Tags

Share this article

উন্নয়নের লক্ষ্যে বিজেপি সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে : রাম প্রসাদ পাল

উন্নয়নের লক্ষ্যে বিজেপি সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে : রাম প্রসাদ পাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডুকলি আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত বাগমারা গ্রাম পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত গ্রাম সভায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) বা PMAY-G প্রকল্পের আওতায় ৩৪৯টি আবাসন বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এদিন উপযুক্ত সুবিধাভোগীদের মধ্যে ঘর বরাদ্দ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামপ্রসাদ পাল বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)-এর মাধ্যমে গৃহহীন ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের জন্য পাকা বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি সুবিধাভোগীদের সময়মতো ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান এবং সরকারি প্রকল্পের সুফল …
পরিবেশ সচেতনতায় সবাইকে বৃক্ষ রোপনের আহ্বান জানালেন কর্পোরেটর অভিষেক দত্ত

পরিবেশ সচেতনতায় সবাইকে বৃক্ষ রোপনের আহ্বান জানালেন কর্পোরেটর অভিষেক দত্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি :ভারতরত্ন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে এবং ১২৪ ব্যাটালিয়ন সিআরপিএফ-এর যৌথ সহযোগিতায় এক সফল মেগা প্ল্যান্টেশন ড্রাইভ অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে ডঃ মুখার্জীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১২৫টি বৃক্ষরোপণ করা হয়, যা পরিবেশ সংরক্ষণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারের প্রতীক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন 18 নং ওয়াটার কর্পুরেটর অভিষেক দত্ত ১২৪ ব্যাটালিয়ন সিআরপিএফ-এর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড শচিদানন্দ মিশ্র, কমান্ড্যান্ট সৌমেন বিশ্বাস, এছাড়াও সিআরপিএফ-এর অন্যান্য আধিকারিকবৃন্দ, এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক, ১৮ নং ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ অফিসে টাকা জমা দিতে গিয়েও ভোগান্তি !

বিদ্যুৎ অফিসে টাকা জমা দিতে গিয়েও ভোগান্তি !

নিজস্ব প্রতিনিধি : সেকেরকোট দারোগা বাড়ির স্থিত বিদ্যুৎ নিগম অফিসে বিল জমা দিতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার। নিরব দর্শকের ভূমিকায় বিদ্যুৎ নিগমের উপর মহলের কর্তারা। জানা গেছে সেকেরকোট দারোগাবাড়ি স্থিত বিদ্যুৎ নিগম অফিসে গত একমাস ধরে সার্ভার অচল, যার ফলে গত এক মাস ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গ্রাহকরা। গত একমাস ধরে গ্রাহকরা এই বিদ্যুৎ নিগম অফিসে তাদের বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে এসে কাউন্টারের সামনে গেলেই কাউন্টারে কর্মরত কর্মীরা জানিয়ে দেয় সার্ভার খারাপ তাই বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করা যাবে না। এই অবস্থায় প্রতিদিন গ্রাহকরা বিদ্যুৎ নিগম অফিসে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সোমবার ও ঠিক একই চিত্র উঠে আসলো। এদিন উত্তেজিত গ্রাহকরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে গ্রাহকরা তাদের অভিযোগ জানাতে গিয়ে বলেছেন। এই বিদ্যুৎ নিগম অফিসের আধিকারিকরা গ্রাহকদের বলে দিচ্ছে বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ নিগমের হেড অফিসে গিয়ে কথা বলতে। তারা আরো অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে সারাদিন এভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে বিদ্যুৎ বিল জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করে হয়রানীর শিকার হচ্ছে। তাদের দাবি রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম যেন দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে সঠিক ভূমিকা গ্রহণ করে।
রাতের অন্ধকারে দা নিয়ে হামলা! প্রাণে বাঁচলেন প্রদীপ!!

রাতের অন্ধকারে দা নিয়ে হামলা! প্রাণে বাঁচলেন প্রদীপ!!

