Tags

Share this article

 টেট উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন

টেট উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৪ সালের টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা তাঁদের দীর্ঘদিনের নিয়োগ-সংক্রান্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানান।পরীক্ষার্থীদের বক্তব্য, ২০২৪ সালে টেট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র প্রায় ১,৮০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এত কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।সাংবাদিক সম্মেলনে পরীক্ষার্থীরা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, শহরকেন্দ্রিক কিছু স্কুল বাদ দিলে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার বহু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। শিক্ষক সংকটের কারণে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে তাঁদের বক্তব্য।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহার ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের কাছে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সহযোগিতা চাওয়া হলেও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁরা প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে পরীক্ষার্থীরা ঘোষণা করেন, তাঁদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। তাঁদের মূল দাবি—২০২৪ সালের টেট উত্তীর্ণ সকল যোগ্য পরীক্ষার্থীর দ্রুত নিয়োগ এবং রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা সরকারের কাছে তাঁদের দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান।
 একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত!

একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত!

নিজস্ব প্রতিনিধি:চুরির ঘটনা রেকর্ড গরল বিশালগড়। একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মানুষের বাড়ি ঘরে ঘটে চলেছে চুরির ঘটনা। গতকাল রাতে পশ্চিম লক্ষ্মীপুর নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে ঘটে চুরির ঘটনা। বুধবার সকালে স্কুল খুলতে এসে শিক্ষক শিক্ষিকারা দেখতে পান স্কুলের মধ্যে বৈদ্যুতিক তার সহ বিভিন্ন জিনিস নিয়ে গেছে চোরের দল। একদিকে বাঁকা পথে কত কামাইয়ের জন্য ব্যস্ত বিশালগড় থানার পুলিশ আরেক দিকে ঘটে চলেছে চুরির ঘটনা। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস থেকে শুরু করে চার পুলিশ অফিসার কে ক্লোজ করা হলে স্বভাব পাল্টায়নি পুলিশ কর্মীদের। একের পর এক তুল্লা দায় করে যাচ্ছে পুলিশ বাবুরা নিরব জেলা প্রশাসন সহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর চোরের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশালগড় জনগণ পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। বুধবার সকালে পশ্চিম লক্ষীবিল নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় শিক্ষক এই চুরির ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত জানান।
 বিশালগড় কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে এক মহিলার গলা থেকে স্বর্ণের হার ছিনতাই !

বিশালগড় কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে এক মহিলার গলা থেকে স্বর্ণের হার ছিনতাই !

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশ কয়েক বছর ধরে বিশালগড় অত্র এলাকায় চুরির ছিনতাই এর ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার দুপুরে আগরতলা সুভাষ নগর থেকে বিশালগড় নিচে আত্মীয়র বাড়িতে স্কুটি করে স্বামী-স্ত্রী আসার পর বিশালগড় কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে জাগৃতি চৌধুরী পালের গলা থেকে দুই বুড়ি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায় ছিনতাই বাজরা। এই ব্যাপারে বিশালগড় থানায় ছিনতাই মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনা খবর পেয়ে ঘটনার স্থলে ছুটে আছেন বিশালগড় থানার পুলিশ। তবে বলাই বাহুল্য বিশালগড় থানার পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এই ধরনের ঘটনা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আর আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে বিশালগড়ে। নিরব জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
কোটি টাকার ‘স্মার্ট সিটি’ পার্কে নেশার আসর! আবর্জনা আর দুর্গন্ধে বেহাল বটতলা!

