Tags

Share this article

 মসজিদের পুকুরে বিষ ঢেলেছে কে বা কারা!প্রায় ১০ কুইন্টাল মাছ মাটি চাপা দেওয়া হয় কদমতলায়

মসজিদের পুকুরে বিষ ঢেলেছে কে বা কারা!প্রায় ১০ কুইন্টাল মাছ মাটি চাপা দেওয়া হয় কদমতলায়

নিজস্ব প্রতিনিধি রাতের অন্ধকারে মসজিদের পুকুরে কীটনাশক জাতীয় পদার্থ ঢেলে প্রায় ১০ কুইন্টাল মাছ মেরে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা ব্লকের কদমতলা বাজার এলাকায়। শনিবার রাতে কদমতলা বাজার মসজিদের পুকুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।রবিবার সকালে বাজার মসজিদ কমিটির সদস্যরা পুকুরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। মসজিদ কমিটির সদস্যদের দাবি, এমন নজিরবিহীন ঘটনা তাঁদের চিন্তারও বাইরে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কদমতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাজার এলাকায় নৈশপ্রহরী এবং পুলিশের রাতের টহল থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি একাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এর মধ্যেই এবার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুকুরে দুষ্কৃতীদের এমন কর্মকাণ্ডে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।এদিকে পুকুরের মৃত ও পচনশীল মাছ যাতে পরিবেশ বা অন্য কারও ক্ষতির কারণ না হয়, সে কথা মাথায় রেখে মসজিদ কমিটির সদস্যরা সেগুলি তুলে পুকুরপাড়ে গর্ত করে পুঁতে দেন।মসজিদ কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, ঘটনার সময় দুষ্কৃতীদের কাউকেই দেখা যায়নি। তাই তাঁরা আল্লাহর ওপর বিচার ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। তবে রাতের অন্ধকারে মসজিদের পুকুরে কীটনাশক ঢেলে বিপুল পরিমাণ মাছ নষ্ট করার ঘটনায় কদমতলা বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোরালো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিকে শান্তিপ্রিয় কদমতলা এলাকার মানুষের বক্তব্য কিছুদিন পরপর একটি কুচক্র এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে তুলতে অসামাজিক কার্যক্রম সংঘটিত করছে। তাই প্রশাসন এখন থেকেই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় শান্তি সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে পারে।
কলাছড়ায় বিজেপির দুষ্কৃতী তাণ্ডব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ!তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর!

কলাছড়ায় বিজেপির দুষ্কৃতী তাণ্ডব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ!তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর!

নিজস্ব প্রতিনিধি;কলাছড়ায় এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালানো, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা এবং গৃহবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশ। আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী।​ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জিতেন চৌধুরী অভিযোগ করেন, শাসকদল বিজেপির আশ্রয়পুষ্ট আশ্রিত দুষ্কৃতীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি জানান, দুষ্কৃতীরা প্রথমে বাড়ির প্রধান গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীকালে ছোট গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় এবং গৃহকর্তা মৃণাল সেন ও তার ছেলেকে টার্গেট করে হামলা চালায়। গৃহকর্তা ও তার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে গৃহবধূর শ্লীলতাহানি করা হয় এবং তাদের ওপর শারীরিক আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়।​শাসনব্যবস্থা ও শাসকদলকে সরাসরি কাঠগড়ায় তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, "২০১৮ সালের পর থেকে কলাছড়ায় বিজেপির নেতৃত্বে কিছু মাতব্বরের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি লুটপাট, কমিউনিটি হল দখল, হাসপাতালে অবৈধ কাজকর্ম থেকে শুরু করে স্থানীয় পঞ্চায়েতগুলোকে দুহন করা হচ্ছে। গত সাড়ে আট বছর ধরে এই অঞ্চলে এক অরাজক পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে।"​তিনি আরও বলেন, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী ‘আইন আইনের পথে চলবে’ এবং ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা দিলেও বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন। জিতেন চৌধুরীর কটাক্ষ, "বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গন্ধ পেলেই মুখ্যমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বিজেপিকে রক্ষা করার ঢালে পরিণত হয়।"​অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে যুক্ত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দুষ্কৃতীরা যদি শাস্তি না পায়, তবে কলাছড়াবাসীকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিরোধীরা প্রস্তুত রয়েছে।
 মনশ্রীর চিকিৎসায় এগিয়ে এল টাটা গোষ্ঠী, ২০ লক্ষ টাকার সহায়তার আশ্বাস

