নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল লোকায়ুক্ত মামলার জেরার ঠিক আগের মুহূর্তে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেলাঘর। আরটিআই (RTI) কর্মী তথা ইউটিউবার প্রসেনজিৎ সাহা বনাম মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়ের মামলার জেরার দিন ছিল গতকাল। কিন্তু তার ঠিক পূর্বমুহূর্তেই প্রসেনজিৎ সাহার গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় গাঁজা। আর এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চক্রান্ত ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেন প্রসেনজিৎ সাহার পরিবার ও এলাকাবাসী। সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়কে।অভিযোগের তির সরাসরি মেলাঘর পুরসভার চেয়ারপার্সনের দিকে। প্রসেনজিৎ সাহার পরিবার এবং এলাকাবাসীর স্পষ্ট প্রশ্ন— পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মেলাঘরের পৌরসভার চেয়ারপারসন অনামিকা ঘোষ পাল রায় কীভাবে জানতে পারলেন যে ঠাকুরপাড়ায় প্রসেনজিৎ সাহার বাড়িতে বা গাড়িতে কিছু একটা বেআইনি জিনিস আছে?এলাকাবাসীর দাবি, চেয়ারম্যান নিজেই ডিসিএম (DCM)-কি করে ফোন করলেন,
আজ এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মেলাঘর থানায় সমবেত হন প্রসেনজিৎ সাহার স্ত্রী ও এলাকার সাধারণ মানুষ। তাঁরা একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়ের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত মামলা দায়ের করেন।আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার পেছনে আসল সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে। মেলাঘর পৌরসভার চেয়ারম্যান অনামিকা ঘোষ পাল রায়কে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। পুলিশ যদি সঠিক তদন্ত না করে এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। প্রয়োজনে তাঁরা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে গণ-বিক্ষোভে বসবেন বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন উত্তেজিত এলাকাবাসী।
এখন দেখার, এই হাইপ্রোফাইল অভিযোগের ভিত্তিতে মেলাঘর থানার পুলিশ প্রশাসন আগামী দিনে কী ভূমিকা পালন করে।