নিজস্ব প্রতিনিধি: মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বণ্টন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে!! যুব রাজনগরে তীব্র চাঞ্চল্য!!!ধর্মনগর থানার অধীন যুবরাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যুবরাজনগর ১ নং ওয়ার্ডের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বন্টনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের আওতাধীন শিশুদের অভিভাবকদের ডেকে আনা হয় এবং শিশুদের জন্য ওষুধ বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে বোতলের গায়ে থাকা তারিখ পরীক্ষা করে অভিভাবকরা দেখতে পান যে, বণ্টন করা প্রতিটি ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের সময় উপস্থিত ছিলেন মঙ্গল খালি সাব সেন্টারের (কদমতলার বাসিন্দা) এমপিডব্লিউ মনিষ নাথ, স্থানীয় আশা কর্মী কয়রুন নেছা এবং অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার মাম্পী দেবনাথ।শিশুদের স্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন চরম গাফিলতি প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক সচেতন অভিভাবক মেসেজ করে সকলকে সতর্ক করে দেন। অথচ এমপি ডব্লিউ বা অঙ্গওয়ারির পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি।তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে লেখেন যে সরবরাহ করা ওষুধগুলি সম্পূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ, তাই কোনো অভিভাবক যেন ভুল করেও তা শিশুদের না খাওয়ান।কোমলমতি শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এই ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের এমন বেপরোয়া কাণ্ডজ্ঞানহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িত স্বাস্থ্যকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ যুবরাজনগরের বাসিন্দারা।