Tags

Share this article

আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আগরতলা, ৯ অক্টোবর: আগরতলা পুর নিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের প্রস্তাবিত নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় শুক্রবার। এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুর নিগমের পূর্ব জোনাল চেয়ারম্যান সুখময় সাহা, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর রুমা দাস-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।নতুন ওয়ার্ড অফিস ভবন নির্মিত হলে এলাকার নাগরিকদের বিভিন্ন পুর পরিষেবা প্রদান এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওয়ার্ড স্তরে নাগরিক পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এলাকার মানুষের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে নতুন ভবনটি নির্মাণ করা হলে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ওয়ার্ড অফিসে যোগাযোগ করা আরও সুবিধাজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে

কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানুষের বিপদের দিনে দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় যুক্ত হলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স কমলপুরের বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। কারণ, সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া অনেক সময় একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।আজ কমলপুর টাউনহলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির উদ্যোক্তা ছিল কমলপুর মহকুমা প্রশাসন এবং সহযোগিতায় ছিল কমলপুর নগর পঞ্চায়েত। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব। তাঁর হাত ধরেই হাসপাতালের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, কমলপুর মহকুমার মেডিকেল অফিসার শুভাশিস দে, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার তথা ডিসিএম অদিতি দাস-সহ নগর পঞ্চায়েতের অন্যান্য কাউন্সিলররা।চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা ব্যয়ে এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।একটি অ্যাম্বুলেন্স শুধু রোগী পরিবহণের বাহন নয়, অনেক সময় তা হয়ে ওঠে সংকটাপন্ন মানুষের কাছে আশার ভরসা। দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা কিংবা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে দ্রুত পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে উপকৃত হবেন বহু মানুষ। বিশেষ করে মহকুমার সাধারণ মানুষের কাছে এই পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।জনস্বার্থে এই উদ্যোগের সার্থকতা তখনই, যখন প্রয়োজনের মুহূর্তে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সহজে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা পাবেন। তাই নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়মিত ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করে কমলপুর মহকুমার মানুষের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করে তোলাই এখন প্রত্যাশা।মানুষের জীবন রক্ষায় প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। আর সেই সংকটের সময়ে রোগীর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক আশাব্যঞ্জক সংযোজন।
৬ বছর যাবত বাঁধ ওয়াটার পাম্প ভোগান্তির শিকার অপারেটর সহ স্থানীয়রা উদাসীন দপ্তর!ঘটনা মান্দাই ব্লকের অধীন উদয়কালাম পাড়ায়।

৬ বছর যাবত বাঁধ ওয়াটার পাম্প ভোগান্তির শিকার অপারেটর সহ স্থানীয়রা উদাসীন দপ্তর!ঘটনা মান্দাই ব্লকের অধীন উদয়কালাম পাড়ায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি: মান্দাই ব্লকের অধীন আর.সি নগর ভিসির অন্তর্গত উদয়কালাম পাড়ায় প্রায় ২০১৮ সালে স্থানীয়দের পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি ওয়াটার পাম্প বসানো হয় এবং এর অপারেটর ছিলেন সুকুমার দেববর্মা নামে এক যুবক।বছর দুয়েক ঠিক ঠাক মতো চললেও প্রায় ৬ বছর যাবত বন্ধ ওয়াটার পাম্পটি।সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নাম থাকলেও মান্দাই ব্লকের সিস্টেমে তার নাম নেই ফলে বন্ধ এই ওয়াটার পাম্পটি।ফলে পানীয় জলের সমস্যায় ভোগান্তির শিকার পাম্প অপারেটর সুকুমার সহ স্থানীয় জনগণ।সুকুমারের এও অভিযোগ এই পাম্পের জন্য একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বসানো হয় কিন্তু সেটিও ঠিক মতো চলে না।যার এবং তার নামও অপারেটর হিসেবে গিয়োগ পাওয়া সুকুমার দেববর্মার নামও কাটা।মূলত গোটা ঘটনা চক্রে পানীয় জল,কৃষি ক্ষেত্রে কৃষক সহ বঞ্চিত অপারেটর সুকুমার দেববর্মা।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সে বিস্তারিত জানান গোটা বিষয় এখন দেখার সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না উক্ত সমস্যা সমাধান
বিল্ডিংয়ের উপর থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু উদয়পুরে!

