surga-image

Tags

Share this article

প্রাক্তন বিধায়কের প্রয়াণ বার্ষিকীর দিনে পুনরুদ্ধার হল বিশালগড়ের কংগ্রেস ভবন

প্রাক্তন বিধায়কের প্রয়াণ বার্ষিকীর দিনে পুনরুদ্ধার হল বিশালগড়ের কংগ্রেস ভবন

নিজস্ব প্রতিনিধি: চড়িলাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন প্রয়াত বিধায়ক পরিমল সাহার ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে পুনরুদ্ধার হল বিশালগড়ের কংগ্রেস ভবন ।দীর্ঘ ২০১৮ সাল থেকে এই কংগ্রেস ভবনটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল ।মঙ্গলবার কংগ্রেস ভবনের সামনে প্রয়াত বিধায়ক পরিমল সাহার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা ।এর নেতৃত্বে ছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব নিগমানন্দ গোস্বামী।১৯৮৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চরিলাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন লড়াকু যুব কংগ্রেস নেতৃত্ব পরিমল সাহা। এই বছরই ৭ এপ্রিল বিশালগড়ের অফিসটিলা এলাকায় তৎকালীন শাসক দল সিপিআইএমের ঘাতক বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন হতে হয়েছিল বিধায়ক পরিমল সাহা ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কংগ্রেস কর্মী জিতেন্দ্র সাহা কে ।মঙ্গলবার প্রয়াত কংগ্রেস বিধায়ক পরিমল সাহার ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী। আর এই দিনে বিশালগড়ের কংগ্রেস ভবন পুনরুদ্ধার করে প্রয়াত নেতৃত্বকে শ্রদ্ধা জানান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা ।২০১৮ সাল থেকে বিশালগড়ের এই কংগ্রেস ভবনটি পরিতক্ত অবস্থায় ছিল ।একাধিকবার দুষ্কৃতীরা কংগ্রেস ভবনে আগুন জ্বালিয়ে দেয় ।তছনছ করে দেয় কার্যালয়টি। অবশেষে বিশালগড়েরই আরেক লড়াকু কংগ্রেস নেতা দিগমানন্দ গোস্বামী নেতৃত্বে দীর্ঘ আট বছর পর বিশালগড়ে পুনরুদ্ধার করা হলো কংগ্রেস ভবন ।এদিন কংগ্রেস ভবনের সামনে প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক পরিমল সাহার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ।কংগ্রেস নেতৃত্ব নিগমানন্দ গোস্বামী এই সংবাদ জানান। তিনি জানান ,প্রয়াত বিধায়ক পরিমল সাহা বলতেন, মানুষের কাছে নত হয়ে থাকলেই নেতা হওয়া যায়। প্রয়াত বিধায়কের ভাবাদর্শকে পাথেয় করেই তারা আগামী দিনের পথে এগিয়ে চলবেন বলে জানিন তিনি।এদিন কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত কর্মসূচির পর উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ কংগ্রেস ভবন থেকে মৌন মিছিল করে প্রয়াত বিধায়কের সমাধিস্থলে যান। সেখানেও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ।এই কর্মসূচি গুলিতে নিগমানন্দ গোস্বামী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক আরাফাত ইকবাল, যুব কংগ্রেস লিগ্যালস সেলের ইনচার্জ এরশাদ মিয়া ,স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শান্তি ভট্টাচার্যসহ অন্যান্যরা।

নাবালকের বিরুদ্ধে নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ঘিরে হৈ চৈ

নাবালকের বিরুদ্ধে নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ঘিরে হৈ চৈ

নিজস্ব প্রতিনিধি:খোয়াই এর বেলছড়ায় এলাকায় ১১ বছরের নাবালিকাকে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ ১৫ বছরের নাবালকের বিরুদ্ধে!ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত ৫ তারিখ রাত প্রায় নটার দিকে পাশেই এক বাড়িতে খেলাধুলা করছিল দুই নাবালিকা মিলে। তখনই ওই নাবালক এসে ওই নাবালিকাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এবং চিৎকার দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে মেয়েটি বাড়িতে এসে তার শারীরিক খুব কষ্ট হওয়ায় সে বিষয়টি বিস্তারিত ভাবে জানায়। ঘটনার পর মঙ্গলবার সকাল ১১ টা নাগাদ খোয়াই মহিলা থানায় মেয়েটিকে নিয়ে এসে লিখিত অভিযোগ জানায় বলে জানান নাবালিকা নির্যাতিতা মেয়েটির বাবা। দোষীর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি করেছেন তিনি।

কৈলাসহর গোলধারপুর রুদ্র  সিংহ উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে চুরি!

