Tags

Share this article

নির্বাচন দপ্তর নিয়ে বিরোধীদের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা মুখ্যমন্ত্রীর

নির্বাচন দপ্তর নিয়ে বিরোধীদের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা: নির্বাচন দপ্তরের কার্যপ্রণালী নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বিভিন্ন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন দপ্তরকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের একটি স্বনামধন্য সংবাদপত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভুয়া ভোটারসহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নির্বাচন একটি সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। তাই নির্বাচন দপ্তরের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিরোধীদের পক্ষ থেকে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে যেসব অভিযোগ ও মন্তব্য করা হচ্ছে, সেগুলির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ডা. মানিক সাহা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন এবং ভোটার তালিকা সংশোধন ও অযোগ্য ভোটার বাদ দেওয়ার বিষয়েও বক্তব্য রেখেছেন।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের (TTAADC) ভিলেজ কমিটি নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করেন। ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের ৫৮৭টি ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।নির্বাচনকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার উপরও গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনও ধরনের বিভ্রান্তি বা উত্তেজনা এড়িয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার বার্তা দেন।ভোটার তালিকা, নির্বাচন দপ্তরের ভূমিকা এবং রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রাখা সবার দায়িত্ব।
 ভোট কেন্দ্রে গুলি! অভিযোগ, গুলিবিদ্ধ মথা প্রার্থীসহ ৩ কর্মী। উদয়পুর মহকুমার মহারানী আউটপোস্টের ওয়ারেংবাড়িতে ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

ভোট কেন্দ্রে গুলি! অভিযোগ, গুলিবিদ্ধ মথা প্রার্থীসহ ৩ কর্মী। উদয়পুর মহকুমার মহারানী আউটপোস্টের ওয়ারেংবাড়িতে ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহারানী ওয়ারিংবাড়ি এলাকায় এডিসি ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুলির ঘটনা, আহত একাধিকগোমতী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা, হাসপাতাল চত্বরে তিপ্রা মথার কর্মী-সমর্থকদের ভিড়..ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উদয়পুর মহকুমার মহারানী ওয়ারিংবাড়ি এলাকা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পাশাপাশি গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।সংবাদে জানা যায়, এই ঘটনায় খচিন্দ্র রিয়াং নামে এক ব্যক্তি গুলিতে আহত হয়েছেন। এছাড়াও আহতদের মধ্যে রয়েছেন নাইথক জমাতিয়া এবং উদয়রাম রিয়াং। আহতদের প্রত্যেকেই নিজেদের তিপ্রা মথার কর্মী-সমর্থক বলে দাবি করেছেন।আহতদের অভিযোগ, ঘটনার সময় অমরপুর এলাকা থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গাড়িতে করে একদল যুবক মহারানী ওয়ারিংবাড়ি এলাকায় আসে। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমেই তারা সেখানে থাকা লোকজনের ওপর লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দুই রাউন্ড গুলিও চালানো হয় বলে আহতদের দাবি। গুলির ঘটনায় খচিন্দ্র রিয়াং আহত হন বলে জানা গেছে।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আহতদের গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসার পর হাসপাতাল চত্বরেও তিপ্রা মথার কর্মী-সমর্থকদের ভিড় দেখা যায়।তবে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ কী এবং কারা গুলি চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। ঘটনায় আরও কেউ আহত হয়েছেন কি না, কিংবা গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া গেছে, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে প্রশাসন ও পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হলে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে।
 ভোট সামগ্রী নিয়ে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো ভোট কর্মীরা মান্দাইয়ে

ভোট সামগ্রী নিয়ে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো ভোট কর্মীরা মান্দাইয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদের ভিসি নির্বাহানের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া আগামীকাল ২৮ শে সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।এই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মান্দাই ব্লকের অন্তর্গত যে সকল ভিলেজ কমিটিতে আগামীকাল ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে তার উদ্দেশ্যে র্টারনিং অফিসারের কার্যালয় অর্থাৎ মান্দাই ব্লক থেকে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন ভোট কর্মীরা। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ভোট কর্মীরা শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য চেষ্টা করবেন বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
 বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা!

বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার দুপুরে বিশালগড় ২ নং গেইট এলাকা থেকে এক যুবককে চিকিৎসা করার জন্য মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা চলাকালীন সময় এক যুবক মদমত্ত অবস্থায় হয়ে মহকুমা হাসপাতালের বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী এবং চিকিৎসকের উপর হামলার চেষ্টা করে। এতে মহকুমা হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল তরফ থেকে খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যায় মদমত্ত যুবক। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা রক্ষী অভাব এর ফলে চিকিৎসকের ওপর এই হামলার ঘটনা স্বীকার হতে হয়। এখন দেখার বিষয় এই খবর প্রকাশিত হবার পর মহকুমা হাসপাতালের কর্তব্যরত স্বাস্থ্য আধিকারিক ডক্টর অরজিৎ সিংহা কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে চিকিৎসক মহল।
কথা দিয়ে কথা রাখলেন মন্ত্রী টিংকু রায়

কথা দিয়ে কথা রাখলেন মন্ত্রী টিংকু রায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুর্গাপূজার প্রাক্কালে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে। কৈলাসহর পুর পরিষদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁধের রাস্তা ইট সলিংয়ের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী। দুর্গাপূজার আগে রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হলে যাতায়াতে অনেকটাই স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।গত ১২ আগস্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়ের কাছে বাঁধের রাস্তাটি ইট সলিং করার দাবি জানান। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী নিজে জেলাশাসক মেঘা জৈন (আইএএস)-কে সঙ্গে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার আগেই রাস্তাটি ইট সলিং করার আশ্বাস দেন তিনি।মন্ত্রীর পরিদর্শনের প্রায় এক মাস পর অবশেষে শুরু হয়েছে বাঁধের রাস্তার ইট সলিংয়ের কাজ। প্রায় চার দিন ধরে কাজ চলায় এলাকাবাসীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক উদ্যোগে খুশি পুর পরিষদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিদ্ধার্থ রায় সহ স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, দুর্গাপূজার আগে রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হলে উৎসবের সময় সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। মন্ত্রীর উদ্যোগেই দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে বলেও তাঁরা জানান।
 অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে রক্তদান শিবির, জিবি হাসপাতালকে পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান

অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে রক্তদান শিবির, জিবি হাসপাতালকে পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বার্তা নিয়ে অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের উদ্যোগে আগরতলার মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদারসহ অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের কর্মকর্তারা ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।রক্তদান শিবিরে সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এদিন মোট ৫০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। রক্তদানের পাশাপাশি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের পক্ষ থেকে আগরতলা জিবি হাসপাতালের জন্য পাঁচটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার হাত দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জন্য এই হুইলচেয়ারগুলি তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রক্তদান একটি মহান সামাজিক ও মানবিক কাজ। একজনের দান করা রক্ত সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সমাজের সকল স্তরের মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এদিন যারা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন, তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমাজের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতা পালন করাও সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই রক্তদান ও হুইলচেয়ার প্রদানের মতো মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জোলাইবাড়ী মোবাইল ঠিক করার নামে ২১ মাসের শিশু সহ নিখোঁজ গৃহবধূ!