নিজস্ব প্রতিনিধি:ঊনকোটি জেলার ফটিকরায় বিধানসভা এলাকার সায়দারপাড় ১ নম্বর ওয়ার্ডে গভীর রাতে এক ব্যক্তির ওপর ধারালো দা দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত প্রদীপ দাসকে প্রথমে ফটিকরায় হাসপাতাল এবং পরে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অভিযোগ, ৩০ জুন রাতে রাজনৈতিক বিষয়কে কেন্দ্র করে হওয়া বচসার জের ধরে গভীর রাতে শিপ্রেন্দু দাস ওত পেতে থেকে প্রদীপ দাসের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে হামলায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।আহতের স্ত্রীর গীতাঞ্জলি বিশ্বাসের অভিযোগ, পুরনো শত্রুতার জেরেই এই হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ফটিকরায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নম্বর ফটিকরায়/পিএস/২৩। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত পলাতক। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে আহতের পরিবার।
চরম বেহাল দশায় বামুটিয়া কালীবাজার,উদাসীন সরকার, ক্ষোভে ফুঁসছেন ক্রেতা বিক্রেতারা

চরম বেহাল দশায় বামুটিয়া কালীবাজার,উদাসীন সরকার, ক্ষোভে ফুঁসছেন ক্রেতা বিক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিনিধি:বামুটিয়া বিধানসভার অন্তর্গত কালীবাজার বামুটিয়া ব্লকের অন্তর্গত সব থেকে বড় সরকারি বাজার।এই কালী বাজার শুধু ব্লক এলাকার সব থেকে বড়বাজার নয় গোটা মোহনপুর মহকুমা সহ রাজ্যে সব্জির জন্য বিখ্যাত এই বাজার।এই বাজারে সব্জি বিক্রেতা সহ প্রতিদিন কয়েক হাজার ক্রেতা বিক্রেতার আগমন ঘটে কিন্তু ক্রেতা বিক্রেতার স্বার্থে মহকুমা,ব্লক বা পঞ্চায়েত প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই।বাজারে ক্রেতা বিক্রেতার স্বার্থে একটি সুলভ শৌচালয় করা হলেও ২ বছর যাবত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জঙ্গলে পরিণত হয়েছে,এর দুর্গন্ধে এটি ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই,সামান্য বৃষ্টিতে জলের উপরে ভাসে বাজারটি এবং মাছ ও মাংস বাজারের শেড থেকে শুরু করে গোটা এলাকা পরিণত ময়লা খলায়।কিছু দিন বাদে বাদে বাজার কমিটি ভাঙ্গা গড়া হলেও,এই বাজারে হয় না কোনো স্বচ্ছ ভারত অভিযান।বাজারের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় কোনো ভূমিকা নেই বাজার কমিটি। বামুটিয়া বিধানসভার এই কালী বাজার মোহনপুর মহকুমাধীন বামুটিয়া ব্লকের অধীন পূর্ব বামুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত পরিচালনা করে থাকলেও উক্ত বিষয় গুলিতে জানানো হলেও কোনো ভূমিকা নেই।বাজারে বড় বড় দোকান বাড়ি থাকলেও নেই দোকান,ময়লার স্তুপে গোটা বাজার,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাজারে প্রবেশ করতে হয় ক্রেতা বিক্রেতাদের,সুলভ শৌচালয় বন্ধ।এই বিষয়ে এক মাছ ব্যবসায়ী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে উক্ত সমস্যা গুলির সমাধানের দাবি জানান পাশাপাশি তিনি বলেন ক্রেতা বিক্রেতাদের স্বার্থে সুলভ শৌচালয়টি ব্যবহারের যোগ্য করে দেওয়ার এবং পরবর্তীতে তারা নিজেরাই এর রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।এখন দেখার বিষয় কবে নাগাদ,মহকুমা,ব্লক বা পূর্ব বামুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কালীবাজারের সমস্যা গুলি সমাধান করতে সক্ষম হয় বা উদ্যোগ গ্রহণ করে।
সারপ্রাইজ ভিজিট করতেই গড়মিল উন্মোচিত !