কোটি টাকার ‘স্মার্ট সিটি’ পার্কে নেশার আসর! আবর্জনা আর দুর্গন্ধে বেহাল বটতলা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কোটি কোটি টাকা খরচ করে ‘স্মার্ট সিটি’ প্রকল্পের আওতায় সাজানো হয়েছে আগরতলার বটতলা এলাকার পার্ক। উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা। কিন্তু বর্তমানে সেই পার্কের চিত্রই যেন উল্টো কথা বলছে। অভিযোগ, পার্কের ভিতরে চলছে নেশার আসর, আর চারপাশে জমছে মাছ বাজারের বর্জ্য ও আবর্জনা। প্রশ্ন উঠছে—স্মার্ট সিটির সৌন্দর্যায়ন হলেও নাগরিক নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা কি আদৌ স্মার্ট হয়েছে?আগরতলার বটতলা। ব্যস্ত মাছ বাজারের পাশেই কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতাধীন এই পার্ক।কিন্তু বর্তমানে পার্কের আশপাশের পরিবেশ দেখলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এই কি সেই স্বপ্নের স্মার্ট সিটি?পার্কের দেওয়াল ঘেঁষে পড়ে রয়েছে মাছ বাজারের বর্জ্য, মাছের অবশিষ্টাংশ, মাছের পেটি এবং বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা। দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে কার্যত নাজেহাল সাধারণ মানুষ।শুধু পার্কের বাইরেই নয়, অভিযোগ উঠছে পার্কের ভিতরের অবস্থাও অত্যন্ত করুণ। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে আবর্জনা, মদের খালি বোতলসহ নানা সামগ্রী।অভিযোগ, সন্ধ্যা নামার পর এই পার্কেই বসছে নেশার আসর। ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিবার নিয়ে পার্কে আসতে অনেকেই অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে পার্কের সামনের রাস্তা ও মাছ বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে।অভিযোগ, পুর নিগমের আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকলেও তার আশপাশেই রাস্তা ও পার্কের দেওয়াল ঘেঁষে ফেলে রাখা হচ্ছে মাছ বাজারের বর্জ্য।ফলে একদিকে দুর্গন্ধ, অন্যদিকে নোংরা পরিবেশ—সব মিলিয়ে বটতলা স্মার্ট সিটি পার্ক এখন যেন সৌন্দর্যায়নের বদলে অব্যবস্থাপনার ছবি তুলে ধরছে।জনসাধারণের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল এই পার্ক। কিন্তু বর্তমানে পার্কের ভিতরে নেশার আসর বসার অভিযোগ, বাইরে মাছ বাজারের বর্জ্য এবং চারপাশে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ—সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে এই পার্কের প্রকৃত সুবিধা পাচ্ছেন কারা?প্রশ্ন উঠছে পুলিশ, পুর নিগম এবং স্মার্ট সিটি কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়েও।পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের নজরদারি থাকা সত্ত্বেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে এই অব্যবস্থার দায় নেবে কে?স্মার্ট সিটির নামে কোটি কোটি টাকা খরচ করে পার্ক তৈরি করলেই কি দায়িত্ব শেষ?নাকি সেই পরিকাঠামোকে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, নিরাপদ রাখা এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারযোগ্য করে রাখাও প্রশাসনের দায়িত্ব?একদিকে কোটি কোটি টাকার সরকারি অর্থে সৌন্দর্যায়ন, অন্যদিকে সেই পার্কেই নেশার আসর ও আবর্জনার স্তূপ—বটতলার এই ছবি যেন ‘স্মার্ট সিটি’র বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই—স্মার্ট সিটি কি শুধু সৌন্দর্যায়নে, নাকি নাগরিক নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাতেও হবে ‘স্মার্ট’?
মান্দাই ব্লকে অনুষ্ঠিত ভিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মক পোল

মান্দাই ব্লকে অনুষ্ঠিত ভিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মক পোল

 নিজস্ব প্রতিনিধি:মান্দাই ব্লকের অন্তর্গত ২৬ টি ভিলেজ কমিটির মধ্যে ১৫ টি ভিলেজ কমিটিতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। এন.ডি.এ জোটের সঙ্গে এই ভোটের লড়াই হচ্ছে সিপিআইএম ও নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে।এই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হলো মক পোল।উপস্থিত ছিলেন জিরানিয়া মহকুমা শাসক, মান্দাই ব্লকের বিডিও তথা রিটার্নিং অফিসার পূজন সেন সহ নির্বাচনে যুক্ত কর্মীরা।এই মক পোল এর মধ্য দিয়ে সুস্থ,স্বাভাবিক ,নিরপেক্ষ ভোট সম্পন্ন করার বার্তা দেওয়া হয়। 
 লালমাটিয়ায় অভিযান, তিন সন্দেহভাজন চোর আটক

লালমাটিয়ায় অভিযান, তিন সন্দেহভাজন চোর আটক

 নিজস্ব প্রতিনিধি: আগরতলার মহারাজগঞ্জ বাজার ফাঁড়ির পুলিশের তৎপরতায় লালমাটিয়া এলাকার বিপণি বিতান থেকে তিনজন সন্দেহভাজন চোরকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে নগদ ৫৬ হাজার টাকার মধ্যে ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।মহারাজগঞ্জ বাজার ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ দীপঙ্কর দেবনাথ জানান, আটক তিনজনকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে চুরি সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।পাশাপাশি, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, কিংবা আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে কোনো চক্রের যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও যাচাই করছে।
 মাদ্রাসা শিক্ষার আড়ালে নাবালককে নির্যাতনের অভিযোগ! হুজুরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা।

মাদ্রাসা শিক্ষার আড়ালে নাবালককে নির্যাতনের অভিযোগ! হুজুরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা।