মনশ্রীর চিকিৎসায় এগিয়ে এল টাটা গোষ্ঠী, ২০ লক্ষ টাকার সহায়তার আশ্বাস

আগরতলা: বিরল রোগে আক্রান্ত ছোট্ট মনশ্রী চৌধুরীর উন্নত চিকিৎসার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল টাটা গোষ্ঠী। মনশ্রীর চিকিৎসায় ২০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মনশ্রীর চিকিৎসার বিপুল ব্যয় নিয়ে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ইতিমধ্যেই পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী টাটার পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস পাওয়ায় মনশ্রীর পরিবারে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে সহায়তার আবেদন জানানো হচ্ছিল। এরই মধ্যে টাটা গোষ্ঠীর এই উদ্যোগকে মানবিকতার এক বড় উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। চিকিৎসার প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় হলে মনশ্রীর উন্নত চিকিৎসার পথ আরও সহজ হবে বলে আশা পরিবারের। মনশ্রীর চিকিৎসায় ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। টাটা গোষ্ঠীর ২০ লক্ষ টাকার সহায়তার আশ্বাস সেই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন মনশ্রীর পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।\
 হঠাৎ উত্তপ্ত হয় জম্পুইজলা ব্লকের চিকনছড়া গ্রাম!

হঠাৎ উত্তপ্ত হয় জম্পুইজলা ব্লকের চিকনছড়া গ্রাম!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চুরির ছাগল, মুরগি কেনার অভিযোগে মাংস ব্যবসায়ীর উপর সঙ্গবদ্ধভাবে হামলা চালায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী!চিকনছড়া ভিলেজের গ্রামবাসীদের অভিযোগ এই এলাকার শত শত ছাগল এবং ভেড়া চুরি করে কম দামে বিক্রি করা হয় বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত চেছুড়িমাই এলাকার মাংস ব্যবসায়ী তপন সরকারের কাছে। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে মাংস ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সড়কে যানজট লেগে যায়।
 শারীরিক হেনস্তা,দেখে নেওয়ার হুমকি অটো চালক সহ তার সঙ্গীর সার্কিট হাউস এলাকায়:সঠিক বিচার চাইলো যাত্রী

শারীরিক হেনস্তা,দেখে নেওয়ার হুমকি অটো চালক সহ তার সঙ্গীর সার্কিট হাউস এলাকায়:সঠিক বিচার চাইলো যাত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক অটো যাত্রীকে শারীরিক ভাবে হেনস্তা এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এক অটো চালক ও তার এক মহিলা সঙ্গী।ঘটনা রাজধানীর সার্কিট হাউস এলাকায়। জানা যায় গান্ধীগ্রাম থেকে TR01 M 2327 নম্বরের অটোতে ওঠে এক যুবক তার কাজের কিছু জিনিস নিয়ে।প্রথমেই আইন অমান্য করে অটো চালক ওভার লোড যাত্রী ওঠিয়েছেন এবং যার কারণে সে পুলিশের ভয়ে সার্কিট হাউসের আগেই যুবকটিকে নামিয়ে দেন এবং যাত্রীকে যেহেতু গন্তব্যে পৌঁছে দেননি চালক তাই সে অটো ভাড়া কিছু কম দেন।এবং এতেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে অটো চালক এবং উক্ত যাত্রীকে মারধর করে এবং রহস্যজনক ভাবে অন্য এক মহিলাও তার উপর হাত তুলে তাকে মারধর।পরে যাত্রী সেখান থেকে তার কাজে চলে যান।এবং সে গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন,ট্র্যাফিক পুলিশ ব্যবস্থা এবং সিন্ডিকেটের নিকট আবেদন জানান যাতে উক্ত ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ধর্মনগর হাসপাতালে চরম অব্যবস্থা! বিদ্যুৎ নেই,ডিজেল না থাকায় বন্ধ জেনারেটরও!