সারপ্রাইজ ভিজিট করতেই গড়মিল উন্মোচিত !

নিজস্ব প্রতিনিধি : রেশন শপ, অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র ও স্কুলে সারপ্রাইজ ভিজিটে উঠে এলো বিভিন্ন অনিয়ম! পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে মোহনপুর মহকুমা শাসকের।বৃহস্পতিবার মোহনপুর ব্লকের অধীন বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিভিন্ন রেশন শপ, অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র ও স্কুলে সারপ্রাইজ ভিজিট করে মোহনপুর মহকুমা প্রশাসন।মোহনপুর মহকুমা শাসক সান্তনু বিকাশ দাসের নেতৃত্বে চলে এই অভিযান।অভিযানে বিভিন্ন রেশন শপ,ও স্কুলের বিভিন্ন অনিয়ম উঠে আসে।বিজয়নগর-২ রেশন শপ নির্ধারিত সময়ে ছিল বন্ধ, পাশাপাশি বিজয়নগর এস বি স্কুলের কিছু অনিয়মও সামনে আসে।এই সকল বিষয়ে দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মোহনপুর মহকুমা শাসক সান্তনু বিকাশ দাস পাশাপাশি তিনি আরও জানান এই অভিযান আগামীদিনেও জারি থাকবে।
 মাদক বিরোধী সমাজ গঠনের আহ্বান মন্ত্রী টিংকু রায়ের

মাদক বিরোধী সমাজ গঠনের আহ্বান মন্ত্রী টিংকু রায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলার টাউন হলে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝরনা দেববর্মা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমার, শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন জয়ন্তী দেববর্মা, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের সচিব তপন কুমার দাস এবং পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক।
বে - আইনী গ্রেপ্তারে দোষী সাব্যস্ত সাব ইন্সপেক্টর

বে - আইনী গ্রেপ্তারে দোষী সাব্যস্ত সাব ইন্সপেক্টর

নিজস্ব প্রতিনিধি: বে - আইনী গ্রেপ্তারে দোষী সাব্যস্ত সাব ইন্সপেক্টরসুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে অমান্য করে বেআইনি গ্রেফতারের দায়ে রাজ্য পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টর কে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ২০০০ টাকা জরিমানা করে। উল্লেখ্য গত কিছুদিন আগে পূর্ব থানায় পুলিশ বিনা কারণে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে থানায় এনে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব আগরতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর সৈকত দে কে দোষী সাব্যস্ত করে উচ্চ আদালত।
৩ মাস ধরে বন্ধ সমস্ত সামাজিক ভাতা!বকেয়া ভাতা প্রদানের দাবিতে হেজামারা ব্লকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন!!পরে ডেপুটেশন প্রদান।

৩ মাস ধরে বন্ধ সমস্ত সামাজিক ভাতা!বকেয়া ভাতা প্রদানের দাবিতে হেজামারা ব্লকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন!!পরে ডেপুটেশন প্রদান।

নিজস্ব প্রতিনিধি: হেজামারা আর ডিব্লকে তিন দফা দাবি নিয়ে উপজাতি জনগোষ্ঠীরা বিডিও বরাবর ডেপুটেশন প্রদান করে। তাদের অভিমত মার্চ মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত চার মাস সকল সামাজিক ভাতা বন্ধ রয়েছে এগুলি অতি শীঘ্রই বকেয়াসহ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা। দ্বিতীয় দাবী হচ্ছে প্রতিমাসের এক তারিখ যেন সামাজিক ভাতা প্রকল্পের অর্থ গুলি প্রদান করা হয়। তৃতীয় দাবী হচ্ছে প্রত্যেক বেনিফিশারির আইডির মাধ্যমে তাদেরকে স্মার্টকার্ড প্রদান করা যাতে তারা যেকোনো জায়গা থেকে কার্ডের মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারে। সকাল থেকেই হেজামারা ব্লকের অধীন ২১টা এডিসি ভিলিজের জনজাতি ভাতা প্রাপকরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক ও সিধাই থানা কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছছেন। বিক্ষোপকারীরা হেজামারা আরডি ব্লকের প্রধান গেইটে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তাদের দাবি হেজামারা আইসিডিএস দপ্তরের সিডিপিও এবং ব্লকের ভিডিও তাদের এই সমস্যার সমাধান অতিশীঘ্রই করতে হবে।পরে ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় এমডিসি রবীন্দ্র দেববর্মা এবং তাদের দাবি সনদ ডেপুটেশন প্রদান করে।
 যুব ফেডারেশন ধর্মনগর মহকুমা সম্মেলন।

