Tags

Share this article

মহারাজগঞ্জ বাজারের মাছ বাজারে আচমকা মুখ্যমন্ত্রী, যানজট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ব্যবসায়ী-জনসাধারণকে বার্তা

মহারাজগঞ্জ বাজারের মাছ বাজারে আচমকা মুখ্যমন্ত্রী, যানজট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ব্যবসায়ী-জনসাধারণকে বার্তা

আগরতলা: শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা আগরতলার মহারাজগঞ্জ বাজারের মাছ বাজারে আচমকা পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ মানিক সাহা। শনিবার বাজার পরিদর্শনকালে তিনি বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, যানজট, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং ভবিষ্যতে বাজারকে আরও আধুনিক ও সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন।আচমকা মুখ্যমন্ত্রীকে বাজারে দেখতে পেয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। পরিদর্শনের সময় বাজারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে মাছ বাজারের পরিকাঠামো, চলাচলের ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাজার এলাকায় যানজটের পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।মহারাজগঞ্জ বাজারে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহনের লোডিং-আনলোডিংয়ের কারণে ব্যস্ত সময়ে যানজটের সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল আরও সহজ করা যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।বাজার এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বাজারে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলা এবং নির্দিষ্ট জায়গায় বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাজারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানান তিনি।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহারাজগঞ্জ বাজারকে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিকভাবে গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বাজারের বর্তমান সমস্যা চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে যানজট নিয়ন্ত্রণ, বাজারের পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাজার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি ক্রেতাদের জন্যও যাতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।মহারাজগঞ্জ বাজারের উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণের পাশাপাশি যানজট সমস্যা কমাতে প্রশাসনিকভাবে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর এই আচমকা বাজার পরিদর্শনকে ঘিরে এদিন মহারাজগঞ্জ বাজারে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা যায়। বাজারের বিভিন্ন সমস্যা সরেজমিনে দেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের।
 টমটমে ফেলে যাওয়া ৩ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার!

টমটমে ফেলে যাওয়া ৩ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১ তারিখ নিরঞ্জন দেবনাথ পরিবার নিয়ে গোর্খা বস্তি পিএন কমপ্লেক্স থেকে রেল স্টেশনে যাওয়ার পথে টমটমে একটি ব্যাগ ফেলে যান। ব্যাগে ছিল ২ জোড়া চুড়ি, সোনার চেন ও মঙ্গলসূত্র - ওজন প্রায় ২ ভরি, বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। খবর পেয়ে IT ভবনের CCTV ফুটেজ বিশ্লেষণ করে SI জয়নাল হোসেনের তৎপরতায় গাড়ি শনাক্ত ও চালকের বাড়ি থেকে সমস্ত গয়না উদ্ধার করে পুলিশ। চালক নিজেও জানতেন না ব্যাগটি সিটের পিছনে পড়ে ছিল। আজ প্রকৃত মালিকের হাতে গয়না তুলে দিল এনসিসি থানার পুলিশ।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন ওসি পরিতোষ দাস
 তেলিয়ামুড়ায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু!

তেলিয়ামুড়ায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু!

নিজস্ব প্রতিনিধি:তেলিয়ামুড়া থানাধীন আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কের তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাসক কার্যালয়ের সংলগ্ন জারুইল বাড়ি এলাকায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। জানা গেছে, একটি বহিরাজ্যের গাড়ির পেছনে আচমকাই ধাক্কা মারে একটি বাইক। দুর্ঘটনায় বাইকে থাকা দু’জন আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
 ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা

ত্রিপুরার উন্নত মানের চা এবার ইউরোপের বাজারে , দুর্গাবাড়ি চা কারখানা থেকে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা রপ্তানির আনুষ্ঠানিক সূচনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:ত্রিপুরার চায়ের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রাজ্যের উন্নত মানের চা এবার পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। শুক্রবার আগরতলার দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩.৩১ মেট্রিক টন উন্নত মানের ত্রিপুরার চা ইউরোপের দেশগুলিতে পাঠানোর প্রক্রিয়ার সূচনা করা হয়।এই উপলক্ষে দুর্গাবাড়ি চা কারখানা প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরার চায়ের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তারের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই ইউরোপের উদ্দেশ্যে চা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।ত্রিপুরার চা দীর্ঘদিন ধরেই তার গুণমান ও স্বাদের জন্য পরিচিত। রাজ্যের পাহাড়ি ও সবুজ পরিবেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার চায়ের চাহিদা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের বাজারে এই বিপুল পরিমাণ চা পাঠানোর উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।চা রপ্তানির ফলে রাজ্যের চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত চা শ্রমিক, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ত্রিপুরার চা’-এর পরিচিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজ্যের চা শিল্প ভবিষ্যতে আরও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।দুর্গাবাড়ি কেন্দ্রীয় চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ২৩.৩১ মেট্রিক টন চা পাঠানোর এই আনুষ্ঠানিক সূচনা তাই ত্রিপুরার চা শিল্পের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজ্যের উৎপাদিত উন্নত মানের চা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ত্রিপুরার চা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
 জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন

জলিলুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে তৎপর জমিয়ত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :তেলিয়ামুড়ার ঘিলাতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত জলিলুর রহমানের মৃত্যু ও গরু চুরির ঘটনাকে ঘিরে এবার সরব হলো ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে তেলিয়ামুড়া থেকে ঘিলাতলী এলাকায় গিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জমিয়তের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মৃত জলিলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। মৃতের পিতা-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শোনেন এবং কী পরিস্থিতিতে জলিলুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও পরিবারের বক্তব্যও খতিয়ে দেখেন তারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর প্রতিনিধি দলটি তেলিয়ামুড়া থেকে আগরতলায় ফিরে আসে। এরপর আগরতলার গেদু মিয়া মসজিদে ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে জমিয়তের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরি এবং জলিলুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে যে তথ্য তারা পেয়েছেন, সেই বিষয়গুলিও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা।জমিয়তের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক এবং ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে মৃতের পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়েও প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়।এর আগে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে কল্যাণপুর থানার ওসির কাছেও ডেপুটেশন প্রদান করে জমিয়তের প্রতিনিধি দল। জমিয়তের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।জমিয়তের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মুফতি তৈয়ীবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক চান মিয়া-সহ অন্যান্য সদস্যরা।জলিলুর রহমানের মৃত্যু এবং ঘিলাতলী এলাকার গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর জমিয়তের সাংবাদিক সম্মেলনের ফলে বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। এখন পুলিশের তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং প্রকৃত ঘটনা কীভাবে প্রকাশ্যে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে নমিনেশন প্রত্যাহার করেন ৫৪ জন

চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে নমিনেশন প্রত্যাহার করেন ৫৪ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামনেই ভিলেজ কমিটি নির্বাচন সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে চড়িলাম বিধানসভার অন্তর্গত বাতান মোরা, রামনগর, রংমালা, পদ্ম নগর এবং আমতলী কেন্দ্র থেকে মথা, কংগ্রেস এবং বিভিন্ন দল থেকে মোট ১৩৬ নমিনেশন দাখিল করেন। শুক্রবার ছিল নমিনেশনের পথ হার করা শেষ দিন এই দিনে বিভিন্ন দল থেকে মোট ৫৪ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে চড়িলাম ব্লকের বিডিও কৃতিকা সাহা সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে বিভিন্ন দল থেকে প্রত্যাহার করা বিষয়টি তুলে ধরেন।
নিখোঁজ পড়ুয়াকে উদ্ধারে সাফল্য পুলিশের !

নিখোঁজ পড়ুয়াকে উদ্ধারে সাফল্য পুলিশের !

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে ভিন রাজ্যে চলে যাওয়া, এক স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে ৬০ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করে ছেলেটির পরিবারের হাতে তুলে দিল।নিজের ছেলে সন্তানকে পুনরায় হাতে তুলে দেওয়ায় পুলিশ, প্রশংসায় পঞ্চমুখ সন্তানের পিতা-মাতা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর থানা এলাকার সীমান্ত গ্রাম যাত্রাপুর পাড়ার ৩ নং ওয়ার্ডের বসবাসরত পরিবারের ১৪ বছরের ছেলে রফিউল হোসেন নামে ছেলেটি সকালবেলায় মা-বাবাকে প্রাইভেট টিউশনিতে পড়তে যাওয়ার কথা বলে একেবারে চলে যায় আগরতলার রেল স্টেশনে। আসাম গামী রেলওয়েতে করে চলে যায় শিলচর স্টেশনে। ওখানে গিয়ে ঘোরাফেরা করে, তখনই সন্দেহ হয় শ্রীকোনা আউটপুস্টের পুলিশের। তার সাথে তখন কথাবার্তা বলে, সন্দেহ পুলিশের সন্দেহ আরো গণিভুত হয়। ছেলেটির স্কুল ইউনিফর্মে ফোন নাম্বার ছিল। এই ফোন নাম্বার থেকে পুলিশ প্রথমে ফোন করে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং পরবর্তী সময় যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিকের সাথে কথা বলে। সঙ্গে সঙ্গে ওসি ছেলেটির বাবা কে সঙ্গে নিয়ে দুজন পুলিশ পাঠায় নির্দিষ্ট স্থানের উদ্দেশ্যে। ছেলেটি বাঁশপুকুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। এদিকে, যেদিন উধাও হয়ে যায় বাড়ি থেকে, পিতা মাতা আত্মীয়-স্বজন সবাই খোঁজাখুঁজি করার পর না পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ৯ই সেপ্টেম্বর বিকেল বেলায় যাত্রাপুর পুলিশের কাছে ছেলেটিকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য আবেদন জানান। ছেলেটি বাড়ি থেকে সকালবেলায় প্রাইভেট টিউশনিতে যাওয়ার পূর্বে দুই পৃষ্ঠার একটা লেখা টেবিলের উপরে রেখে যায়। লেখাতে স্পষ্ট রয়েছে তার জন্মদাতা পিতা নাকি সব সময় তার উপর অত্যাচার চালায়, মারধর করে ইত্যাদি। কিন্তু, যাত্রাপুর থানা থেকে যখন ছেলেটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার আত্মীয়-স্বজন খবর পেয়ে আসেন তখন ছেলেটির পিঠা স্পষ্ট বলছেন না, এই জাতীয় ঘটনা কোনদিন হয় নাই! এখন দেখার বিষয়, আদৌ কি জন্মদাতা পিতার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যাওয়াটা সঠিক হল! এক বিরল ঘটনার সাক্ষী রাখল অপ্রাপ্তবয়স্ক এই ছেলেটি!এদিকে যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক জানান, দেখুন আমি সঙ্গে সঙ্গে দুজন পুলিশ পাঠিয়েছি এবং এদের সাথে ছিল ছেলেটির পিতা এবং ছেলের মামা। চারজনের একটি টিম শিলচর গিয়ে পুলিশের কাছ থেকে উদ্ধার করে এই কিশোর টিকে। যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক আরো জানান, ছেলেটির প্রতি যাতে তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয় তার জন্য পরিবারের বিশেষ করে পিতার প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও এর পেছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে আছে কিনা পুলিশ খোঁজখবর নেবেন, এমনটাই যাত্রাপুর থানার ওসি জানালেন।
চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

