Tags

Share this article

চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি ,আগরতলা : শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন প্রদান করল ত্রিপুরা মিড-ডে মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (CITU অনুমোদিত)। বুধবার সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।ডেপুটেশনে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়। সংগঠনের অভিযোগ, মিড-ডে মিল কর্মীদের টানা চার মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নতুন ওয়ার্কার নিয়োগ না হওয়ায় কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, কাজের তুলনায় পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম এবং নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দুর্গাপূজার সময়ও অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, কিন্তু সেই অনুযায়ী বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে যে সুযোগ-সুবিধাগুলি পাওয়া যেত, বর্তমানে তার অনেকটাই বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।এদিনের ডেপুটেশন থেকে সংগঠনের নেতৃত্ব বর্তমান বিজেপি সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক কারণে সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত কর্মী-সমর্থকদেরও বিভিন্ন জায়গায় বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। তবে এগুলি সংগঠনের পক্ষ থেকে করা অভিযোগ—এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে।মিড-ডে মিল কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য রান্না ও খাবার পরিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ তাঁদের নিজেদের বেতনই যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে তাঁদের পরিবার কীভাবে চলবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।সংগঠনের দাবি, অবিলম্বে চার মাসের বকেয়া বেতন প্রদান, প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন মিড-ডে মিল ওয়ার্কার নিয়োগ এবং কর্মীদের কাজের উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
 চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ বাজেয়াপ্ত করল এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে চোরাই বলে সন্দেহ করা বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে এসির পাইপ, কারেন্টের তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র।তবে চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদও পুলিশের হাতে আসে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের প্রচুর কার্টুন উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও মদের উৎস কোথায় এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত২৪ আগস্ট বিশ্রামগঞ্জ আর ডি ডিভিশন অফিসের সামনে একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হয় বিশালগড়ের ঠিকাদার প্লাবন সাহা এবং তার সঙ্গী সাগর নাথ। তাদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ শত প্রণোদিত ভাবে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা নে যার নম্বর ৩১/ ২০২৬। আসামিরা এতদিন ধরে পালিয়ে ছিল। বুধবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা ননজলা এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে দুই অভিযুক্ত সুরেন্দ্র রিয়ান এবং ফণী রায় দেববর্মাকে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার লক আপে পুড়ে দেয়। তাদেরকে বুধবার দিনই বিশালগড় মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি  আজিত দেববর্মা। তিনি বলেছেন বাকি রাও আটক হবে আইন আইনের পথে চলবে
 সরকারি অফিসের জন্য চা গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদ! ঘটনা খোয়াইয়ে ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার চালিয়ে চা গাছ কাটার অভিযোগ

সরকারি অফিসের জন্য চা গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদ! ঘটনা খোয়াইয়ে ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার চালিয়ে চা গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য জমি পরিষ্কারের দাবি, প্রতিবাদে কাজ বন্ধ করলেন শ্রমিকরা।খোয়াইয়ের ধলাবিল চা বাগানে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে জমি পরিষ্কার করার ঘটনাকে ঘিরে চা শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য বাগানের ওই অংশের জমি পরিষ্কার করা হচ্ছে বলে ঘটনাস্থলে থাকা এক ঠিকাদার শ্রমিকদের জানিয়েছেন বলে অভিযোগ।জানা গেছে, চা বাগানের একটি অংশে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে ফেলার কাজ চলাকালীন বিষয়টি নজরে আসে কর্মরত চা শ্রমিকদের। তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে কাজের কারণ জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত এক ঠিকাদার জানান, ওই এলাকায় সরকারি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে এবং সেই কারণেই জমি পরিষ্কারের কাজ চলছে।ঠিকাদারের এই বক্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, ধলাবিল চা বাগান একটি চা শিল্প সমবায় সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক রয়েছেন। অথচ তাঁদের আগাম কিছু না জানিয়ে কীভাবে বাগানের চা গাছ কেটে জমি পরিষ্কারের কাজ শুরু করা হলো, তা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।শ্রমিকদের দাবি, একসময় এই চা বাগানের ওপর প্রায় এক হাজার শ্রমিকের পরিবার নির্ভরশীল ছিল। বর্তমানে বাগানটি কার্যত দুরবস্থার মধ্যে রয়েছে এবং শ্রমিকের সংখ্যা কমে প্রায় দুইশতে দাঁড়িয়েছে। বাগানে বর্তমানে যে পরিমাণ চা গাছ রয়েছে, তার ওপরই অবশিষ্ট শ্রমিকদের জীবিকা অনেকটাই নির্ভরশীল।এই পরিস্থিতিতে নির্বিচারে চা গাছ কেটে ফেলা হলে আগামী দিনে শ্রমিকদের জীবিকা আরও সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। শ্রমিকদের বক্তব্য, সরকারি কোনো প্রকল্পের জন্য বাগানের জমি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে আগে আলোচনা করা উচিত ছিল।শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে খোয়াই মহকুমা শাসকের সঙ্গে কথা বলা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বাগানে চা গাছ কাটা বা জমি পরিষ্কারের কাজ বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।চা বাগানের জমিতে সরকারি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলে তার আগে সমবায় সমিতি, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধলাবিল চা বাগান এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
 আগরতলার ডি-ব্লকে ভিসি নির্বাচনে চার বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