যুব ফেডারেশন ধর্মনগর মহকুমা সম্মেলন।

নিজস্ব প্রতিনিধি: উদ্যমী আন্দোলন ও নতুন সংকল্পের বার্তা: ধর্মনগরে অনুষ্ঠিত হলো ডি ওয়াই এফ আই-এর ২২তম মহকুমা সম্মেলন।এক বর্ণাঢ্য এবং বৈপ্লবিক আবহের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন (DYFI) ধর্মনগর মহকুমা কমিটির ২২তম মহকুমা সম্মেলন। ফয়জুর রহমান এবং হেম গোপাল শর্মা মঞ্চে আয়োজিত এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুব কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।ঐতিহ্য ও মর্যাদার সাথে সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সংগঠনের ধর্মনগর মহকুমা সভাপতি সানি চন্দ। এরপর উপস্থিত সকল প্রতিনিধি ও নেতৃত্ব শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।প্রতিনিধি সম্মেলনের মূল পর্বের শুরুতে সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেন রামেন্দু গোস্বামী, সানি চন্দ এবং উত্তম নাথ। ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক সমন্বয় কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশিত উদ্বোধনী গণসঙ্গীতের সুর সম্মেলন কক্ষে এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এরপর সভার শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন রাজিব নাথ।সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে সংগঠনের রাজ্য কমিটির সদস্য আব্দুল হাফিজ ডিওয়াইএফআই-এর সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন দিক ও শক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এবারের সম্মেলনে প্রধান অতিথি তথা প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পলাশ ভৌমিক। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনকে সমৃদ্ধ করেন রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বাসুদেব ভট্টাচার্য্য, সান্ত্বনো দেব এবং রাজ্য কমিটির সদস্য বিজয় বিশ্বাস, রাজিব নাথ।সাংগঠনিক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে সম্মেলনে প্রতিবেদন পাঠ করেন ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক অর্জুন নাথ। সেই প্রতিবেদনের ওপর মহকুমার ১৪টি অঞ্চল কমিটি থেকে আগত ১ জন করে মোট ১৪ জন প্রতিনিধি বিস্তর আলোচনা ও মতামত প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এই সম্মেলনে ১৪টি অঞ্চল থেকে সর্বমোট ২০০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন।সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান অমিতাভ দত্ত তাঁর সংক্ষিপ্ত অথচ জোরালো বক্তব্যে আগামী প্রজন্মকে বাঁচানোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য যুব সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি যুবকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও তেজি ও অব্যাহত রাখার বার্তা দেন। পাশাপাশি রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বাসুদেব ভট্টাচার্য্যও সম্মেলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।সম্মেলনের অন্তিম লগ্নে সর্বসম্মতিক্রমে ৪৯ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী নতুন ধর্মনগর মহকুমা কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটির প্রথম সভা থেকেই সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিম উদ্দিন-কে নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয় এবং অর্জুন নাথ-কে পুনরায় সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত করা হয়। নতুন এই নেতৃত্ব আগামী দিনে ধর্মনগরে যুব আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত ও বেগবান করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংগঠনের কর্মীরা।