Tags

Share this article

0

আত্মসমর্পনকারী বৈরীদের ডাকা বন্ধ ঘিড়ে থমথমে পাহাড় !

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজের দাবি আদায়ে আত্ম সমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন ওNLFT ও ATTF এর ১২ জুন যে বন্ধের ডাক দেন,এই বন্ধকে কেন্দ্র করে আজ থেকেই লোক জমায়েত শুরু আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের বড়মুড়া হাতাইকতর,সুবল সিং, মান্দাইয়ের ভৃগুদাস এলাকায় রেল লাইনে।জঙ্গি সংগঠনের নেতৃত্ব জানান বন্ধের সময় এম্বুলেন্স,দমকল বাহিনী,পুলিশের গাড়িকে ছাড় দেওয়া হবে।
আমবাসায় হঠাৎ ওষুধের দোকানে ড্রাগ ইন্সপেক্টরের অভিযান, চারু মেডিকেল হলে মিলল না ফার্মাসিস্ট

আমবাসায় হঠাৎ ওষুধের দোকানে ড্রাগ ইন্সপেক্টরের অভিযান, চারু মেডিকেল হলে মিলল না ফার্মাসিস্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার দুপুরে আমবাসা শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে আকস্মিক পরিদর্শনে যান ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায়। এদিন তিনি আমবাসার মোট চারটি ঔষধের দোকান পরিদর্শন করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শনকালে তিনি ওষুধের গুণগত মান ঠিক রয়েছে কি না, দোকানের লাইসেন্স বৈধ ও হালনাগাদ আছে কি না, দোকানে নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট উপস্থিত রয়েছেন কি না এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করেন।এসময় চারু মেডিকেল হল-এ কোনো ফার্মাসিস্ট উপস্থিত না থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। সংশ্লিষ্ট দোকান কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।ড্রাগ ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ সিংহ রায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দিয়ে বলেন, "চিকিৎসকের বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ ক্রয় বা সেবন করা উচিত নয়। নিজের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।"স্বাস্থ্য পরিষেবার মান বজায় রাখা এবং ওষুধ বিক্রিতে অনিয়ম রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
 নড়েচড়ে বসল খাদ্য দপ্তর! ন্যায্য মূল্যের দোকানে ওজন কারচুপির অভিযোগের সত্যতা মিলল তদন্তে!!

নড়েচড়ে বসল খাদ্য দপ্তর! ন্যায্য মূল্যের দোকানে ওজন কারচুপির অভিযোগের সত্যতা মিলল তদন্তে!!

নিজস্ব প্রতিনিধি : গতকাল রাজ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল তেলিয়ামুড়ার কালিটিলা এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে চাল পরিমাপে ওজন কারচুপির গুরুতর অভিযোগ। সংবাদ প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসে মহকুমা খাদ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার তড়িঘড়ি করে সংশ্লিষ্ট রেশন দোকানে পৌঁছায় দপ্তরের প্রতিনিধি দল।মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক তথা ডিসিএম জিনিয়াস দেববর্মার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দোকান পরিদর্শন করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে। অভিযোগকারী গ্রাহক রঞ্জিত সাহার বক্তব্য ও দোকানের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা সামনে আসে বলে জানা যায়।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রেশন ডিলার সবিতা দত্ত লস্কর রায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগকারী রঞ্জিত সাহাকে তাঁর প্রাপ্য চাল তুলে দেওয়া হয়।তবে প্রশ্ন উঠছে, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত না হলে কি এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দপ্তর এত দ্রুত পদক্ষেপ নিত? সাধারণ মানুষের রেশন সামগ্রী নিয়েও যদি কারচুপির অভিযোগ ওঠে, তাহলে প্রশাসনের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।এদিকে, কিছুদিন পূর্বে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর খাদ্য দপ্তর কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক জিনিয়াস দেববর্মা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।সরকারি সুবিধা সাধারণ মানুষের অধিকার, আর সেই অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপই এখন সময়ের দাবি।
শহরের দুই দোকান থেকে উদ্ধার ২ নাবালক!