আগরতলার ডি-ব্লকে ভিসি নির্বাচনে চার বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভিলেজ কমিটির (ভিসি) নির্বাচন। ওল্ড আগরতলার ডি-ব্লকের অন্তর্গত চারটি ভিসি—রাধামোহনপুর, পশ্চিম রাধামোহনপুর, বর্ধমান ঠাকুরপাড়া ও ধূপছড়ায় নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই চারটি ভিসির জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চার প্রার্থী। রাধামোহনপুর ভিসিতে বিনয় দেববর্মা, পশ্চিম রাধামোহনপুর ভিসিতে সোমা দেববর্মা, ধূপছড়া ভিসিতে মোনাক দেববর্মা এবং বর্ধমান ঠাকুরপাড়া ভিসিতে বুদ্ধলক্ষ্মী দেববর্মা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।খয়েরপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত এই চারটি ভিসিতে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন খয়েরপুর মণ্ডল সভাপতি রাজেশ ভৌমিক। তাঁর নেতৃত্বেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।এদিন উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল এবং জনজাতি মণ্ডল সভাপতি ভবরণঞ্জন দেববর্মা। নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
 পুজো আসতে না আসতেই শুরু হয়ে গেল চাঁদার জুলুম বাজি!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা নিয়ে হাফলংয়ে তুমুল উত্তেজনা!

পুজো আসতে না আসতেই শুরু হয়ে গেল চাঁদার জুলুম বাজি!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা নিয়ে হাফলংয়ে তুমুল উত্তেজনা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কন্টেনার চালককে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ধর্মনগরের হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক কন্টেনার গাড়ির চালককে একদল যুবক মারধর করার পাশাপাশি তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলেও প্রায় ১২ ঘণ্টা পরও কোনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত চালক। জানা গেছে, কৈলাশহরের বাসিন্দা পিন্টু মাইশো দাস গতকাল রাতে আগরতলা থেকে একটি কন্টেনার গাড়িতে অনলাইন সামগ্রী নিয়ে শিলচরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথে হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় একদল যুবক বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা দাবি করে তাঁর গাড়ি থামিয়ে আটকায় বলে অভিযোগ। পিন্টুর দাবি, তিনি ইতিমধ্যেই চাঁদা দিয়েছেন বলে জানিয়ে পুনরায় চাঁদা দেওয়ার কারণ জানতে চান। অভিযোগ, এরপরও তাঁকে ফের চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পিন্টুর আরও অভিযোগ, তাঁর কাছে গাড়ির লাইন খরচ বাবদ প্রায় ২২ হাজার টাকা ছিল। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার টাকা গাড়িতে জ্বালানি ভরার কাজে খরচ হয়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট টাকা তাঁর কাছে ছিল। অভিযোগ, সেই অবশিষ্ট নগদ টাকাই তাঁর কাছ থেকে নিয়ে যায় যুবকদের দল। ঘটনার পর রাতেই তিনি থানায় বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন পিন্টু। তবে তাঁর অভিযোগ, ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।এদিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পিন্টু একটি রসিদও দেখান। তাঁর দেখানো রসিদে ‘ধর্মনগর মিডিয়াম ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। পিন্টুর দাবি, বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা সংগ্রহের সঙ্গে ওই সংগঠনের নাম জড়িত রয়েছে। রসিদে সংগঠনের সভাপতি হিসেবে কানু চন্দ্র নাথ এবং সম্পাদক হিসেবে বিজয় দেবের নাম উল্লেখ রয়েছে বলেও তিনি জানান।ঘটনার প্রকৃত সত্যতা উদঘাটনে রসিদে উল্লিখিত সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং কারা চাঁদা সংগ্রহ করছিল, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন পিন্টু। এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার সকালে PNG সংগঠনের কর্মকর্তারা ধর্মনগর থানায় যান বলে জানা গেছে। তাঁরা পুলিশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন বলেও খবর। তবে কন্টেনার চালককে মারধর, তাঁর কাছ থেকে টাকা নিয়ে যাওয়া এবং চাঁদা আদায়ের ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
 অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ যুবরাজনগরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে!

অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ যুবরাজনগরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বণ্টন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে!! যুব রাজনগরে তীব্র চাঞ্চল্য!!!ধর্মনগর থানার অধীন যুবরাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যুবরাজনগর ১ নং ওয়ার্ডের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বন্টনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের আওতাধীন শিশুদের অভিভাবকদের ডেকে আনা হয় এবং শিশুদের জন্য ওষুধ বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে বোতলের গায়ে থাকা তারিখ পরীক্ষা করে অভিভাবকরা দেখতে পান যে, বণ্টন করা প্রতিটি ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের সময় উপস্থিত ছিলেন মঙ্গল খালি সাব সেন্টারের (কদমতলার বাসিন্দা) এমপিডব্লিউ মনিষ নাথ, স্থানীয় আশা কর্মী কয়রুন নেছা এবং অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার মাম্পী দেবনাথ।শিশুদের স্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন চরম গাফিলতি প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক সচেতন অভিভাবক মেসেজ করে সকলকে সতর্ক করে দেন। অথচ এমপি ডব্লিউ বা অঙ্গওয়ারির পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি।তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে লেখেন যে সরবরাহ করা ওষুধগুলি সম্পূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ, তাই কোনো অভিভাবক যেন ভুল করেও তা শিশুদের না খাওয়ান।কোমলমতি শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এই ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের এমন বেপরোয়া কাণ্ডজ্ঞানহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িত স্বাস্থ্যকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ যুবরাজনগরের বাসিন্দারা।
 ‘ক্ষমতা ধরে রাখতেই রাজনৈতিক সমঝোতা’—জোটকে কটাক্ষ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

‘ক্ষমতা ধরে রাখতেই রাজনৈতিক সমঝোতা’—জোটকে কটাক্ষ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি ,আগরতলা: আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তিপ্রা মথার জোট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম নেতা মানিক সরকার। বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতাকে রাজনৈতিক স্বার্থের জোট বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মানিক সরকারের বক্তব্য, যে দলগুলি একসময় একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে সরব ছিল, তারাই এখন নির্বাচনের আগে ক্ষমতার সমীকরণ মেলাতে একসঙ্গে এসেছে। তাঁর দাবি, এই জোটের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের স্বার্থ নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা এবং ক্ষমতা ধরে রাখা।ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং স্থানীয় স্বশাসনের বিষয়টি কোনওভাবেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। নির্বাচনে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিও জানান তিনি।উল্লেখ্য, আগামী ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে বিজেপি, তিপ্রা মথা ও আইপিএফটি যৌথভাবে লড়াই করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। আসন সমঝোতা ও প্রার্থী বাছাই নিয়ে শরিক দলগুলির মধ্যে আলোচনা চলছে।এই পরিস্থিতিতে মানিক সরকারের মন্তব্যকে ঘিরে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে শাসক জোটের বিরুদ্ধে বিরোধীদের রাজনৈতিক লড়াই কতটা জোরদার হয়, এখন সেটাই দেখার।
 নেহাল চন্দনগর মারুতি গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত কলেজ পড়ুয়ার ছাত্রী সহ এক যুবক!

নেহাল চন্দনগর মারুতি গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত কলেজ পড়ুয়ার ছাত্রী সহ এক যুবক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার সকালে বিশালগড় থানাধীন নেহাল চন্দননগর এলাকায় TR04A0523 নম্বরের মারুতি গাড়ি দ্রুত গতিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা কবলে পড়ে মারুতি গাড়িতে থাকা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী শারমিন আক্তার এবং চালক এমডি আরিফ আহত হয় খবর দেওয়া হয় বিশালগড় অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীদেরকে। দপ্তরের কর্মীরা দ্রুত ছুটে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। দুর্ঘটনার হওয়া কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী শারমিন আক্তারের মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। চিকিৎসা চলছে মহকুমা হাসপাতালে। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন বিশালগড় থানার পুলিশ।
মনুঘাট আরডি ব্লকে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ!

মনুঘাট আরডি ব্লকে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে ঘিরে মনুঘাট আরডি ব্লকে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে।তিপ্রা মথা পার্টির ছৈলেংটা ভিলেজ কাউন্সিলের ৪ নম্বর আসনের প্রার্থী শ্রীমতি পূর্ণিমা দাস মনুঘাট আরডি ব্লকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর শ্রীমতি পূর্ণিমা দাস তিপ্রা মথা পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে মনুঘাট আরডি ব্লকে যান। অভিযোগ, সেই সময় ডিউটিতে থাকা আর.ও. অফিসার রাজেশ দেব মনোনয়নপত্র থেকে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে পরবর্তীতে তাকে এসএমএস করেন।রাজেশ দেব মনুঘাট স্কুলের জিটি শিক্ষক হিসেবেও কর্মরত বলে জানা গেছে।বিষয়টি পরবর্তীতে পূর্ণিমা দাস তার স্বামী রাজীব সরকারকে জানালে, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তিনি।আজ সকালে ধলাই জেলার মাননীয় ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রটি ছৈলেংটা সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও প্রদান করা হয়।এছাড়াও মনু ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বিজিত দেববর্মার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে লোকেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা যায়।অভিযোগটি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট আর.ও. অফিসারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এখন প্রশাসনিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ায় এই অভিযোগের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

Top News

View All →
চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান! | Newstoplink.com