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরের গৌরনগর আরডি ব্লকের অন্তর্গত ফুলবাড়ীকান্দি পঞ্চায়েতের বরখলা গ্রামের ফুলবাড়ীকান্দি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাবালক পড়ুয়াকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাদ্রাসার ‘ছোট হুজুর’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে কৈলাসহর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পড়ুয়ার পিতা মনাফ আলি।মনাফ আলির অভিযোগ, পড়াশোনার সময় একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারায় নাবালককে মারধর করা হয়। অভিযোগ, এতে তার হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়েছে। পরিবারের আরও দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ওই পড়ুয়ার ওপর মারধরের ঘটনা ঘটছে।ঘটনার পর বিষয়টি জানতে মাদ্রাসায় গিয়ে ছেলের ওপর নির্যাতনের কারণ জানতে চান তার বাবা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়। মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি বলে পরিবারের অভিযোগ। এরপরই রবিবার রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মনাফ আলি।সংবাদমাধ্যমের কাছে নাবালকের পিতা বলেন, পড়া না পারলে শাসন করা এক বিষয়, কিন্তু শিক্ষার নামে একজন নাবালককে অমানবিকভাবে মারধর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার ছবি ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর তা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিকে চাপ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—শিক্ষার পবিত্র পরিবেশের আড়ালে নাবালক পড়ুয়াদের ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ কি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে?শিক্ষার নামে শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে নাবালকের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার ছোট হুজুর বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্তের পরই অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
 সীমান্তে দুষ্কৃতীর নারকীয় তাণ্ডব!

সীমান্তে দুষ্কৃতীর নারকীয় তাণ্ডব!

নিজস্ব প্রতিনিধি: তোলাবাজি, অ্যাসিড-সন্ত্রাস ও শ্লীলতাহানিতে ধমকে নন্দীটিলা​দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুম মহকুমার অন্তর্গত সোনিয়ারখিল নন্দীটিলায় দুষ্কৃতী রাজত্ব যেন সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে। বি এস এফের তল্লাশিতে বেআইনি পাচারি মাল বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর সেই সন্দেহের জেরে প্রতিবেশী শম্ভু দত্তের পরিবারের ওপর নেমে এসেছে অমানসিক নির্যাতন। গভীর রাতে ঘরের টিন কেটে তাণ্ডব চালানো, পরিবারের দাদু-ঠাকুরমার মঠ ভাঙচুর এবং পানের জলে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়ার মতো নৃশংসতায় এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।শুধু সম্পত্তি ধ্বংসেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্ত বিষ্ণু শীল; শম্ভু দত্তের স্ত্রীকে ১৭ লাখ টাকার আকাশছোঁয়া তোলার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ভোরের আলো ফোটার আগেই তাঁর ওপর চালানো হয়েছে নারকীয় শ্লীলতাহানির চেষ্টা। দীর্ঘদিনের যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের এই বিষাক্ত পরিবেশ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার অধিকারকেই কেড়ে নিয়েছে।স্থানীয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র কলুষিত করা থেকে শুরু করে মধ্যরাতের সীমান্ত পাচার—অভিযুক্তের দাপটে দীর্ঘদিন থমকে গ্রামটি। শ্রীনগর ফাঁড়ির পুলিশ ও স্থানীয় পঞ্চায়েত নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও এই ঘটনা স্পষ্ট করে দেয় যে গ্রামীণ সামাজিক নিরাপত্তা আজ সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। যেখানে একজন মহিলা নিজের ভিটায় দাঁড়িয়ে সম্মান ও জীবন বাঁচানোর আকুতি জানান, সেখানে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে তীব্র সংশয় তৈরি হয়েছে।
সোনামুড়ায় ৪৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার!

সোনামুড়ায় ৪৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোনামুড়া থানার পুলিশ টহল দেওয়ার সময় ইউএনসি নগর-ফকিরাদোলা সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৪৭ কেজি ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া মেনে গাঁজাগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। ঘটনায় গাঁজার মালিকের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে সোনামুড়া থানার পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত নানা উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত নানা উদ্যোগ

আগরতলা: দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার আগরতলা সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাসব্যাপী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নানা সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচিগুলি আয়োজন করা হবে।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, প্রদীপ প্রজ্বলন সহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও এলাকায় পর্যায়ক্রমে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রক্তদান ও স্বাস্থ্য শিবিরের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ প্রজ্বলনের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে জন্মদিন উদযাপন করা হবে। এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই কর্মসূচিগুলি চলবে।সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে এই সমস্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা এবং জনসম্পৃক্ততা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি।