Tags

Share this article

 দড়ি দিয়ে পাথরের সাথে বাঁধা মৃতদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে! চাঞ্চল্যকর ঘটনা কুমারঘাটে

দড়ি দিয়ে পাথরের সাথে বাঁধা মৃতদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে! চাঞ্চল্যকর ঘটনা কুমারঘাটে

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলাশয়ে উদ্ধার রহস্যময় লাশ!! কুমারঘাটে চাঞ্চল্য, খুন নাকি আত্মহত্যা—ধোঁয়াশায় পুলিশ। কুমারঘাট থানার অন্তর্গত ভাটি দুধপুর পঞ্চায়েত এর কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় একটি জলাশয় থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া এই মৃতদেহকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক রহস্য, যা এখন তদন্তের কেন্দ্রে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলাশয় থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায় দেহটি একটি রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল এবং সঙ্গে একটি বড় পাথর জড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের ধারণা, যাতে মৃতদেহটি জলের উপর ভেসে উঠতে না পারে সেজন্যই এমনভাবে পাথর বেঁধে জলে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার পর এলাকায় নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন—এটি কি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, নাকি অন্য কোনও রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই মৃত্যুর পিছনে?এদিকে সূত্রের খবর, সম্প্রতি ফটিকরায় থানায় এক ব্যক্তির নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি সেই নিখোঁজ ব্যক্তির হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। তবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।যদিও ঘটনাস্থল কুমারঘাট থানার অধীন, তথাপি মৃতদেহ শনাক্তকরণের স্বার্থে ফটিকরায় থানার পুলিশকেও ঘটনাস্থলে আসতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল দুই-ই বাড়ছে। বিশেষ করে মৃতদেহের সঙ্গে রশি ও পাথর পাওয়ার বিষয়টি রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে। তবে এটি হত্যা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু—সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।রহস্যময় এই মৃত্যুর নেপথ্যে কী লুকিয়ে আছে? খুনের ছক, নাকি অন্য কোনও অজানা কাহিনি? উত্তর খুঁজছে পুলিশ, অপেক্ষায় গোটা কুমারঘাট ও ফটিকরায় জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়েছে
জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫: ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েতের সাফল্য, সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী কিশোর বর্মন

জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫: ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েতের সাফল্য, সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী কিশোর বর্মন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫-এর অধীনে ত্রিপুরার পঞ্চায়েতগুলির উল্লেখযোগ্য সাফল্য সম্পর্কে শনিবার আগরতলার সিভিল সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন গ্রামীণ উন্নয়ন (পঞ্চায়েত) বিভাগের মন্ত্রী কিশোর বর্মন।সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কাজের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় স্তরে ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েত পুরস্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনসেবার মানোন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই গ্রামীণ পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।মন্ত্রী আরও বলেন, এই অর্জন রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, সরকারি কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে পঞ্চায়েতগুলিকে আরও উন্নয়নমূলক কাজে উৎসাহিত করবে।গ্রামীণ উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ই-টেন্ডার উধাও ৩৩ লক্ষ টাকার ক্রয়! কুমারঘাট হাসপাতালে সরঞ্জাম কেনায় কি ‘গোপন বন্দোবস্ত