বিল্ডিংয়ের উপর থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু উদয়পুরে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: উদয়পুরের সোনামুড়া চৌমুহনী এলাকায় তিনতলা বিশিষ্ট একটি ভবনের উপর থেকে ছিটকে নিচে পড়ে মৃত্যু হলো এক নির্মাণ শ্রমিকের। শুক্রবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে ঠিক কী কারণে ওই নির্মাণ শ্রমিক উপর থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মাণকাজ চলাকালীন কোনও এক সময় তিনতলা ভবনের উপর থেকে নিচে ছিটকে পড়েন ওই শ্রমিক। তাঁর নিচে পড়ার বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন এবং নির্মাণকাজে নিযুক্ত অন্যান্য শ্রমিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সেখানে এসে তাঁরা দেখতে পান, রাস্তার পাশে ড্রেনের কালভার্টের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন ওই শ্রমিক।ঘটনার পরপরই খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শ্রমিককে উদ্ধার করেন। এরপর তাঁকে চিকিৎসার জন্য টেপানিয়াস্থিত গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আর. কে. পুর থানার পুলিশ। কীভাবে ওই শ্রমিক তিনতলা ভবনের উপর থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।অন্যদিকে, খবর সংগ্রহ করা পর্যন্ত মৃত শ্রমিকের সঠিক পরিচয় জানা যায়নি। নির্মাণকাজে নিযুক্ত অন্যান্য শ্রমিকরা তাঁকে ‘টিটু দাদা’ নামে ডাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রকৃত নাম, বাড়ির ঠিকানা এবং অন্যান্য পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।দিনদুপুরে জনবহুল এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা তদন্তের মাধ্যমে সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 প্রায় দশ বছর ধরে বেহাল অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের সংস্কার নেই! ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাঞ্চনপুর লালজুড়ি ব্লকের রবি রায়পাড়ার মানুষ!

প্রায় দশ বছর ধরে বেহাল অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের সংস্কার নেই! ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাঞ্চনপুর লালজুড়ি ব্লকের রবি রায়পাড়ার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: ত্রিপুরার উত্তর ত্রিপুরা জেলার লালজুড়ি ব্লকের আওতাধীন জয়মনিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রবি রায়পাড়া অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের অবস্থা দীর্ঘ দশ বছর ধরে বেহাল।স্থানীয়দের অভিযোগ,কেন্দ্রটির ছাদ থেকে জল পড়ে,দেওয়ালে ফাটল,নেই পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা,নেই শৌচালয় ও পানীয় জলের সুব্যবস্থা। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কচিকাঁচা থেকে শুরু করে গর্ভবতী মায়েদের।সরকার যেখানে শিশুদের পুষ্টি ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার উপর জোর দিচ্ছে, সেখানে এই কেন্দ্রের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। বর্ষার দিনে ছাতা মাথায় দিয়ে চলছে পঠনপাঠন ও খিচুড়ি বিতরণ।এলাকাবাসীর দাবি,বহুবার পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা।শীঘ্রই এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটির সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কবে নাগাদ পদক্ষেপ নেয় পাঁচ বছর ধরে এই একই অবস্থা। বাচ্চারা এখানে আসতে চায় না। বৃষ্টি হলেই জল পড়ে।-আমরা অনেকবার জানিয়েছি। এই অবস্থায় বাচ্চাদের সামলানো খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে
১,০৬১ শিক্ষক পদে নিয়োগ, এএমসিতে ২১৩ পদ সৃষ্টি; ৯.৯২ লক্ষ পরিবারকে বিনামূল্যে পুজোর রেশন

১,০৬১ শিক্ষক পদে নিয়োগ, এএমসিতে ২১৩ পদ সৃষ্টি; ৯.৯২ লক্ষ পরিবারকে বিনামূল্যে পুজোর রেশন

নিজস্ব প্রতিনিধি:আগরতলা, ৭ অক্টোবর: রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১,০৬১ জন শিক্ষক নিয়োগ, আগরতলা পুরনিগমে (এএমসি) ২১৩টি নতুন পদ সৃষ্টি এবং গ্রুপ-বি, গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের জন্য ত্রিপুরা স্টাফ সিলেকশন কমিশন গঠন।মন্ত্রিসভার মুখপাত্র তথা খাদ্য, জনবণ্টন ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের অধীনে নবম ও দশম শ্রেণির জন্য ৭০০ জন স্নাতক শিক্ষক (STGT) নিয়োগ করা হবে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অধীনে আরও ৩৬১ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে ৭৫ জন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক এবং ২৮৬ জন আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষক রয়েছেন।সুশান্ত চৌধুরী জানান, খুব শীঘ্রই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। বেকার চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এদিকে আগরতলা পুরনিগমে বিভিন্ন বিভাগে ২১৩টি পদ সৃষ্টি ও নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিকল্পনা, অ্যাকাউন্টস, ইলেকট্রিক্যাল, সার্ভেয়িং, পরিদর্শন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত পদ এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।গ্রুপ-বি, গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের জন্য ত্রিপুরা স্টাফ সিলেকশন কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সুশান্ত চৌধুরী জানান, এই কমিশন নিজস্ব কাঠামো ও নিয়ম-কানুন অনুযায়ী একটি স্বশাসিত কমিশন হিসেবে কাজ করবে এবং বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা পরিচালনা করবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই রাজ্যে এই কমিশন গঠন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।শারদোৎসব ২০২৬ উপলক্ষে রাজ্যের ৯.৯২ লক্ষ রেশন কার্ডধারী পরিবারকে বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিটি পরিবারকে ১ কেজি চিনি, ২ কেজি ময়দা এবং ৫০০ গ্রাম সুজি দেওয়া হবে। এর জন্য প্রায় ৯৯২ মেট্রিক টন চিনি, ১,৯৮৪ মেট্রিক টন ময়দা এবং ২৪৩ মেট্রিক টন সুজির প্রয়োজন হবে। এই খাতে সরকারের আনুমানিক ব্যয় হবে ৯.৩৫ থেকে ৯.৮৫ কোটি টাকা।এছাড়াও এসসি ওয়েলফেয়ার সাব-কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বৈঠকে অংশগ্রহণের ভাতা ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংখ্যালঘু কল্যাণ বিভাগের বোর্ডিং হাউসের ছাত্রছাত্রীদের দৈনিক ভাতাও ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের অধীনে আটটি লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক (LDC) পদে নিয়োগের অনুমোদনও দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সুশান্ত চৌধুরী আরও জানান, নিয়মিত চিনি সরবরাহে সাময়িক যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ভর্তুকি সংক্রান্ত কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা জড়িত রয়েছে। পুজোর পর বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
 ১৯৩ কেজি গাঁজা বোঝাই গাড়ি সহ দুই জনকে আটক করে ধর্মনগর থানার পুলিশ!