ধর্মনগর হাসপাতালে চরম অব্যবস্থা! বিদ্যুৎ নেই,ডিজেল না থাকায় বন্ধ জেনারেটরও!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের চরম অব্যবস্থার অভিযোগ ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখতে ব্যবহৃত জেনারেটর চালানোর জন্যও ডিজেল মজুত নেই বলে অভিযোগ।বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জরুরি পরিষেবা কীভাবে চলছে,তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিদ্যুৎ ও জেনারেটরের জ্বালানি—দুইয়েরই ঘাটতির অভিযোগ সামনে আসায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আগরতলা শহরে জমি উপহার, অসমিতা দে-কে সম্মান জানাবে রাজ্য সরকার দারিদ্র্য

আগরতলা শহরে জমি উপহার, অসমিতা দে-কে সম্মান জানাবে রাজ্য সরকার দারিদ্র্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিকূলতা আর কঠোর পরিশ্রমকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করেছেন জুডো খেলোয়াড় অসমিতা দে। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগে স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করা এই সোনার কন্যাকে এবার অভিনব উপহারে সম্মান জানাতে চলেছে ত্রিপুরা সরকার। অসমিতা ও তাঁর পরিবারের হাতে আগরতলা শহরের উজান অভয়নগর এলাকায় প্রায় আড়াই গণ্ডা বসতবাড়ির জমি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজিত বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই জমি উপহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বলে জানা গেলেও ভবিষ্যতে এর মূল্য আরও বাড়তে পারে। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে অসমিতার ঐতিহাসিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অসমিতার সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। তাঁর বাবা পেশায় সাইকেল মেকানিক ছিলেন। মেয়ের স্বপ্ন পূরণে কঠোর পরিশ্রম করেছেন তিনি। পরবর্তীতে বাবাকে হারালেও মা অসমিতাকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাই আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বর্ণপদক জয়ের পরও অসমিতা বারবার তাঁর প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহার ব্যক্তিগত উদ্যোগেই অসমিতার জন্য শহরের মধ্যে জমি দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট দফতর আগরতলা শহরের উপযুক্ত জমি খুঁজে বের করে। সম্প্রতি অসমিতার মা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য ওই জমি পরিদর্শনও করেন। জমিটি তাঁদের পছন্দ হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, ইতিহাস সৃষ্টি করে ত্রিপুরায় ফিরছেন অসমিতা দে। বুধবার সকালে বিমানে আগরতলা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিমানবন্দরে নামার পর ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়, ক্রীড়া দফতরের আধিকারিক, জুডো অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাসহ বিশিষ্টজনেরা তাঁকে সংবর্ধনা জানাবেন। বিমানবন্দর থেকে অসমিতাকে রাজ্য অতিথিশালায় নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর দুপুর ১টা নাগাদ বিশেষ র‍্যালির মাধ্যমে তাঁকে শহরে নিয়ে আসা হবে। পরে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের। সেখানেই তাঁর হাতে জমি উপহারের ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হবে। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৪৮ কেজি জুডো বিভাগে স্বর্ণপদক জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো এই ইভেন্টে সোনা এনে দিয়েছেন ত্রিপুরার মেয়ে অসমিতা দে। তাঁর এই ঐতিহাসিক সাফল্য শুধু রাজ্যের নয়, গোটা দেশের গর্ব। স্বর্ণপদকের পর এবার আগরতলা শহরে জমি—অসমিতার এই সম্মান যেন তাঁর সংগ্রামী অতীত, তাঁর মায়ের ত্যাগ এবং প্রয়াত বাবার স্বপ্নের প্রতিও এক বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা

বিলোনিয়ায় জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন, উপস্থিত পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধিরা

নিজস্ব প্রতিনিধি : দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো জেলা স্তরের গুরুত্বপূর্ণ পাঞ্চ সম্মেলন। বিকশিত ভারত–গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ), অর্থাৎ VB-GRAM-G Act, 2025-কে সামনে রেখে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সোমবার দুপুর ১২টায় বিলোনিয়ার পুরাতন টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জেলা স্তরের পাঞ্চ সম্মেলন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা সরকারের পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, সমাজকর্মী দীপায়ন চৌধুরী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এই সম্মেলনে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ফলে জেলা স্তরের এই সম্মেলনে পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।বক্তব্য রাখতে গিয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। পঞ্চায়েতের কাজকর্মে কোনো ধরনের দুনম্বরি বা অনিয়মকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য তিনি উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পঞ্চায়েত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়াও বক্তব্যে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণ কর্মসংস্থান, জীবিকা এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনকে ঘিরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ এলাকার কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।।
কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার

কীটনাশক খেয়ে তিন গরুর মৃত্যু! অভিযোগ, অসহায় কৃষকের মামলা গ্রহণে অনীহা কৈলাসহর থানার

নিজস্ব প্রতিনিধি: আবারও পুলিশের অমানবিক রুপ প্রকাশ্যে এসেছে। গরীব দুঃস্থ এক কৃষক ন্যায্য বিচারের জন্য প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুবেলা করে থানার প্রতিটি পুলিশ অফিসারদের অনুরোধ করার পরও কেউই দুঃস্থ কৃষককে পাত্তাই দিচ্ছে না। অসহায় কৃষক এবার মিডিয়ার দারস্থ। উল্লেখ্য, কৈলাসহরের দেওরাছড়া এডিসি ভিলেজের তিন নং ওয়ার্ডের বাঘাছড়া গ্রামের বাসিন্দা ইননুস আলী পেশায় একজন কৃষক। ছোট বড় মিলিয়ে উনার নিজের মোট আটটি গরু রয়েছে। ইননুস আলী প্রতিদিন সকালবেলা নিজের গরুদের ঘাস খাওয়ানোর জন্য পাশ্ববর্তী গ্রামের টিলা জায়গায় নিয়ে যান। টিলা জায়গায় গরুদের ছেড়ে আসার কয়েক ঘন্টা পর গ্রামের এক যুবক ইননুস আলীকে জানায় যে, গরুগুলো কীটনাশক ঔষধ খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এই কথা শোনেই ইননুস আলী সাথে সাথেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে দেখেন তিনটি গরু মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে এবং বাকী পাঁচটি গরু মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছে। সাথে সাথেই পাঁচটি গরুকে উদ্ধার করে বাড়িতে এনে লেবুর জল এবং তেতুলের জল খাইয়ে ঘরোয়া চিকিৎসা করিয়ে পাঁচটি গরুকে বাঁচিয়ে তোলে। মৃত তিনটি গরুর মৃতদেহের পাশে প্লাস্টিক ব্যাগ ও প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতর কীটনাশক ঔষধ পান ইননুস আলী। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করে ইননুস আলী এও জানান যে, সকালবেলা উনি যখন গরু গুলোকে নিয়ে টিলা জায়গায় গিয়ে টিলা জায়গায় গরু গুলোকে ছেড়ে বাড়িতে ফেরেন তখন রাস্তায় লালমারি দারলং, সাংগি দারলং এবং লাল এন কুয়ালা দারলং-এর সাথে দেখা হয় এবং তাদের সাথে কথাবার্তাও হয়েছে বলে জানান। তাদের প্রত্যেকের হাতে প্লাস্টিক ব্যাগ দেখতে পান। এই প্লাস্টিক ব্যাগ গুলো পরবর্তী সময়ে মৃত গরুর মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় অসহায় ইননুস আলী হতভম্ব হয়ে পাশ্ববর্তী দারলং গ্রামের চেয়ারম্যানকে সম্পুর্ন ঘটনা জানানোর পর চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে আশ্বস্ত করেন যে, চিন্তা করিও না, তুমাকে ন্যায্য বিচার করে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। এই ঘটনার জন্য পুলিশকে এবং মিডিয়াকে না জানানোর জন্য ইননুস আলীকে বলেছিলো চেয়ারম্যান। পরবর্তী সময়ে গ্রামে শালিসি বৈঠক করে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে না পেরে চেয়ারম্যান ইননুস আলীকে জানিয়ে দেয় যে, তুমি যা পারো করে নিও। এই কথা শোনার পর ইননুস আলী কৈলাসহর থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার পরও পুলিশ মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু গুলোর ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশকে বার বার বলার পর পুলিশ জানিয়ে দেয় যে, পশু হাসপাতালে গিয়ে নিজেরা কথা বলে ময়নাতদন্ত করে নিতে। পুলিশের কথা মতো ইননুস আলী কৈলাসহরের পশু হাসপাতালে গিয়ে পশু চিকিৎসকদের জানানোর পর চিকিৎসকরা জানায় যে, পুলিশ উনাদের না বললে কিংবা পুলিশের লিখিত আদেশ না পেলে উনারা ময়নাতদন্ত করতে পারবে না। পশু চিকিৎসকদের এই কথা শোনার পর ফের কৈলাসহর থানায় গিয়ে জানানোর পর পুলিশ জানায় যে, পশু চিকিৎসকদের টাকা পয়সা দিলে চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত করে দেবে। এভাবে করে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও আজ অব্দি কৈলাসহর থানার পুলিশ ইননুস আলীর মামলাটি রেজিষ্ট্রি করেনি এবং পুলিশ আজ অব্দি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নি। মৃত গরু তিনটি এক সপ্তাহ ধরে একই জায়গায় পড়ে থাকায় এলাকা জুড়ে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পাশ্ববর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষেরা নিজ বাড়িতে বসবাস করতে পারছে না পচা দুর্গন্ধের জন্য। পুলিশের এই অমানবিক কান্ডে গোটা বাঘাছড়া গ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কৈলাসহর থানা সূত্রে জানা যায় যে, শাসক দলের মন্ডলের প্রভাবশালী এক মাতব্বরের আঙ্গুলি হেলনের কারনে পুলিশ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। ঘটনাকারীদের কাছ থেকে মন্ডলের সেই ।মাতব্বর মোটা অংক পেয়ে পেয়েছে। সেজন্যই পুলিশ কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে ।
সরকারকে নিকম্মা বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত

সরকারকে নিকম্মা বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি:সিটু রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত বলেন আটটি জেলার ২০টি জায়গায় হাজার হাজার জন অংশ নিয়েছেন। নিকম্মা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। সংবিধান, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, জনজীবন বিপন্ন, তা-ই আজ প্রতিবাদী শামিল হয়েছেন। সিটুর রাজ্য কমিটির সম্পাদক সমর চক্রবর্তীর হাতে আঘাত লাগে, তার অপারেশন হবে। অংশগ্রহণকারী এক ছাত্রী পড়ে আহত হলেন তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। সরকার যদি শিক্ষা না নেয় তাহলে আরও আন্দোলনসারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক পবিত্র কর বলেছেন ব্যাপক সংখ্যক নারীরা অংশ নিয়েছেন। জমিতে কাজ থাকার পরও ব্যাপক অংশ নিয়েছেন কৃষক চাষিরা। একটি বেসরকারি নার্সিং হোমের সামনে ব্যারিকেড নিয়ে পুলিশের ভূমিকা দুরভিসন্ধিমূলক, মতলবটা ভালো ছিল না। জিএমপি সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা কয়েকবছরের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া মিললো। জুমিয়া, দিনমজুর ক্ষেত মজুর,মহিলা, পুরুষ, ছাত্র যুব, কৃষক, চাষি অংশ নিয়েছেন অভূতপূর্ব সাড়া মিললো আগরতলা সহ গোটা রাজ্যে। এডিসি, নন এডিসি এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষ জাগলো।ত্রিপুরা ক্ষেত মজুর ইউনিয়ন রাজ্য সম্পাদক শ্যামল দে বলেন ২৫ হাজারেরও বেশি অংশ নিয়েছেন। সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে অংশ নিয়েছেন। গণশক্তির সংগ্রামের মেজাজ ছিল কর্মসূচিতে। সরকার যে ভাষা বুঝে সেই ভাষা বুঝিয়ে দিলো জনতা। সিটু রাজ্য সভাপতি মানিক দে বলেন তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কর্মসূচিতে।সরকার কোনো শিক্ষা নেবে কিনা সরকার জানে। আইনের শাসন তলানিতে। দুর্নীতি মাথাচাড়া দিয়েছে। আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে করা হয়েছে। একটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও গনবিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো, আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি সংগঠিত করার আগাম জানান মানিক দে। আগামীদিনে সরকার পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হবে বলেও মানিক দে জানান। সরকারের নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর দাবি করে অর্থনীতি দাবি পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটু রাজ্য সভাপতি।

Top News

View All →