নিজস্ব প্রতিনিধি: অপহরনের মামলা দায়ের করার পর আমতলী থানার পুলিশ নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার সহ অপহরণকারীকে জালে তুলতে তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত খাশিয়ামঙ্গল দয়ারাম পাড়া এলাকায় অপহরণকারীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালালেও নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত অপহরণকারী! জানা গেছেন গত ১০ দিন আগে আমতলী থানার অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এলাকার ১৪ বছরের এক নাবালিকা মেয়েকে বিভিন্ন প্রলোবন দেখিয়ে অপহরণ করে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার খাশিয়ামঙ্গল দয়ারামপাড়া এলাকার রবি দেববর্মার ছেলে জনি দেববর্মা। এই বিষয়ে নাবালিকা মেয়েটির বাবা আমতলী থানায় অভিযুক্ত রনি দেববর্মার বিরুদ্ধে লিখিত আকারে অপহরণের মামলা দায়ের করে। এরপরেই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারসহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধারে তারপর হয়ে উঠে আমতলী থানার পুলিশ। অবশেষে রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী থানার পুলিশ তেলিয়ামুড়া দয়ারামপাড়া স্থিত অপহরণকারী রনি দেববর্মার বাড়িতে হানা দেয় আমতলী থানা এবং তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ। যদিও দূর থেকে পুলিশের গাড়ি দেখতে পেয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী রনি দেববর্মা ওই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ দীর্ঘক্ষন ধরে গোটা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার সহ অভিযুক্ত অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য কিন্তু কোথাও তাদের হদিস পাওয়া যায়নি। এ দিনের এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমতলী থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর গোপাল দাস। একদিন তাদেরকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত অপহরণকারীর মা-বাবাকে প্রশ্ন করে যে এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটিয়ে নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে অভিযুক্ত অপহরণকারী জনি দেববর্মা আত্ম গোপন করে আছে কিন্তু তারা কেন বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেনি, যদিও পুরুষের এই প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব দিতে পারেনি অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা বাবা। এদিন সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে ঘটনাটি স্বীকার করেছে অভিযুক্ত জনি দেববর্মার মা। এই ঘটনায় নাবালিকা মেয়েটির পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের দাবি আমতলী থানার পুলিশ যেন অভিযুক্ত জনি দেববর্মার বিরুদ্ধে দ্রুত অপহরণের মামলা নথিভুক্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার সহ নাবালিকা মেয়েটিকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করে।