ই-টেন্ডার উধাও ৩৩ লক্ষ টাকার ক্রয়! কুমারঘাট হাসপাতালে সরঞ্জাম কেনায় কি ‘গোপন বন্দোবস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুমারঘাট মহকুমা হাসপাতালের জন্য প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকার এফআরইউ (First Referral Unit) সরঞ্জাম ক্রয়কে কেন্দ্র করে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। বাধ্যতামূলক ই-টেন্ডারিংকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে এত বড় অঙ্কের সরকারি ক্রয় সম্পন্ন হল, কেনই বা কোনও বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল না—এই প্রশ্নে সরব হয়েছে ঊনকোটি জেলা কংগ্রেস। শনিবার কৈলাসহরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে ন্যাশনাল হেলথ মিশন (এনএইচএম)-এর মিশন ডিরেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় জেলা কংগ্রেস।জেলা কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রায় ৩২ থেকে ৩৩ লক্ষ টাকার এই সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ই-টেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। পরিবর্তে ফিজিক্যাল টেন্ডারের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগরতলাভিত্তিক একটি সংস্থাকে কাজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এত বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে কেন গোপনীয়তার আবরণ তৈরি করা হল, তা নিয়ে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিরাজিত সিনহা, জেলা কংগ্রেস সভাপতি বদরুজ্জামান, বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য্যসহ অন্যান্য নেতৃত্ব। জেলা কংগ্রেস সভাপতি বদরুজ্জামান অভিযোগ করেন, রাজ্যের অন্যান্য জেলায় একই ধরনের প্রকল্পে ই-টেন্ডারিং বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করা হলেও কুমারঘাটের ক্ষেত্রে রহস্যজনকভাবে ভিন্ন পথ অবলম্বন করা হয়েছে।তাঁর প্রশ্ন, “যদি সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে, তাহলে ই-টেন্ডার এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কেন পড়ল? কেন সংবাদপত্রে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল না? কাকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই বা এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে?”কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, সরকারি ক্রয়ের মূল ভিত্তি হল উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই নীতিগুলোকেই কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে বহু যোগ্য সরবরাহকারী সংস্থা প্রতিযোগিতার সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকতে পারে।জেলা কংগ্রেসের অভিযোগ, বিষয়টি শুধু একটি টেন্ডার প্রক্রিয়ার প্রশ্ন নয়; এটি সরকারি অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং জনস্বার্থ রক্ষার প্রশ্ন। তাই তারা অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান ক্রয় প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় ই-টেন্ডারের মাধ্যমে সরঞ্জাম ক্রয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।বদরুজ্জামান জানান, অভিযোগের অনুলিপি ঊনকোটি জেলার জেলা শাসকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবে কংগ্রেস।তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত এনএইচএম বা স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—৩৩ লক্ষ টাকার এই ক্রয় প্রক্রিয়ায় সত্যিই কি নিয়ম ভাঙা হয়েছে, নাকি এর আড়ালে রয়েছে আরও বড় কোনও রহস্য? এখন সেই উত্তর খুঁজছে সাধারণ মানুষও।
কমলপুর সাইকাবাড়ি তুইসই ওয়াটারফলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, স্নান করতে নেমে প্রাণ হারালেন ১৯ বছরের যুবক অনন্ত সিং

কমলপুর সাইকাবাড়ি তুইসই ওয়াটারফলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, স্নান করতে নেমে প্রাণ হারালেন ১৯ বছরের যুবক অনন্ত সিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: কমলপুর মহকুমার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাইকা তুইসই ওয়াটারফলে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হলেন বিশ্রামগঞ্জের এক যুবক। মৃতের নাম *অনন্ত সিং (১৯)*। তাঁর বাড়ি বিশ্রামগঞ্জ ইটভাট্টা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ বিশ্রামগঞ্জ থেকে ৮ জন বন্ধু মিলে সাইকা তুইসই ওয়াটারফলে বেড়াতে আসেন। সেখানে সবাই একসঙ্গে জলপ্রপাতে স্নান করছিলেন। সেই সময় হঠাৎ করেই গভীর জলে তলিয়ে যান অনন্ত সিং। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কিছুক্ষণ পর বন্ধুরা দেখতে পান অনন্তআর জলের ওপর ভেসে উঠছেন না। এরপর তাঁরা চিৎকার শুরু করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা। দীর্ঘ চেষ্টার পর তাঁকে জল থেকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি কমলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।মৃত যুবকের বন্ধুদের দাবি, সবাই একসঙ্গে স্নান করছিলেন। আচমকাই অনন্ত গভীর জলের অংশে চলে যান এবং মুহূর্তের মধ্যেই তলিয়ে যান। তাঁরা আরও জানান, অনন্ত সিং সাঁতার জানতেন না।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র সন্তান ছিলেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পৌঁছাতেই বিশ্রামগঞ্জে তাঁর পরিবারের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়।প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটনস্থলে আগত দর্শনার্থীদের গভীর জলে নামার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে যারা সাঁতার জানেন না, তাদের জলপ্রপাত ও গভীর জলাশয়ে নামার আগে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ব্যাবস্থার বেহাল দশা! ইনচার্জ বদলাতেই বাড়ল যানজট, ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ !

তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ব্যাবস্থার বেহাল দশা! ইনচার্জ বদলাতেই বাড়ল যানজট, ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ !

নিজস্ব প্রতিনিধি : তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে নিবাস চন্দ্র দাস দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই শহরের ট্রাফিক ব্যাবস্থার মান ক্রমশ নিম্নমুখী হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গুলিতে প্রতিদিনই অবৈধ পার্কিং, যানজট এবং ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।অভিযোগ, সপ্তাহের প্রায় প্রতিটি দিনই আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের তেলিয়ামুড়া শহর সংলগ্ন বিভিন্ন অংশে অবৈধ পার্কিংয়ের জেরে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বাজার এলাকা ও ব্যাস্ততম মোড় গুলিতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এবং নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষ'কে। যদিও মাঝে মধ্যে একজন এসপিও বা কনস্টেবল'কে মোতায়েন করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু এত বড় এলাকায় একজন কর্মীর পক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।        সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দেখা যায় সপ্তাহের দুই হাটবার—সোমবার ও শুক্রবার। ওই দিন গুলোতে তেলিয়ামুড়া ফল বাজার থেকে অম্পি চৌমুহনী পর্যন্ত জাতীয় সড়কের দু'পাশ কার্যত অস্থায়ী টমটম ও অটোরিকশা স্ট্যান্ডে পরিণত হয়।        শতশত টমটম ও অটোরিকশা রাস্তার ধারে অবৈধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে জাতীয় সড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এর ফলে যেকোনও সময় অ্যাম্বুলেন্স, দমকল কিংবা অন্যান্য জরুরি পরিষেবার গাড়ি আটকে পড়ে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।স্থানীয়দের দাবি, অতীতে একাধিক ট্রাফিক ইনচার্জ তেলিয়ামুড়ায় দায়িত্ব পালন করলেও ট্রাফিক ব্যাবস্থার এমন করুণ চিত্র কখনও দেখা যায়নি।            তাদের অভিযোগ, বর্তমান ইনচার্জের আমলেই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা কার্যত ভেঙ্গে পড়েছে এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারির অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে।এদিকে ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে আরও অভিযোগ, ইনচার্জ নিবাস চন্দ্র দাস নিজের পছন্দের কয়েকজন কর্মী'কে অফিসের কাজে নিয়োজিত রাখলেও মাঠ পর্যায়ে কর্মীর ঘাটতি প্রকট। অথচ ট্রাফিক অফিসে তেমন উল্লেখযোগ্য প্রশাসনিক কাজ না থাকা সত্ত্বেও বহু এসপিও ও কনস্টেবল'কে দফায় দফায় বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত জনবল পাওয়া যাচ্ছে না।      এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট ও অব্যাবস্থার দায় কে নেবে? জাতীয় সড়কে প্রতিদিনের বিশৃঙ্খলা কি প্রশাসনের নজরে পড়ছে না, নাকি সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ?       তবে এ বিষয়ে ট্রাফিক ইনচার্জ নিবাস চন্দ্র দাসের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি অভিযোগ গুলি অস্বীকার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেন। যদিও তার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন বহু স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের মতে, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং মাঠে নামলেই সেই বেহাল অবস্থার প্রমাণ মিলবে।
আইন বহির্ভূত বালি বোঝাই গাড়ি আটক