চার মাস ধরে বেতন নেই, নিয়োগ ও বঞ্চনার অভিযোগ—শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন মিড-ডে মিল কর্মীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি ,আগরতলা : শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন প্রদান করল ত্রিপুরা মিড-ডে মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (CITU অনুমোদিত)। বুধবার সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।ডেপুটেশনে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়। সংগঠনের অভিযোগ, মিড-ডে মিল কর্মীদের টানা চার মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নতুন ওয়ার্কার নিয়োগ না হওয়ায় কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, কাজের তুলনায় পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম এবং নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দুর্গাপূজার সময়ও অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, কিন্তু সেই অনুযায়ী বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে যে সুযোগ-সুবিধাগুলি পাওয়া যেত, বর্তমানে তার অনেকটাই বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।এদিনের ডেপুটেশন থেকে সংগঠনের নেতৃত্ব বর্তমান বিজেপি সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক কারণে সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত কর্মী-সমর্থকদেরও বিভিন্ন জায়গায় বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। তবে এগুলি সংগঠনের পক্ষ থেকে করা অভিযোগ—এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে।মিড-ডে মিল কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য রান্না ও খাবার পরিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ তাঁদের নিজেদের বেতনই যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে তাঁদের পরিবার কীভাবে চলবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।সংগঠনের দাবি, অবিলম্বে চার মাসের বকেয়া বেতন প্রদান, প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন মিড-ডে মিল ওয়ার্কার নিয়োগ এবং কর্মীদের কাজের উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
 চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

চোরাই সামগ্রীর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ উদ্ধার! এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের অভিযান!

নিজস্ব প্রতিনিধি: চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদ বাজেয়াপ্ত করল এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে চোরাই বলে সন্দেহ করা বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে এসির পাইপ, কারেন্টের তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র।তবে চোরাই সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিলিতি মদও পুলিশের হাতে আসে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের প্রচুর কার্টুন উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও মদের উৎস কোথায় এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

বিশ্রামগঞ্জ আরডি অফিসের সামনে দুই ঠিকেদারের উপর হামলায় অবশেষে পুলিশ দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত২৪ আগস্ট বিশ্রামগঞ্জ আর ডি ডিভিশন অফিসের সামনে একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হয় বিশালগড়ের ঠিকাদার প্লাবন সাহা এবং তার সঙ্গী সাগর নাথ। তাদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ শত প্রণোদিত ভাবে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা নে যার নম্বর ৩১/ ২০২৬। আসামিরা এতদিন ধরে পালিয়ে ছিল। বুধবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা ননজলা এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে দুই অভিযুক্ত সুরেন্দ্র রিয়ান এবং ফণী রায় দেববর্মাকে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার লক আপে পুড়ে দেয়। তাদেরকে বুধবার দিনই বিশালগড় মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি  আজিত দেববর্মা। তিনি বলেছেন বাকি রাও আটক হবে আইন আইনের পথে চলবে

Top News

View All →