আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা: আস্থা ও বিশ্বাস মানুষের জীবনকে আলোকিত করে, আর আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়। নাস্তিকের মানসিকতা থেকে আস্তিকের পরিবেশে উত্তরণের এই যাত্রা মানবজীবনে শান্তি, মূল্যবোধ ও মানবিকতার বিকাশকে আরও সুদৃঢ় আজ বিশালগড়ে মা দক্ষিণেশ্বরী কালি মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন,আজ বিশালগড়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী মন্দিরের নবনির্মিত মন্দিরের উদ্বোধন করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। আগামীদিনে এই মন্দির আস্থা, বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। সমাজে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটলে, মানুষ একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আরও দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে পূর্বতন সরকার যারা চালিয়েছিলেন, তারা মন্দির বিশ্বাস করতেন না। তারা নাস্তিক। কিন্তু আমরা হচ্ছি আস্তিক। ২০১৮ সালে আমাদের সরকার আসার পর এখন সারা ত্রিপুরায় আস্তিকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই বিশ্বাস ও আস্থার উপর ভিত্তি করেই আমাদের আগামীদিনের পথচলা। বিশালগড়ের মা দক্ষিণেশ্বরী কালি মন্দিরের একটা সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। এটা শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, এরসঙ্গে একটা ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। এই মন্দিরটিকে পর্যটনে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা সেটা নিয়েও বলছেন অনেকে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে আমি কথা বলবো। কারণ সবকিছুরই একটা গাইডলাইন রয়েছে। আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসার পর গোটা ভারতবর্ষে একটা আস্তিকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি উন্নয়ন এবং ঐতিহ্যের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও গৃহ গর্ভের সূচনা করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আমি নিজেও সেখানে গিয়ে দেখে এসেছি। আর ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়ে ধর্ম ধ্বজা উত্তোলন করেন। এরপরই রাম মন্দিরের সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠা লাভ হয়। প্রধানমন্ত্রী একদিকে দেশকে শক্তিশালী করছেন, অন্যদিকে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে আমাদের ঐতিহ্য পরম্পরাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের ত্রিপুরার মানুষ অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিকাশ ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বারাণসীতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধ্যান কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে কয়েম্বাটুরে ১১২ ফুট উঁচু আদি যোগী শিবের মূর্তি উন্মোচন করেন। ২০২২ সালে একাদশ ভক্তি সাধক শ্রী রামানুজাচার্যের ২১৬ ফুট উঁচু মূর্তি উন্মোচন করেন। বারাণসীতে কাশি বিশ্বনাথ ধাম ও করিডোরের উৎসর্গ করেন। কেদারনাথ ধাম পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২১ সালে গুজরাটে সোমনাথ মন্দিরে সমুদ্র দর্শনের পথ নতুনভাবে মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। কিছুদিন আগে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের নতুন আঙ্গিকের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ শক্তিশালী হচ্ছে এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুশান্ত দেব, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।
0
কৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ : মন্ত্রী রতন লাল নাথ
নিজস্ব প্রতিনিধি: কৃষকদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। কৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে বর্তমানে রাজ্যে মোট ২৮৪টি প্রকল্প চালু রয়েছে, যা অন্তিম ব্যক্তির উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রকল্প গুলির মধ্যে অধিকাংশই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজীর সময়কালে শুরু হয়েছে।বুধবার ধর্মনগরের রাগনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত “খেত বাঁচাও অভিযান” ও প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একদিনের জেলা পর্যায়ের কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিজমিকে রক্ষা করে প্রাকৃতিক চাষাবাদের দিকে মানুষকে উৎসাহিত করতেই দেশজুড়ে “খেত বাঁচাও অভিযান” পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচি ১ জুন শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রকৃতি ও পরিবেশের দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এবং তা দূষণের শিকার হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক ও জৈব কৃষির দিকে অগ্রসর হওয়া সময়ের দাবি।মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ত্রিপুরায় প্রায় ৫,০০০ হেক্টর জমিতে প্রাকৃতিক কৃষি চর্চা চলছে। চলতি বছরের শেষে এটি বৃদ্ধি করে ১৬,০০০ হেক্টরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তিনি বলেন ২০১৮ সালের আগে রাজ্যে প্রাকৃতিক কৃষির অস্তিত্ব প্রায় ছিল না বললেই চলে। তখন মাত্র প্রায় ২,০০০ হেক্টর জমিতে জৈব কৃষি হতো। বর্তমানে তা বেড়ে ২৬,০০০ হেক্টরেরও বেশি হয়েছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। যদিও অনেকে মনে করেন রাসায়নিক সার উৎপাদন বাড়ায়, বাস্তবে প্রাকৃতিক কৃষির মাধ্যমে কম খরচে ও টেকসইভাবে ভালো উৎপাদন সম্ভব।তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগে সমাজের সব স্তরের মানুষকে যুক্ত করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদেরও তাদের নিজস্ব জমিতে প্রাকৃতিক কৃষি গ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ কৃষকরাও অনুপ্রাণিত হন।রতন লাল নাথ বলেন, ভারত কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও কৃষিজমি সংরক্ষণ এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই লক্ষ্যে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের (KVK) বিজ্ঞানীরাও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য কৃষকদের সর্বাত্মক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উন্নত দেশে পরিণত করা। ২০১৪ সালের আগে ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে ১১তম স্থানে থাকলেও বর্তমানে তা চতুর্থ স্থানে উন্নীত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
0
বিপজ্জনক ব্রিজ দিয়ে চলাচল!মান্দাই বেগ্রাম পাড়ায় ব্রিজের সাইড ওয়াল ভেঙে পড়লো উদাসীন দপ্তর!
নিজস্ব প্রতিনিধি: মান্দাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিশ্বরাম বেগ্রাম পাড়া এলাকা যাতায়াতের প্রধান সড়কের ব্রিজের সাইড ওয়াল ভেঙে পড়লো প্রায় ৫ মাস ধরে।কিন্তু মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তর, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।স্থানীয়দের স্কুল,কলেজ,হাসপাতাল,বাজার হাট যাওয়ার একমাত্র রাস্তার ব্রিজটির এই বেহাল দশার কারণে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে,যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।স্থানীয়দের দাবি মান্দাইয়ের বিধায়ক স্বপ্না দেববর্মা, এমডিসি জগদীশ দেববর্মারাও ব্রিজটির সাইড ওয়াল মেরামতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।তাই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্থানীয় জনতা ব্রিজটির সাইড ওয়াল মেরামতের দাবি জানান।
রাজমিস্ত্রি স্বামীকে ছেড়ে টাইলস মিস্ত্রি প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর অভিযোগ! দুই সন্তানের মাকে ঘিরে চাঞ্চল্য!
নিজস্ব প্রতিনিধি: মোহনপুর বিধানসভার কলকলিয়া পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে স্বামী ও সন্তানদের ছেড়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগকারী সঞ্জীব সরকার পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তাঁর দাবি, ২০১৫ সালে সামাজিক রীতিনীতি মেনে সাব্রুমের বাসিন্দা শিখা সরকারের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।সঞ্জীব সরকারের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তাঁর স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং গভীর রাত পর্যন্ত ফোন ও ভিডিও কলে ব্যস্ত থাকতেন। এ নিয়ে পরিবারে অশান্তিও তৈরি হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শিখা সরকার দুই সন্তানকে নিয়ে সাব্রুমে বাবার বাড়িতে যান। পরে ১ মে সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরবেন বলে জানিয়ে গেলেও নির্ধারিত সময়ে আর ফেরেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।এরপর ২ মে মোহনপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন সঞ্জীব সরকার। অভিযোগ, কয়েকদিন পর অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর স্ত্রী নাকি এক টাইলস মিস্ত্রির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।স্বামীর আরও অভিযোগ, বাড়ি ছাড়ার সময় স্ত্রী ছেলে-মেয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর নামে বিভিন্ন কাপড় ও কসমেটিকের দোকান থেকে বাকিতে কেনাকাটা করে দেনার বোঝাও চাপিয়ে গেছেন।ঘটনায় ক্ষুব্ধ সঞ্জীব সরকারের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা উচিত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।তবে এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গৃহবধূ বা তাঁর পরিবারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সিটুর স্মারকলিপি!
নিজস্ব প্রতিনিধি: রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার অধিকার রক্ষার দাবিতে এবং পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সোমবার ধর্মনগর রেলস্টেশন ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করল সেন্টার অব ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস (সিটু)-এর ধর্মনগর মহকুমা কমিটি।স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়,দেশের বিভিন্ন রেলস্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও জীবিকা নির্বাহ করে আসা দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হচ্ছে।পাশাপাশি,এই উচ্ছেদের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবী নাগরিকদের বিরুদ্ধে পুলিশি নির্যাতন এবং গণগ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।সিটুর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে কোনো উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না এবং চলমান উচ্ছেদ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর মানবিক ও স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।সিটুর নেতৃবৃন্দ জানান,শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের আন্দোলন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আক্রান্ত ও লাঞ্চিত জনরোষে
নিজস্ব প্রতিনিধি: জয়পুরের শহীদ স্মৃতি চত্বরে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনরত জনতার মাঝে লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত হয়েছেন।জয়পুরের শহীদ স্মৃতি চত্বরে নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেকারত্ব নিয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ চলছিল। অভিজিৎ সেখানে ভাষণ দেওয়ার জন্য সমর্থকদের কাঁধে চেপে সভামঞ্চের দিকে এগোচ্ছিলে। সেই সময় ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন যুবক তাঁর স্কার্ফ টেনে ধরে, তাঁকে চড় মারে ও টেনে মাটিতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে ব্যাপক হট্টগোল শুরু হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ দুই যুবককে আটক করেছে।
কিডনি সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ স্বামীর প্রান বাঁচাতে রাজ্য সরকারের নিকট সাহায্যের আর্জি অসহায় স্ত্রীর!
নিজস্ব প্রতিনিধি: কমলাসাগর বিধানসভার মধুপুর আদর্শ কলোনী এলাকার বিনোদ দেবনাথ অন্যের রাবার বাগানে কাজ করে স্ত্রী সহ ছোট ছোট দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে কোনরকম ভাবে দিন যাপন করতেন। হঠাৎ গত ৫-৬ মাস আগে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। শব্দের পরামর্শ নিলে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেছে উনার দুটি কিডনিতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য জমানো সমস্ত টাকা দিয়ে শুরু করে চিকিৎসা। সরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে প্রাইভেট চিকিৎসকের পরামর্শ এমনকি চলে গিয়েও চিকিৎসা করান কিন্তু চিকিৎসার কোন উন্নতি হয়নি বরং দিনের পর দিন আরও অসুস্থ হতে থাকেন বিনোদ দেবনাথ। বর্তমানে বিনোদ দেবনাথ এর অবস্থা এতটাই সংকটজনক হয়ে পড়েছে যার উন্নত চিকিৎসা করাতে গেলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। এদিকে এই হতদরিদ্র পরিবারের সঞ্চয় করা যা অর্থ ছিল সবকিছুই বিনোদ দেবনাথ এর চিকিৎসায় খরচ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অসুস্থ বিনোদ দেবনাথ এর স্ত্রী সহ গোটা পরিবারটি মানসিক ও আর্থিক দিক দিয়ে ভেঙ্গে পড়েছে।এখন ঘন ঘন বিনোদ দেবনাথের শ্বাস কষ্ট শুরু হয় আর তখনই তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করাতে হয়।এই অবস্থায় অসহায় পরিবারটিকে এলাকার মানুষ ও মধুপুর থানার পুলিশরা চাঁদা তুলে সামান্য আর্থিক সাহায্য করেছে কিন্তু এইভাবে আর কয়দিন চলবে!!এদিকে অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় দিন দিন বিনোদ দেবনাথ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ্য করে তুলতে অসহায় স্ত্রী বুল্টি দেবনাথ এলাকার বিধায়িকা অন্তরা সরকার দেবের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন কিন্তু বিধায়িকে তাকে তেমন কোন সহযোগিতা করেননি শুধুমাত্র ভাতা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে অসুস্থ বিনোদ দেবনাথের স্ত্রী রবিবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে অসুস্থ স্বামীর প্রান বাঁচাতে রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন।তবে যদি অসহায় স্ত্রী বুল্টি দেবনাথ এর আকুল আর্তনাদ সরকারের কান পর্যন্ত পৌঁছায় তাহলে অবশ্যই সরকার এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে অসুস্থ বিনোদ দেবনাথের উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে বিনোদ দেবনাথের প্রান বাঁচাতে পারে।
খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের প্রধানমন্ত্রী -র নেতৃত্বাধীন সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে খোয়াই জেলা বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘বিকশিত ভারত কনভেনশন’। খোয়াই জেলার ছয়টি মণ্ডলকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় রবিবার তেলিয়ামুড়া চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ , রাজ্যের কৃষি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী , ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্যসচেতক তথা বিধায়িকা , ২৭ কল্যাণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক , বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বক্তা রাজ্যের মন্ত্রী রতন লাল নাথ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া সুবিধাগুলির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।এদিনের কনভেনশনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়। কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই বিশেষ কর্মসূচি।
মাদকের করাল গ্রাসে ঝরে গেল আরও এক তরতাজা প্রাণ! নিখোঁজের পর স্কুল প্রাঙ্গণে মিলল অজয় চাকমার নিথর দেহ!!
নিজস্ব প্রতিনিধি: লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছৈলেংটা ফিসারী পাড়া এসবি স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত যুবকের নাম অজয় চাকমা (২৭)। তাঁর পিতার নাম লক্ষ্মী কুমার চাকমা এবং বাড়ি ছৈলেংটা দারোগা পাড়া।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল প্রায় ৪টার দিকে এলাকাবাসী তাকে শেষবার দেখতে পান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।এলাকাবাসীর দাবি, অজয় চাকমা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতেন। ঘটনাস্থল থেকে ড্রাগস সেবনের কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত মাদক সেবন বা ওভারডোজের কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত নয়।মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন তাঁর চার বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান, স্ত্রী, মা ও বাবা। অজয় চাকমার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া এবং গোটা এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।ত্রিপুরায় বাড়তে থাকা মাদকাসক্তি আবারও কেড়ে নিল এক যুবকের প্রাণ—এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। আজ আগরতলার কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ১২ বছরের অসাধারণ যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। এই যাত্রা একটা পরিবর্তনের যাত্রা। স্বপ্ন পূরণের যাত্রা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন। নতুন ভারত নির্মাণের একটা যাত্রাপথ এই ১২ বছরে তিনি করে দেখিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উন্নয়ন, উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে সারা বিশ্নের মধ্যে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন এখন ভারত সেই সম্মান লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে একটানা ১২ বছর দেশ শাসন করছেন সেটা ভারতের ইতিহাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের পক্ষ থেকে সারা দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ১০ জুন, ২০২৬ দিল্লিতে আমিও ছিলাম। দিন হিসেবে দেখলে ৪৩৯৯ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এরআগে আমরা অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। কিন্তু যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরমধ্যে অন্যতম একজন। তিনি দেশের আপামর জনসাধারণের আশা আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। জবাবদিহিতা ও সততার এক অন্যান্য নিদর্শন তিনি। একটা স্বচ্ছতা ও সার্থক সমন্বয়ের সরকার আমরা দেখতে পেয়েছি। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনের সমন্বয় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি জনগণের রায়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য কাজ করার প্রয়াস আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের সঙ্গে মৌ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে একাধিক সংস্কার হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সুশাসন চলে এসেছে। জিএসডিপির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনীর ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম স্থানে রয়েছে ভারত। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও দেশের যুব শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
Top News
View All →আধ্যাত্মিক চেতনা সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেখায়: মুখ্যমন্ত্রী
June 17th, 2026
0
রাজনীতিকৃষিজমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ : মন্ত্রী রতন লাল নাথ
June 17th, 2026
0
মুখ্য খবরবিপজ্জনক ব্রিজ দিয়ে চলাচল!মান্দাই বেগ্রাম পাড়ায় ব্রিজের সাইড ওয়াল ভেঙে পড়লো উদাসীন দপ্তর!
June 17th, 2026
রাজমিস্ত্রি স্বামীকে ছেড়ে টাইলস মিস্ত্রি প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর অভিযোগ! দুই সন্তানের মাকে ঘিরে চাঞ্চল্য!
June 17th, 2026
রেল হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সিটুর স্মারকলিপি!
June 15th, 2026
ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আক্রান্ত ও লাঞ্চিত জনরোষে
June 15th, 2026