শহরের দুই দোকান থেকে উদ্ধার ২ নাবালক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম বিরোধীদিবসেরপ্রাক্কালে,বটতলা থেকে দুই শিশু শ্রমিক উদ্ধার করল শ্রম দপ্তর।আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম বিরোধী দিবসের প্রাক্কালে বটতলা বাজারে অভিযান চালিয়ে দুই শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করল শ্রম দপ্তরের নেতৃত্বাধীন যৌথ অভিযানকারি দল। এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও চলতে থাকবে বলে জানান শ্রম দপ্তরের জয়েন্ট কমিশনার বিনয় ভূষণ দাস।
গোয়েন্দা বিভাগের বড় সাফল্য,কালিখলা ও লেদরাবাড়ি থেকে ৯৭৯ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার !

গোয়েন্দা বিভাগের বড় সাফল্য,কালিখলা ও লেদরাবাড়ি থেকে ৯৭৯ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার !

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য গোয়েন্দা শাখার খবরের ভিত্তিতে গাঁজা বিরোধী অভিযানে ব্যাপক সাফল্য পেল যাত্রাপুর থানা, থানার অন্তর্গত কালিখলা ও লেদরাবাড়ি থেকে ৯৭৯ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।টানা পাঁচ ঘন্টা ধরে চালানো এই অভিযানে 979 কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধারে সক্ষম হলো সিপাহীজলা জেলার যাত্রাপুর পুলিশ প্রশাসন। ত্রিপুরা গোয়েন্দা শাখার প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে চলা অভিযানে যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত লেদ্রাবাড়ি এবং উত্তর কালিখলা এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে ড্রাম ভর্তি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় অভিযানকারী দল। স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, টিএসআর, এবং যাত্রাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আসে এই সফলতা। যার নেতৃত্ব দেন যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।জানা যায় গভীর জঙ্গলে মাটির নিচে পুতা ছিল ২৭ টি ড্রাম এবং দুটি বস্তায় ভর্তিয় ছিল 979 কেজি গাঁজা গুলি । দীর্ঘক্ষণ অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত গাঁজা ভর্তি ড্রামগুলি উদ্ধার করে যাত্রাপুর থানায় আনতে সক্ষম হয় অভিযানকারী দল। পরে এক সাক্ষাতে অভিযান প্রসঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।আগামী দিনে এ ধরনের অভিযান জারি থাকবে বলে জানান ওসি, পাশাপাশি তিনি আরো জানান উদ্ধারকৃত এই গাঁজা গুলির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায়ই কোটি টাকার কাছাকাছি হবে।
ধলাই জেলার ছৈলেংটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা!বিজেপি কর্মীর হামলায় গুরুতর আহত তিপ্রা মথা কর্মী সুকো রায় দেববর্মা!

ধলাই জেলার ছৈলেংটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা!বিজেপি কর্মীর হামলায় গুরুতর আহত তিপ্রা মথা কর্মী সুকো রায় দেববর্মা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ময়নামা বাজারে বাজার করতে যান সুকো রায় দেববর্মা। সেই সময় হঠাৎ করেই অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী রমানাথ ত্রিপুরা তার ওপর আক্রমণ চালায়। অভিযোগ, গাড়ির চাবি দিয়ে সুকোর শরীরে একাধিক আঘাত করা হয়, যার ফলে তার শরীরের বাম দিকে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ছৈলেংটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে যান মনু ছৈলেংটা এলাকার MDC হলিউড চাকমা। তিনি আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।শুধু তাই নয়, তিনি সরাসরি থানায় গিয়ে ওসি-র সাথে কথা বলেন এবং অভিযুক্ত রমানাথ ত্রিপুরার দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।প্রশাসনের কাছে এখন বড় প্রশ্ন—কবে গ্রেফতার হবে অভিযুক্ত? এবং কতটা নিরাপদ সাধারণ মানুষ?
অভিযুক্ত মানব পাচারকারির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ !

অভিযুক্ত মানব পাচারকারির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ !

নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরাইবাড়ির লক্ষীনগরে মানব পাচারের অভিযোগ,পলাতক দীপন দাসকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব গ্রামবাসী!!ত্রিপুরার তিন দিক ঘিরে থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তকে কেন্দ্র করে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা দিন দিন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। সীমান্তের বহু অংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকা এবং পুরনো বেড়ার জীর্ণ অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে মানব পাচারকারী ও দালালচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠছে।এরই মধ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ত্রিপুরা-অসম সীমান্তবর্তী চুরাইবাড়ি থানাধীন লক্ষীনগর গ্রামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত দীপন দাসকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার রাতে সরব হন এলাকার বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ লক্ষীনগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মোঃ হারুন (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার পকিয়া গ্রামে। অভিযোগ, দীপন দাস ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এনে ভিন্ন পরিচয়ে দীর্ঘদিন নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। পাশাপাশি ভারতীয় পরিচয়পত্র সহ বিভিন্ন সরকারি নথি তৈরিতেও সহায়তা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।গ্রামবাসীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই মানব পাচার এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভুয়ো ভারতীয় নথিপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিল দীপন দাস। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, দীপন দাস একসময় জেলা আদালতে মুহুরীর কাজ করতেন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বহু বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য ভুয়ো নথিপত্র তৈরির ব্যবস্থা করতেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি নথিপত্র তৈরির জন্য মোটা অঙ্কের বাংলাদেশি অর্থ নেওয়া হতো এবং সেই অর্থ পরবর্তীতে অসমের শ্রীভূমি জেলার রামকৃষ্ণনগর এলাকায় ভারতীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হতো।গ্রামবাসীদের আরও দাবি, একসময় আর্থিকভাবে দুর্বল অবস্থায় থাকা দীপন দাস অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন, যা নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন ছিল।বুধবার রাতে লক্ষীনগর গ্রামের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে পলাতক অভিযুক্তের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য, চুরাইবাড়ি থানার পুলিশের ওপর আস্থা থাকলেও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন।স্থানীয়দের মতে, মানব পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো ভারতীয় নথিপত্র তৈরির মতো কর্মকাণ্ড দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। তাঁদের দাবি, পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলে অবৈধ মানব পাচার ও জাল নথি তৈরির সঙ্গে জড়িত বৃহত্তর চক্রেরও পর্দাফাঁস হতে পারে।
 আদালত চত্বরে পোস্টার নিয়ে বিস্ফোরক এডভোকেট মৃণাল কান্তি বিশ্বাস ও রঘুনাথ মুখার্জি !

আদালত চত্বরে পোস্টার নিয়ে বিস্ফোরক এডভোকেট মৃণাল কান্তি বিশ্বাস ও রঘুনাথ মুখার্জি !

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে নির্দল সভাপতি পদপ্রার্থী মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, সম্পাদক পদপ্রার্থী রঘুনাথ মুখার্জিরা সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন। কংগ্রেসের তরফে বিবৃতিতে মৃণাল কান্তি বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করা নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেন যারা কংগ্রেসের ঔ কমিটিতে আছেন তাদের মধ্যে সবাই বৈধ নন। সুতরাং অবৈধ কমিটির সুপারিশ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারবেন না। প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি দলীয়ভাবে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। মৃণাল কান্তি বিশ্বাসকেও এখন অবধি কোনো কথা বলেননি। তিনি ২০১৮সাল থেকে টানা জয়ী হয়ে আসা মৃণাল কান্তি বিশ্বাসরা মনে করেন তিনি আইনজীবী ভাই-বোনদের আশীর্বাদ চাইছেন তা-ই এবারও তিনি প্রার্থী হয়েছেন। আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চের প্রতিনিধিও ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশনে আছেন সহসভাপতি সুব্রত দেবনাথ। এবার সভাপতি পদপ্রার্থী আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চের সুব্রত দেবনাথ কোনোদিন কোনো দুর্নীতির অভিযোগ তোলেননি। এখন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আইনজীবীদের বিভ্রান্ত করা যাবে না বলেও মৃণাল কান্তি বিশ্বাস অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করার কথা বলে তিনি দাবি করেন আবার বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।রঘুনাথ মুখার্জি বলেন সাধারণ নির্বাচনে সম্পাদক পদপ্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিদ্যুৎ সূত্রধর সরকারি আইনজীবী, দায়িত্বে আছেন,সরকারি আইনজীবীরা আছেন, সরকারের দায়িত্ব পালন করে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করা মুসকিল। তিনি জানান রুমে রুমে পোস্টার সেঁটে দেওয়া হয়েছে। সম্পাদক পদপ্রার্থী বিদ্যুৎ সূত্রধরের দলের লোকজনই এ পোস্টার সেঁটে দিয়েছেন। আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন ভাস্কর দেববর্মা সম্পাদক ছিলেন সিটু নিয়ন্ত্রিত অটোচালক আইনজীবীকে মারধর করলেও কোনো ব্যবস্থা করেননি। অমিত আচার্য খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে প্রার্থী করলো আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চ।
রোগীর তাণ্ডব ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে!

রোগীর তাণ্ডব ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে!

নিজস্ব প্রতিনিধি : ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির হামলা!!পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা!!! উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে বুধবার এক অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা এক ব্যক্তি আচমকাই সেখানে উপস্থিত অন্য এক ব্যক্তির উপর হামলা চালায়। ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং রোগী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।এক ব্যক্তির হঠাৎ করে আক্রমণের ঘটনায় অপর ব্যক্তি সামান্য আহত হন। হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ধর্মনগর থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়।পরে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং বেশ কিছুদিন দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
বিধায়ক বীরজিৎ সিনহার সাংবাদিক সম্মেলনের পর বন দপ্তরের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলে জানান দপ্তরের আধিকারিক

বিধায়ক বীরজিৎ সিনহার সাংবাদিক সম্মেলনের পর বন দপ্তরের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলে জানান দপ্তরের আধিকারিক

নিজস্ব প্রতিনিধি:...৫ লক্ষের বেশি ক্রয়ে টেন্ডার না ডাকার অভিযোগ বিধায়ক বিরজিৎ সিংহের। নয়জন অংশগ্রহণকারীর কেউই শর্ত মানেননি, দাবি এসডিএফও শুভম দাসের।কৈলাসহর বনদপ্তরের কোটেশন প্রক্রিয়া নিয়ে বিধায়ক বিরজিৎ সিংহের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেই কোটেশন বাতিল করে দিলেন কৈলাসহরের এসডিএফও শুভম দাস। গত ৬ জুন সাংবাদিক সম্মেলন করে বিধায়ক বিরজিৎ সিংহ অভিযোগ করেছিলেন, কৈলাসহর বনদপ্তর নিয়ম-নীতি না মেনে বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ের জন্য কোটেশন আহ্বান করেছিল। কোটেশনের তারিখ ছিল ২২ মে ২০২৬ থেকে ৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। কিন্তু দপ্তর ২২ মে আগরতলার আই.সি.এ.টি অফিসে কোটেশনের পরিপ্রেক্ষিতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য পাঠায় এবং তা প্রকাশিত হয় ২৮ মে ২০২৬। বিধায়কের দাবি, পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি কোনো কিছু ক্রয় করতে হলে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে টেন্ডার ডাকতে হয়, যা এক্ষেত্রে মানা হয়নি।এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে কৈলাসহরের এসডিএফও শুভম দাস জানান, তিনি কোটেশন প্রক্রিয়া বাতিল করে দিয়েছেন। যে নয়জন দরপত্রে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের কেউই টেন্ডারের নিয়ম-নীতি মানেননি। বিধায়কের এই অভিযোগের পরেই গত ৪ জুন তিনি কোটেশন বাতিল করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান এসডিএফও। যদিও এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি, মৌখিকভাবে বাতিলের কথা জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, কোটেশনের শুরু হয়েছিল ২২ মে এবং শেষ দিন ছিল ৩ জুন। এসডিএফও জানান, কাগজপত্র ঠিক না থাকায় এবং শর্ত না মানায় কাউকেই গ্রহণ করা হয়নি। বিধায়ক ৬ জুন সাংবাদিক সম্মেলন করলেও, এসডিএফও-র দাবি তিনি ৪ জুনই কোটেশন গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

Top News

View All →
শহরের দুই দোকান থেকে উদ্ধার ২ নাবালক! | Newstoplink.com