কৈলাসহর গোলধারপুর রুদ্র সিংহ উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে চুরি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল গভীর রাতে গৌরনগর ব্লকের অন্তর্গত চন্ডিপুর বিধানসভার গোলধারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অবস্থিত রুদ্র সিংহ হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলের তালা ভেঙ্গে চোরের দল বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে। আজ সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে দেখেন বিদ্যালয়ের তালা ভাঙ্গা। প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ একাধিক কক্ষে প্রবেশ করে চোরেরা। প্রধান শিক্ষক রাজমোহন সূত্রধর জানান চোরেরা কি কি নিয়ে গেছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে বিদ্যালয়ে ভর্তি চলছে। তাই নগদ টাকা চুরি যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশ এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলাগামী বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ! বাগডোগরা বিমানবন্দরে এখন সেই বিমানে উঠতে নারাজ যাত্রীরা!৮১ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নাম্বার ২৮৯২ আগরতলা যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিমানে গলযোগ দেখা দেয়। বিমানকর্মীরা টানা দেড় ঘন্টা সময় যাত্রীদের বসিয়ে রাখে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। বিমানের ভেতর এসি পরিষেবা ছিল বন্ধ। শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে কর্মীরা অন্য কোন ফ্লাইট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। ঘটনা বাগডোগরা এয়ারপোর্টে।

পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !

পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা !

সম্পাদকীয় কলম : গোটা মধ্যপ্রাচ্য যেন যুদ্ধের খেলায় মেতে উঠেছে। এই যুদ্ধ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে । বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়েছে জ্বালানী সংকট । প্রায় ২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও যুদ্ধের আঁচ কমার কোন লক্ষন নেই। রীতিমত তীব্রতা বাড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ যুদ্ধ । এদিকে হরমোজ প্রণালী নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিনী আগ্রাসন রোধের পরিবর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুংকার তীব্রতার নূতন ইন্ধন জুগিয়েছে । উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে নিজস্ব অবস্থানে অনড় । অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। মার্কিনী আগ্রাসন ঠেকাতে ইরান যাবতীয় শক্তি নিয়ে ঝাপিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে । ইরানের সেনা প্রধানের পাল্টা হুশিয়ারী মার্কিনী সেনা ইরানের মরু ভূমিকে স্পর্শ করলে কাউকে জীবিত ফেরত পাঠানো হবেনা । এদিকে ,বিদেশী একটি জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৩৩ বছর পর পুনরায় পারমাণবিক বোমার বিশেষ অভিযানে তৎপরতা বেড়েছে । যদি বর্তমান সময়ের মধ্যে কোন পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকির ভয়াবহতার কয়েকগুণ বেশী প্রভাব ফেলবে মানব সভ্যতার ইতিহাসে। আবহাওয়া দূষিত হবে । সূর্যের তাপমাত্রা কয়েকহাজার গুণ বেড়ে যাবে । পাল্টা ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমার আঘাত আনলে মধ্যপ্রাচ্য ঝলসে যাবে । এদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে আবুধাবি প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে । পাল্টা ইরানের পাশে রাশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী নামানোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত । জাতি সংঘ ও ন্যাটো মধ্যস্থতার দাবী উঠছে বিশ্বজুড়ে । এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে ভেঙে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি । মানব সভ্যতার ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে। প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার মিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে । যুদ্ধের বিভীষিকায় পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে । প্রত্যেকদিন মৃত্যু মিছিল অব্যাহত । মার্কিনী আগ্রাসন প্রতিরোধে বিশ্ব শান্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও জোড়ালো হচ্ছে দাবী ।এমতাবস্থায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার নিয়ে উভয় রাষ্ট্রের উন্মত্ত আগ্রাসন মানবতার জন্য বিপজ্জনক বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের।

