নিজস্ব প্রতিনিধি: মোহনপুর বিধানসভার কলকলিয়া পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে স্বামী ও সন্তানদের ছেড়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগকারী সঞ্জীব সরকার পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তাঁর দাবি, ২০১৫ সালে সামাজিক রীতিনীতি মেনে সাব্রুমের বাসিন্দা শিখা সরকারের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।সঞ্জীব সরকারের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তাঁর স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং গভীর রাত পর্যন্ত ফোন ও ভিডিও কলে ব্যস্ত থাকতেন। এ নিয়ে পরিবারে অশান্তিও তৈরি হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শিখা সরকার দুই সন্তানকে নিয়ে সাব্রুমে বাবার বাড়িতে যান। পরে ১ মে সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরবেন বলে জানিয়ে গেলেও নির্ধারিত সময়ে আর ফেরেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।এরপর ২ মে মোহনপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন সঞ্জীব সরকার। অভিযোগ, কয়েকদিন পর অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর স্ত্রী নাকি এক টাইলস মিস্ত্রির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।স্বামীর আরও অভিযোগ, বাড়ি ছাড়ার সময় স্ত্রী ছেলে-মেয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর নামে বিভিন্ন কাপড় ও কসমেটিকের দোকান থেকে বাকিতে কেনাকাটা করে দেনার বোঝাও চাপিয়ে গেছেন।ঘটনায় ক্ষুব্ধ সঞ্জীব সরকারের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা উচিত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।তবে এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গৃহবধূ বা তাঁর পরিবারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।