আইন অমান্য করে অটো চালক ওভার লোড যাত্রী ওঠিয়েছেন এবং যার কারণে সে পুলিশের ভয়ে সার্কিট হাউসের আগেই যুবকটিকে নামিয়ে দেন এবং যাত্রীকে যেহেতু গন্তব্যে পৌঁছে দেননি চালক তাই সে অটো ভাড়া কিছু কম দেন।এবং এতেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে অটো চালক এবং উক্ত যাত্রীকে মারধর করে এবং রহস্যজনক ভাবে অন্য এক মহিলাও তার উপর হাত তুলে তাকে মারধর।পরে যাত্রী সেখান থেকে তার কাজে চলে যান।এবং সে গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন,ট্র্যাফিক পুলিশ ব্যবস্থা এবং সিন্ডিকেটের নিকট আবেদন জানান যাতে উক্ত ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ধর্মনগর হাসপাতালে চরম অব্যবস্থা! বিদ্যুৎ নেই,ডিজেল না থাকায় বন্ধ জেনারেটরও!
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের চরম অব্যবস্থার অভিযোগ ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখতে ব্যবহৃত জেনারেটর চালানোর জন্যও ডিজেল মজুত নেই বলে অভিযোগ।বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জরুরি পরিষেবা কীভাবে চলছে,তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিদ্যুৎ ও জেনারেটরের জ্বালানি—দুইয়েরই ঘাটতির অভিযোগ সামনে আসায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আগরতলা শহরে জমি উপহার, অসমিতা দে-কে সম্মান জানাবে রাজ্য সরকার দারিদ্র্য
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিকূলতা আর কঠোর পরিশ্রমকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন জুডো খেলোয়াড় অসমিতা দে। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগে স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করা এই সোনার কন্যাকে এবার অভিনব উপহারে সম্মান জানাতে চলেছে ত্রিপুরা সরকার। অসমিতা ও তাঁর পরিবারের হাতে আগরতলা শহরের উজান অভয়নগর এলাকায় প্রায় আড়াই গণ্ডা বসতবাড়ির জমি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজিত বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই জমি উপহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বলে জানা গেলেও ভবিষ্যতে এর মূল্য আরও বাড়তে পারে। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে অসমিতার ঐতিহাসিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অসমিতার সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। তাঁর বাবা পেশায় সাইকেল মেকানিক ছিলেন। মেয়ের স্বপ্ন পূরণে কঠোর পরিশ্রম করেছেন তিনি। পরবর্তীতে বাবাকে হারালেও মা অসমিতাকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাই আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বর্ণপদক জয়ের পরও অসমিতা বারবার তাঁর প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহার ব্যক্তিগত উদ্যোগেই অসমিতার জন্য শহরের মধ্যে জমি দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট দফতর আগরতলা শহরের উপযুক্ত জমি খুঁজে বের করে। সম্প্রতি অসমিতার মা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য ওই জমি পরিদর্শনও করেন। জমিটি তাঁদের পছন্দ হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, ইতিহাস সৃষ্টি করে ত্রিপুরায় ফিরছেন অসমিতা দে। বুধবার সকালে বিমানে আগরতলা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিমানবন্দরে নামার পর ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়, ক্রীড়া দফতরের আধিকারিক, জুডো অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাসহ বিশিষ্টজনেরা তাঁকে সংবর্ধনা জানাবেন। বিমানবন্দর থেকে অসমিতাকে রাজ্য অতিথিশালায় নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর দুপুর ১টা নাগাদ বিশেষ র্যালির মাধ্যমে তাঁকে শহরে নিয়ে আসা হবে। পরে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের। সেখানেই তাঁর হাতে জমি উপহারের ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হবে। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৪৮ কেজি জুডো বিভাগে স্বর্ণপদক জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো এই ইভেন্টে সোনা এনে দিয়েছেন ত্রিপুরার মেয়ে অসমিতা দে। তাঁর এই ঐতিহাসিক সাফল্য শুধু রাজ্যের নয়, গোটা দেশের গর্ব। স্বর্ণপদকের পর এবার আগরতলা শহরে জমি—অসমিতার এই সম্মান যেন তাঁর সংগ্রামী অতীত, তাঁর মায়ের ত্যাগ এবং প্রয়াত বাবার স্বপ্নের প্রতিও এক বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা
নিজস্ব প্রতিনিধি : দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো জেলা স্তরের গুরুত্বপূর্ণ পাঞ্চ সম্মেলন। বিকশিত ভারত–গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ), অর্থাৎ VB-GRAM-G Act, 2025-কে সামনে রেখে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সোমবার দুপুর ১২টায় বিলোনিয়ার পুরাতন টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা সরকারের পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, সমাজকর্মী দীপায়ন চৌধুরী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এই সম্মেলনে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ফলে জেলা স্তরের এই সম্মেলনে পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।বক্তব্য রাখতে গিয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। পঞ্চায়েতের কাজকর্মে কোনো ধরনের দুনম্বরি বা অনিয়মকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য তিনি উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পঞ্চায়েত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়াও বক্তব্যে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণ কর্মসংস্থান, জীবিকা এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনকে ঘিরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ এলাকার কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।।
কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার
নিজস্ব প্রতিনিধি: আবারও পুলিশের অমানবিক রুপ প্রকাশ্যে এসেছে। গরীব দুঃস্থ এক কৃষক ন্যায্য বিচারের জন্য প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুবেলা করে থানার প্রতিটি পুলিশ অফিসারদের অনুরোধ করার পরও কেউই দুঃস্থ কৃষককে পাত্তাই দিচ্ছে না। অসহায় কৃষক এবার মিডিয়ার দারস্থ। উল্লেখ্য, কৈলাসহরের দেওরাছড়া এডিসি ভিলেজের তিন নং ওয়ার্ডের বাঘাছড়া গ্রামের বাসিন্দা ইননুস আলী পেশায় একজন কৃষক। ছোট বড় মিলিয়ে উনার নিজের মোট আটটি গরু রয়েছে। ইননুস আলী প্রতিদিন সকালবেলা নিজের গরুদের ঘাস খাওয়ানোর জন্য পাশ্ববর্তী গ্রামের টিলা জায়গায় নিয়ে যান। টিলা জায়গায় গরুদের ছেড়ে আসার কয়েক ঘন্টা পর গ্রামের এক যুবক ইননুস আলীকে জানায় যে, গরুগুলো কীটনাশক ঔষধ খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এই কথা শোনেই ইননুস আলী সাথে সাথেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে দেখেন তিনটি গরু মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে এবং বাকী পাঁচটি গরু মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছে। সাথে সাথেই পাঁচটি গরুকে উদ্ধার করে বাড়িতে এনে লেবুর জল এবং তেতুলের জল খাইয়ে ঘরোয়া চিকিৎসা করিয়ে পাঁচটি গরুকে বাঁচিয়ে তোলে। মৃত তিনটি গরুর মৃতদেহের পাশে প্লাস্টিক ব্যাগ ও প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতর কীটনাশক ঔষধ পান ইননুস আলী। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করে ইননুস আলী এও জানান যে, সকালবেলা উনি যখন গরু গুলোকে নিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে টিলা জায়গায় গরু গুলোকে ছেড়ে বাড়িতে ফেরেন তখন রাস্তায় লালমারি দারলং, সাংগি দারলং এবং লাল এন কুয়ালা দারলং-এর সাথে দেখা হয় এবং তাদের সাথে কথাবার্তাও হয়েছে বলে জানান। তাদের প্রত্যেকের হাতে প্লাস্টিক ব্যাগ দেখতে পান। এই প্লাস্টিক ব্যাগ গুলো পরবর্তী সময়ে মৃত গরুর মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় অসহায় ইননুস আলী হতভম্ব হয়ে পাশ্ববর্তী দারলং গ্রামের চেয়ারম্যানকে সম্পুর্ন ঘটনা জানানোর পর চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে আশ্বস্ত করেন যে, চিন্তা করিও না, তুমাকে ন্যায্য বিচার করে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। এই ঘটনার জন্য পুলিশকে এবং মিডিয়াকে না জানানোর জন্য ইননুস আলীকে বলেছিলো চেয়ারম্যান। পরবর্তী সময়ে গ্রামে শালিসি বৈঠক করে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে না পেরে চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে জানিয়ে দেয় যে, তুমি যা পারো করে নিও। এই কথা শোনার পর ইননুস আলী কৈলাসহর থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার পরও পুলিশ মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু গুলোর ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশকে বার বার বলার পর পুলিশ জানিয়ে দেয় যে, পশু হাসপাতালে গিয়ে নিজেরা কথা বলে ময়নাতদন্ত করে নিতে। পুলিশের কথা মতো ইননুস আলী কৈলাসহরের পশু হাসপাতালে গিয়ে পশু চিকিৎসকদের জানানোর পর চিকিৎসকরা জানায় যে, পুলিশ উনাদের না বললে কিংবা পুলিশের লিখিত আদেশ না পেলে উনারা ময়নাতদন্ত করতে পারবে না। পশু চিকিৎসকদের এই কথা শোনার পর ফের কৈলাসহর থানায় গিয়ে জানানোর পর পুলিশ জানায় যে, পশু চিকিৎসকদের টাকা পয়সা দিলে চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত করে দেবে। এভাবে করে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও আজ অব্দি কৈলাসহর থানার পুলিশ ইননুস আলীর মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং পুলিশ আজ অব্দি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু তিনটি এক সপ্তাহ ধরে একই জায়গায় পড়ে থাকায় এলাকা জুড়ে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পাশ্ববর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষেরা নিজ বাড়িতে বসবাস করতে পারছে না পচা দুর্গন্ধের জন্য। পুলিশের এই অমানবিক কান্ডে গোটা বাঘাছড়া গ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কৈলাসহর থানা সূত্রে জানা যায় যে, শাসক দলের মন্ডলের প্রভাবশালী এক মাতব্বরের আঙ্গুলি হেলনের কারনে পুলিশ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। ঘটনাকারীদের কাছ থেকে মন্ডলের সেই ।মাতব্বর মোটা অংক পেয়ে পেয়েছে। সেজন্যই পুলিশ কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে ।
সরকারকে নিকম্মা বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত
নিজস্ব প্রতিনিধি:সিটু রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত বলেন আটটি জেলার ২০টি জায়গায় হাজার হাজার জন অংশ নিয়েছেন। নিকম্মা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। সংবিধান, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, জনজীবন বিপন্ন, তা-ই আজ প্রতিবাদী শামিল হয়েছেন। সিটুর রাজ্য কমিটির সম্পাদক সমর চক্রবর্তীর হাতে আঘাত লাগে, তার অপারেশন হবে। অংশগ্রহণকারী এক ছাত্রী পড়ে আহত হলেন তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। সরকার যদি শিক্ষা না নেয় তাহলে আরও আন্দোলনসারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক পবিত্র কর বলেছেন ব্যাপক সংখ্যক নারীরা অংশ নিয়েছেন। জমিতে কাজ থাকার পরও ব্যাপক অংশ নিয়েছেন কৃষক চাষিরা। একটি বেসরকারি নার্সিং হোমের সামনে ব্যারিকেড নিয়ে পুলিশের ভূমিকা দুরভিসন্ধিমূলক, মতলবটা ভালো ছিল না। জিএমপি সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা কয়েকবছরের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া মিললো। জুমিয়া, দিনমজুর ক্ষেত মজুর,মহিলা, পুরুষ, ছাত্র যুব, কৃষক, চাষি অংশ নিয়েছেন অভূতপূর্ব সাড়া মিললো আগরতলা সহ গোটা রাজ্যে। এডিসি, নন এডিসি এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষ জাগলো।ত্রিপুরা ক্ষেত মজুর ইউনিয়ন রাজ্য সম্পাদক শ্যামল দে বলেন ২৫ হাজারেরও বেশি অংশ নিয়েছেন। সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে অংশ নিয়েছেন। গণশক্তির সংগ্রামের মেজাজ ছিল কর্মসূচিতে। সরকার যে ভাষা বুঝে সেই ভাষা বুঝিয়ে দিলো জনতা। সিটু রাজ্য সভাপতি মানিক দে বলেন তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কর্মসূচিতে।সরকার কোনো শিক্ষা নেবে কিনা সরকার জানে। আইনের শাসন তলানিতে। দুর্নীতি মাথাচাড়া দিয়েছে। আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে করা হয়েছে। একটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও গনবিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো, আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি সংগঠিত করার আগাম জানান মানিক দে। আগামীদিনে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হবে বলেও মানিক দে জানান। সরকারের নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর দাবি করে অর্থনীতি দাবি পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটু রাজ্য সভাপতি।
রাজ্য সরকারি প্রকল্পে সুবিধা নেই, জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার
নিজস্ব প্রতিনিধি: মনস্রী চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধার কথা জানাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের পক্ষ থেকে Tata Trusts, Mumbai-কে দেওয়া একটি চিঠিতে মনস্রীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও হেড অব ডিপার্টমেন্ট ড. বিধান গোস্বামীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মনস্রী কোনও রাজ্য সরকারের মেডিক্যাল স্কিমের জন্য যোগ্য নন। ফলে রাজ্য সরকারের কোনও মেডিক্যাল প্রকল্পের আওতায় তাঁর চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বলে নথিতে জানানো হয়েছে। চিঠিতে আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY) নিয়েও তথ্য দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কভারেজ রয়েছে। তবে মনস্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার প্যাকেজটি AB-PMJAY-এর আওতাভুক্ত নয়। এর ফলে সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে মনস্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার খরচ বহনের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আশায় Tata Trusts-এর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। হাসপাতালের এই চিঠিতে সরকারি প্রকল্পের আওতায় মনস্রীর চিকিৎসার সুবিধা না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। ফলে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার জন্য পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার দিকেও তাকিয়ে রয়েছে পরিবার।
কংগ্রেসের উদ্যোগে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের উদযাপন অনুষ্ঠান
নিজস্ব প্রতিনিধি: ৯ই আগস্ট ১৯৪২ সালে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ।ঐতিহাসিক স্মৃতিকে স্মরণ করে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে রবিবার কংগ্রেস ভবনের সামনে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, তারপর একে একে দলীয় পতাকা থেকে শুরু করে শাখা সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করলেন নেতৃত্বরা । এরপর স্বাধীনতা আন্দোলনের মহান নেতৃত্ব ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁদের অবদান ও আত্মত্যাগকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মীরা। পরে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে কংগ্রেস ভবন থেকে পদযাত্রা করে গান্ধীঘাটের শহীদ বেদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। সেখানে পৌঁছে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ভারত ছাড়ো আন্দোলনের চেতনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শকে সামনে রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার বার্তাই এদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে তুলে ধরেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্ব।
কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিছিল
নিজস্ব প্রতিনিধি:দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির প্রতিবাদে ও ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ভারতীয় মজদুর সংঘের ঊনকোটি জেলা কমিটির উদ্যোগে ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘ ও সহায়িকারা কুমারঘাটে এক বিশাল মিছিলের পর SDM কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ার কারণে তাদের পক্ষে এখন সারা রাজ্যের সাথে ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার কুমারঘাটে অঙ্গনওয়াড়ি প্রকল্প বা SNP চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।উদাহরণস্বরূপ, বিভাগীয় দামের চেয়ে বাজারে ডিম, সয়াবিন তেল, ছানা, চিঁড়া, সুজি এবং মোবাইল রিচার্জের খরচ অনেক বেশি।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রীতথা ঊনকোটি জেলার মহিলা প্রমুখ আল্পনা দেবনাথ, BMS র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পিজুষ দাস, পেচারথল প্রজেক্টের সভানেত্রী নয়ন মল্লিকা চাকমা এবং কুমারঘাট প্রজেক্টের সভানেত্রী অঞ্জলি দেবনাথ সহ আরও অনেকে।এক সাক্ষাৎকারে ত্রিপুরা অঙ্গনারী কর্মী সংঘের রাজ্য সভানেত্রী আলপনা দেবনাথ ও বিএমএস-র ঊনকোটি জেলা সম্পাদক পীযূষ দাস জানান , বিরোধী ঐক্য সংগঠনের কিছু লোক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে গিয়ে বিভ্রান্তি চড়াচ্ছেন তা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, পাশাপাশি অঙ্গনারী কর্মীদের দাবিগুলি নিয়ে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে বিবেক বিবেচনা করেতা নিয়েও আশা ব্যক্ত করেন।
Top News
View All →হঠাৎ উত্তপ্ত হয় জম্পুইজলা ব্লকের চিকনছড়া গ্রাম!
August 13th, 2026
শারীরিক হেনস্তা,দেখে নেওয়ার হুমকি অটো চালক সহ তার সঙ্গীর সার্কিট হাউস এলাকায়:সঠিক বিচার চাইলো যাত্রী
August 13th, 2026
ধর্মনগর হাসপাতালে চরম অব্যবস্থা! বিদ্যুৎ নেই,ডিজেল না থাকায় বন্ধ জেনারেটরও!
August 12th, 2026
আগরতলা শহরে জমি উপহার, অসমিতা দে-কে সম্মান জানাবে রাজ্য সরকার দারিদ্র্য
August 12th, 2026
বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা
August 10th, 2026
কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার
August 10th, 2026