কৃষ্ণুপুরে মথায় ধ্বস , বিজেপিতে যোগদান

কৃষ্ণুপুরে মথায় ধ্বস , বিজেপিতে যোগদান

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন স্বশাসিত জেলা পরিষদ (এডিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পালাবদলের ছবি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল ২৯ কৃষ্ণপুর মন্ডলে। সোমবার মন্ডল কার্যালয়ে এক যোগদান কর্মসূচিতে তিপ্রা মথা দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন হলদিয়া এডিসি ভিলেজের ভাইস চেয়ারম্যান এবং তিপ্রা মথার ২৯ কৃষ্ণপুর ব্লক কমিটির সদস্য ধন চন্দ্র দেববর্মা সহ আরও এক নেতা। এদিন নবাগতদের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে বরণ করে নেন রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং মন্ডলের অন্যান্য জনজাতি নেতৃত্বরা। উপস্থিত নেতৃত্বদের দাবি, এই যোগদান শুধুমাত্র রাজনৈতিক অবস্থান বদলের ঘটনা নয়, বরং উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।যোগদানকারী নেতারা জানান, গত পাঁচ বছরে তিপ্রা মথার নেতৃত্বকে কাছ থেকে দেখলেও এডিসি এলাকায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন সাধিত হয়নি। সেই হতাশা থেকেই তারা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নমুখী কর্মসূচির উপর আস্থা রেখে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।তাঁরা আরও জানান, আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ১১ মহারানীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী বিল্লু জমাতিয়ার জয়ের লক্ষ্যে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবেন। তাঁদের কথায়, “উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিজেপির বিকল্প নেই।”রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের যোগদান স্থানীয় সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

২৮'কে সামনে রেখেই ময়দানে তিপ্রা মথা নির্বাচনী প্রচারে রুনিয়েল

২৮'কে সামনে রেখেই ময়দানে তিপ্রা মথা নির্বাচনী প্রচারে রুনিয়েল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফেক্টার হওয়ার লক্ষেই ২০২৬ এ এডিসিতে জোর তিপ্রা মথার তিপ্রাসা জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তিপ্রাসা একর্ড সহ একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে।রবিবার ত্রিপুরা স্ব শাসিত জেলা পরিষদের ১৪ বোধজংনগর-ওয়াকিনগর কেন্দ্রের তিপ্রা মথা দল মনোনীত প্রার্থী রুনিয়েল দেববর্মা নিচ কেন্দ্রের সিপাহী পাড়া, টিংটাং এলাকায় বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন ১২ এপ্রিল আনারস প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন নিয়ে গণদেবতাদের নিকট।এই সময় উপস্থিত ছিলেন ১৪ বোধজংনগর ওয়াকিনগর কেন্দ্রের তিপ্রা মথা দলের মনোনীত প্রার্থী ই.এম রুনিয়েল দেব্বর্মা, লেফুঙ্গা সভাপতি দীপক দেব্বর্মা,দলের যুব সংগঠনের ব্লক সভাপতি প্রশান্ত দেব্বর্মা,নারী সংগঠের নেত্রী সাগরিকা দেববর্মা সহ হাজারো কর্মী সমর্থকরা।এই সময় রুনিয়েল দেব্বর্মা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন জনগণ ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন,সবাই প্রস্তুত মহারাজাকে আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে এডিসিতে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে।পাশাপাশি তিনি দাবি করেন ২০২৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ময়দানে নেমেছে।

মালাকার সমাজকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুৎসা , থানায় এজাহার

মালাকার সমাজকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুৎসা , থানায় এজাহার