আইন বহির্ভূত বালি বোঝাই গাড়ি আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি :বেআইনিভাবে বালি পরিবহনের জন্য আটক গাড়ি! শান্তিরবাজার মহকুমা কাকুলিয়া ফরেস্ট অফিস গাড়িটি আটক করেছে।অবৈধভাবে বালি পরিবহনের জন্য একটি গাড়ীকে আটক করলো কাকুলিয়া ফরেষ্ট রেঞ্জ। কাকুলিয়া ফরেষ্ট রেঞ্জের অধীনে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালি উত্তোলন থেকে শুরু করে অবৈধভাবে বালি পরিবহনকরেযাচ্ছে কিছুসংখ্যক অসাধু বালিমাফায়ারা। এরইমধ্যে শুক্রবার গোপন খবরের ভিত্তিতে কাকুলিয়া ফরেষ্ট রেঞ্জ অভিযান চালিয়ে টি আর ০২ জি ১৭৪১ নাম্বারের বালি বোঝাইগাড়ী আটক করে। এইনিয়ে কাকুলিয়া ফরেষ্ট রেঞ্জার সংবাদমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত তুলেধরেন।
 নাবার্ডের সহযোগিতায় আঙ্গুর চাষের একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নাবার্ডের সহযোগিতায় আঙ্গুর চাষের একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আঙ্গুর চাষের প্রসার এবং কৃষকদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে একদিনের মাঠভিত্তিক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আঙ্গুর চাষের আধুনিক পদ্ধতি, সম্ভাবনা এবং বাজারজাতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এদিন নাবার্ডের অনুদানে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের মূল্যায়ন ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে অঞ্চলে আঙ্গুর চাষের সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে এবং কৃষকরা বিকল্প আয়ের নতুন পথ খুঁজে পাবেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিংকু রায়, জেলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস -সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠান শুরুর আগে মন্ত্রীবৃন্দ ও অতিথিরা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আঙ্গুর বাগান পরিদর্শন করেন। তারা বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং ফলের গুণগত মান ও মিষ্টতা যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তারা।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফলচাষে উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। এতে কৃষিক্ষেত্রে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
পাওয়ার লিফটিং খেলায় জাতীয় আসরে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করলো অভিজিৎ

পাওয়ার লিফটিং খেলায় জাতীয় আসরে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করলো অভিজিৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি ... ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করল দরিদ্র পরিবারের ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা মা । তার নাম অভিজিৎ দে । সে বির বিক্রম মেমোরিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র । তার বাড়ি যোগেন্দ্রনগর আদর্শ কলোনি এলাকায় । অন্ধ্র প্রদেশের আমালাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় সাব জুনিয়র এবং জুনিয়র পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতা। নজির গড়েন অভিজিৎ দে। জুনিয়র বিভাগে ৫৩ কে জিতে স্বর্ণ পদক জয়ের পাশাপাশি জাতীয় রেকর্ড করেন অভিজিৎ। ১৭৫ কে জি তুলে। প্রায় ৪০ বছর পর রাজ্যের কোনো খেলোয়াড় জাতীয় রেকর্ড করার গৌরব অর্জন করেন।
শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল

শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির দল

নিজস্ব প্রতিনিধি : চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতাল। জেলা হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক দিবারাত্র অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে জেলাহাসপাতালের উন্নয়ন করেযাচ্ছে। উনারা প্রতিনিয়ত জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রুগি ও জেলা হাসপাতালে আগত রুগিদের সঠিকভাবে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানকরে সুস্থ করেতুলছে। শুধুমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা নয় উনারা নিজেদের পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নকরেযাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরিশ্রমের ফলে জাতীয় স্তরের সহায়তা পেতে যাচ্ছে শান্তির বাজার জেলাহাসপাতাল। জাতীয়স্তরের সহযোগীতার জন্য সোমবার শান্তির বাজার জেলাহাসাপাতাল পরিদর্শনে আসে এন কোয়াস টিম। তিন জনের প্রতিনিধিদল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। তিনদিন যাবৎ চলবে এইপরিদর্শন। পরিদর্শন শুরুর পূর্বে আগত প্রতিনিধিদলের সদস্যদের আনুষ্ঠিকভাবে বরন করেনেওয়াহয়। পরবর্তীসময় জেলাহাসপাতালের বিভিন্ন পরিকাঠামোর দিকগুলো সম্পর্কে জানান দেওয়াহয়। আলোচনা শেষে তিনজনের প্রতিনিধির দল জেলা হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরের বাভিন্নদিকগুলি পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনকালে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধাদানকরে সাব্রুম মহকুমার রূপাইছড়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রর মেডিকেল অফিসার রাহুল দাস। রাহুল দাস শান্তির বাজর জেলা হাসপাতালের উন্নয়ন চাইছেনা তাই জেলাহাসাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া কর্মরত সাংবাদিকদের দুরব্যাবহার করছে বলে অভিযোগ। রূপাইছড়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পথেকে অর্থ নয়ছয় করার অভিযোগ রয়েছে রাহুল দাসের বিরুদ্ধে। আজকেরদিনে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতলে এসে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টিকরতে প্রয়াস চালিয়েগেছে মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রাহুল দাস। উনার এইধরনের কার্যকলাপে সকলের মধ্যে ছিঃ ছি রব উঠেছে। লোকগুঞ্জনে শুনাযাচ্ছে ডাক্তার রাহুল দাস এনকোয়াস টিমের ভিজিটে বাধাদানকরে জেলাহাসপাতালের বদনাম করতে প্রয়াসচালিয়েযাচ্ছে। এইধরনের অফিসারকে আজকের এইগুরুত্ব দিনে জেলাহাসপাতালে রখাহয়েছে তানিয়ে লোকজনেরা প্রশ্নকরতে শুরুকরেছে। আজকের এই সার্বিক পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন এনকোয়াস টিমের সদস্য সুনিত শ্রীবাস্তব, রেনুকা সিন্দে, অঙ্কীতা নাথ, দক্ষিন জেলার জেলাসভাধিপতি দীপক দত্ত, শান্তির বাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তির বাজার পুরপরিষদের চেয়ারম্যান সপ্নাবৈদ্য, ভাইসচেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা, শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার লুফাং মগ, দক্ষিনজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জে এম দাস। শান্তির বাজার জেলাহাসপাতালে এন কোয়াস টিমের আগমনকে কেন্দ্রকরে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্যকরাযায়। সকলে চাইছে শান্তির বাজারজেলা হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নহোক।
২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর

২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিলোনিয়ায় ৮.১৭ কোটির ৩ কৃষি প্রকল্প চালু | ২৫% জমিতে প্রাকৃতিক চাষের ডাক কৃষিমন্ত্রীর | রাজনগর ও বিসি নগরে ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন। বিলোনিয়া মহকুমায় কৃষি পরিকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ। একইদিনে ৮ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। কৃষকদের প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহ দিলেন মন্ত্রী।আজ রাজনগর ব্লকের পাশে ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এগ্রি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ-কাম-ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন হয়। একইদিনে বিলোনিয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের পাশে ১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকার কৃষি উপ-অধিকর্তার কার্যালয় এবং বিসি নগরে ৩ কোটি ১১ লক্ষ টাকার আরও একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু হল।কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। যন্ত্রপাতি থেকে প্রশিক্ষণ, সব দিচ্ছে সরকার। আমি অনুরোধ করব, রাসায়নিক সার কমিয়ে অন্তত ২৫ শতাংশ জমিতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করুন। জমি ফেলে রাখবেন না। ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’-এ সামিল হোন। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, বিধায়ক স্বপ্না মজুমদার সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা কৃষকদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে বলেন। সভাপতিত্ব করেন রাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ নাথ। স্বাগত ভাষণ দেন কৃষি অধিকর্তা ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া।নতুন এই তিনটি কেন্দ্রের মাধ্যমে বিলোনিয়া মহকুমার কৃষকরা আধুনিক চাষের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রশাসনের।

Top News

View All →
কমলপুর সাইকাবাড়ি তুইসই ওয়াটারফলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, স্নান করতে নেমে প্রাণ হারালেন ১৯ বছরের যুবক অনন্ত সিং | Newstoplink.com