জোলাইবাড়ী মোবাইল ঠিক করার নামে ২১ মাসের শিশু সহ নিখোঁজ গৃহবধূ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ত্রিপুরার জোলাইবাড়ি থেকে এক গৃহবধূ তার ২১ মাসের শিশু সন্তানসহ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরছড়া নারায়ণ পাল পাড়া এলাকায়।জানা গেছে, নিখোঁজ গৃহবধূর নাম অর্পিতা দে (মুহুরী), বয়স ২১ বছর। তিনি সজল মুহুরীর পুত্রবধূ। তার স্বামী সৌরভ মুহুরী কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে থাকেন। বাড়িতে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথেই থাকতেন অর্পিতা।পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকায় অর্পিতা তার ২১ মাসের পুত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে জোলাইবাড়ি বাজারে মোবাইল ফোন ঠিক করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।অবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে বাইখোরা থানায় একটি মিসিং ডায়েরি দায়ের করা হয়। শ্বশুর নিজে থানায় গিয়ে এই অভিযোগ জানান।এদিকে এই নিখোঁজের পেছনে অন্য কারণ রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পরিবার। পরিবারের দাবি, শান্তিরবাজার এলাকার বাসিন্দা প্রেম দাস নামের এক যুবকের সাথে অর্পিতার ঘনিষ্ঠ মেলামেশা ছিল। তাদের সন্দেহ, ওই যুবকের সাথেই হয়তো কোথাও চলে গেছে অর্পিতা। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি।বাইখোরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, মিসিং ডায়েরির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিখোঁজ গৃহবধূ ও শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা জোলাইবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত এক মহিলা !

ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত এক মহিলা !

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিবার দুপুরে বিশালগড় নেতাজি নগর এলাকার বাসিন্দা শেফালী দাস নম ঘরের তালা দিয়ে ডাক্তার দেখানোর জন্য আগরতলায় চলে যান। চোরের দল সেই সুযোগকে কাজে লাগে ঘরে থাকা এক লক্ষ টাকা এবং স্বর্ণের জিনিস নিয়ে চম্পট দেয়। পরবর্তী সময়ে শেফালী দাস নম ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে এসে দেখতে পান এই অবস্থা তা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অসহায় মহিলা। খবর যায় থানায় ছুটে আসেন পুলিশ। পুলিশ উক্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ করে নিয়ে আসে। তবে বলাই বাহুল্য বিশালগড় অত্র এলাকায় চুরির ঘটনা হিড়িক লেগেছে।
 গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার, পশ্চিম থানার পুলিশের সাফল্য

গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার, পশ্চিম থানার পুলিশের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা শহরে মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিম থানার পুলিশ। পুলিশের তল্লাশিতে একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ গাঁজা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আগরতলার লেইক চৌমুহনী এলাকায়।জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লেইক চৌমুহনী এলাকায় একটি গাড়িতে তল্লাশি চালায় পশ্চিম থানার পুলিশ। তল্লাশির সময় গাড়ির ভিতর থেকে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হন পুলিশকর্মীরা। ঘটনায় গাড়িটি আটক করা হয়েছে এবং গাঁজা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম থানার ওসি সঞ্জিত সেন। মাদক পাচার ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পশ্চিম থানার পুলিশের অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।ঘটনার পর লেইক চৌমুহনী এলাকায় পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ এবং এই ঘটনায় কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।
পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলার মুক্তধারা হলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলার মুক্তধারা হলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান

আগরতলা, ২৫ সেপ্টেম্বর: মহান চিন্তাবিদ, দার্শনিক ও ভারতীয় জনসংঘের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার আগরতলার মুক্তধারা হলে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, বিধায়িকা মীনা রাণী সরকার, এলাকার কাউন্সিলরসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম ও চিন্তাধারার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ছিলেন একজন মহান চিন্তাবিদ ও দূরদর্শী দার্শনিক। ভারতীয় সমাজব্যবস্থা, সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।মুখ্যমন্ত্রী পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’-এর ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। সমাজের শেষ সারিতে থাকা মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার যে দর্শন তিনি তুলে ধরেছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আদর্শ ও চিন্তাধারা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তারা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের সরল জীবনযাপন, দেশপ্রেম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য তাঁর চিন্তাভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এদিনের অনুষ্ঠানকে ঘিরে মুক্তধারা হল প্রাঙ্গণে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল লক্ষ্যণীয়। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

Top News

View All →