নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে নির্দল সভাপতি পদপ্রার্থী মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, সম্পাদক পদপ্রার্থী রঘুনাথ মুখার্জিরা সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন। কংগ্রেসের তরফে বিবৃতিতে মৃণাল কান্তি বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করা নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেন যারা কংগ্রেসের ঔ কমিটিতে আছেন তাদের মধ্যে সবাই বৈধ নন। সুতরাং অবৈধ কমিটির সুপারিশ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারবেন না। প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি দলীয়ভাবে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। মৃণাল কান্তি বিশ্বাসকেও এখন অবধি কোনো কথা বলেননি। তিনি ২০১৮সাল থেকে টানা জয়ী হয়ে আসা মৃণাল কান্তি বিশ্বাসরা মনে করেন তিনি আইনজীবী ভাই-বোনদের আশীর্বাদ চাইছেন তা-ই এবারও তিনি প্রার্থী হয়েছেন। আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চের প্রতিনিধিও ত্রিপুরা বার এসোসিয়েশনে আছেন সহসভাপতি সুব্রত দেবনাথ। এবার সভাপতি পদপ্রার্থী আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চের সুব্রত দেবনাথ কোনোদিন কোনো দুর্নীতির অভিযোগ তোলেননি। এখন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আইনজীবীদের বিভ্রান্ত করা যাবে না বলেও মৃণাল কান্তি বিশ্বাস অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করার কথা বলে তিনি দাবি করেন আবার বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।
রঘুনাথ মুখার্জি বলেন সাধারণ নির্বাচনে সম্পাদক পদপ্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিদ্যুৎ সূত্রধর সরকারি আইনজীবী, দায়িত্বে আছেন,সরকারি আইনজীবীরা আছেন, সরকারের দায়িত্ব পালন করে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করা মুসকিল। তিনি জানান রুমে রুমে পোস্টার সেঁটে দেওয়া হয়েছে। সম্পাদক পদপ্রার্থী বিদ্যুৎ সূত্রধরের দলের লোকজনই এ পোস্টার সেঁটে দিয়েছেন। আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন ভাস্কর দেববর্মা সম্পাদক ছিলেন সিটু নিয়ন্ত্রিত অটোচালক আইনজীবীকে মারধর করলেও কোনো ব্যবস্থা করেননি। অমিত আচার্য খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে প্রার্থী করলো আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চ।