নিজস্ব প্রতিনিধি: সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে মানহানি ও অপপ্রচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শান্তিবাজার। ঘটনার জেরে অভিযুক্ত যুবক চন্দন দেবনাথ শান্তিবাজার থানার উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে। সিপাহীজলা জেলার নিদয়া এলাকার বাসিন্দা চন্দন দেবনাথ বি.এড কোর্সে ভর্তির জন্য অনুকূল দত্ত নামে এক ব্যক্তির কাছে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা দেন। রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় ২০ হাজার টাকা ফেরত পেলেও বাকি ১০ হাজার ৮০ টাকা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। অভিযোগ, অনুকূল দত্ত দাবি করেন ওই টাকা কলেজে জমা হয়ে গিয়েছে। এরপরই চন্দন দেবনাথ ফেসবুকে অনুকূল দত্ত ও তাঁর স্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে পোস্ট করেন।পাল্টা অনুকূল দত্তের অভিযোগ, ওই পোস্টের জেরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন ও সামাজিকভাবে মানহানি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রবিবার শান্তিবাজার থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। একইসাথে সরব হন অনুকূল দত্তের স্ত্রী দেবশ্রীতা নন্দীও।তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। চন্দন দেবনাথ তাঁর ভুল স্বীকার করে নেন এবং অনুকূল দত্ত ও তাঁর স্ত্রীর সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃতভাবে অনুকূল দত্তের স্ত্রীর ছবি ব্যবহারের জন্যও দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি। ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না বলেও তিনি জানিয়েছেন।