নিজস্ব প্রতিনিধি: মালাকার সমাজকে নিয়ে এক যুবকের কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে অস্থির ধর্মনগর মহকুমা। থানায় মামলা। মালাকার সমাজ ও জাতিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কুরুচিকর এবং কুমন্তব্য করায় এক যুবকের বিরুদ্ধে কদমতলা থানায় এফআইআর দাখিল করলো 'উত্তরাঞ্চল মালাকার সমাজ'। একটা সময় যখন ভারতবর্ষে জাতিভেদ প্রথা নিয়ে হানাহানি মারামারি গ্রাস করে থাকতো সেখান থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গুণীজনরা সমাজকে পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। তার সুফল পেয়ে বর্তমান সভ্য সমাজ যেভাবে জাতিভেদ প্রথাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তার দুরন্ত গতিকে লাইনচ্যুত করতে এখনো বিভিন্ন সময় কিছু স্বার্থান্বেষী লোকের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তারই জলজ্যান্ত উদাহরণ এদিনের এই ঘটনা। ঘটনার বিবরণে ধর্মনগর উত্তরাঞ্চল মালাকার সমাজের সম্পাদক জানান,গত শুক্রবার তারা দেখতে পান সামাজিক মাধ্যম তথা ফেসবুকে শ্রীভাষ দেব(৩৩)নামের এক যুবক ব্যাঙ্গালোর থেকে লাইভে বসে মালাকার সমাজ ও গোটা জাতিকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য করছে। উক্ত যুবকের পিতা মৃত বিপুল দেব,বাড়ি কদমতলা থানাধীন বিষ্ণুপুর গ্ৰামের ৩নং ওয়ার্ডে। এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করার পর থেকে গোটা মালাকার সমাজের মনে দাগ কাটে। পরে ধর্মনগর উত্তরাঞ্চল সহ সমস্ত মালাকার সমাজ মহেশপুর এলাকায় জড়ো হয়ে আলোচনাক্রমে উক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কদমতলা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়। তারা পুলিশকে সমস্ত নথিপত্র দিয়ে সম্পূর্ণ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ক্রমে উক্ত যুবকের আইনী সাজার অনুরোধ জানান।

সদ্যজাত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার জঙ্গলে! ঘটনা শনিবার সন্ধ্যারাতে মধুপুর থানার অন্তর্গত কেনানিয়া গ্রামে

সদ্যজাত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার জঙ্গলে! ঘটনা শনিবার সন্ধ্যারাতে মধুপুর থানার অন্তর্গত কেনানিয়া গ্রামে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতম ঘটনা। সামাজিক অবক্ষয়ের নগ্ন চিত্র দেখা গেল কমলাসাগর বিধানসভার কেনানিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায়। মনুষ্য সমাজের রূপ কত ভয়ানক তার চোখে না দেখলে পরিষ্কার পাওয়া যাবে না। ফুটফুটে ছেলে সন্তান আর হয়তো এক থেকে দুই মাস পর মায়ের কোলে থেকে খেলাধুলা করতে পারতেন। কিন্তু সেই ফুটফুটে ছেলে সন্তানটিকে পৃথিবীর আলো আর দেখতে দিল না কলঙ্কিনী মা। হয়তো রাতের অন্ধকারে কিংবা দিনের বেলা ছেলে সন্তানটিকে ব্যাগ ভর্তি করে কেনানিয়া জমির পাশে জঙ্গলের মধ্যে ঢিল দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিলেন। সেই ডিলের মধ্যেই জঙ্গলের মধ্যে থাকা গাছের লতাপাতা আটকে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে সেই ছোট্ট শিশুটি। কেনানিয়া এলাকার জনগণ শনিবার সন্ধ্যাবেলা দেখতে পেয়ে এলাকার মধ্যে ভিড় জমায়। ছুটে আসে মধুপুর থানার পুলিশ। সকলের ধারণা অবৈধ সন্তান। যার দরুন সেই ছেলে সন্তানটিকে ঢিল দিয়ে জঙ্গলের মধ্যে ফেলে চলে গেল। হয়তো মা হোক নাকি কুমারী হবে তা বলা মুশকিল।কিন্তু ছোট্ট ছেলে সন্তানটি দেখতে খুবই সুন্দর ছিল। শেষ পর্যন্ত মধুপুর থানা পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে মধুপুর হাসপাতালে সেই অবৈধ সন্তানটিকে পাঠিয়ে দেয়। তবে মধুপুর থানার পুলিশ স্থানীয় কোন মহিলা কিংবা কুমারীর সেই বাচ্চাটি হতে পারে কিনা তার তদন্ত চালাচ্ছে।

