Tags

Share this article

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দিলেন মেয়র।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দিলেন মেয়র।

নিজস্ব প্রতিনিধি:গতকাল রাতে পেয়ারি বাবুর বাগান এলাকার স্বর্গীয় দেবল পাল মহোদয়ের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বসত ঘর সম্পূর্ণরূপে বশীভূত হয়ে যায়। উনার প্রতি একাই সেই বাড়িতে থাকতেন। তবে গতকাল তিনি বাড়িতে ছিলেন না মেয়ের বাড়িতে ছিলেন সেই সময় ঘরে আগুন লেগে সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যায়। শনিবার সেখানে ছুটে যায় এলাকার বিধায়ক তথা মেয়র দীপক মজুমদার। উনি বিপদকালীন সময়ে ওনার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। অপরদিকে সরকারি ভাবে গতকালকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়। দীপক বাবু সরকারি সহায়তায় যেন ঘর পেতে পারে সেই ব্যবস্থার আশ্বাস দেন।
চোরা কারবারিদের বিরুদ্ধে কুমারঘাট পুলিশের জোড়া অভিযান!

চোরা কারবারিদের বিরুদ্ধে কুমারঘাট পুলিশের জোড়া অভিযান!

চোরা কারবারিদের রুখে দিতে কুমারঘাট থানা পুলিশের জোড়া সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। শুক্রবার রাতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে একের পর এক অভিযানে বানচাল বড়সড় পাচারচক্র।গোপন খবরের ভিত্তিতে ৯১ মাইল এলাকায় নাকা তল্লাশিতে আটক হয় AS 01 EH 9983 নম্বরের একটি ওয়াগন আর গাড়ি। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ২২ কার্টন বার্মিজ সিগারেট, যার বাজারমূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকারও বেশি। গ্রেপ্তার করা হয় কৈলাশহরের দুই বাসিন্দা চালককে।একই রাতে কুমারঘাট-কৈলাশহর মূল সড়কের সায়দাবাড়িতে ইলেকট্রিক অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বাজেয়াপ্ত হয় বিপুল পরিমাণ শব্দবাজি। TR 02 DH 846 নম্বরের ওই গাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোনাইমুড়ির রাজেশ মালাকারকে, যার কাছে থাকা বাজিগুলোর দাম প্রায় ১৫ হাজার টাকার অধিক।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমারঘাট থানার দুই সাব ইন্সপেক্টর দেবব্রত শীল ও অভিরূপ দাস। থানার ওসি সঞ্জয় দাস জানান, মোট বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর মূল্য ১১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকারও বেশি। শুধু এই অভিযানই নয়, আগামী দিনেও এই ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে সমাজবিরোধী ও চোরা কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আগরতলা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ১১তম দীপাবলি উৎসব ও শ্যামা পূজা, তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা

আগরতলা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ১১তম দীপাবলি উৎসব ও শ্যামা পূজা, তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা

আগরতলা: আলোর উৎসব দীপাবলি ও শ্যামা পূজা উপলক্ষে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে আগরতলা শহর। আগরতলা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় সার্বজনীন কালী পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ১১তম দীপাবলি উৎসব ও শ্যামা পূজা। এই উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাধারঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা মীনারানী সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর হরিসাধন দেবনাথ, বিবেকনগরের মহারাজ স্বামী দিবানন্দ এবং রাজ্যের বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূজা কমিটির কর্মকর্তারা, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা দীপাবলি ও শ্যামা পূজার তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, দীপাবলি শুধুমাত্র আলোর উৎসব নয়, এটি অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর জয়, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বহন করে। এই ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী উৎসবের প্রথম দিনেই ছিল নানা আকর্ষণীয় আয়োজন। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক প্রতিভাদের পরিবেশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে। পাশাপাশি দর্শনার্থী ও ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থাও করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রথম দিনটি আনন্দমুখর হয়ে ওঠে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিন দিনব্যাপী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই থাকছে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। দীপাবলি ও শ্যামা পূজাকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আলোকসজ্জা, পূজার আয়োজন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসব প্রাঙ্গণে তৈরি হয়েছে এক মনোরম পরিবেশ।সার্বজনীন কালী পূজা কমিটির এই উদ্যোগে ১১তম বর্ষের দীপাবলি উৎসব ও শ্যামা পূজা এলাকার মানুষের কাছে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই ভক্ত-পুণ্যার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে উদয়পুরের ঐতিহাসিক মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণ।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই ভক্ত-পুণ্যার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে উদয়পুরের ঐতিহাসিক মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণ।