১৯৩ কেজি গাঁজা বোঝাই গাড়ি সহ দুই জনকে আটক করে ধর্মনগর থানার পুলিশ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে নাকা চেকিং চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করল ধর্মনগর থানার পুলিশ। বুধবার বিকেলে ধর্মনগর থানার অন্তর্গত আনন্দবাজার নাকা চেকিং পয়েন্টে একটি চারচাকা মালবাহী গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৯৫ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় গাড়ির চালক ও সহচালককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্মনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মিনা দেববর্মার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও টিএসআর জওয়ানদের নিয়ে আনন্দবাজার এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় আগরতলা থেকে ধর্মনগরের দিকে আসা একটি চারচাকা মালবাহী গাড়িকে সন্দেহ হওয়ায় থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িটির নম্বর TR01BC1518। তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ির ভিতরে রাখা কালো প্লাস্টিকের ট্রেগুলোর নিচে একটি বিশেষভাবে তৈরি গোপন কক্ষের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। ওই গোপন কক্ষ খুলে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা। পুলিশ জানায়, মোট ২০টি বান্ডিলে গাঁজাগুলি অত্যন্ত কৌশলে গাড়ির গোপন চেম্বারের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, গাঁজা লুকিয়ে রাখার জন্য গাড়ির ভিতরে বিশেষ কায়দায় গোপন কক্ষ তৈরি করা হয়েছিল। তল্লাশির সময় ওই কক্ষ থেকে গাঁজার বান্ডিল বের করতেও পুলিশকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনায় গাড়ির চালক ও সহচালককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা হলেন আগরতলার রামনগর এলাকার মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে জোলাল উদ্দিন এবং আগরতলা বর্ডার গোল চক্কর এলাকার মুখলেস মিয়ার ছেলে মমিন মিয়া। পুলিশের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ১৯৫ কেজি শুকনো গাঁজার কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ধর্মনগর থানার পুলিশ। গাঁজাগুলি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কার কাছ থেকে তা নেওয়া হয়েছিল এবং কোথায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও আটক দুই ব্যক্তিকে নিয়ে ইতিমধ্যেই পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। নাকা চেকিংয়ে পুলিশের এই বড়সড় সাফল্যে আন্তঃজেলা মাদক পাচারচক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত আরও জোরদার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
 সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মচারীদের হাউস রেন্ট ভাতাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীদের হাউস রেন্ট ভাতা এতদিন বেসিক পে-এর ৮ শতাংশ হারে দেওয়া হতো। এবার তা বাড়িয়ে বেসিকের ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এই নতুন সুবিধা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।একইসঙ্গে ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারীদের বেতনেও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা যুক্ত হবে। কর্মচারীদের স্বার্থ ও বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।সরকারের এই ঘোষণায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ডিএ বৃদ্ধি এবং হাউস রেন্ট ভাতা বৃদ্ধির ফলে কর্মচারীদের মাসিক আয় কিছুটা বাড়বে, যা বর্তমান সময়ে তাঁদের আর্থিকভাবে উপকৃত করবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীরা রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজ্যের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের পরিষেবা প্রদানে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই কর্মচারীদের কল্যাণে সরকার ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ট্রাফিক বিধি নিয়ে বার্তা

ট্রাফিক বিধি নিয়ে বার্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী দুর্গাপুজা ২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে আগরতলার পূর্ব থানায় এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় দুর্গাপুজার সময় শহর ও সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপুজা উদযাপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণই এই সভার মূল উদ্দেশ্য। এ বছর ‘ত্রিপুরা পুলিশের ১৫০ বছর’ উপলক্ষ্যও রয়েছে।
 প্রতাপগড়ে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন অফিসের শুভ উদ্বোধন

প্রতাপগড়ে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন অফিসের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলা পুর নিগমের দক্ষিণ জোনের অন্তর্গত প্রতাপগড় বাজার সংলগ্ন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন অফিসের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হলো। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার হাত ধরে এই নতুন অফিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, অভিজিৎ মল্লিক সহ আগরতলা পুর নিগম ও প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।নতুন অফিসের মাধ্যমে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকদের বিভিন্ন পরিষেবা আরও সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি দ্রুত সমাধানের ক্ষেত্রেও এই অফিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Top News

View All →