বড়জলা মন্ডলের ২২ নং বুথে মন কি শ্রবন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়নের বার্তা

বড়জলা মন্ডলের ২২ নং বুথে মন কি শ্রবন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়নের বার্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে ত্রিপুরা। আজকের কার্যক্রমে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ভাংমুনে পানীয় জলের ব্যবস্থা করার বিষয় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। এর পাশাপাশি আগামী কিছুদিনের মধ্যে জল জীবন মিশনে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জন করবে ত্রিপুরা। আজ যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১৩২তম পর্ব শ্রবণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। আগরতলা সংলগ্ন বড়জলায় এই কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।এই কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজ আমরা সবাই একত্রিত হয়ে বড়জলার ২২নং বুথে কিষাণ মোর্চার পক্ষ থেকে আয়োজিত কার্যক্রমে যোগদান করি। আজ মন কি বাত কার্যক্রমে দুটি ক্ষেত্রে লাভবান হই আমরা। আজ জম্পুই হিলের ভাঙমুনে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে যেভাবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেবিষয়টি উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা আমাদের জন্য খুবই গর্বের বিষয়। যেখানে আগে পানীয় জলের জন্য প্রচন্ড অসুবিধা হতো সেখানকার মানুষের। দ্বিতীয়ত প্রধানমন্ত্রীর নামে মুফত বিজলি যোজনা। এই যোজনায় গ্রামে গ্রামে বিশেষ করে রিয়াং শরণার্থীরা লাভবান হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিদ্যুতের কারণে এখন ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে, কৃষি ক্ষেত্রে উপকার হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মন কি বাত কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়। যেসব বিষয় আমরা জানি না। আর এই বিষয়গুলি প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে সারা দেশ জেনে যায়। স্বাস্থ্য সচেতন থাকা, যুবদের বিষয়েও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যেমন খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে তেল কম খাওয়া, সবসময় ব্যায়াম করা ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। ফিশারি, কৃষি, ক্রীড়া সহ প্রত্যেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এসব বিষয় থেকে আমাদের অনুপ্রেরণা আসে। আজ ত্রিপুরা সম্পর্কে দুটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪৭ এ বিকশিত ভারত গড়ে তোলার যে আহ্বান রেখেছেন আমরাও বিকশিত ত্রিপুরা গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কাজ করছি। এই লক্ষ্যে আজ আমি বড়জলায় এসেছি। আমি এই কার্যক্রমে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানাই। ত্রিপুরা সারা দেশের মধ্যে ছোট রাজ্য হলেও মন কি বাত কার্যক্রমে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। ত্রিপুরার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খুবই সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি ইত্যাদি নিয়েও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ইরান, ইজরায়েল, আমেরিকার সঙ্গেও কূটনৈতিক দিক থেকে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি। একইভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলির সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি। আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বের কাছে নিরাপদে রয়েছি। কোভিডের মতো পরিস্থিতিকে আমরা যেভাবে মোকাবিলা করেছি সেভাবে এবারও মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে জল জীবন মিশনের সফল বাস্তবায়ন নিয়েও এদিন কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে যখন আমাদের সরকার আসে, তখন মাত্র ৩ শতাংশ ছিল। সেই জায়গায় এখন জল জীবন মিশনে প্রায় ৮৫ – ৮৬ শতাংশ সাফল্য এসেছে। বহু জায়গায় জলের প্রয়োজনীয় উৎস না থাকায় উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে জল জীবন মিশনে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জিত হবে।এদিন এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যানী সাহা রায়, মন কি বাত ত্রিপুরা প্রদেশের ইনচার্জ রতন ঘোষ, প্রাক্তন বিধায়ক ডাঃ দিলীপ দাস সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব ও কার্যকর্তাগণ।