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৮ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব মাতাবাড়ির দীপাবলি উৎসব ও মেলা। আগামী ৮ নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা এই উৎসব ও মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। শনিবার সন্ধ্যায় মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান দীপাবলি উৎসব ও মেলা কমিটির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক অভিষেক দেবরায়। সাংবাদিক সম্মেলনে বিধায়ক জানান, ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় কল্যাণ সাগরের পাড়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা কল্যাণ আরতিতে অংশগ্রহণ করবেন। পরবর্তীতে সন্ধ্যা মঞ্চে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী দীপাবলি উৎসব ও মেলার শুভ সূচনা করবেন তিনি। এবারের উৎসব ও মেলাকে কেন্দ্র করে প্রায় ১০ লক্ষ ভক্ত-পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম পীঠস্থান মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই দীপাবলি উৎসব ও মেলায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বহিঃরাজ্য থেকেও অসংখ্য পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে। ধর্মীয় ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক আবহের পাশাপাশি এবছর আধুনিক বিনোদনের নানা আকর্ষণও যুক্ত করা হয়েছে। মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে বিশেষ ড্রোন শো। পাশাপাশি তিনদিন ধরে রাজ্যের এবং বহিঃরাজ্যের বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাজ্য ও বহিঃরাজ্যের দুই হাজারেরও বেশি শিল্পী অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান বিধায়ক। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে কাশী থেকে আগত পুরোহিত ও পণ্ডিতদের দ্বারা মঙ্গল আরতির আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরটিকে কাঁচা ফুলের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় থাকছে বর্ণাঢ্য আলোকসজ্জা। মেলা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ উদয়পুরের সুভাষ সেতু পর্যন্ত আধুনিক আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে পানীয় জল ও শৌচাগারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।এদিকে বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগমের কথা মাথায় রেখে মন্দির ও মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধায়ক জানান, মন্দির চত্বরে পুণ্যার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৮০০ জন স্বেচ্ছাসেবক সর্বদা দায়িত্ব পালন করবেন। মন্দিরে প্রবেশ ও বহির্গমনের জন্য পৃথক পথ নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যাতে পুণ্যার্থীদের যাতায়াতে কোনও ধরনের সমস্যা সৃষ্টি না হয়। এছাড়া পর্যাপ্ত সংখ্যক টিএসআর, পুলিশ বাহিনী এবং কুইক রেসপন্স টিম নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকবে।মেলার নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাস জানান, উৎসব চলাকালীন যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ ওয়াচ টাওয়ার, কমান্ড পোস্ট এবং পুলিশ বুথ স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসন প্রস্তুত থাকবে বলেও তিনি জানান।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ-অধিকর্তা টিংকু বিশ্বাস, মাতাবাড়ি আর.ডি. ব্লকের বিডিও অরিজিৎ পাল, গোমতী জেলাশাসক কার্যালয়ের ডেপুটি কালেক্টর ও ম্যাজিস্ট্রেট চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
 মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আগরতলা পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা

মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আগরতলা পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: আসন্ন আগরতলা পুর নিগমের নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার উপস্থিতিতে আগরতলা পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডের বিজেপি মনোনীত প্রার্থীরা আগরতলার সদর মহকুমা শাসকের (এসডিএম) কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।এই কর্মসূচিকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রচার ও নির্বাচনী তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে।
 বক্সনগর কাণ্ডে ধৃত ৮ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ!

বক্সনগর কাণ্ডে ধৃত ৮ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ!

নিজস্ব প্রতিনিধি:সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর এর আশাবাড়িতে বিএসএফের উপর অতর্কিত হামলা এবং হাতিয়ার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গতকাল রাতে আরো আটজন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয় কলমচোড়া থানার পুলিশ।আজ এই আট জন আসামিকে আদালতে প্রেরণ করি পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে আটজন আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে চেয়ে মহামান্য আদালতে প্রেরণ করা হয়।  সিপাহীজলা জেলা ও দায়রা জজ্ আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফার্স্ট ক্লাস সায়ন্তন রয় এই ৮ জন আসামিদের আটদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।গতকালকের রাতের আট জন আসামি সহ মোট ১৮ জন আসামিকে পুলিশ এখনো অব্দি আটক করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৩রা নভেম্বর প্রথমেই ১০ জন আসামিকে মহামান্য আদালত পুলিশ রিমান্ড এবং জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। আজ বাকি আটজনকে আট দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। উক্ত মামলার আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর গৌতম গির জানিয়েছেন মহামান্য আদালত পুলিশ রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করায় এই মামলায় জড়িত অপরাধীদের সঠিক বিচার এবং ঘটনার সঠিক বাস্তবতা উঠে আসবে।
২০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থী রত্না দত্ত

২০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থী রত্না দত্ত

 নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: আসন্ন আগরতলা পুর নিগমের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারাভিযানে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী রত্না দত্ত নিজ ওয়ার্ড এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে বের হন।প্রচারের সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। নির্বাচনে জয়ী হলে এলাকার মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে ২০ নম্বর ওয়ার্ডে রাজনৈতিক তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে।
দীপাবলির আগে চাম্পাহাউর পুলিশের বড়সড় সাফল্য!১০ কেজি গাঁজা ও বিলেতি মদ উদ্ধার, আটক এক নেশা কারবারি

