নিজস্ব প্রতিনিধি : গতকাল রাজ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল তেলিয়ামুড়ার কালিটিলা এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে চাল পরিমাপে ওজন কারচুপির গুরুতর অভিযোগ। সংবাদ প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসে মহকুমা খাদ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার তড়িঘড়ি করে সংশ্লিষ্ট রেশন দোকানে পৌঁছায় দপ্তরের প্রতিনিধি দল।মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক তথা ডিসিএম জিনিয়াস দেববর্মার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দোকান পরিদর্শন করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে। অভিযোগকারী গ্রাহক রঞ্জিত সাহার বক্তব্য ও দোকানের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা সামনে আসে বলে জানা যায়।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রেশন ডিলার সবিতা দত্ত লস্কর রায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগকারী রঞ্জিত সাহাকে তাঁর প্রাপ্য চাল তুলে দেওয়া হয়।তবে প্রশ্ন উঠছে, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত না হলে কি এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দপ্তর এত দ্রুত পদক্ষেপ নিত? সাধারণ মানুষের রেশন সামগ্রী নিয়েও যদি কারচুপির অভিযোগ ওঠে, তাহলে প্রশাসনের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে, কিছুদিন পূর্বে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর খাদ্য দপ্তর কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক জিনিয়াস দেববর্মা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
সরকারি সুবিধা সাধারণ মানুষের অধিকার, আর সেই অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপই এখন সময়ের দাবি।