দীপাবলির আগে চাম্পাহাউর পুলিশের বড়সড় সাফল্য!১০ কেজি গাঁজা ও বিলেতি মদ উদ্ধার, আটক এক নেশা কারবারি

নিজস্ব প্রতিনিধি আলোর উৎসব দীপাবলির প্রাক্কালে নেশা বিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল খোয়াইয়ের চাম্পাহাউর থানার পুলিশ।গোপন খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আশারামবাড়ি সীমান্তবর্তী মহন্তবস্তি এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে পাঁচটি প্যাকেটে মোট ১০ কেজি শুকনো গাঁজা এবং বেশ কিছু পরিমাণ বিলেতি মদ উদ্ধার করা হয়।এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে বাড়ির মালিক অধীর নমশূদ্রকে। তার বাড়ি আশারামবাড়ি বনবাজার সংলগ্ন মহন্তবস্তি এলাকায়।জানা গেছে, বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে ওই নেশাজাতীয় সামগ্রী মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের কাছে গোপন খবর আসে।চাম্পাহাউর থানার ওসি সনেশ দেববর্মা এবং সেকেন্ড ওসি অজিত দেববর্মার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী এই অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, আগামীকাল ধৃতের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে মামলা গ্রহণ করে তাকে খোয়াই জেলা ও দায়রা আদালতে সোপর্দ করা হবে।দীপাবলির আগে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের এই অভিযানে নেশা কারবারিদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ত্রিপুরায় সংগঠন গড়ার উদ্যোগ CJP-র, যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের বার্তা

ত্রিপুরায় সংগঠন গড়ার উদ্যোগ CJP-র, যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের বার্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরায় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার পাশাপাশি যুবসমাজকে একত্রিত করে রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরব হওয়ার উদ্যোগ নিলো CJP। বুধবার ত্রিপুরা ইউনিটের উদ্যোগে আগরতলা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন CJP-র নেতা শাহিদ এবং মণিপুর থেকে আসা সংগঠনের নেতা নূর শাহ। পাশাপাশি ত্রিপুরায় সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা শুভম, প্রণব ও অপ্রজিত-সহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকরাও উপস্থিত ছিলেন।সাংবাদিক সম্মেলনে শাহিদ জানান, ত্রিপুরার পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক আলোচনা চলছে। এরই অংশ হিসেবে ত্রিপুরায় এসে স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। কীভাবে সংগঠনকে তৃণমূল স্তরে আরও শক্তিশালী করা যায়, কীভাবে আঞ্চলিক সমস্যা এবং ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সরব হওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।তিনি বলেন, ত্রিপুরায় বেকারত্ব, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ সমস্যার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে। এই সমস্যাগুলি নিয়ে যুবসমাজকে সংগঠিত করে একটি শক্তিশালী মঞ্চ গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য। সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক চাপ সৃষ্টিকারী মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নেই বলে দাবি করে শাহিদ বলেন, সরকারে যে দলই থাকুক, তাকে সংবিধান মেনে চলতে হবে এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ত্রিপুরা ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামো ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করে সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে।অন্যদিকে, ত্রিপুরার যুব প্রতিনিধি শুভম জানান, রাজ্যের যুবসমাজ বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরতে এবং রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে যুবকদের একত্রিত করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়েও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে ঘোড়া কেনাবেচা এবং বিধায়কদের দলবদলের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের ঘটনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। পাশাপাশি ভোটাধিকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কারের দাবি জানান তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, সংবিধান মেনেই নির্বাচন হতে হবে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত রাখতে হবে।যুবসমাজকে সংগঠিত করে রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সরব হওয়ার বার্তা দিয়েই এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হয়।
 ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু প্রার্থী দিল আজাদ সমাজ পার্টি, প্রার্থী সাবেক মিয়া

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু প্রার্থী দিল আজাদ সমাজ পার্টি, প্রার্থী সাবেক মিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা: আসন্ন আগরতলা পুর নিগমের নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা করল আজাদ সমাজ পার্টি। এই ওয়ার্ডে দলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক মিয়া।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সাধারণ মানুষের দাবিদাওয়াকে সামনে রেখে নির্বাচনী ময়দানে নামছে আজাদ সমাজ পার্টি। দলের নেতারা জানান, এলাকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, নাগরিক পরিষেবা এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে তাঁরা সরব হবেন।এদিন বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার জনগণকে বিভিন্ন বিষয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চলেছে। তাঁদের দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, সাধারণ মানুষের সমস্যার বাস্তব সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে আজাদ সমাজ পার্টি।

Top News

View All →
চোরা কারবারিদের বিরুদ্ধে কুমারঘাট পুলিশের জোড়া অভিযান! | Newstoplink.com